হিন্দুধর্ম

ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপক প্রচলিত ধর্মবিশ্বাস

হিন্দুধর্ম (বা সনাতন ধর্ম) ভারতীয় উপমহাদেশীয় আধ্যাত্মিক প্রাকৃতিক ধর্ম[১] হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ স্বীয় ধর্মমতকে সনাতন ধর্ম (सनातन धर्म:) নামেও অভিহিত করেন।[২][৩] যার অর্থ চিরন্তনকে ধারণ করা[৪] হিন্দুধর্মের সাধারণ "ধরনগুলির" মধ্যে ইতিহাস পুরানবৈদিক হিন্দুধর্ম থেকে বৈষ্ণবধর্মের অনুরূপ ভক্তিবাদী ধারার মতো একাধিক জটিল মতবাদগুলির সমন্বয়ের এক প্রচেষ্টা লক্ষিত হয়। যোগ, কর্মযোগ ধারণা, ও হিন্দু বিবাহের মতো বিষয়গুলিও হিন্দুধর্মের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

এই ধর্মের কোনো একক প্রতিষ্ঠাতা নেই। অনাদি কাল থেকে এই পরম্পরা চলে আসছে[৫]লৌহযুগীয় ভারতের ঐতিহাসিক বৈদিক ধর্মে এই ধর্মের শিকড় নিবদ্ধ। হিন্দুধর্মকে বিশ্বের "প্রাচীনতম জীবিত ধর্মবিশ্বাস"[৬] বা "প্রাচীনতম জীবিত প্রধান মতবাদ"[৭][৮][৯][১০] আখ্যা দেওয়া হয়।

হিন্দুধর্মকে বলা হয় পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্ম। কারণ এটি প্রাচীনযুগে আর্বিভূত হয়েছে। [note ১] এবং ধর্মাবলম্বীরা একে সনাতন ধর্ম ("চিরন্তন নিয়ম বা চিরন্তন পথ") বলে আখ্যায়িত করেন, যার শুরুও নেই শেষও নেই ।[১১]। পশ্চিমা পন্ডিতরা হিন্দুধর্মকে বিভিন্ন ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের [১২][note ২] সংমিশ্রণ[note ৩] এবং সংশ্লেষণ[১৩][note ৪] হিসেবে গন্য করেন যার মূলে একক কোন ব্যক্তির অবদান নেই[১৪] এবং এর একাধিক উৎপত্তি উৎস রয়েছে[১৫][note ৫]। এটি সনাতনি বা চিরন্তন কর্তব্যের কথা যেমন সততা, অহিংসা, ধৈর্যশীলতা, সমবেদনা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আরও অনেক মানবিক উৎকর্ষ জনক উপায়ের কথা বলে। এবং বাহ্যিক আচার বিচারের থেকে পরম সত্যের জ্ঞানকে সর্বদাই মুখ্য স্থান দেয়।[web ১][১৬]

হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে আছে (কিন্তু এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়) পুরুষার্থ, যা মানব জীবনের সঠিক উদ্দেশ্য। এর মধ্যে আছে ধর্ম (নীতি), অর্থ, কাম এবং মোক্ষ যার অর্থ, জন্ম মৃত্যুর পুন: পুন: জন্ম(ইহলোকে বা স্বর্গাদি অন্যলোকে) থেকে মুক্তি)[১৭][১৮]; কর্ম (কাজ, অভিপ্রায় ও ফল); এবং বিভিন্ন ধরনের যোগ সাধনা (মোক্ষ লাভের পথ)। হিন্দুদের নিত্যকর্মের তালিকায় আছে পূজা, অর্চনা, ধ্যান, পারিবারিক সংস্কার , বার্ষিক অনুষ্ঠান এবং তীর্থযাত্রা। কেউ কেউ সমাজ ও সভ্য জগতে ঐহিক সুখ ছেড়ে পারমার্থিক শান্তির আশায় ও মোক্ষ লাভের উদ্দেশ্যে সন্ন্যাস গ্রহণ করে।[১৯][২০]

জনসংখ্যার বিচারে হিন্দুধর্ম খ্রিষ্টধর্মইসলামের পরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মমত। এই ধর্মের অনুগামীদের সংখ্যা ১৩৫ কোটি। এদের মধ্যে ১১৫ কোটি হিন্দুমতে বিশ্বাসী মানুষ বাস করেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে[২১][২২] এছাড়া বাংলাদেশে (১কোটি ৩০ লক্ষ), নেপাল (৩৩,০০০,০০০), মরিশাস (২৫০,০০০) ও ইন্দোনেশীয় দ্বীপ বালিতে ( ৩০০,০০০) উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় হিন্দুরা বাস করেন।

হিন্দুধর্মের শাস্ত্রগ্রন্থের সংখ্যা প্রচুর। হিন্দুশাস্ত্র শ্রুতিস্মৃতি নামে দুই ভাগে বিভক্ত। এই গ্রন্থগুলিতে ধর্মতত্ত্ব, দর্শনপুরাণ আলোচিত হয়েছে এবং ধর্মানুশীলন সংক্রান্ত নানা তথ্য বিবৃত হয়েছে। এই গ্রন্থগুলির মধ্যে বেদ সর্বপ্রাচীন, সর্বপ্রধান ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলি হল উপনিষদ্‌, পুরাণ, ও ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণমহাভারতভগবদ্গীতা নামে পরিচিত মহাভারতের কৃষ্ণ-কথিত একটি অংশ বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা পেয়ে থাকে।[২৩]

ব্যুৎপত্তি

 
কারাকোরাম রাজপথ উত্তর পাকিস্তানে সিন্ধু নদী অতিক্রম করেছে

হিন্দু শব্দটি এসেছে ইন্দো-আর্য সংস্কৃত সিন্ধু শব্দটি থেকে। সিন্ধু ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক নদীর নাম।[২৪] ঐতিহাসিকভাবে সিন্ধুনদের পূর্বে বর্তমান ভারতকেই হিন্দুদের ভূমি বলে বর্ণনা করা হয়েছে।[২৫] পরবর্তীকালের আরবি সাহিত্যেও আল-হিন্দ শব্দটির মাধ্যমে সিন্ধু নদ অববাহিকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে।[২৬] ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ভারতের নামের সমার্থক শব্দ হিসেবে হিন্দুস্তান বা হিন্দুস্থান শব্দটির উৎপত্তি হয়। এই শব্দের আক্ষরিক অর্থ "হিন্দুদের দেশ"।[২৭]

প্রথমদিকে হিন্দু শব্দটি ধর্মনির্বিশেষে ভারতীয় উপমহাদেশের সকল অধিবাসীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। কেবলমাত্র চৈতন্যচরিতামৃতচৈতন্য ভাগবত ইত্যাদি কয়েকটি ষোড়শ-অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থে যবন বা ম্লেচ্ছদের থেকে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের পৃথক করার জন্য শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে।[২৮] অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ইউরোপীয় বণিক ও ঔপনিবেশিক শাসকেরা ভারতীয় ধর্মবিশ্বাসগুলির অনুগামীদের একত্রে হিন্দু নামে অভিহিত করে। ধীরে ধীরে এই শব্দটি আব্রাহামীয় ধর্মসমূহ অথবা অবৈদিক ধর্মবিশ্বাসগুলির (যেমন জৈনধর্ম, বৌদ্ধধর্মশিখধর্ম) অনুগামী নন এবং সনাতন ধর্ম নামক ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এমন সকল ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে পড়ে।[২৯][৩০]

ইংরেজি ভাষাতে ভারতের স্থানীয় ধর্মীয়, দার্শনিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলি বোঝাতে হিন্দুইজম বা হিন্দুধর্ম কথাটি চালু হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে।[৩১]

সংজ্ঞা

 
মঙ্গল মহাদেব, গঙ্গা তলাও এ ১০৮ ফুটের শিবের মূর্তি, মরিশাস

সার্বিক সহিষ্ণুতা থেকে মতবৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য ও হিন্দুধর্মের রক্ষণশীল উদারতা ধ্রুপদী পাশ্চাত্য চিন্তাধারায় এই ধর্মের সংজ্ঞা নিরুপণের প্রধান বাধাস্বরূপ।[৩২] হিন্দুধর্ম মূলত একটি ব্যবহারিক ধর্মচেতনা। একাধিক প্রথা, সংস্কার ও আদর্শ এতে সন্নিবেশিত। তাই অনেকের মতে এই ধর্মের একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করা বেশ অসুবিধাজনক।[৩৩] সেই কারণে ‘রিলিজিয়ন’ বা ধর্ম অপেক্ষা ‘রিলিজিয়াস ট্র্যাডিশন’ বা ধর্মসংস্কার হিসেবেই একে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংজ্ঞায়িত করা হয়।[১] এই বৈশিষ্ট্য হিন্দুধর্মকে বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মবিশ্বাসের পাশাপাশি বিশ্বের সর্বাধিক বৈচিত্র্যপূর্ণ ধর্মের শিরোপাও দান করেছে।[৭][৩৪][৩৫][৩৬] অধিকাংশ ধর্মীয় সংস্কার পবিত্র ধর্মশাস্ত্র বেদ হতে সঞ্জাত। যদিও এর ব্যতিক্রমও দুর্লভ নয়। কোনো কোনো সংস্কার অনুসারে মোক্ষ বা পারত্রিক মুক্তিলাভের জন্য কিছু প্রথানুষ্ঠান অপরিহার্য। যদিও এই ব্যাপারেও মতানৈক্য বিদ্যমান। কোনো কোনো হিন্দু দার্শনিক মহাবিশ্বের সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের পশ্চাতে এক অস্তিবাদী পরাসত্তার সন্ধান করে ফেরেন, আবার কোনো কোনো হিন্দু নাস্তিকতার চর্চা করে থাকেন। হিন্দুধর্ম কর্মফলের ভিত্তিতে পুনর্জন্মবাদে বিশ্বাস রাখে। মোক্ষ এই ধর্মে জন্ম ও মৃত্যুর চক্রাকার বৃত্ত থেকে মুক্তিরই অপর নাম। যদিও হিন্দুধর্মের ক্ষেত্রের বাইরে বৌদ্ধজৈনধর্মও এই মতবাদে বিশ্বাস রাখে।[৩৩] এই কারণে হিন্দুধর্মকে মনে করা হয় বিশ্বের জটিলতম ধর্মবিশ্বাসগুলির অন্যতম।[৩৭] এই জটিলতা ব্যতিরেকেও হিন্দুধর্ম যে শুধুমাত্র একটি সংখ্যাগতভাবে সুবৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মচেতনা তাই নয়, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে প্রচলিত এই ধর্মবিশ্বাস পৃথিবীর অধুনা বর্তমান ধর্মগুলির মধ্যে প্রাচীনতমও বটে।[৩৮]

ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি তথা বিশিষ্ট দার্শনিক সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন হিন্দুধর্মের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে একে “একটি বিশ্বাসমাত্র” বলতে অস্বীকার করেন। বরং এই ধর্মের যুক্তি ও দর্শনের দিকটি বিচার করে তিনি খোলাখুলিভাবেই এই মত ব্যক্ত করেন যে হিন্দুধর্মের সংজ্ঞা দান করা অসম্ভব। শুধুমাত্র এই ধর্ম অনুশীলনই করা যায়।[৩৯] তেমনই কোনো কোনো পণ্ডিত সুসংজ্ঞায়িত ও রক্ষণশীল ধর্মীয় সংগঠন না বলে হিন্দুধর্মকে “অস্পষ্ট সীমানায়” বর্গায়িত করার পক্ষপাতী। কয়েকটি ধর্মমত হিন্দুধর্মে কেন্দ্রীয়। অন্যগুলি ঠিক কেন্দ্রীয় না হলেও এই পরিসীমার আওতার মধ্যেই পড়ে। এরই ভিত্তিতে ফেরো-লুজি হিন্দুধর্মের সংজ্ঞায়নে একটি “উদাহরণমূলক তাত্ত্বিক অন্বেষণ” (“প্রোটোটাইপ থিওরি অ্যাপ্রোচ”) চালিয়েছেন।[৪০]

উনবিংশ শতকে হিন্দু পুনর্জাগরণবাদীগণ ‘হিন্দু-ইজম’ শব্দটির প্রয়োগ শুরু করার পর থেকেই হিন্দুধর্ম একটি বিশ্বধর্ম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।[২] এছাড়াও শব্দটির প্রাথমিক প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন পশ্চিমা প্রাচ্যবিদ বা ‘প্রথম যুগের ভারততত্ত্ববিদগণ’, যাঁদের বক্তব্য সাধারণত একপেশে ছিল বলে মনে করা হয়। যদিও হিন্দুধর্মের শিকড় ও তার বিভিন্ন শাখাপ্রশাখার প্রাচীনত্বের ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। সকলেই স্বীকার করেছেন যে প্রাগৈতিহাসিক সিন্ধু সভ্যতা থেকে ঐতিহাসিক বৈদিক সভ্যতার প্রাথমিক পর্ব জুড়ে ছিল হিন্দুধর্মের সূচনালগ্ন।[৪১] কেবলমাত্র ধর্মবৈভিন্ন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বৈদিক সংস্কারের ভিত্তিতে হিন্দুধর্মের একটি রূপ দান করেছেন পশ্চিমা প্রাচ্যবিদগণ – এমন কথাও বলেছেন কেউ কেউ। কিন্তু তা সত্য নয়।[৪২][৪৩][৪৪]

সংজ্ঞা বা ‘হিন্দুইজম’ বা হিন্দুধর্ম শব্দটির দ্বারা কি বোঝায় তা এই কারণেই বলা সম্ভব নয় যে এই ধর্মের কোনো একক প্রতিষ্ঠাতা নেই। হিন্দুধর্মে, বা কারো কারো ভাষ্য অনুযায়ী হিন্দুধর্মসমূহে মোক্ষলাভের প্রণালীটি এক এক সম্প্রদায়ের নিকট এক এক প্রকার। বৈদিক ধর্মের যে রূপগুলি পরিলক্ষিত হয়, তা হিন্দুধর্মের বিকল্প নয় - বরং তার প্রাচীনতম রূপ। তাই পশ্চিমা প্রাচ্যবিদদের লেখায় বৈদিক ধর্ম, ব্রাহ্মণ্যবাদ ও হিন্দুধর্মের মধ্যে যে প্রভেদ দেখানো হয়ে থাকে তারও বিশেষ যুক্তি নেই।[১০][৪৫] কেউ কেউ মনে করেন, হিন্দুধর্মে কোনো “অনুশাসনের আকারে নিবদ্ধ কোনো একক ধর্মীয় বিশ্বাস” প্রচলিত নেই। এই জন্য ইসলামের বিরাট সংগঠনের পাশে এটিকে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ধর্মব্যবস্থা বলে অভিহিত করা হয়। আবার কেউ কেউ ইহুদি ধর্মের সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ একাত্মতার কথাও বলে থাকেন।[৩৩]

পাশ্চাত্য দৃষ্টিকোণ থেকে, ধর্ম কি এবং কিভাবে তা আরও প্রাচীন ধর্মবিশ্বাসগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত তারই বিচারে হিন্দুধর্মকে যাচাই করা হয়।[৪৬] ‘ধর্মবিশ্বাস’ (‘ফেইথ’) শব্দটি ‘ধর্ম’ (‘রিলিজিয়ন’) অর্থে প্রয়োগের ফলে এই বিষয়ে জটিলতা বৃদ্ধি পায়।[৩৩] কোনো কোনো পণ্ডিত[৪৭] এবং অনেক হিন্দু দেশীয় ‘সনাতন ধর্ম’-এর সংজ্ঞাটির পক্ষপাতী। এই সংস্কৃত শব্দবন্ধটির অর্থ ‘চিরন্তন ধর্ম (বিধি)’ বা ‘চিরন্তন পন্থা’।[২][৪৮]

শ্রেণীকরণ

হিন্দুধর্ম আজ একাধিক শাখায় বিভক্ত। অতীতে এই ধর্ম ছয়টি দর্শনে বিভক্ত ছিল। বর্তমানে এগুলির মধ্যে কেবল বেদান্তযোগেরই[৪৯] অস্তিত্ব আছে। দেবতার উপাসনার উপর ভিত্তি করে প্রধান বিভাগগুলি হল বৈষ্ণবধর্ম, শৈবধর্ম, স্মার্তবাদশাক্তধর্ম[৫০][৫১] এছাড়াও হিন্দুধর্ম একাধিক ঐশ্বরিক শক্তিতে বিশ্বাস করে। অনেক হিন্দুই বিশ্বাস করে দেবতারা একক, নৈর্ব্যক্তিক যা ঈশ্বরের চূড়ান্ত সরূপ। আবার কিছু হিন্দু মনে করেন যে একটি নির্দিষ্ট দেবতা সকল দেবতার প্রধান এবং বিভিন্ন দেবদেবীরা বিভিন্ন রূপ প্রকাশের মাধ্যমে তারই প্রতিনিধিত্ব করে।[৫২]

একাধিক ছোটো বিভাগ বা উপবিভাগ লক্ষিত হয়, যাদের অনেকগুলিই পরস্পরের সঙ্গে অংশত যুক্ত। তবে আজকের হিন্দুরা মোটামুটিভাবে পূর্বোক্ত চারটি প্রধান শাখার কোনো না কোনো একটির সদস্য। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাস, আত্মার পুনরায় দেহধারণ এবং কর্মফল সেইসাথে ধর্ম বিশ্বাস (দায়িত্ব, অধিকার, আইন, আচার, গুণাবলী এবং বেঁচে থাকার সঠিক পথ নির্দেশনার সমস্টি)।

২০০৭ সালে অধিকতর জটিল ও সূক্ষ্ম বিবেচনার নিরিখে একাধিক মতের বিভিন্নতা ও বৈচিত্র্যের দিকটি বিচার করে ম্যাকড্যানিয়েল - হিন্দুধর্মের ছয়টি জাতিগত "ধরন" বের করেন। এই বিভাগগুলি হলঃ[৫৩]

মাইকেলস তিনটি হিন্দু ধর্ম এবং হিন্দু ধার্মিকতার চারটি ধরন আলাদা করেন।[৫৪] তিনটি হিন্দু ধর্মের ধরন হলঃ- "ব্রাহ্মন-সাংস্কৃতিক হিন্দুধর্ম", "লৌকিক ও উপজাতীয় ধর্ম" এবং "প্রতিষ্ঠিত ধর্ম"।[৫৪] হিন্দু ধার্মিকতার চারটি রূপ হল প্রাচীন শাস্ত্রীয় "কর্মফল মার্গ",[৫৪] জ্ঞান মার্গ,[৫৪] ভক্তি মার্গ,[৫৪] এবং সর্বশেষটি হল "বীরত্বমূলক" যার মূলে রয়েছে সামরিক ঐতিহ্য। সামরিক ঐতিহ্যভিত্তিক বীরত্বমূলক ধর্মের একটি উদাহরন হল রাম যাকে বিষ্ণুর অবতার বলা হয়।[৫৫] এরূপ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল রাজনৈতিক হিন্দুধর্ম[৫৪] "বীরত্বমূলক" ধর্মের অপর নাম বীর্য মার্গ[৫৪]

মাইকেলের মত অনুযায়ী, নয় জন হিন্দুর মধ্যে অন্তত একজন জন্ম থেকে এক বা উভয় "ব্রাহ্মন-সাংস্কৃতিক হিন্দুধর্ম" বা "লৌকিক ও উপজাতীয় ধর্ম" অনুসারি হয় (অনুশীলন বা অ-অনুশীলন যাই হোক না কেন)। তিনি হিন্দুদের ধর্ম অনুশাসন বেছে নেবার উপর ভিত্তি করে শ্রেণীকরণ করেন এবং দেখেন যে সবাই "প্রতিষ্ঠিত ধর্মের" একাধিক শাখার যে কোন একটি বাছাই করে। যেমন বৈষ্ণব এবং শিব উপাসক হন। সেই সাথে যদিও ব্রাহ্মণ-সাংস্কৃতিক ধারার পূজা পদ্ধতি করা হয় তবুও পুরোহিত ব্রাহ্মণদের উপর জোর কম দেয়া হয় (যেহেতু গুনার্জনের দ্বারা যে কেউই ব্রাহ্মণের মত পূজা করতে পারে)। তিনি আরও উল্লেখ্য করেন যে "প্রতিষ্ঠিত ধর্মের" অংশ হিসেবে বৌদ্ধ, জৈনধর্ম, শিখধর্ম রয়েছে তবে তারা এখন স্বতন্ত্র ধর্ম হিসেবে পালিত হয়। তাছাড়া সৃষ্টিশীল বিশ্বাস নিয়ে আন্দোলন করা ব্রহ্মো সমাজ, ব্রহ্মবিদ্যা-সম্বন্ধীয় সমাজ, সেইসাথে বিভিন্ন "গুরু" এবং নতুন ধরনের ধর্মীয় আন্দোলনের পথিকৃত মহর্ষি মহেশ যোগী এবং আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ ইত্যাদি হল "প্রতিষ্ঠিত ধর্ম" ভিত্তিক বিভিন্ন সংস্থা, সমাজ বা ব্যক্তি।[৫৪] তাদের সকলেরই মূল হল প্রতিষ্ঠিত ধর্ম বা আদি ধর্ম।

হিন্দু দৃষ্টিভঙ্গি

সনাতন ধর্ম

বৈদিক ধর্ম

হিন্দু আধুনিকতাবাদ

আইনগত সংজ্ঞা

পাণ্ডিত্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি

বৈচিত্র্য এবং ঐক্য

বৈচিত্র্য

 
গণেশ হিন্দুদের অন্যতম বিখ্যাত ও সবচেয়ে পূজিত দেবতা

হিন্দুদের বিশ্বাস বিস্তৃত এবং বৈচিত্র্যময় এবং তাই হিন্দু ধর্মকে প্রায়শই একক ধর্মের পরিবর্তে ধর্মের পরিবার হিসাবে উল্লেখ করা হয়। [web ২] এই ধর্মের পরিবারের প্রতিটি ধর্মের মধ্যেই বিভিন্ন ধর্মতত্ত্ব, অনুশীলন ব্যবস্থা এবং পবিত্র গ্রন্থ রয়েছে। [web ৩][৫৬][৫৭][৫৮] [web ৪] হিন্দু ধর্মে "বিশ্বাস বা ধর্মের একীভূত বিশ্বাসের ঘোষিত কোন ব্যবস্থা নেই", [৫২] বরং এটি ভারতের ধর্মীয় বহুত্ববোধের বিশ্বাসের সমন্বিত একটি বিশাল শব্দ। [৫৯] [৬০] ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অনুসারে:

হিন্দু ধর্ম শব্দের একক সংজ্ঞা নিয়ে সমস্যাটির আরেকটি অংশটি হ'ল হিন্দু ধর্মের কোনও প্রতিষ্ঠাতা নেই। [৫২] এটি বিভিন্ন ঐতিহ্যের সংমিশ্রন [৬১] যার মধ্যে রয়েছে "ব্রাহ্মণ্যিক অর্থোপ্রেসি, ত্যাগের ঐতিহ্য এবং জনপ্রিয় বা স্থানীয় ঐতিহ্য"। [৫২]

হিন্দু ধর্মের জন্য একত্রী মতবাদ হিসাবে আস্তিক্যবাদ ব্যবহার করাও কঠিন, কারণ কিছু হিন্দু দর্শন সৃষ্টির একটি তত্ত্ববিদ্যাকে স্বীকার করে, অন্য হিন্দুরা নাস্তিক বা হয়েছে[৬২]

হিন্দুধর্মের মূল

ঐক্য

উপবিভাগ

 
দিল্লির স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দির, গিনেস বিশ্ব রেকর্ড অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বড় সর্বাঙ্গীণ হিন্দু মন্দির [web ৫]

ধর্মবিশ্বাস

হিন্দুধর্ম এমনই একটি মূলধারার ধর্মবিশ্বাস যা একটি সুবিস্তৃত ভৌগোলিক ক্ষেত্রে এক বহুধাবিভক্ত জাতিগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যে দিয়ে বিকাশলাভ করেছে। এই বিকাশলাভ সম্ভবপর হয়েছে মূলত দুটি পন্থায়: হিন্দুধর্মের পুরনো রীতিনীতির নবীকরণ এবং বহিরাগত রীতিনীতি ও সংস্কৃতি থেকে আত্মীকরণ। এর ফলে ধর্মীয় ক্ষেত্রে এক বিরাট বৈচিত্র্যময় সমাবেশ গড়ে উঠেছে। এই সমাবেশে যেমন স্থান পেয়েছে অসংখ্য ছোটো ছোটো আদিম ধর্মমত, তেমনই স্থান পেয়েছে সমগ্র উপমহাদেশে লক্ষাধিক মতাবলম্বী সমন্বিত প্রধান ধর্মসম্প্রদায়গুলিও। বৌদ্ধধর্ম বা জৈনধর্মের থেকে পৃথক ধর্মবিশ্বাসরূপে হিন্দুধর্মের পরিচিতিও তাই এই মতাবলম্বীদের অনুমোদনসাপেক্ষ বিষয়।[৬৩]

হিন্দু ধর্মবিশ্বাসের প্রধান উপাদানগুলি হল: ধর্ম (নৈতিকতা/কর্তব্য), সংসার (জন্ম-মৃত্যু-পুনর্জন্মের চক্র), কর্ম (ক্রিয়া ও তার প্রতিক্রিয়া), মোক্ষ (সংসার থেকে মুক্তি) ও বিভিন্ন যোগ (ধর্মানুশীলনের পন্থা)।[৬৪]

ঈশ্বর ধারণা

একেশ্বরবাদ, বহুদেববাদ,[৬৫] সর্বেশ্বরময়বাদ, অদ্বৈতবাদ, নাস্তিক্যবাদ – সকল প্রকার বিশ্বাসের সমাহার দেখা যায় হিন্দুধর্মে। তাই হিন্দুধর্মে ঈশ্বরধারণাটি অত্যন্ত জটিল। এই ধারণা মূলত নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহ্য অথবা দর্শনের উপর নির্ভরশীল। কখনও কখনও হিন্দুধর্মকে হেনোথেইস্টিক ধর্ম (অর্থাৎ, বহু দেবতা অস্তিত্ব স্বীকার করার পাশাপাশি এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী ধর্মব্যবস্থা) বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এধরনের বর্গীকরণ অতিসরলীকরণের নামান্তর।[৬৬]

হিন্দুরা বিশ্বাস করেন যে মানুষের আত্মা শাশ্বত।[৬৭] অদ্বৈত বেদান্তের ন্যায় অদ্বৈতবাদী/সর্বেশ্বরময়বাদী দর্শন অনুসারে, আত্মা সর্বশেষে পরমাত্মা ব্রহ্মে বিলীন হয়। এই কারণেই এই দর্শন অদ্বৈত দর্শন নামে পরিচিত।[৬৮] অদ্বৈত দর্শনের মতে, জীবনের উদ্দেশ্য হল আত্মা ও ব্রহ্মের অভিন্নতা অনুভব করা।[৬৯] উপনিষদে বলা হয়েছে, মানুষের পরমসত্ত্বা আত্মাকে যিনি ব্রহ্মের সঙ্গে অভিন্ন রূপে অনুভব করতে সক্ষম হন, তিনিই মোক্ষ বা মহামুক্তি লাভ করেন।[৬৭][৭০]

দ্বৈতভক্তিবাদী দর্শনে ব্রহ্মের উপর ব্যক্তিত্ব আরওপিত হয়েছে। এই মতানুসারে সম্প্রদায়বিশেষে তাকে বিষ্ণু, ব্রহ্মা, শিব বা শিবের অর্ধাঙ্গিনী রূপ শক্তি হিসেবে পূজা করা হয়। আত্মা এখানে ঈশ্বরের উপর নির্ভরশীল এবং মোক্ষ নির্ভরশীল ঈশ্বরের প্রতি প্রেম অথবা ঈশ্বরের অনুগ্রহের উপর।[৭১] পরমসত্ত্বা রূপে ঈশ্বর হিন্দুধর্মে ঈশ্বর (প্রভু[৭২]), ভগবান (পবিত্র ব্যক্তি[৭২]) বা পরমেশ্বর (সর্বোচ্চ প্রভু[৭২]) নামে আখ্যাত।[৬৮] অবশ্য ঈশ্বর শব্দের একাধিক ব্যাখ্যা রয়েছে। মীমাংসাবাদীরা ঈশ্বরে অবিশ্বাস করেন; আবার অদ্বৈতবাদীরা ব্রহ্মঈশ্বরকে অভিন্ন মনে করেন।[৬৮] অধিকাংশ বৈষ্ণব ঐতিহ্যে তিনি বিষ্ণু। বৈষ্ণব শাস্ত্রগুলি তাকে কৃষ্ণ বা কখনও কখনও স্বয়ং ভগবানের রূপে দর্শিয়েছে। আবার সাংখ্য দর্শন নাস্তিক্যবাদী মনোভাবাপন্ন।[৭৩]

দেবতা ও অবতারগণ

হিন্দুধর্মে দৈব ব্যক্তিত্বদের দেব (স্ত্রীলিঙ্গে দেবী) নামে অভিহিত করা হয়। বাংলায় দেবতা শব্দটি দেব শব্দের সমার্থক শব্দরূপে বহুল প্রচলিত। শব্দটির আক্ষরিক দৈব সত্ত্বা। আবার ইংরেজি ভাষায় শব্দটি গড শব্দের সমার্থক।[৭৪] হিন্দু সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হলেন হিন্দু দেবগণ। চিত্রকলা ও স্থাপত্যে মূর্তির আকারে এবং বিভিন্ন শাস্ত্রগ্রন্থে, বিশেষত ভারতীয় মহাকাব্যপুরাণে নানান উপাখ্যানে তাদের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঈশ্বরের থেকে এঁরা পৃথক। অনেক হিন্দুই তাদের ইষ্টদেবতার রূপে ঈশ্বরকে পূজা করে থাকেন।[৭৫][৭৬] ইষ্টদেবতার নির্বাচন ব্যক্তিগত,[৭৭] আঞ্চলিক বা পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে হয়ে থাকে।[৭৭]

হিন্দু মহাকাব্যে ও পুরাণের একাধিক কাহিনিতে বর্ণিত হয়েছে, কেমন করে দেবগণ মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়ে সমাজে ধর্ম সুরক্ষিত করেছেন এবং মানুষকে মোক্ষ পথে চালিত করেছেন। এই প্রকারের অবতীর্ণ রূপ অবতার নামে পরিচিত। হিন্দুধর্মে বিষ্ণুর অবতারগণ বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। রামায়ণের নায়ক রামমহাভারতের কেন্দ্রীয় চরিত্র কৃষ্ণ বিষ্ণুরই অবতার রূপে চিত্রিত।

কর্ম ও সংসার

কর্মের আক্ষরিক অর্থ হল কার্য, ক্রিয়া অথবা করণ এবং বলা যেতে পারে এটি হল "কারণ এবং করণের (কার্যের) নৈতিক ধর্ম"। উপনিষদ্ মতে একজন মানুষ (অর্থাৎ‍ জীবাত্মা) সংস্কার (লব্ধ জ্ঞান) অর্জন করে তার শারিরীক ও মানসিক কর্মের মধ্যে দিয়ে। মানুষের মৃত্যুর পর সমস্ত সংস্কারগুলি যথাযথ ভাবে তার লিঙ্গ-শরীরে (যে শরীর রক্ত-মাংসের শরীর থেকে সুক্ষ অথচ আত্মার থেকে স্থূল) বিদ্যমান থাকে এবং পরজন্মে তার সুনির্দিষ্ট কক্ষপথ তৈরী করে। সুতরাং, একটি সর্বজনীন, নিরপেক্ষ, এবং অব্যর্থ কর্মের ধারণা মানুষের পুনর্জন্মলাভের সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যক্তিত্ব, বৈশিষ্ট্য, এবং পরিবার সম্পর্কিত ধারণার সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি ও ভাগ্য প্রভৃতি ধারণাগুলিকে কর্ম একত্রে সংযুক্ত করেছে।

কার্য, কারণ, জন্ম, মৃত্যু এবং পুনর্জন্মের বৃত্তাকার পরম্পরাই হল সংসার। দেহধারণ এবং কর্মফল ধারণা সম্পর্কে হিন্দুধর্মে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ চিন্তার প্রকাশ দেখা যায়। শ্রীমদ্ভগ্বতগীতার দ্বিতীয় অধ্যায়ে বলা হয়েছে: বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়

নবানি গৃহ্নাতি নরোহপরাণি।

তথা শরীরাণি বিহায় জীর্ণা

ন্যন্যানি সংযাতি নবানি দেহী।

অর্থাৎ: মানুষ যেমন জীর্ণ-শীর্ণ পুরোনো বস্ত্রগুলি ত্যাগ করে অন্য নতুন বস্ত্র গ্রহণ করে, সেইরূপ জীবাত্মা পুরোনো শরীর ত্যাগ করে অন্য নতুন শরীর গ্রহণ করে।

যেখানে সংসার ক্ষণিকের আনন্দ দেয়, যা মানুষকে আরেকটি বিনাশশীল শরীর পরিগ্রহ করতে উত্‍সাহী করে। সেখানে মোক্ষ এই সংসারের গণ্ডী থেকে মুক্ত হয়ে চির আনন্দশান্তির বিশ্বাস প্রদান করে। হিন্দুধর্মের বিশ্বাস যে অনেকগুলি জন্মান্তরের পর অবশেষে জীবাত্মা মহাজাগতিক আত্মায় (ব্রহ্ম/পরমাত্মা) মিলিত হতে ব্যাকুল হয়।

জীবনের চরম লক্ষ্যকে (চরম লক্ষ্য বলতে এখানে মোক্ষ অথবা নির্বাণ অথবা সমাধি) বিভিন্ন ভাবে বোঝানো হয়েছে: যেমন ঈশ্বরের সঙ্গে একাত্মতার বোধ; যেমন ঈশ্বরের সঙ্গে অবিছ্যেদ্য সম্পর্কের বোধ; যেমন সমস্ত বস্তুর সম্পর্কে অদ্বৈত বোধ; যেমন আত্ম বিষয়ক বিশুদ্ধ নিস্বার্থতা ও জ্ঞান; যেমন নিখুঁত মানসিক শান্তিলাভ; এবং যেমন পার্থিব বাসনার থেকে অনাসক্তি বোধ। এই ধরনের উপলব্ধি মানুষকে সংসার এবং পুনর্জন্মের বন্ধন থেকে মুক্ত করে। আত্মার অবিনশ্বরতায় বিশ্বাস থাকার ফলে, মৃত্যুকে পরমাত্মার তুলনায় নেহাত্‍ই তুচ্ছ মনে হয়। অত:পর, একজন ব্যক্তি যার কোন ইচ্ছা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাকি নেই এবং জীবনের কোন দায়িত্বই বাকি নেই অথবা একটিও রিপু দ্বারা আক্রান্ত নয়, সে প্রায়োপবেশন (সংস্কৃত ভাষায় प्रायोपवेशनम्, যার আক্ষরিক অর্থ হল মৃত্যু কামনায় উপবাসের মাধ্যমে দেহত্যাগ) দ্বারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারে।

মোক্ষের ধারণা সংবলিত বিষয়গুলি বিভিন্ন হিন্দু দার্শনিক গোষ্ঠীগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন। উদাহরণ স্বরূপ, যেমন অদ্বৈত বেদান্তবাদীরা বিশ্বাস করে যে মোক্ষ লাভের পর একটি জীবাত্মা নিজেকে পরমব্রহ্ম ব্যতীত অন্য কিছু মনে করতে পারেনা। আবার দ্বৈতবাদীরা নিজেদের ব্রহ্মের অংশ বলে মনে করে, এবং মোক্ষ লাভের পর স্বর্গালোকে ঈশ্বরের সঙ্গে অনন্তকাল বাস করবে বলে বিশ্বাস করে। সুতরাং, এক কথায় বলা যায় যে যেখানে দ্বৈতবাদীরা চায় "চিনি খেতে", সেখানে অদ্বৈতবাদীরা চায় "চিনি হতে"।

আধ্যাত্মিক অনুশীলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য

আধ্যাত্মিক অনুশীলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল " মোক্ষ ", " নির্বান " বা " সমাধি " লাভ এবং হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন দিককে বিভিন্নভাবে বোঝা:

  • ঈশ্বরের সাথে আপনার একত্বকে উপলব্ধি করা
  • ঈশ্বরের সাথে আপনার চিরন্তন সম্পর্কের উপলব্ধি এবং তাঁর বাসভবনে ফিরে আসুন
  • ঈশ্বরের খাঁটি ভালবাসা অর্জন
  • সকলের মধ্যে ঈশ্বর সম্পর্কে সচেতনতা
  • আপনার সত্য আত্মা উপলব্ধি
  • নিখুঁত প্রশান্তি অর্জন
  • বৈষয়িক বাসনা থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা

মানব অস্তিত্বের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছার পরে, ব্যক্তি সংসার থেকে মুক্তি পায়, এভাবে পুনর্জন্মের চক্রের অবসান ঘটে [৭৮][৭৯] । মোক্ষের সঠিক সংজ্ঞা হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন চিন্তাবিদরা বিভিন্ন উপায়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, অদ্বৈত বেদান্ত বলে যে মোক্ষ লাভের পর আত্মা ব্যক্তি হিসাবে উপস্থিতি বন্ধ করে দেয় এবং নৈর্ব্যক্তিক ব্রাহ্মণের সাথে মিশে যায়। [৮০]

স্বর্গ এবং নরকের ধারণা

হিন্দু ধর্মের পুরাণিক সাহিত্যে নরকস্বর্গের ধারণাগুলি উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে অগণিত স্বর্গীয় এবং নরকীয় লোকের (গ্রহ) কথা বর্ণিত হয়েছে, যেখানে মৃতরা তাদের ভাল বা পাপী কাজের উপর নির্ভর করে পুরস্কৃত বা শাস্তি প্রাপ্ত হয়। যে আত্মা নরকের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অঞ্চলে পড়েছে সেখান থেকে খাদ্য ও জলের বলিদানের মধ্য দিয়ে উদ্ধার পেতে পারে, যা তার বাচ্চা এবং নাতি-নাতনিরা দ্বারা শেষ অবতারে চালিত করা উচিত। স্বর্গীয় বা নরকীয় গ্রহগুলিতে একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করার পরে, আত্মা বিভিন্ন উপাদান (পৃথিবী, জল, বায়ু, আগুন, ইথার এবং অন্যান্য আরও সূক্ষ্ম উপাদান) এর মধ্য দিয়ে যায় এবং অবশেষে ৮,৪০০,০০০ ধরনের দেহের মধ্যে একটিতে পুনর্বার জন্ম হয়। যা মহাবিশ্বকে পূর্ণ করে তোলে, এভাবে আত্ম-সচেতনতা অর্জনের জন্য একটি নতুন সুযোগ লাভ হয়। [৮১]

ধর্মগ্রন্থ

হিন্দুধর্ম "বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা আবিষ্কৃত আধ্যাত্মিক আইন সঞ্চিত কোষাগার"-এর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।[৮২][৮৩] লিপিবদ্ধ করার আগে বহু শতাব্দী ধরে, ধর্মগ্রন্থগুলি মুখস্থ বিদ্যার সাহায্যে পদ্য আকারে মুখে মুখে প্রেরিত হয়েছে।[৮৪] বহু শতাব্দী ধরে, ঋষিগণ ধর্মশাস্ত্রগুলিকে পরিবর্ধিত এবং তার শিক্ষাসমূহের পরিমার্জন করেছেন। বৈদিক পরবর্তী এবং বর্তমান হিন্দুদের বিশ্বাস, অধিকাংশ হিন্দু ধর্মগ্রন্থের সাধারণতঃ আক্ষরিক ব্যাখ্যা করা হয় না। অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয় সেগুলির সঙ্গে সংযুক্ত নৈতিকতা এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত রূপক অলংকারযুক্ত অর্থবাদে।[৮৫] অধিকাংশ পবিত্র গ্রন্থগুলি সংস্কৃত ভাষায় লিখিত। ধর্মগ্রন্থগুলি শ্রুতিস্মৃতি এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।

শ্রুতি

ঋগ্বেদ হল এক প্রাচীনতম ধর্মীয় গ্রন্থ। এইটি হল দেবনাগরী লিপিতে লিখিত হস্তলিখিত ঋগ্বেদ।

শ্রুতি (আক্ষরিক অর্থে: যা শুনতে হয় অর্থাৎ‍ শ্রোতব্য)[৮৬] বলতে প্রাথমিকভাবে বেদকে বোঝায়, যা হিন্দু ধর্মগ্রন্থের প্রাচীনতম সাক্ষ্যপ্রমাণ। যদিও বেশিরভাগ হিন্দু বেদকে শাশ্বত সত্য প্রকাশ হিসাবে এবং প্রাচীন মুণিদের (Ṛṣis) দ্বারা শ্রুত বলে সম্মান করে,[৮৩][৮৭] কিছু ভক্ত কোনও দেবতা বা ব্যক্তি বেদ সৃষ্টির সাথে সংযুক্ত নয় বলে মনে করে। তারা এটিকে আধ্যাত্মিক জগতের আইন হিসাবে মনে করে, যা ঋষিদের দ্বারা উদ্ভূত না হওয়া সত্ত্বেও এখনও বিদ্যমান।[৮২][৮৮][৮৯] হিন্দুদের বিশ্বাস, যেহেতু বেদের আধ্যাত্মিক সত্য শাশ্বত, সেহেতু সেগুলিকে অবিরত নতুন উপায়ে প্রকাশ করা সম্ভব।[৯০]

বেদ চার ভাগে বিভক্ত (ঋক, সাম, যজু এবং অথর্ব)। ঋগ্বেদ হল সর্বপ্রথম এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বেদ।[৯১] প্রত্যেক বেদ আবার চার ভাগে বিভক্ত: প্রাথমিক ভাগ, মূল বেদ, সংহিতা বর্তমান, যাতে পবিত্র মন্ত্র রয়েছে। অন্য তিনটি অংশ সাধারণত গদ্য আকারে গঠিত ত্রিস্তর আলোচনা সমাহার এবং সংহিতা থেকে বয়সে সামান্য পরবর্তীকালের বলে বিশ্বাস করা হয়। এগুলি হল: ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ্। প্রথম দুটি অংশকে পরবর্তীকালে কর্মকাণ্ড (আনুষ্ঠানিক অংশ) বলা হয়েছে, যেখানে শেষের দুইটি অংশ নিয়ে জ্ঞানকান্ড (শিক্ষামূলক অংশ) গঠিত।[web ৬] যেখানে বেদ ধর্মানুষ্ঠানের উপর কেন্দ্রীভূত, সেখানে উপনিষদ আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি ও দার্শনিক শিক্ষার উপর অধিশ্রিত, এবং ব্রহ্মজন্মান্তর বিষয়ে আলোচিত।[৮৫][৯২][৯৩]

বৃহদারণ্যক উপনিষদের একটি সুপরিচিত শ্লোক হল:

অসতো মা সদ্গময় ।
তমসো মা জ্যোতির্গময় ।
মৃত্যোর্ মা অমৃতম্ গময় ।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।

বঙ্গানুবাদ:

অবাস্তব থেকে বাস্তবে আমাদের পথপ্রদর্শন কর ।

অন্ধকার থেকে আলোকে আমাদের পথপ্রদর্শন কর ।
মৃত্যু থেকে অমরত্বে আমাদের পথপ্রদর্শন কর ।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ॥ [৯৪][note ৬]

স্মৃতি

 
নারদীয় পুরাণ নিসর্গ বলবিজ্ঞান বর্ণনা করে। এখানে দেখানো হয়েছে শেষনাগের উপর বিষ্ণু তাঁর সহধর্মিনী লক্ষ্মীর সঙ্গে যোগনিদ্রায় মগ্ন। এছাড়া নারদ এবং ব্রহ্মা-ও অঙ্কিত রয়েছে।

শ্রুতি ছাড়া অন্যান্য হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলিকে সামগ্রিকভাবে স্মৃতি (যে বিষয় স্মরণ করা হইয়াছে) বলা হয়। স্মৃতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল মহাকাব্যগুলি, যা মহাভারত এবং রামায়ণ ইত্যাদিতে নিহিত রয়েছে। ভগবদ্গীতা মহাভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং হিন্দুধর্মের একটি সবচেয়ে জনপ্রিয় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। এতে একটি মহান যুদ্ধ প্রাক্কালে রাজকুমার অর্জুনকে বলা, একজন বিষ্ণু অবতার, শ্রীকৃষ্ণ থেকে প্রাপ্ত দার্শনিক শিক্ষা রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ দ্বারা কথিত, ভগবদ্গীতা, বেদের সারাংশ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।[৯৫] তবে কখনও কখনও গীতোপনিষদ্ বলে উল্লেখিত, ভগবদ্গীতা, ঔপনিষদি্ক তত্ত্বের কারণে, বিভাগ হিসাবে, প্রায় শ্রুতির মধ্যেই ধরা হয়।[৯৬] স্মৃতির অন্তর্গত পুরাণ, যা বিভিন্ন অবিস্মরণীয় আখ্যায়িকা দ্বারা হিন্দু ধারণা চিত্রিত করে। এর অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য গ্রন্থগুলি হল দেবীমাহাত্ম্যম্, তন্ত্র, যোগসুত্র, তিরুমন্ত্রম্, শিবসূত্র এবং হিন্দু আগমমনুস্মৃতি হল একটি প্রচলিত নীতিগ্রন্থ, যা সামাজিক স্তরবিন্যাসের উপর নিবন্ধিত সামাজিক নিয়মাবলী, যা পরে ভারতীয় বর্ণাশ্রম তৈরি করতে সমাজকে সাহায্য করেছে।[৯৭]

ভগবদ্গীতা থেকে কর্মযোগ সম্বন্ধে একটি ধারণা বর্ণনার একটি সুপরিচিত শ্লোক ব্যাখ্যা করা হয় নিম্নরূপে - [৯৮][৯৯]

কর্মেই তোমার অধিকার, কর্মফলে কখনও তোমার অধিকার নাই ।

কর্মফল যেন তোমার কর্মপ্রবৃত্তির হেতু না হয়, কর্মত্যাগেও যেন তোমার প্রবৃত্তি না হয়॥ (অ: ২। শ্লোক ৪৭)

 
হাওয়াই কাউয়াই দ্বীপে একটি হিন্দু মন্দির যা উত্তর আমেরিকান মহাদেশে একমাত্র হিন্দু আশ্রম
 
কোনেশ্বরম মন্দির একটি ষষ্ঠ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের তামিল শৈব মন্দির, তিরুকোনামলাই, শ্রীলঙ্কা
 
অমরনাথ মন্দির, ৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে নির্মিত তীর্থ আকর্ষণ

ধর্মানুশীলন

ধর্মানুষ্ঠান

ভক্তি

ভক্তি বলতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তের অচলা প্রেম, তার মাধ্যমে অংশগ্রহণ এবং একটি ব্যক্তিগত আকাঙ্খার প্রকাশ যা ঈশ্বরের নির্দেশিত পথে ভক্তকে পরিচালিত করে।[web ৭][১০০] ভক্তি-মার্গ হল আধ্যাত্মিকতা এবং বিকল্প অনেক সম্ভাব্য পথের একটি যার মাধ্যমে মোক্ষ লাভ করা যায়।[১০১] অন্য পথগুলো হল জ্ঞানের পথ, কর্ম-পথ , রজ-মার্গ (চিন্তা ও ধ্যানের পথ).[১০২][১০৩]

ভক্তি বিভিন্ন উপায়ে চর্চা করা হয়, মন্ত্র আবৃত্তি থেকে শুরু করে ধ্যান নাম জপ ইত্যাদি। যে কেউ বাড়িতে ব্যক্তিগতভাবে তা করতে পারে,[১০৪] অথবা একটি মন্দিরে মূর্তি অথবা একটি দেবতার পবিত্র প্রতীকীর সামনেও তা করতে পারে।[১০৫][১০৬] সমসাময়িক হিন্দুধর্মে উপাসনার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল হিন্দু মন্দির এবং গার্হস্থ্য আসনকক্ষ।[১০৭] বিশেষ বিশেষ অনুস্ঠানে মন্দিরগুলোতে ভক্তরা ভিড় করেন, কিন্তু অতি সাধারণভাবে বাড়ির বিশেষ অংশে রাখা ঠাকুরঘরে মূর্তি বা গুরুর সামনে বসে প্রার্থনা, পূজা অচর্না করা হয়। [১০৭]

প্রত্যাহিক পূজার একটি পদ্ধতি হল আরতি কীর্ত্তন ও ধূপ দ্বীপ প্রজ্জলণ। ধূপ-দ্বীপের মাধ্যমে ঈশ্বরের স্তুতি পূর্বক গান গেয়ে পূজাকর্ম সম্পাদন করা হয়।[১০৮] উল্লেখযোগ্য আরতি গানগুলো হল ওম জয় জগদীশ হরে যা একটি বিষ্ণু প্রার্থনা আর সুখকর্তা দুখকর্তা যা একটি গণেশ প্রার্থনা।[১০৯][১১০] আবার উপাসনার মাধ্যমে ঈশ্বরের মূর্তির পাশাপাশি বিভিন্ন মহাপুরুষ বা অবতারেরও স্তুতি করা হয় [১০৮] উদাহরণস্বরূপ, হনুমানের আরতি করা হয় যেখানে হনুমান নিজেই ঈশ্বরের একজন ভক্ত (হনুমান নিজেই ঈশ্বরের একটি সরূপ)। অনেক মন্দিরে যেমন বালাজি মন্দিরে মূল দেবতা হল একটি বিষ্ণু অবতার।[১১১] স্বামীনারায়ন মন্দিরে এবং বাড়ির পূজায় স্বামীনারায়নের আরতি করা হয় যাকে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর মানা হয়।[১১২]

উৎসব

মূল নিবন্ধ: হিন্দু উৎসব

 
আলোর উত্‍সব দীপাবলি, বিশ্বের সমস্ত হিন্দুদের দ্বারা পালিত হয়

হিন্দু উৎসব (সংস্কৃত: उत्सव; আক্ষরিক অর্থে: উত্তরণ) প্রতীকী ধর্মানুষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা সুন্দরভাবে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনকে ধর্মের পথে চালিত করে।[১১৩] হিন্দুধর্মে সারা বছর ধরে অনেক উৎসব রয়েছে। হিন্দু দেওয়ালপঞ্জিকাতে সাধারণত তাদের তারিখ নির্ধারিত থাকে।

 
রাশিয়ান বৈষ্ণব সম্প্রদায় রথযাত্রা উদ্‌যাপন করছে। বিংশ শতকের শেষদিকে হিন্দুধর্মের রুপগুলির সহজাত শিকড়গুলি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছে রাশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে, উল্লেখযোগ্যভাবে আলতাই প্রজাতন্ত্রে, যেখানে হিন্দুধর্ম এখন মোট জনসংখ্যার দুই শতাংশ (২%)

হিন্দু উৎসব সাধারণত পুরাণের ঘটনা অবলম্বনে, প্রায়শই ঋতু পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে একত্রে উদ্‌যাপন করা হয়ে থাকে। সাধারণত উৎসবগুলি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ে আথবা ভারতীয় উপমহাদেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলে উদ্‌যাপন করা হয়।

কিছু ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হিন্দু উৎসব হল:

তীর্থযাত্রা

ব্যক্তি ও সমাজ

বর্ণ

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ৪টা বর্ণ রয়েছে। যথাঃ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র। তবে বর্তমানে কায়স্থ, বদ্যী প্রভৃতি নান উপবর্ণের সৃষ্টি হয়েছে।

যোগ

কোনও হিন্দু জীবনের যে লক্ষ্যই নির্ধারণ করুক না কেন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য ঋষিরা বিভিন্ন পদ্ধতি (যোগ) শিখিয়েছেন । যোগব্যায়াম একটি হিন্দু অনুশাসন যা স্বাস্থ্য, প্রশান্তি এবং আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি জন্য শরীর, মন এবং চেতনা প্রশিক্ষণ দেয়। [১১৪] যোগব্যায়াম নিবেদিত গ্রন্থগুলো হল যোগ সূত্র, হাথ যোগা প্রদীপিকা, ভগবত গীতা এবং তাদের দার্শনিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে উপনিষদ। অনুশীলন হিসাবে যোগের আধুনিক অনুশীলনের (ঐতিহ্যগতভাবে হঠ যোগ ) হিন্দু ধর্মের সাথে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। [১১৫] প্রধান ধরনের যোগব্যায়াম, যা অনুসরণ করে সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক সিদ্ধতা (মোক্ষ বা সমাধি) অর্জন করা সম্ভবঃ

ভক্তির ঐতিহ্যটি শিক্ষা দেয়। বেশিরভাগ মানুষের কাছেই ভক্তি হ'ল বর্তমান যুগে আধ্যাত্মিক পূর্ণতা অর্জনের একমাত্র ব্যবহারিক উপায়। একজন ব্যক্তি তার প্রবণতা এবং বোঝাপড়া অনুসারে অন্যের চেয়ে এক বা একাধিক যোগ পছন্দ করতে পারেন। একটি যোগের অনুশীলন অন্যকে বাদ দেয় না। উদাহরণস্বরূপ, এটি সাধারণত গৃহীত হয় যে জ্ঞান যোগের অনুশীলনে ঈশ্বরের প্রতি "শুদ্ধ ভালবাসা" বাড়ে, যা ভক্তি যোগের মূল লক্ষ্য। অন্যরা যারা গভীর ধ্যান চর্চা করেন (যেমন রাজা যোগে ) তাদেরও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর্ম যোগ, জ্ঞান যোগ এবং ভক্তি যোগের মূল নীতি অনুসরণ করা উচিত।

প্রতীকীবাদ

অহিংসা, নিরামিষভোজন এবং অন্যান্য খাদ্যরীতি

 
গুন্টুরে একটি গোশালা

হিন্দুরা অহিংসার (সহিংসতামুক্ত জীবন) চর্চা করে এবং সকল প্রাণকে সম্মান করে। কারণ তারা মনে করে দেবত্ব সব জীবন তথা মানবকুল, উদ্ভিদ এবং অন্যান্য প্রাণীতে বিরাজমান।[১১৭] অহিংসার বিষয়ে উপনিষদ্,[১১৮] মহাকাব্য মহাভারতে[১১৯] উল্লেখ্য রয়েছে।

অহিংসা অনুযায়ী, অনেক হিন্দুধর্ম অনুসারীই জীবনের উচ্চতম উদ্দেশ্যকে সম্মানপূর্বক নিরামিষভোজন করে থাকেন। কঠোর নিরামিষভোজি হিসেবে ভারতে কখনও কোন মাংস, মাছ বা ডিম খায় না (সব ধর্মের অনুগামী অন্তর্ভুক্ত) এমন লোকের সংখ্যা প্রায় ২০-৪২ ভাগ। বাকিরা কম কঠোর নিরামিষাশী বা অ-নিরামিষাশী হয়।[১২০] যারা মাংস খেতে চায় তারা প্রানীদের দ্রুত মৃত্যু পদ্ধতি পছন্দ করে। কারণ দ্রুত মৃত্যুর ফলে প্রানীটি কম কষ্ট পায়।[১২১][১২২] খাদ্য অভ্যাস অঞ্চল ভেদে ভিন্ন হয়। বাংলাদেশি হিন্দু, পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু এবং হিমালয় অঞ্চলে বাস করা হিন্দু, বা নদী উপকূলীয় অঞ্চলের হিন্দুরা নিয়মিত মাংস এবং মাছ খান।[১২৩] কিছু নির্দিষ্ট উৎসব বা অনুষ্ঠানে মাংস এড়িয়ে চলা হয়।[১২৪] হিন্দুরা প্রায় সবসময় গরুর মাংস ভক্ষণ থেকে বিরত থাকে। গরুকে হিন্দু সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে একটি উপকারী ও একটি মাতৃত্বের চিহ্ন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়,[১২৫] হিন্দু সমাজ নিঃস্বার্থ দানকারীর একটি প্রতীক হিসেবে গরুকে সম্মান করা হয়।[১২৬] আধুনিক সময়েও কিছু হিন্দু দল বা গোষ্ঠি আছে যারা কঠোর নিরামিষাশী প্রথা মেনে চলেন। অনেকে মাংস, ডিম, এবং সীফুড বর্জিত ডায়েটিং মেনে চলে।[১২৭] হিন্দু বিশ্বাসে খাদ্য শরীর মন ও আত্মাকে প্রভাবিত করে।[১২৮][১২৯] হিন্দু ধর্মীয় রচনা যেমন উপনিষধ[১৩০] এবং Svātmārāma তে[১৩১][১৩২] মিতাহারকে (সংযম খাওয়া) সুপারিশ করা হয়। ভগবদ্গীতার বানী অমৃত ১৭.৮ থেকে ১৭.১০ পযর্ন্ত শ্লোকে শরীর এবং মনের সাথে খাদ্যের সংযোগ বা প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে উল্লেখ্য আছে।[১৩৩]

শাক্ত উপাসকেরা এবং বালি ও নেপাল অঞ্চ লের হিন্দুরা প্রাণী বলি প্রথা মেনে চলেন।[১৩৪] [১৩৫][১৩৬] উৎসর্গকৃত পশু প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।[১৩৫] উত্সৃষ্ট প্রাণী অনুষ্ঠান খাদ্য হিসাবে খাওয়া হয়.[১৩৭] বিপরীতে, বৈষ্ণব হিন্দু অভিধর্ম ও সবলে প্রাণী আত্মাহুতি বিরোধিতা.[১৩৮][১৩৫] প্রাণী অ-সহিংসতার নীতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিন্দুধর্মে গৃহীত হয়েছে তাই প্রাণী বলি বিরল হয়ে উঠেছে [১৩৯] এবং ঐতিহাসিকভাবে ধীরে ধীরে প্রথাটি প্রান্তিক অনভ্যাসে পরিণত হয়েছে।[১৪০]

প্রতিষ্ঠান

মন্দির (দেবস্থান)

একটি হিন্দু মন্দির হল ঈশ্বরের পূজাস্থল ও ঈশ্বর বিরাজের জায়গা।[১৪১] এটা একসঙ্গে মানুষ ও দেবতাদের মিলনস্থল ও কাঠামো। হিন্দুধর্মের ধারনা এবং বিশ্বাস প্রকাশ করতে প্রতীকীবাদী কর্মের মাধ্যমে ঈশ্বর পূজিত হন।[১৪২] একটি মন্দিরে হিন্দু সৃষ্টিতত্বের সব উপাদান প্রতীকী মাধ্যমে উপস্থিত থাকে। সর্বোচ্চ পেঁচান বা গম্বুজ আকৃতির ছাদ প্রতিনিধিত্ব করে ব্রহ্মার বাসভূমি এবং আধ্যাত্মিক মহাবিশ্বের কেন্দ্রস্থল হিসেবে [১৪৩] ভাস্কর্য এবং লোগোতে প্রতীকায়িত করা হয় ধর্ম, কাম, অর্থ (জীবনের অর্থ ও উদ্দেশ্য), মোক্ষ এবং কর্মফল.[১৪৪] বিন্যাস, প্রধান বৈশিষ্ট্য, পরিকল্পনা ও ভবনের প্রক্রিয়া এবং জ্যামিতিক প্রতীক প্রাচীন ধর্মানুষ্ঠানের প্রতিনধিত্ব করে। এভাবে হিন্দুধর্মের বিভিন্ন শাখায় যে সহজাত বিশ্বাস ও মান রয়েছে তার প্রতিফলণ ঘটে।[১৪২] হিন্দু মন্দির অনেক হিন্দুর (সব না) জন্য আধ্যাত্মিক গন্তব্যস্থল, সেইসাথে শিল্পকলা, বার্ষিক উৎসবস্থল, ষোড়শ সংস্কারের ধর্মানুষ্ঠানস্থল এবং গোষ্ঠিগত উদ্‌যাপনের কেন্দ্রস্থল।[১৪৫][১৪১]

আশ্রম

ধর্মীয় গ্রন্থ ও রীতি অনুসারে একজন হিন্দুর জীবন চারটি ধাপে বিভক্ত করা হয় (জীবন পর্যায়; যার আরেকটি অর্থ আশ্রম)।[১৪৬] চারটি আশ্রম হল ব্রহ্মচর্য [ছাত্রাবস্থা], গৃহস্থ (গৃহকর্তা), বানপ্রস্থ (অবসরপ্রাপ্ত) এবং Sannyasa (ত্যাগ)[১৪৭] ব্রহ্মচর্য হল জীবনের ছাত্র পর্যায়ে অতিবাহিত সময় যখন কোন ব্যক্তি সাধারণ ধর্মীয় আচার আচরণ, রীতি-নীতি, পড়ালেখা, অস্ত্রশিক্ষা বা অন্যান্য জ্ঞান লাভ করার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করে। গৃহস্থ বলতে বোঝায় ব্যক্তির বিবাহিত জীবনের কর্তব্য বজায় রাখা, একটি পরিবারের গড়ে তোলা, শিশুদেরকে শিক্ষিত, চরিত্রবান এবং জ্ঞানবান করে তোলা এবং একটি পরিবার-কেন্দ্রিক এবং একটি ধার্মিক সামাজিক জীবন যাপন করা।[১৪৭] গৃহস্থ পর্যায় বিয়ে দিয়ে শুরু হয় এবং এই কাজটিকে সমাজতাত্ত্বিক প্রসঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে কেননা শুধুমাত্র একটি ধর্মচারী জীবন যাপনই নয় পরিবারের লালন পালনের উদ্দেশ্যে তারা খাদ্য উৎপাদন করে এবং সম্পদ তৈরি ও বিনিময় করে যার ফলে অন্য মানুষও উপকৃত হয় এবং বংশবৃদ্ধির ফলে মানবজাতির ধারা অব্যাহত থাকে।[১৪৮]

বানপ্রস্থ জীবন হল যখন কোন অশীতিপর পারিবারিক কর্তা পরিবারের দায়িত্ব পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দেন, উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করেন এবং ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে বিদায়ের প্রস্তুতি নেন।[১৪৯][১৫০] সন্ন্যাস হল সব পর্যায়ে বস্তুগত চিহ্ন ত্যাগ, আত্মত্যাগ এবং সম্পদ, সংসারের প্রতি অনাগ্রহ এবং এসকল থেকে বিচ্ছিন্ন জীবন পরিচালনা করা। সাধারণত এসকল ব্যক্তির কোনো অর্থপূর্ণ সম্পত্তি বা বাড়ি (পার্থিব সম্পদ) থাকে না এবং তারা মোক্ষলাভ, শান্তিপূর্ন এবং সাধারণ জীবনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। তারা ঈশ্বরের আরাধনায় আধ্যাত্মিক জীবন অতিবাহিত করেন।[১৫১][১৫২]

আশ্রম ব্যবস্থা হিন্দু ধর্মের একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা।[১৪৮] যাতে জীবনের চারটি উদ্দেশ্য একত্রিত করা আছে (পুরুষার্থ)। আশ্রম ব্যবস্থা ঐতিহ্যগতভাবে আধ্যাত্মিক মুক্তির উদ্দেশ্য পূরণের সঙ্গে সঙ্গে একটি পূর্নাঙ্গ জীবনের সন্ধান দেয়।[১৪৮] যদিও এই পর্যায়গুলো সাধারণত অনুক্রমিক তবুও ব্রহ্মচর্যের পরে যে কোন ব্যক্তি তার ইচ্ছা মাফিক সন্ন্যাস (তপস্বী) পর্যায়ে চলে যেতে পারেন।[১৫৩] সন্ন্যাস হিন্দুধর্মে ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং বৃদ্ধ মানুষেরা ইচ্ছা করলে তাদের পরিবারের সঙ্গে বাস করতে পারেন।[১৫৪]

সন্ন্যাস

 
ভারতের মাদুরাইয়ে একজন সাধু

কিছু হিন্দু একাকী সন্ন্যাস জীবনযাপন করেন যাতে করে মোক্ষ লাভ বা অন্য ভক্তিমূলক পথ অনুসরণ করে আধ্যাত্মিক মুক্তি লাভ করা যায়।[১৫৫] সন্ন্যাসিরা একটি সহজ এবং সরল জীবন বেঁচে নেন যার মাধ্যমে বস্তুগত/পার্থিব জগতের প্রতি অনিহা তৈরি করে শুধুমাত্র ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক চিন্তায় জীবন অতিবাহিত করেন।[৭৯] এরূপ একজন হিন্দু সাধুকে সন্ন্যাসী বা স্বামী বলা হয়। মহিলাকে বলা হয় সন্ন্যাসীনী। সাধু সন্তগনের এরূপ জীবন যাপন এবং মোক্ষ লাভ ও অহিংসামূলক চরিত্রের জন্য এদেরকে ধর্মীয় দৃষ্টিতে উচ্চমানের বলে ধরা হয়। কারণ হিন্দু ধর্মে মোক্ষলাভই হল জীবনের মূখ্য উদ্দেশ্য।[১৫২] কিছু সন্ন্যাসিরা মঠে বাস করেন, অন্যরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তারা বেঁচে থাকার তাগিদে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও দাতব্য দানের উপর নির্ভর করেন।[৫৪]

ইতিহাস

ভারতীয় ইতিহাসের কালপঞ্জি
সময়রেখা এবং

সাংস্কৃতিক যুগ

পশ্চিম উপকূল উত্তর-পশ্চিম ভারত

(পাঞ্জাব-সপ্তসিন্ধু)

সিন্ধু-গাঙ্গেয় সমভূমি মধ্য ভারত

দাক্ষিণাত্য মালভূমি

দক্ষিণ ভারত
পশ্চিম গাঙ্গেয় সমভূমি

(কুরুক্ষেত্র)

উত্তর ভারত

(মধ্য গাঙ্গেয় সমভূমি)

উত্তর-পূর্ব ভারত

(বাংলা)

দক্ষিণ এশীয় প্রস্তরযুগ (৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত) দক্ষিণ এশীয় প্রস্তরযুগ (১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত)
সংস্কৃতি প্রত্নপ্রস্তরযুগকতা (১০,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত)
১০,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের আগে ভীমবেটকা প্রস্তরক্ষেত্র

(৩০,০০০ - ১৫,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)

সাংহাও গুহা
সংস্কৃতি মধ্যপ্রস্তরযুগকতা (১০,০০০ - ৭,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) মধ্যপ্রস্তরযুগকতা (১০,০০০ - ৩,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
১০,০০০ - ৭,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ
সংস্কৃতি নব্যপ্রস্তরযুগকতা (৭,০০০ - ৩,৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) মধ্যপ্রস্তরযুগকতা (১০,০০০ - ৩,০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
৭,০০০ - ৩,৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ মেহেরগড়
ব্রোঞ্জ যুগ (৩,৩০০ - ১,১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) নব্যপ্রস্তরযুগীয় (৩,০০০ - ১,৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
সংস্কৃতি আদি হরপ্পায়ী
৩,৩০০ - ২,৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ আদি হরপ্পায়ী
সংস্কৃতি অঙ্গীভূতকরণ যুগ
২,৬০০ - ১,৯০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ সিন্ধু সভ্যতা
সংস্কৃতি স্থানীয়করণ যুগ/বিদায়ী হরপ্পায়ী

ওসিপি/কবরস্থান এইচ

১,৯০০ - ১,৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ প্রাচীনতম পরিচিত ধান চাষ[ক]
সংস্কৃতি স্থানীয়করণ যুগ/বিদায়ী হরপ্পায়ী

ওসিপি/কবরস্থান এইচ

আদি বৈদিক যুগ

গান্ধার কবর সংস্কৃতি

বৃহৎপ্রস্তরযুগীয়

(১,৪০০ - ১,১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)

১,৫০০ - ১,৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ইন্দো-আর্য অভিপ্রয়াণ
১,৩০০ - ১,১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ভ্রাম্যমাণ বৈদিক আর্য
লৌহ যুগ (১,১০০ - ৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
সংস্কৃতি মধ্য বৈদিক যুগ
গান্ধার কবর সংস্কৃতি কালো এবং লাল পণ্যদ্রব্য সংস্কৃতি
১,১০০ - ৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ Vedic settlements

গান্ধার

Vedic settlements

কুরু

সংস্কৃতি বিদায়ী বৈদিক যুগ
গান্ধার কবর সংস্কৃতি (ব্রাহ্মণ আদর্শ)[খ]

প্রাচীন উপনিষদ্‌

চিত্রিত ধূসর ধাতব সংস্কৃতি

(ক্ষত্রিয় / শ্রমণ সংস্কৃতি)[গ]

উত্তুরে কালো নিকষিত পণ্যদ্রব্য

৮০০ - ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ গান্ধার কুরু-পাঞ্চাল কোশল-বিদেহ
সংস্কৃতি বিদায়ী বৈদিক যুগ

মহাজনপদ

গান্ধার কবর সংস্কৃতি (ব্রাহ্মণ আদর্শ)[ঘ]

প্রাচীন উপনিষদ্‌

চিত্রিত ধূসর ধাতব সংস্কৃতি

(ক্ষত্রিয় / শ্রমণ সংস্কৃতি)[ঙ]

উত্তুরে কালো নিকষিত পণ্যদ্রব্য

 খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী গান্ধার কুরু-পাঞ্চাল কোশল

মগধ

অঙ্গ

আদিবাসী (উপজাতি)
সংস্কৃতি Persian-Greek influences "Second Urbanisation"
নব্য উপনিষদ্‌ Rise of Shramana movements
Jainism - Buddhism - Ājīvika - Yoga

Later Upanishads

 খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী (Persian rule) Shishunaga dynasty Adivasi (tribes)
 4th century খ্রিষ্টপূর্বাব্দ (Greek conquests)

Nanda empire
Kalinga

HISTORICAL AGE (৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের পর)
সংস্কৃতি Spread of Buddhism Pre-history Sangam period
(৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – 200 CE)
 3rd century খ্রিষ্টপূর্বাব্দ Maurya Empire Early Cholas

Early Pandyan Kingdom

Satavahana dynasty

Cheras

সংস্কৃতি Preclassical Hinduism[চ] - "Hindu Synthesis"[ছ] (c. 200 BCE-300 CE)[জ][ঝ]
Epics - Puranas - Ramayana - Mahabharata - Bhagavad Gita - Brahma Sutras - Smarta Tradition
Mahayana Buddhism
Sangam period

(continued)
(৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – 200 CE)

 2nd century খ্রিষ্টপূর্বাব্দ Indo-Greek Kingdom Sunga Empire Adivasi (tribes) Early Cholas

Early Pandyan Kingdom

Satavahana dynasty

Cheras

 1st century খ্রিষ্টপূর্বাব্দ Yona Maha-Meghavahana Dynasty
 1st century CE Indo-Scythians

Indo-Parthians

Kuninda Kingdom
 2nd century Pahlava Varman dynasty
 3rd century Kushan Empire Western Satraps Kamarupa kingdom Kalabhras dynasty
সংস্কৃতি "Golden Age of Hinduism"(c. 320-650 CE)[ঞ]
Puranas
Co-existence of Hinduism and Buddhism
 4th century Gupta Empire Kadamba Dynasty

Western Ganga Dynasty

 5th century Vishnukundina
 6th century Maitraka Adivasi (tribes)
সংস্কৃতি Late-Classical Hinduism (c. 650-1100 CE)[ট]
Advaita Vedanta - Tantra
Decline of Buddhism in India
 7th century Maitraka Indo-Sassanids Vakataka dynasty, Harsha Mlechchha dynasty Adivasi (tribes) Pallava
 8th century Kidarite Kingdom Kalachuri
 9th century Indo-Hephthalites (Huna) Gurjara-Pratihara Chalukya
10th century Pala dynasty

Kamboja-Pala dynasty

Rashtrakuta
সংস্কৃতি Islamic rule and "Sects of Hinduism" (c. 1100-1850 CE)[ঠ] - Medieval and Late Puranic Period (500–1500 CE)[ড]
11th century (Islamic conquests)
Kabul Shahi
(Islamic Empire)
Pala Empire
Paramara dynasty
Solanki
Eastern Ganga dynasty
Sena dynasty Adivasi (tribes) Chola Empire

Yadava dynasty

Western Chalukyas

Eastern Chalukyas

Kakatiya dynasty

Hoysala Empire

12th century Chola Empire
13th century Delhi Sultanate
14th century Delhi Sultanate Vijayanagara Empire
15th century Delhi Sultanate
16th century Mughal Empire
17th century Mughal Empire
সংস্কৃতি British Colonisation - Company rule in India'
18th century
সংস্কৃতি British Colonisation - British Raj'
19th century
সংস্কৃতি British Raj - Independence struggle - Pakistan - India - Bangladesh'
20th century
21stSmall text century
টেমপ্লেট:collapse নিবন্ধ নামস্থানে ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ নয়।

হিন্দুধর্ম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ধর্ম তবে হিন্দু নামটি আধুনিকালের দেওয়া। এর প্রাচীন নাম হল সনাতন ধর্ম। আবার এই ধর্ম বৈদিক ধর্ম নামেও পরিচিত। এই ধর্ম বেদ এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। এ ধর্মত্ত্বের মূল কথা হল ঈশ্বরের অস্তিত্বেই সকল কিছুর অস্তিত্ব এবং সকল কিছুর মূলেই স্বয়ং ঈশ্বরখ্রীস্টপূর্ব ৫৫০০-২৬০০ অব্দের দিকে যখন কিনা হাপ্পান যুগ ছিল ঠিক সেই সময়ই এ ধর্মের গোড়ার দিক। অনেকের মতে খ্রীস্টপূর্ব ১৫০০-৫০০ অব্দ। কিন্তু ইতিহাস বিশ্লেষকদের মতে আর্য (বা Aryan) জাতিগোষ্ঠি ইউরোপের মধ্য দিয়ে ইরান হয়ে ভারতে প্রবেশ করে খ্রীস্টপূর্ব ৩০০০-২৫০০ অব্দের মধ্যে, তারাই ভারতে বেদ চর্চা করতে থাকে এবং তারা সমগ্র ভারতে তা ছড়িয়ে দেয়।

আর্য জাতিগোষ্ঠিরা অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলত। তারা চারটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত ছিল এরা হলঃ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। এই সম্প্রদায়গুলো তৈরি করার অন্যতম কারণ হল কাজ ভাগ করে নেওয়া অর্থাৎ এক এক সম্প্রদায় এর লোক এক এক ধরনের কাজ করবে। অনেকের মতে হিন্দু শব্দটি আর্যদেরকে আফগানিস্তানের বাসিন্দা বা আফগানেরা দিয়েছে তারা সিন্দু নদের তীরবর্তী সনাতন ধর্মের সাধু সন্ন্যাসিদেরকে হিন্দু বলত, আর এই ভাবেই হিন্দু নামটি এসেছে। এই সনাতন ধর্মের সাধু সন্ন্যাসিরাই বেদ শ্রুতিবদ্ধ করেন অর্থাৎ ধ্যানের মাধ্যমে বেদ আয়ত্ত করেন। বেদ কোন একজন সাধু বা সন্ন্যাসির লব্ধকৃত নয়, বেদ হল বহু সাধু সন্ন্যাসিদের লব্ধকৃত এক মহান শ্রুতিবদ্ধ গ্রন্থ যা প্রথম অবস্থায় সবার মনে মনে ছিল পরে তাকে লিপিবদ্ধ করা হয়। বেদ এই লিঙ্কটির মাধ্যমে বেদ সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন। তখন কার যুগে এই বেদের আধিপত্য ছিল ব্যাপক, অর্থাৎ সমাজের সকল কাজ বেদের মাধ্যমে চলত কারণ বেদে সমাজ চালানো, চিকিৎসা করা, গণনা করা এমন সব উপাদানই আছে। এই কারণে তখনকার সভ্যতাকে বলা হয় বৈদিক সভ্যতা

এই বৈদিক সভ্যতায় অর্থাৎ ঐ আমলে কোন মূর্তি পূজা করা হত না। সেই সময় হিন্দুদের প্রধান দেবতা ছিলেন ইন্দ্র, বরুন, অগ্নি এবং সোম। তারা যজ্ঞের মাধ্যমে পূজিত হত। তখনকার ঈশ্বর আরাধনা হত যজ্ঞ এবং বেদ পাঠের মাধ্যমে। সকল কাজের আগে যজ্ঞ করা ছিল বাঞ্ছনীয়। সে আমলে কোন মূর্তি বা মন্দির ছিল না। ধারণা করা হয়ে থাকে যে খ্রীস্টপূর্ব ৫০০ থেকে ১০০ অব্দের মধ্যে রামায়ণ এবং মহাভারত শ্রুতিবদ্ধ হয়। বর্তমানে এই সমস্ত মহান ধর্ম গ্রন্থগুলোর লিখিত রূপ হয়েছে। এই রামায়ণ এবং মহাভারতে লিপিবদ্ধ আছে ধর্ম এবং যুদ্ধের কাহিনী। এছারাও পুরাণ নামে যে ধর্মগ্রন্থগুলো রয়েছে তাতে দেবতাদের এবং অসুরদের যুদ্ধ নিয়ে ঘটনা আছে।

যুগকরণ

জেমস মিল (১৭৭৩-১৮৩৬),তাঁর দ্য হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া (১৮১৭) গ্রন্থে,[১৫৬] ভারতের ইতিহাসের তিনটি পর্যায়ক্রম করেছেন, যেমন হিন্দু, মুসলিম ও ব্রিটিশ সভ্যতা।[১৫৬][১৫৭] এই যুগকরণ, ভ্রান্ত ধারনা বৃদ্ধির জন্য সমালোচিত হয়েছে।[১৫৮] আরেকটি যুগকরণ হল "প্রাচীন, ধ্রুপদী, মধ্যযুগীয় এবং আধুনিক সময়ের" মধ্যে বিভাগ।[১৫৯] স্মার্ট[১৬০] এবং মাইকেলস[১৬১] মনে হয় মিল-এর যুগকরণ অনুসরণ করেছেন,[note ৭] যেখানে ফ্লাড[৫২] এবং মুয়েস[১৬৩][১৬৪] "প্রাচীন, ধ্রুপদী, মধ্যযুগীয় এবং আধুনিক সময়সীমার" অনুসরণ করেছেন।[১৬৫]

বিভিন্ন যুগকে "ধ্রুপদী হিন্দুধর্ম" হিসেবে মনোনীত করা হয়:

  • স্মার্ট ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ এবং ১০০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যের সময়কে "প্রাকধ্রুপদ" বলেন। এটা উপনিষদ্ এবং ব্রহ্মতত্ত্ব[note ৮], জৈনধর্ম ও বৌদ্ধধর্ম-এর জন্য গঠনমূলক সময়। স্মার্ট-এর মতে, "ধ্রুপদী যুগ" ১০০ থেকে ১০০০ খ্রীষ্টাব্দ স্থায়ী হয়, এবং ভারতের "ধ্রুপদী হিন্দুধর্ম" প্রস্ফুটিত হওয়া এবং মহাযান-বৌদ্ধধর্ম-এর বিকাশ ও ক্ষয় সমানুপাতিক।[১৬৭]
  • মাইকেলস-এর মতে, ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ এবং ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যের কাল একটি "তপস্বী সংস্কারবাদ"[১৬৮] যুগ, যেখানে ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ এবং ১১০০ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যের যুগ "ধ্রুপদী হিন্দুধর্ম"-এর সময়, যেহেতু "বৈদিকধর্ম এবং হিন্দুধর্মের মধ্যে একটি সন্ধিক্ষণ" আছে।[১৬৯]
  • মুয়েস এক দীর্ঘ যুগ পরিবর্তনের পার্থক্য করেন, যেমন ৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ এবং ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ, যা তিনি "ধ্রুপদী যুগ" বলেন। মুয়েস-এর মত অনুযায়ী, হিন্দুধর্মের কিছু মৌলিক ধারণা, যেমন কর্মবাদ, পুনর্জন্মবাদ ও "আত্মউদ্বোধন এবং রূপান্তর", বৈদিকধর্মে যা বিদ্যমান ছিল না, এই সময় বিকশিত হয়।[১৭০]


স্মার্ট[১৬০] মাইকেলস
(আনুপূর্বিক)
[৫৪]
মাইকেলস
(বিস্তারিত)
[৫৪]
মুয়েস[১৬৪] ফ্লাড[১৭১]
সিন্ধু সভ্যতা এবং বৈদিক যুগ
(৩০০০ – ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
প্রাকবৈদিক ধর্ম
(১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত)[১৬১]
প্রাকবৈদিক ধর্ম
(১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত)[১৬১]
সিন্ধু সভ্যতা
(৩৩০০ – ১৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
সিন্ধু সভ্যতা
(২৫০০ থেকে ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
বৈদিকধর্ম
(১৭৫০ – ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
প্রারম্ভিক বৈদিক যুগ
(১৭৫০ – ১২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
বৈদিক যুগ
(১৬০০ – ৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
বৈদিক যুগ
(১৫০০ – ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
মধ্য বৈদিক যুগ
(১২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে)
প্রাকধ্রুপদী যুগ
(১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – ১০০ খ্রিষ্টাব্দ)
অন্তিম বৈদিক যুগ
(৮৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে)
ধ্রুপদী যুগ
(৮০০ – ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
তপস্বী সংস্কারবাদ
(৫০০ – ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
তপস্বী সংস্কারবাদ
(৫০০ – ২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
মহাকাব্য এবং পৌরাণিক যুগ
(৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টাব্দ)
ধ্রুপদী হিন্দুধর্ম
(২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – ১১০০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৬৯]
প্রাকধ্রুপদী হিন্দুধর্ম
(২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – ৩০০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৭২]
মহাকাব্য এবং পৌরাণিক যুগ
(২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ – ৫০০ খ্রিষ্টাব্দ)
ধ্রুপদী যুগ
(১০০ – ১০০০ খ্রিষ্টাব্দ)
"স্বর্ণযুগ" (গুপ্ত সাম্রাজ্য)
(৩২০ – ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৭৩]
ধ্রুপদোত্তর হিন্দুধর্ম
(৬৫০–১১০০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৭৪]
মধ্যযুগীয় এবং পুরাণোত্তর যুগ
(৫০০ – ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ)
মধ্যযুগীয় এবং পুরাণোত্তর যুগ
(৫০০ – ১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ)
হিন্দু মুসলমান সভ্যতা
(১০০০ – ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ)
মুসলমান শাসন এবং "হিন্দুধর্মের সম্প্রদায়সমূহ"
(১১০০ – ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৭৫]
মুসলমান শাসন এবং "হিন্দুধর্মের সম্প্রদায়সমূহ"
(১১০০ – ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ)[১৭৫]
আধুনিক যুগ
(১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমানকাল)
আধুনিক যুগ
(১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমানকাল)
আধুনিক যুগ
(১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ – বর্তমানকাল)
আধুনিক হিন্দুধর্ম
(১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে)[১৭৬]
আধুনিক হিন্দুধর্ম
(১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে)[১৭৬]

প্রাকবৈদিক ধর্ম (১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত)

 
তথাকথিত শিব পশুপতি সীলমোহর, সিন্ধু সভ্যতা

বৈদিক যুগ (১৭৫০-৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)

উত্‍পত্তি

বৈদিক ধর্ম

পাণ্ডুলিপি

সার্বজনীন নির্দেশ

"দ্বিতীয় নগরায়ণ" (৫০০-২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)

ধ্রুপদী হিন্দুধর্ম (২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ-১১০০ খ্রীষ্টাব্দ)

 
তিব্বতের পবিত্র কৈলাশ পর্বত শিবের আধ্যাত্মিক আবাস হিসাবে গণ্য করা হয়

প্রাকধ্রুপদী হিন্দুধর্ম (২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ-৩০০ খ্রীষ্টাব্দ)

"স্বর্ণযুগ" (গুপ্ত সাম্রাজ্য) (৩২০-৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ)

ধ্রুপদোত্তর হিন্দুধর্ম - পৌরাণিক হিন্দুধর্ম (৬৫০-১১০০ খ্রিষ্টাব্দ)

আরও দেখুন ধ্রুপদোত্তর যুগ এবং হিন্দুধর্ম মধ্যযুগ

মুসলমান শাসন ও হিন্দুধর্মের সম্প্রদায়সমূহ (১১০০-১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ)

আধুনিক হিন্দুধর্ম (১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে)

জনসংখ্যার বিচারে হিন্দুধর্ম

 
হিন্দুধর্ম - দেশের নিরীখে শতকরা হার

হিন্দুধর্ম ভারতের একটি প্রধান ধর্ম। দেশের ১২১ কোটি (২০১২ সালের গণনা অনুযায়ী) জনসংখ্যার প্রায় ৮০.৫% (প্রায় ৯৬ কোটি) মানুষ হিন্দুধর্মালম্বী।[web ৮] অন্যান্য উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা পাওয়া যায় নেপাল (২.৩ কোটি), বাংলাদেশ (২.১ কোটি) এবং ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপ (৩৩ লক্ষ) প্রভৃতি যায়গায়। এছাড়াও সংখ্যাগরিষ্ঠ ভিয়েতনামী চ্যাম সম্প্রদায়ের মানুষ হিন্দুধর্ম অনুসরণ করে।[১৭৮]

দেশ অনুসারে হিন্দুধর্ম (২০০৮ এর পরিসংখ্যান) থেকে দেশের নিরীখে সর্বাধিক অনুপাতে হিন্দুধর্মালম্বী:

  1.     নেপাল ৮১.৩%[web ৯]
  2.   ভারত ৮০.৫%[web ১০]
  3.   মরিশাস ৪৮.৫%[web ১১]
  4.   গায়ানা ২৮%[web ১২]
  5.   ফিজি ২৭.৯%[web ১৩]
  6.   ভুটান ২৫%[web ১৪]
  7.   ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২২.৫%[web ১৫]
  8.   সুরিনাম ২০%[web ১৬]
  9.   শ্রীলঙ্কা ১২.৬%[web ১৭]
  10.   বাংলাদেশ ৮%[web ১৮]
  11.   কাতার ৭.২%[web ১৯]
  12.   ফ্রান্স (রেউনিওঁ দ্বীপ) ৬.৭%[web ২০]
  13.   মালয়েশিয়া ৬.৩%[web ২১]
  14.   বাহরাইন ৬.২৫%[web ২২]
  15.   কুয়েত ৬%[web ২৩]
  16.   সিঙ্গাপুর ৫.১%[web ২৪]
  17.   সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫%[web ২৫]
  18.   ওমান ৩%[web ২৬]
  19.   বেলিজ ২.৩%[web ২৭]
  20.   সেশেল ২.১%[web ২৮]

জনসংখ্যার দিক থেকে, খ্রিস্টান এবং ইসলামের পরে হিন্দুধর্ম হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম

সমালোচনা, নিপীড়ন, এবং বিতর্ক

সমালোচনা

হিন্দুধর্ম ব্রহ্মতাবাদের জন্য বহুল সমালোচিত। বর্ণ ব্যবস্থায় উচ্চ-শ্রেণীর ব্রাহ্মণ এবং নিম্ন শ্রেণীর দলিতের (শুদ্র) মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে। কারণ শুদ্রদের নিম্নশ্রেণীর বলে মনে করা হত।[১৭৯] তাদেরকে ছোঁয়া এবং তাদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে এরূপ আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটত।[১৮০] আধুনিক সময়ে মুসলমান এবং খৃষ্টানদের হিন্দুধর্ম ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকেও সমালোচনা করা হয় এবং একে হিন্দুধর্ম আধিপত্য বিস্তারের কর্ম হিসেবে দেখা হয় বিশেষ করে ভারতে[১৮১] হিন্দু জাতীয়তাবাদ এবং হিন্দুত্ব নিয়ে প্রায়ই হয় সমালোচনা করা হয় কারণ তারা ডানপন্থী মতামত পোষণ করে এবং কখনও কখনও হিংসাত্মক কাজও করে। এরূপ উগ্রবাদী আচরণকে কিছু লোক নাৎসিবাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন।উদ্ধৃতি ত্রুটি: শুরুর <ref> ট্যাগটি সঠিক নয় বা ভুল নামে রয়েছে

নিপীড়ন

হিন্দুরা ঐতিহাসিক এবং চলমান উভয় অভিজ্ঞতায় ধর্মীয় নিপীড়ন এবং পদ্ধতিগত ধর্মীয় হিংস্রতার শিকার হয়ে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক ধর্মান্তর,[১৮২][১৮৩] নথিভুক্ত গণহত্যা,[১৮৪][১৮৫][১৮৬] এবং মন্দির, উপাশনালয়, পূজা মন্ডপ, দেব মূর্তি ভাংচুর।[১৮৭][১৮৮] ঐতিহাসিক নিপীড়ন বেশি ঘটেছে মুসলমান শাসকদের সময় [১৮৮][১৮৯] এবং খ্রিস্টান মিশনারীর দ্বারা।[১৯০] এর মধ্যে মুঘল আমলে বিশেষ করে, আওরঙ্গজেবের অধীনে হিন্দুরা নৃশংসভাবে নির্যাতিত হত এবং জিজিয়া কর দিতে বাধ্য হত। [১৯১] গোয়ায় ১৫৬০ সালের পর্তুগিজ অধিকরণের সময় হিন্দুরা সবচেয়ে নিষ্ঠুর নিপীড়নের শিকার হয়।[১৯২] ভারত দেশভাগের সময়ে প্রায় ২,০০,০০০ থেকে এক মিলিয়ন মানুষ (মুসলিম এবং হিন্দু উভয়) হত্যা করা হয়।[১৯৩] আধুনিক কালেও হিন্দুরা বিশ্বের বহু অংশে বৈষম্যের ও নিপীড়নের সম্মুখীন হন বিশেষ করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফিজি এবং অন্যান্য দেশে।[১৯৪][১৯৫] সবচেয়ে বড় কারণ হল জোরপূর্বক ধর্ম রূপান্তর[১৯৬]

ধর্মান্তর বিতর্ক

 
একটি বিষয়শ্রেণীসমূহ: বালিকা

আধুনিক যুগে, হিন্দুধর্ম থেকে এবং হিন্দুধর্মে ধর্মান্তর একটি বিতর্কিত বিষয়। কেউ কেউ ধর্মপ্রচারের মাধ্যমে ধর্মান্তরের মত প্রকাশ করে থাকেন তবে উভয়ই হিন্দুধর্ম অনুযায়ী নীতি গর্হিত কাজ।[১৯৭]

ভারতের বাইরে হিন্দু ধর্মীয় রূপান্তর সম্পর্কে একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। বিশেষ করে ভারতীয় উপদ্বীপ থেকে ভারতের মার্চেন্ট ও ব্যবসায়ীরা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হিন্দুধর্মের ধারণা প্রচার করেন যার ফলে ধর্মান্তর হয়।[১৯৮][১৯৯][২০০] ভারতের মধ্যে, প্রত্নতাত্ত্বিক এবং পাঠগত প্রমাণ রয়েছে যেমন দ্বিতীয় শতকে (বিসিই) হেলিওডোরাস পিলার অনুসারে গ্রীক ও অন্যান্য বিদেশীদের হিন্দুধর্ম রূপান্তরিত করা হত।[২০১][২০২] খ্রিষ্টান, ইসলাম ও হিন্দুধর্ম ও অন্যান্য ধর্মের মধ্যে ধর্মান্ধকরণ, ধর্মান্তরকরণ বা আধিপত্য বিস্তারের ধারাটি খুবই সাম্প্রতিক এবং এই ধারা ১৯শ শতকে শুরু হয়। [২০৩][২০৪][note ৯]

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও দল

বহু পুরাতন ধর্ম হওয়ায় সময়ের পরিক্রমায় বহু সাধু, ধর্মগুরু, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, আবিষ্কারকসহ অনেক ব্যক্তিত্ব দেখা পাওয়া যায় যারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সমাজ, ধর্ম, পরিবেশ, সংস্কৃতি, শিক্ষা, বিজ্ঞান, ইতিহাস ইত্যাদি বহু শাখায় তাদের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সেরকম উল্লেখ্য কিছু ব্যক্তিত্ব ও দলের নাম:

আরও দেখুন

হিন্দুধর্ম
ধর্ম ও রীতিনীতি সম্পর্কিত

পাদটীকা

  1. See:
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; fusion নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Lockard নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Hiltebeitel-synthesis নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. Among its roots are the Vedic religion of the late Vedic period (Flood 1996, পৃ. 16) and its emphasis on the status of Brahmans (Samuel 2010, পৃ. 48–53), but also the religions of the Indus Valley Civilisation (Narayanan 2009, পৃ. 11; Lockard 2007, পৃ. 52; Hiltebeitel 2007, পৃ. 3; Jones ও Ryan 2006, পৃ. xviii) the Sramana or renouncer traditions of north-east India (Flood 1996, পৃ. 16; Gomez 2013, পৃ. 42) and "popular or local traditions" (Flood 1996, পৃ. 16).
  6. ॐ असतो मा सद्गमय । तमसो मा ज्योतिर्गमय
    मृत्योर्मामृतं गमय
  7. Michaels mentions Flood 1996[৫২] as a source for "Prevedic Religions".[১৬২]
  8. Smart distinguishes "Brahmanism" from the Vedic religion, connecting "Brahmanism" with the Upanishads.[১৬৬]
  9. The controversy started as an intense polemic battle between Christian missionaries and Muslim organizations in the first half of the 19th century, where missionaries such as Karl Gottlieb Pfander tried to convert Muslims and Hindus, by criticizing Qur'an and Hindu scriptures.[২০৪][২০৫][২০৬][২০৭] Muslim leaders responded by publishing in Muslim-owned newspapers of Bengal, and through rural campaign, polemics against Christians and Hindus, and by launching "purification and reform movements" within Islam.[২০৩][২০৪] Hindu leaders joined the proselytization debate, criticized Christianity and Islam, and asserted Hinduism to be a universal, secular religion.[২০৩][২০৮]

তথ্যসূত্র

  1. Hinduism is variously defined as a "religion", "set of religious beliefs and practices", "religious tradition" etc. For a discussion on the topic, see: "Establishing the boundaries" in Gavin Flood (2003), pp. 1–17. René Guénon in his Introduction to the Study of the Hindu Doctrines (1921 ed.), Sophia Perennis, আইএসবিএন ০-৯০০৫৮৮-৭৪-৮, proposes a definition of the term "religion" and a discussion of its relevance (or lack of) to Hindu doctrines (part II, chapter 4, p. 58).
  2. The Concise Oxford Dictionary of World Religions. Ed. John Bowker. Oxford University Press, 2000;
  3. The term "Dharma" connotes much more than simply "law". It is not only the doctrine of religious and moral rights, but also the set of religious duties, social order, right conduct and virtuous things and deeds. As such Dharma is the Code of Ethics.[১] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ আগস্ট ২০১১ তারিখে The modern use of the term can be traced to late 19th century Hindu reform movements (J. Zavos, Defending Hindu Tradition: Sanatana Dharma as a Symbol of Orthodoxy in Colonial India, Religion (Academic Press), Volume 31, Number 2, April 2001, pp. 109–123; see also R. D. Baird, "Swami Bhaktivedanta and the Encounter with Religions", Modern Indian Responses to Religious Pluralism, edited by Harold Coward, State University of New York Press, 1987); less literally also rendered "eternal way" (so Harvey, Andrew (২০০১), Teachings of the Hindu Mystics, Boulder: Shambhala, xiii, আইএসবিএন 1-57062-449-6 ). See also René Guénon, Introduction to the Study of the Hindu Doctrines (1921 ed.), Sophia Perennis, আইএসবিএন ০-৯০০৫৮৮-৭৪-৮, part III, chapter 5 "The Law of Manu", p. 146. On the meaning of the word "Dharma", see also René Guénon, Studies in Hinduism, Sophia Perennis, আইএসবিএন ০-৯০০৫৮৮-৬৯-৩ আইএসবিএন বৈধ নয়, chapter 5, p. 45
  4. Monier-Williams Sanskrit-English Dictionary,
  5. Osborne 2005, পৃ. 9
  6. Morgan, Sarma 1953
  7. Merriam-Webster's Collegiate Encyclopedia, Merriam-Webster, ২০০০, পৃষ্ঠা 751, আইএসবিএন 0877790175 
  8. Laderman, Gary (২০০৩), Religion and American Cultures: An Encyclopedia of Traditions, Diversity, and Popular Expressions, Santa Barbara, Calif: ABC-CLIO, পৃষ্ঠা 119, আইএসবিএন 1-57607-238-X, world's oldest living civilization and religion 
  9. Turner, Jeffrey S. (১৯৯৬), Encyclopedia of relationships across the lifespan, Westport, Conn: Greenwood Press, পৃষ্ঠা 359, আইএসবিএন 0-313-29576-X, It is also recognized as the oldest major religion in the world 
  10. Klostermaier 1994, পৃ. 1
  11. Bowker 2000; Harvey 2001, পৃ. xiii; Knott 1998, পৃ. 5
  12. Hiltebeitel 2007, পৃ. 12; Flood 1996, পৃ. 16; Lockard 2007, পৃ. 50
  13. Samuel 2010, পৃ. 193।
  14. Osborne 2005, পৃ. 9।
  15. Narayanan 2009, পৃ. 11।
  16. PV Kane, Samanya Dharma ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে, History of Dharmasastra, Vol. 2, Part 1, pages 4-5;
    Alban Widgery, The Principles of Hindu Ethics ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ মার্চ ২০১৬ তারিখে, International Journal of Ethics, Vol. 40, No. 2, pages 232-245
  17. Bilimoria et al. (eds.), Indian Ethics: Classical Traditions and Contemporary Challenges (2007), p. 103; see also John Koller, Puruṣārtha as Human Aims, Philosophy East and West, Vol. 18, No. 4 (Oct., 1968), pp. 315-319
  18. Gavin Flood (1997), “The Meaning and Context of the Puruṣārthas”, In The Bhagavadgītā for Our Times (Editor: Julius J. Lipner), Oxford University Press, pages 11–27, আইএসবিএন ৯৭৮-০১৯৫৬৫০৩৯৬
  19. A Bhattacharya (2009), Applied Ethics, Center for Applied Ethics and Philosophy, Hokkaido University, আইএসবিএন ৯৭৮-৪৯৯০৪০৪৬১১, pages 63-64
  20. Andrew Fort and Patricia Mumme (1996), Living Liberation in Hindu Thought, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৯১৪-২৭০৬-৪
  21. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১১ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১০ 
  22. "Major Religions of the World Ranked by Number of Adherents"। Adherents.com। ২০১৬-০৭-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৭-১০ 
  23. The Gita Dhyanam is a traditional short poem sometimes found as a prefatory to editions of the Bhagavad Gita. Verse 4 refers to all the Upanishads as the cows, and the Gita as the milk drawn from them. (Chidbhavananda 1997, পৃ. 67–74)
  24. "India", Oxford English Dictionary, second edition, 2100a.d. Oxford University Press.
  25. "Rig Veda: Rig-Veda, Book 10: HYMN LXXV. The Rivers"। Sacred-texts.com। ২০১০-১১-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৯-০১ 
  26. Thapar, R. 1993. Interpreting Early India. Delhi: Oxford University Press. p. 77
  27. Thompson Platts, John, A dictionary of Urdu , classical Hindī, and English, W.H. Allen & Co., Oxford University 1884 
  28. O'Conell, Joseph T. (১৯৭৩), "The Word 'Hindu' in Gauḍīya Vaiṣṇava Texts", Journal of the American Oriental Society, 93 (3): 340–344, ডিওআই:10.2307/599467, ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১০. 
  29. "Sanatana Dharma – वेद Veda"। Veda.wikidot.com। ২০১০-০৮-২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৯-০১ 
  30. "Hindu Sects and Schools"। ReligionFacts। ২০১০-০৯-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৯-০১ 
  31. "...that many-sided and all-enfolding culture which we in the West have chosen to call Hinduism" Jan Gonda, Visnuism and Sivaism, Munshiram Manoharlal. 1996, আইএসবিএন ৮১-২১৫-০২৮৭-X p. 1. cited by Welbon, G.R. (Journal of the American Academy of Religion, Vol. 43, No. 1, 98+100. March, 1975.), Review: Love of God According to Saiva Siddhanta: A Study in the Mysticism and Theology of Saivism by Mariasusay Dhanamoy.  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য);
  32. Bryan S. Turner "Essays on the Sociology of Fate - Page 275"
  33. Flood 2001, Defining Hinduism
  34. Merriam-Webster's Encyclopedia of World Religions, p. 434
  35. Vaz, P. (২০০১), "Coexistence of Secularism and Fundamentalism in India", Handbook of Global Social Policy: 124, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-২৬, Hinduism is the oldest of all the major world religions. 
  36. Eastman, R. (১৯৯৯)। The Ways of Religion: An Introduction to the Major Traditions। Oxford University Press, USA। 
  37. Joel Beversluis (২০০০)। Sourcebook of the World's Religions: An Interfaith Guide to Religion and Spirituality (Sourcebook of the World's Religions, 3rd ed)। Novato, Calif: New World Library। পৃষ্ঠা 50আইএসবিএন 1-57731-121-3 
  38. Weightman ও Klostermaier 1994, পৃ. 1
  39. Bhagavad Gita, সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন: "Hinduism is not just a faith. It is the union of reason and intuition that can not be defined but is only to be experienced."
  40. Ferro-Luzzi,(1991)The Polythetic-Prototype Approach to Hinduism in G.D. Sontheimer and H. Kulke (ed.) Hinduism Reconsidered. Delhi: Manohar. pp. 187-95
  41. Smart, (1993) The Formation Rather than the Origin of a Tradition,in DISKUS: A Disembodied Journal of Religious Studies, vol. 1, no. 1, p. 1
  42. Smith, W.C. (1962) The Meaning and End of Religion. San Francisco, Harper and Row. p. 65
  43. Stietencron, on, Hinduism: On the Proper Use of A Deceptive Term, pp.1-22
  44. Halbfass, (1991) Tradition and Reflection. Albany, SUNY Press. pp. 1-22
  45. "JSTOR: Philosophy East and West, Vol. 34, No. 2 (Apr., 1984 ), pp. 234-236"। www.jstor.org। 
  46. David Kopf। "Review: Imagining India by Ronald Inden: Journal of the American Oriental Society, Vol. 112, No. 4 (Oct. - Dec., 1992 ), pp. 674-677"। www.jstor.org। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-০৪ 
  47. Hinduism in Britain Kim Knott, (2000) The South Asian Religious Diaspora in Britain, Canada, and a United States.
  48. Harvey, Andrew (২০০১)। Teachings of the Hindu Mystics। Boulder: Shambhala। xiii। আইএসবিএন 1-57062-449-6 
  49. Clarke, Matthew (২০১১)। Development and Religion: Theology and Practice। Edward Elgar Publishing। পৃষ্ঠা 28। আইএসবিএন 978-0-85793-073-6। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  50. Nath 2001, পৃ. 31।
  51. Flood 1996, পৃ. 113, 154।
  52. Flood 1996
  53. J. McDaniel Hinduism, in John Corrigan, The Oxford Handbook of Religion and Emotion, (2007) Oxford University Press, 544 pages, pp. 52-53 আইএসবিএন ০-১৯-৫১৭০২১-০
  54. Michaels 2004
  55. "Definition of RAMAISM"www.merriam-webster.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৮ 
  56. Dasgupta, Surendranath; Banarsidass, Motilall (১৯৯২)। A history of Indian philosophy (part 1)। পৃষ্ঠা 70। 
  57. Chande, M.B. (২০০০)। Indian Philosophy in Modern Times। Atlantic Publishers & Dist.। পৃষ্ঠা 277। 
  58. Culp, John (২০০৮-১২-০৪)। "Panentheism"। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  59. Smith, W. C. (১৯৬২)। The Meaning and End of Religion। Harper and Row। পৃষ্ঠা 65। আইএসবিএন 978-0-7914-0361-7। ২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৫ 
  60. Halbfass 1991
  61. Lockard 2007; Hiltebeitel 2007
  62. Quack, Johannes; Binder, Stefan (২০১৮-০২-২২)। "Atheism and Rationalism in Hinduism"। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/obo/9780195399318-0196 
  63. Weightman 1998, পৃ. 262–264 "It is Hindu self-awareness and self-identity that affirm Hinduism to be one single religious universe, no matter how richly varied its contents, and make it a significant and potent force alongside the other religions of the world."
  64. Brodd, Jefferey (২০০৩)। World Religions। Winona, MN: Saint Mary's Press। আইএসবিএন 978-0-88489-725-5 
  65. "Polytheism"Encyclopædia Britannica। Encyclopædia Britannica Online। ২০০৭। ২০১১-০৮-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৭-০৫ 
  66. See Michaels 2004, পৃ. xiv and Gill, N.S। ""Henotheism""About, Inc। ২০১১-০৮-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৭-০৫ 
  67. Monier-Williams 1974, পৃ. 20–37
  68. ও Bhaskarananda 1994
  69. Vivekananda 1987
  70. Werner 1994, পৃ. p37
  71. Werner 1994, পৃ. 7
  72. Monier-Williams 2001
  73. Sen Gupta 1986, পৃ. viii
  74. For translation of deva in singular noun form as "a deity, god", and in plural form as "the gods" or "the heavenly or shining ones", see: Monier-Williams 2001, পৃ. 492. In fact, there are different ranks among the devas. The highest are the immortal Mahadevas, such as Shiva, Vishnu, etc. The second-rank devas, such as Ganesha, are described as their offspring: they are "born", and their "lifespan" is quite limited. In ISKCON the word is translated as "demigods", although it can also denote such heavenly denizens as gandharvas. See: "Vedic cosmology"Vedic Knowledge Online। VEDA - Bhaktivedanta Book Trust। ২০০৭-০৬-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৬-২৫ . For translation of devatā as "godhead, divinity", see: Monier-Williams 2001, পৃ. 495.
  75. Werner 1994, পৃ. 80
  76. Renou 1961, পৃ. 55
  77. Harman 2004, পৃ. 104–106
  78. Rinehart 2004
  79. Bhaskarananda 1994
  80. Nikhilananda 1992
  81. Rosen 1997
  82. Vivekananda 1987, পৃ. 6–7 Vol I
  83. Vivekananda 1987, পৃ. 118–120 Vol III
  84. Sargeant ও Chapple 1984, পৃ. 3
  85. Nikhilananda 1990, পৃ. 3–8
  86. Rinehart 2004, পৃ. 68।
  87. Flood 2008, পৃ. 4।
  88. Note: Nyaya-Vaisheshika believe that the Vedas were created by God, not eternal.
  89. Harshananda, Swami (১৯৮৯), A Bird's Eye View of the Vedas, in "Holy Scriptures: A Symposium on the Great Scriptures of the World" (2nd সংস্করণ), Mylapore: Sri Ramakrishna Math, আইএসবিএন 81-7120-121-0 
  90. Vivekananda 1987, পৃ. 374 Vol II
  91. Rigveda is not only the oldest among the vedas, but is one of the earliest Indo-European texts.
  92. Werner 1994, পৃ. 166
  93. Monier-Williams 1974, পৃ. 25–41
  94. Brihadaranyaka Upanishad 1.3.28
  95. Sarvopaniṣado gāvo, etc. (Gītā Māhātmya 6). Gītā Dhyānam, cited in Introduction to Bhagavad-gītā As It Is ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১ মার্চ ২০১৪ তারিখে.
  96. Thomas B. Coburn, Scripture" in India: Towards a Typology of the Word in Hindu Life, Journal of the American Academy of Religion, Vol. 52, No. 3 (September, 1984), pp. 435-459
  97. Sawant, Ankush (১৯৯৬), Manu-smriti and Republic of Plato: a comparative and critical study, Himalaya Pub. House 
  98. Radhakrishnan 1993, p. 119
  99. The Bhagavad Gita ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে, Eknath Easwaran, Edition 2, Nilgiri Press, 2007, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৮৬৩৮-০১৯-৯
  100. Pechelis, Karen (২০১১)। "Bhakti Traditions"। The Continuum Companion to Hindu Studies। Bloomsbury। পৃষ্ঠা 107–121। আইএসবিএন 978-0-8264-9966-0 
  101. Lochtefeld 2002a; also see articles on karmamārga and jnanamārga
  102. Sahajananda, John Martin (২০১৪)। Fully Human Fully Divine। Partridge India। পৃষ্ঠা 60। আইএসবিএন 978-1-4828-1955-7 
  103. Tiwari, Kedar Nath (২০০৯)। Comparative Religion। Motilal Banarsidass। পৃষ্ঠা 31। আইএসবিএন 978-81-208-0293-3 
  104. Huyler, Stephen (২০০২)। Meeting God: Elements of Hindu Devotion। Yale University Press। পৃষ্ঠা 10–11, 71। আইএসবিএন 978-0-300-08905-9 
  105. Gonda, Jan (১৯৬৩)। "The Indian Mantra": 244–297। ডিওআই:10.1163/18778372-01601016 
  106. Fowler 1997
  107. Foulston, Lynn (২০১২)। Encyclopedia of Hinduism। Routledge। পৃষ্ঠা 21–22, 868। আইএসবিএন 978-1-135-18978-5 
  108. Lutgendorf, Philip (২০০৭-০১-১১)। Hanuman's Tale: The Messages of a Divine Monkey (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 401। আইএসবিএন 978-0-19-804220-4। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  109. Ganesh, the benevolent। Pal, Pratapaditya., Marg Publications.। Marg Publications। ১৯৯৫। আইএসবিএন 81-85026-31-9ওসিএলসি 34752006। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  110. Raj, Dhooleka S. (২০০৩)। Where Are You From?: Middle-Class Migrants in the Modern World (1 সংস্করণ)। University of California Press। আইএসবিএন 978-0-520-23382-9জেস্টোর 10.1525/j.ctt1pn917। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  111. Lutgendorf, Philip (২০০৭-০১-১১)। Hanuman's Tale: The Messages of a Divine Monkey (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 23, 262। আইএসবিএন 978-0-19-804220-4। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  112. Williams, Raymond Brady (২০১৮-১১-০৮)। Introduction to Swaminarayan Hinduism (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 84, 153–154। আইএসবিএন 978-1-108-42114-0। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ 
  113. Hindu culture, custom, and ceremony ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ মে ২০১৪ তারিখে, p195, Brojendra Nath Banerjee, Agam, 1978, 26 May 2009
  114. Chandra, Suresh (১৯৯৮)। Encyclopaedia of Hindu Gods and Goddesses (1st সংস্করণ)। Sarup & Sons। পৃষ্ঠা 178। আইএসবিএন 978-81-7625-039-9ওসিএলসি 40479929 
  115. Jain 2015
  116. Bhaskarananda 1994
  117. Monier-Williams 1974
  118. Radhakrishnan, S. (১৯২৯)। Indian Philosophy, Volume 1। Muirhead library of philosophy (2nd সংস্করণ)। George Allen and Unwin Ltd.। পৃষ্ঠা 148। 
  119. For ahiṃsā as one of the "emerging ethical and religious issues" in the Mahābhārata see: Brockington, John (২০০৩)। "The Sanskrit Epics"। Flood। পৃষ্ঠা 125। 
  120. Surveys studying food habits of Indians include:
  121. Gregory, Neville; Grandin, Temple (২০০৭)। Animal Welfare and Meat Production। CABI। পৃষ্ঠা 206–208। আইএসবিএন 978-1-84593-215-2 
  122. Das, Veena (২০০৩)। The Oxford India companion to sociology and social anthropology। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 151–152। আইএসবিএন 978-0-19-564582-8 
  123. Grover, Neelam; Singh, Kashi N. (২০০৪)। Cultural Geography, Form and Process, Concept। পৃষ্ঠা 366। আইএসবিএন 978-81-8069-074-7 
  124. Jagannathan, Maithily (২০০৫)। South Indian Hindu Festivals and Traditions। Abhinav। পৃষ্ঠা 53, 69। আইএসবিএন 978-81-7017-415-8  Min, Pyong Gap (২০১০)। Preserving Ethnicity through Religion in America। New York University Press। পৃষ্ঠা 1। আইএসবিএন 978-0-8147-9586-6 
  125. Walker 1968
  126. Richman 1988
  127. Williams, Raymond (২০০১)। An Introduction to Swaminarayan Hinduism (1st সংস্করণ)। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 159 
  128. Narayanan, Vasudha (২০০৭)। "The Hindu Tradition"। A Concise Introduction to World Religions। Oxford University Press। 
  129. Rosen, Steven (২০০৬)। Essential Hinduism (1st সংস্করণ)। Praeger Publishers। পৃষ্ঠা 188 
  130. Aiyar, KN (১৯১৪)। "22"। Thirty Minor Upanishads। Kessinger Publishing। পৃষ্ঠা 173–176। আইএসবিএন 978-1-164-02641-9 
  131. Svatmarama; Brahmananda। The Hathayogapradīpikā of Svātmārāma। verse 1.58–63, pp. 19–21। 
  132. Lorenzen, David (১৯৭২)। The Kāpālikas and Kālāmukhas। University of California Press। পৃষ্ঠা 186–190আইএসবিএন 978-0-520-01842-6 
  133. Chapple, Christopher Key (২০০৯)। The Bhagavad Gita: Twenty-fifth–Anniversary Edition। State University of New York Press। পৃষ্ঠা 641–643। আইএসবিএন 978-1-4384-2842-0 
  134. Smith, Harold F. (২০০৭)। "12"। Outline of Hinduism। Read Books। আইএসবিএন 978-1-4067-8944-7 
  135. Fuller 2004
  136. Yayasan, Bumi Kita (৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "The Hidden Life of Bali"The natural guide to Bali: enjoy nature, meet the people, make a difference। Equinox Publishing (Asia)। পৃষ্ঠা 51। আইএসবিএন 978-979-3780-00-9। ২৬ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১০ 
  137. Gwynne, Paul (২০১১)। World Religions in Practice: A Comparative Introduction। John Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 5 footnote 16। আইএসবিএন 978-1-4443-6005-9 
  138. Olcott, H.S. (১৯০৬)। The Theosophist। Theosophical Publishing House। পৃষ্ঠা 146 with footnote। , Quote: "It is well known that Vaishnavas abhor animal sacrifice. In this province, like nearly all Bengalis, they celebrate Durga Puja, but their ceremonies are bloodless".
  139. Nicholson 2010, Quote: "The acceptance of the principle of nonviolence has been so through that animal sacrifice among Hindus today is uncommon, and many Indians are of the opinion that such things as cow slaughter were never practiced in ancient India".
  140. Bekoff, Marc (২০০৯)। Encyclopedia of Animal Rights and Animal Welfare, 2nd Edition। ABC-CLIO। পৃষ্ঠা 482। আইএসবিএন 978-0-313-35256-0 
  141. Michell 1988
  142. Kramrisch 1976a
  143. Kramrisch 1976a
  144. Kramrisch 1976b
  145. Stein, Burton (ফেব্রুয়ারি ১৯৬০)। "The Economic Function of a Medieval South Indian Temple": 163–176। জেস্টোর 2943547ডিওআই:10.2307/2943547 
  146. Olivelle, Patrick (১৯৯৩)। The Āśrama System: The History and Hermeneutics of a Religious Institution। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 1–29, 84–111। ওসিএলসি 466428084 
  147. Sharma, RK (১৯৯৯)। Indian Society, Institutions and Change। পৃষ্ঠা 28। আইএসবিএন 978-81-7156-665-5 
  148. Widgery 1930
  149. Nugteren, Albertina (২০০৫)। Belief, Bounty, And Beauty: Rituals Around Sacred Trees in India। Brill Academic। পৃষ্ঠা 13–21। আইএসবিএন 978-90-04-14601-3 
  150. Saraswathi (২০১০)। "Reconceptualizing Lifespan Development through a Hindu Perspective"। Bridging Cultural and Developmental Approaches to Psychology। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 280–286। আইএসবিএন 978-0-19-538343-0 
  151. Radhakrishnan, S. (১৯২২)। "The Hindu Dharma": 1–22। ডিওআই:10.1086/intejethi.33.1.2377174  
  152. Bhawuk, DP (২০১১)। "The Paths of Bondage and Liberation"। Spirituality and Indian Psychology। Springer। পৃষ্ঠা 93–110। আইএসবিএন 978-1-4419-8109-7 
  153. Holdrege, Barbara (২০০৪)। "Dharma"। The Hindu World। Routledge। পৃষ্ঠা 231আইএসবিএন 978-0-415-21527-5 
  154. Olivelle, Patrick (১৯৯৩)। The Ashrama System: The History and Hermeneutics of a Religious Institution। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-534478-3 
  155. Ellinger, Herbert (১৯৯৬)। Hinduism। Bloomsbury Academic। পৃষ্ঠা 69–70। আইএসবিএন 978-1-56338-161-4 
  156. Khanna 2007, পৃ. xvii।
  157. Misra 2004, পৃ. 194।
  158. Kulke 2004, পৃ. 7।
  159. Flood 1996, পৃ. 21।
  160. Smart 2003, পৃ. 52-53।
  161. Michaels 2004, পৃ. 32।
  162. Michaels 2004, পৃ. 31, 348।
  163. Muesse 2003
  164. Muesse 2011
  165. Muesse 2011, পৃ. 16।
  166. Smart 2003, পৃ. 52, 83-86।
  167. Smart 2003, পৃ. 52।
  168. Michaels 2004, পৃ. 36।
  169. Michaels 2004, পৃ. 38।
  170. Muesse 2003, পৃ. 14।
  171. Flood ও 1996 21-22
  172. Michaels 2004, পৃ. 39।
  173. Michaels 2004, পৃ. 40।
  174. Michaels 2004, পৃ. 41।
  175. Michaels 2004, পৃ. 43।
  176. Michaels 2004, পৃ. 45।
  177. Christopher I. Beckwith (2009), Empires of the Silk Road, Oxford University Press, p.30
  178. "Vietnam"। State.gov। ২০০২-১০-২২। ২০১২-০১-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৬-১৭ 
  179. Thapar, Romila (১৯৮৯)। "Imagined Religious Communities? Ancient History and the Modern Search for a Hindu Identity": 209–231। আইএসএসএন 0026-749Xজেস্টোর 312738ডিওআই:10.1017/S0026749X00001049 
  180. "OHCHR | Caste systems violate human rights and dignity of millions worldwide – New UN expert report"www.ohchr.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-১৬ 
  181. Puniyani, Ram (২০১৫)। Ghar Wapsi, Conversions and Freedom of Religion (ইংরেজি ভাষায়)। Media House। পৃষ্ঠা 78, 98–103, 176। আইএসবিএন 978-93-7495-599-4 
  182. Bakshi, Shiri Ram (১৯৯৭)। Kashmir: Valley and Its Culture। Sarup & Sons। পৃষ্ঠা 70 
  183. Fisher, Michael H.। "A History of Modern India, 1480–1950. Edited by Claude Markovits. Translated by Nisha George and Maggy Hendry. London: Anthem Press, 2002. xvii, 593 pp. $37.50 (cloth).": 1283–1284। আইএসএসএন 0021-9118জেস্টোর 3591813ডিওআই:10.2307/3591813 
  184. D'Costa, Bina (২০১১)। Nationbuilding, gender, and war crimes in South Asia। Routledge। আইএসবিএন 978-0-415-56566-0ওসিএলসি 432998155 
  185. Zamindar, Vazira Fazila-Yacoobali (২০১০)। The long partition and the making of modern South Asia: refugees, boundaries, histories (Paperback সংস্করণ)। আইএসবিএন 978-0-231-51101-8ওসিএলসি 630927040 
  186. Sikand, Yoginder (২০০৪)। Muslims in India since 1947 Islamic perspectives on inter-faith relations। RoutledgeCurzon। আইএসবিএন 0-203-35474-5ওসিএলসি 1162450134 
  187. Brass, Paul R. (২০১১-০৫-০১)। The Production of Hindu-Muslim Violence in Contemporary India (ইংরেজি ভাষায়)। University of Washington Press। আইএসবিএন 978-0-295-80060-8 
  188. Jain, Meenakshi (২০১৯)। Flight of deities and rebirth of temples : espisodes from Indian historyআইএসবিএন 978-81-7305-619-2ওসিএলসি 1091630081 
  189. Lal, Kishori Saran (১৯৯৯)। Theory and Practice of Muslim State in India। Aditya Prakashan। পৃষ্ঠা 90–145। আইএসবিএন 978-81-86471-72-2 
  190. Priolkar, Anand Kakba (১৯৯২)। The Goa Inquisition। South Asia Books। পৃষ্ঠা 2–67, 184। আইএসবিএন 9-780-836-42753-0 
  191. Smith, Vincent Arthur; Edwardes, Stephen Meredyth (১৯১৯)। The Oxford history of India, from the earliest times to the end of 1911। Robarts - University of Toronto। Oxford, Clarendon Press। পৃষ্ঠা 438ওসিএলসি 839048936 
  192. Souza, Teotonio R. De (১৯৯৪)। Discoveries, Missionary Expansion, and Asian Cultures (ইংরেজি ভাষায়)। Concept Publishing Company। পৃষ্ঠা 80আইএসবিএন 978-81-7022-497-6 
  193. "Twentieth Century Atlas - Death Tolls and Casualty Statistics for Wars, Dictatorships and Genocides"necrometrics.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-০৫ 
  194. Laurence, Michael; Kumar, Girish (জুন ১৫, ১৯৮৭)। "Lt-Colonel Rabuka throws out the allegedly 'Indian' Bavadra government in Fiji"India Today (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-১৬ 
  195. "Opinion"dawn.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০৬-০৬-১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-১৬ 
  196. "Persecution of Hindus: What western media understands but won't tell you"Asianet News Network Pvt Ltd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-১৬ 
  197. Sharma 2011
  198. Gonda, Jan। "The Indian Religions in Pre-Islamic Indonesia and their survival in Bali"। Handbook of Oriental Studies. Section 3 Southeast Asia, Religions। পৃষ্ঠা 1–47। 
  199. Kartakusama, Richadiana (২০০৬)। Archaeology: Indonesian Perspective। Yayasan Obor Indonesia। পৃষ্ঠা 406–419। আইএসবিএন 978-979-26-2499-1 
  200. Reuter, Thomas (সেপ্টেম্বর ২০০৪)। Java's Hinduism Revivial [sic]। Hinduism Today। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০০৮ 
  201. Sharma 2012
  202. Wick, Peter; Rabens, Volker (২০১৩)। Religions and Trade: Religious Formation, Transformation and Cross-Cultural Exchange Between East and West। Brill Academic। পৃষ্ঠা 70 with footnotes 13 and 14। আইএসবিএন 978-90-04-25528-9 
  203. Ahmed, Rafiuddin (১৯৯২)। "Muslim-Christian Polemics"। Jones, Kenneth। Religious Controversy in British India: Dialogues in South Asian Languages। State University of New York Press। পৃষ্ঠা 93–120। আইএসবিএন 978-0-7914-0827-8 
  204. Jalal, Ayesha (২০১০)। Partisans of Allah: Jihad in South AsiaHarvard University Press। পৃষ্ঠা 117–146। আইএসবিএন 978-0-674-04736-5 
  205. Parsons, Martin (২০০৬)। Unveiling God: Contextualising Christology for Islamic Culture। William Carey Press। পৃষ্ঠা 4–15, 19–27। আইএসবিএন 978-0-87808-454-8 
  206. Powell, A. A. (১৯৭৬)। "Maulānā Raḥmat Allāh Kairānawī and Muslim-Christian Controversy in India in the Mid-19th Century"। Journal of the Royal Asiatic Society of Great Britain & Ireland108: 42–63। ডিওআই:10.1017/S0035869X00133003 
  207. Powell, Avril (১৯৯৫)। "Contested gods and prophets: discourse among minorities in late nineteenth‐century Punjab"। Renaissance and Modern Studies38 (1): 38–59। ডিওআই:10.1080/14735789509366584 
  208. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; csadcock নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

উৎস

প্রকাশিত উত্‍স

ওয়েব উত্‍স

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; EB-sanatana dharma নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. "Hinduism"HISTORY। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-২৩ 
  3. "Basics of Hinduism"। Kauai's Hindu Monastery। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-২৩ 
  4. "Is Hinduism monotheistic?"The Oxford Centre for Hindu Studies। ২০০৪-০৬-১৫। ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-২৩ 
  5. Jha, Preeti (২৬ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Guinness comes to east Delhi: Akshardham world's largest Hindu temple"ExpressIndia.com। ২৮ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০০৮ 
  6. "Swami Shivananda's mission"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০০৭ 
  7. Encyclopædia Britannica 
  8. "CIA-The world factbook"। ১১ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১০ 
  9. "2011 Nepal Census Report" (PDF)। ১৮ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  10. "CIA - The World Factbook"। ১১ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১০ 
  11. "Resident population by religion and sex" (PDF)Statistics Mauritius। পৃষ্ঠা 68। ১৬ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১২ 
  12. "CIA - The World Factbook"। ২৮ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  13. "CIA - The World Factbook"। ২ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  14. "Bhutan"। ১৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  15. "CIA - The World Factbook"। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  16. "Suriname"। ১৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  17. Department of Census and Statistics,The Census of Population and Housing of Sri Lanka-2011 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে
  18. "SVRS 2012" (PDF)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ১৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  19. "CIA - The World Factbook"। ৬ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  20. "Reunion Island"। ২২ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  21. "CIA - The World Factbook"। ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 
  22. "CIA - The World Factbook"। ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  23. "CIA - The World Factbook"। ২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  24. Singapore Department of Statistics (১২ জানুয়ারি ২০১১)। "Census of population 2010: Statistical Release 1 on Demographic Characteristics, Education, Language and Religion" (PDF)। ৩ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১১ 
  25. "CIA - The World Factbook"। ৬ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  26. "CIA - The World Factbook"। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  27. "CIA - The World Factbook"। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৪ 
  28. "CIA - The World Factbook"। ৮ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৪ 

আরও পড়ুন

বহিঃসংযোগ

অডিও

  • Paper on Hinduism by Swami Vivekananda - ১৮৯৩ সালে বিশ্বধর্ম মহাসভায় উপস্থাপিত (প্রকৃত পাঠ্যাংশ + অডিও সংস্করণ)
  • Oxford Centre for Hindu Studies অক্সফোর্ড সেন্টার ফর হিন্দু স্টাডিস্ দ্বারা পণ্ডিত এবং ছাত্রদের জন্যে উল্লেখ্য উপাদান হিসাবে বক্তৃতা ও সেমিনার-এর এমপিথ্রী অডিও বিন্যাস