ঋগ্বেদ (সংস্কৃত: ऋग्वेदः ṛgvedaḥ, ঋক "স্তব"[২]বেদ "জ্ঞান" থেকে) হল প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সংস্কৃত স্তোত্রাবলির একটি সংকলন। এই গ্রন্থটি বেদ নামে পরিচিত চারটি সর্বপ্রধান হিন্দু ধর্মগ্রন্থের ("শ্রুতি") অন্যতম।[৩][৪]

ঋগ্বেদ
Four vedas
চতুর্বেদ
তথ্য
ধর্মহিন্দুধর্ম
ভাষাবৈদিক সংস্কৃত
যুগআনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-১২০০ অব্দ[note ১]
অধ্যায়১০টি মণ্ডল
শ্লোক১০,৫৫২টি ঋক[১]
দেবনাগরী লিপিতে ঋগ্বেদ (পদপাঠ) পুথি, ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ। মঙ্গলাচরণের (গণেশায় নমঃ ওঁ) পর প্রথম পদের প্রথম ঋকটি (অগ্নিমীলে পুরোহিতং যজ্ঞস্য দেবমৃত্বিজম্। হোতারং রত্নধাতমম্।।) লিখিত। স্বরগ্রাম-প্রস্বনগুলি লাল রঙের নিম্নরেখা ও উল্লম্ব ঊর্ধ্বরেখা দ্বারা চিহ্নিত।

ঋগ্বেদ গ্রন্থের চারটি স্তর লক্ষিত হয়। যথা: "সংহিতা", "ব্রাহ্মণ", "আরণ্যক" ও "উপনিষদ্"।[note ২] "ঋগ্বেদ সংহিতা" অংশটি হল এই গ্রন্থের মূল অংশ। এই অংশে দশটি "মণ্ডল"-এ (খণ্ড) ১,০২৮টি "সূক্ত" (স্তোত্র) সংকলিত হয়েছে এবং সব ক’টি সূক্তে মোট শ্লোকের (ঋগ্বেদে শ্লোকগুলিকে "ঋক" বলা হয়, যার নামকরণ "ঋগ্বেদ" নামের অনুসারে করা হয়েছে) সংখ্যা ১০,৬০০। দশটি মণ্ডলের মধ্যে দ্বিতীয় থেকে নবম মণ্ডল পর্যন্ত অংশটিই প্রাচীনতম। এই অংশে সংকলিত সূক্তগুলিতে বিশ্বতত্ত্ব ও দেবদেবীদের স্তবস্তোত্রাদি আলোচিত হয়েছে।[৫][৬] অপেক্ষাকৃত নবীনতর মণ্ডল দু’টির (প্রথম ও দশম মণ্ডল) সূক্তসমূহে আলোচ্য বিষয় হল দর্শন ও অনুমানমূলক প্রশ্নাবলি,[৬] সমাজে দানের মতো সদ্গুণাবলি,[৭] মহাবিশ্বের উৎপত্তি-সংক্রান্ত প্রশ্নাবলি এবং ঈশ্বরের প্রকৃতি,[৮][৯] এবং অন্যান্য অধিবিদ্যামূলক বিষয়াবলি।[১০]

ঋগ্বেদ হল বৈদিক সংস্কৃত ভাষায় লিখিত প্রাচীনতম গ্রন্থ।[১১] এটির আদি স্তরগুলি হল যে কোনও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষায় লিখিত প্রাচীনতম অদ্যাবধি অস্তিত্বমান গ্রন্থের অন্যতম।[১২][note ৩] খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দ থেকে ঋগ্বেদের ধ্বনি ও পাঠ মৌখিকভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রচলিত ছিল।[১৪][১৫][১৬] সাংস্কৃতিক ভাষাতত্ত্বভাষাবিজ্ঞান-সংক্রান্ত ইঙ্গিত করে যে ঋগ্বেদ সংহিতার বৃহদংশ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়কালে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে (বৃহত্তর পাঞ্জাব অঞ্চলে) রচিত হয়েছিল।[১৭][১৮][১৯] যদিও কোনও কোনও গবেষক আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৭০০ থেকে ১১০০ অব্দের মধ্যবর্তী এক বৃহত্তর সময়কালকে ঋগ্বেদ সংহিতা রচনার তারিখ হিসেবে গ্রহণ করেন।[২০][২১][note ১]

ঋগ্বেদের কয়েকটি ঋক ও সূক্ত হিন্দু সামাজিক অনুষ্ঠান (যেমন বিবাহ) ও প্রার্থনার সময় পঠিত হয়। এই কারণে ঋগ্বেদ সম্ভবত পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ যা এখনও ব্যবহৃত হয়ে চলেছে।[২২][২৩]

রচনাকাল ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটসম্পাদনা

 
ঋগ্বেদে উল্লিখিত জাতিগোষ্ঠী ও নদনদীর মানচিত্র
 
পরবর্তী বৈদিক যুগের গ্রন্থাবলির ভৌগোলিক ক্ষেত্রসমূহ। প্রত্যেকটি প্রধান অঞ্চলে ঋগ্বেদের নিজস্ব শাখা বিদ্যমান ছিল এবং সেগুলির মধ্যে একাধিক পাঠান্তরও লক্ষিত হয়।[৩]

রচনাকাল নিরূপণসম্পাদনা

জেমিসন ও ব্রেরেটন তাঁদের ঋগ্বেদ অনুবাদে (২০১৪) এই গ্রন্থের রচনাকাল সম্পর্কে বলেছেন, সেটি "তর্ক ও পুনর্বিবেচনার বিষয় এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে"। তারিখসংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলির সব ক’টিই করা হয়েছে সূক্তগুলির রচনাশৈলী ও সেগুলির বিষয়বস্তুর নিরিখে।[২৪] সাংস্কৃতিক ভাষাতত্ত্ববিদদের মতে এই গ্রন্থের একটি বৃহৎ অংশের রচনাকাল খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের দ্বিতীয়ার্ধ।[note ১] একটি আদি ইন্দো-আর্য ভাষায় রচিত হওয়ায় সূক্তগুলি নিশ্চিতরূপেই মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ নাগাদ সংঘটিত ইন্দো-ইরানীয় বিচ্ছেদের পরবর্তীকালের রচনা।[২৫] ঋগ্বেদের মূল অংশের রচনার যুক্তিগ্রাহ্য তারিখটি উত্তর সিরিয়া ও ইরাকের মিতান্নি নথির রচনাকালের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৪৫০-১৩৫০ অব্দ) অনুরূপ। উল্লেখ্য, এই নথিটিতেও বরুণ, মিত্র ও ইন্দ্রের মতো বৈদিক দেবতার উল্লেখ করা হয়েছে।[২৬][২৭] অন্যান্য প্রমাণগুলি ইঙ্গিত করে যে এই গ্রন্থের রচনাকাল খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০ অব্দের কাছাকাছি কোনও এক সময়ে।[২৮][২৯]

ঋগ্বেদের মূল অংশের সর্বজনগ্রাহ্য সময়কাল হল পরবর্তী ব্রোঞ্জ যুগ। এই কারণে এই গ্রন্থ অল্প কয়েকটি সুদীর্ঘকাল স্থায়ী নিরবিচ্ছিন্ন প্রথার অন্যতম উদাহরণে পরিণত হয়েছে। সাধারণভাবে এই গ্রন্থের রচনাকাল ধরা হয় মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়টিকে।[note ১] মাইকেল উইটজেলের মতে, ঋগ্বেদ প্রাথমিকভাবে সংকলনের আকারে গ্রথিত হয় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দ নাগাদ ঋগ্বৈদিক যুগের শেষভাগে। এই সময়টি ছিল কুরু রাজ্যের আদি যুগ।[৩০] আস্কো পারপোলার মতে, ঋগ্বেদ প্রণালীবদ্ধ হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ নাগাদ, যেটি ছিল কুরু রাজ্যের সমসাময়িক কালে।[৩১]

ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটসম্পাদনা

পাঠসম্পাদনা

ঋগ্বেদের যে পাঠটি আজ পাওয়া যায় সেটির মূল ভিত্তি লৌহযুগের (নিচে কালনির্ধারণ দেখুন) একটি সংকলন। এই সংকলনটি থেকে ‘গোত্রীয় গ্রন্থাবলি’ (মন্ত্রদ্রষ্টা, দেবতা ও ছন্দ অনুসারে ২য়-৭ম মণ্ডল[৩২]) পরবর্তীকালে সম্পাদিত একটি সংস্করণ পাওয়া যায়। এই পরবর্তীকালীন সংকলনটি আবার অন্যান্য বেদসমূহের সঙ্গে মুখে মুখে সম্পাদিত একটি সংকলন। এই সংকলনে পরবর্তীকালে কিছু প্রক্ষিপ্ত বিষয় যুক্ত হয়েছিল, যা মূল ঋগ্বেদের কঠোর বিন্যাস-প্রণালীর সঙ্গে বেমানান। এর সঙ্গে বৈদিক সংস্কৃতের বিশুদ্ধ উচ্চারণ পদ্ধতির মধ্যেও কিছু পরিবর্তন (যেমন সন্ধির নিয়ামন[৩৩]) এসেছিল।

অন্যান্য বেদসমূহের মতো সম্পাদিত পাঠটির একাধিক সংস্করণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে পদপাঠ সংস্করণটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি পৌস আকারে রচিত এবং মুখস্ত করার সুবিধার্থে প্রতিটি শব্দ এখানে পৃথক আকারে লিখিত। এছাড়া সংহিতাপাঠও গুরুত্বপূর্ণ। এটি সন্ধির নিয়মানুসারে লিখিত (প্রতিসখ্য বিধানে বর্ণিত নিয়মানুসারে)। এটি হল আবৃত্তি-উপযোগী মুখস্ত রাখার সংস্করণ।

পদপাঠসংহিতাপাঠ বিশ্বাসযোগ্যতা ও অর্থগতদিক থেকে ঋগ্বেদের মূল পাঠের সবচেয়ে নিকটবর্তী।[৩৪] প্রায় এক হাজার বছর ধরে ঋগ্বেদের মূল পাঠ সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে মুখে মুখে সংরক্ষিত হয়েছিল।[২৬] এটি করার জন্য মুখে মুখে প্রচলিত রাখার প্রথাটিকে একটি বিশেষ উচ্চারণভঙ্গি দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সংস্কৃত সমাসবদ্ধ শব্দগুলির ব্যাসবাক্য এবং বৈচিত্র্য দান করা হয়েছিল। কোথাও কোথাও ব্যাকরণগত পরিবর্তনও আনা হয়েছিল। শব্দের এই পরিমার্জনার সঙ্গে সঙ্গেই অঙ্গসংস্থানবিদ্যাধ্বনিবিজ্ঞানের একটি সমৃদ্ধ প্রথা গড়ে উঠেছিল। সম্ভবত গুপ্তযুগের (খ্রিস্টীয় ৪র্থ-৬ষ্ঠ শতাব্দী) আগে ঋগ্বেদ লিখিত হয়নি। গুপ্তযুগে ব্রাহ্মী লিপি সুপ্রচলিত হয়েছিল (ঋগ্বেদের প্রাচীনতম বিদ্যমান পাণ্ডুলিপিগুলি পরবর্তী মধ্যযুগের)।[৩৫] যদিও মুখে মুখে প্রচলিত রাখার প্রথাটি আজও আছে।

ঋগ্বেদের আদি পাঠ (যেটি ঋষিগণ অনুমোদন করেছেন) বিদ্যমান সংহিতাপাঠের পাঠের সঙ্গে কাছাকাছি গেলেও সম্পূর্ণ এক নয়। তবে ছন্দ ও অন্যান্য দিক থেকে এর কিছু অংশ অন্তত একই ধাঁচে লেখা।[৩৬]

== ঋগ্বেদের উপাস্য দেবদেবী ও উপাসক ঋষি ==

সাধারণভাবে ঋগ্বেদে অনেক দেবদেবীর উল্লেখ আছে। যেমন :পশুপতি শিব , ইন্দ্র, রুদ্র,বরুণ, পবন ইত্যাদি । আবার এটিও উল্লেখিত হয়েছে শিব ই পরমেশ্বর ও পরম ব্রহ্ম এবং সমস্ত দেবদেবীই পরমেশ্বরের বিভিন্ন রূপ।

ঋষিরা তাদের উপাসনা করে বিভিন্ন শক্তি লাভ করতেন।

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. https://sites.google.com/a/vedicgranth.org/www/what_are_vedic_granth/the-four-veda/interpretation-and-more/construction-of-the-vedas?mobile=true
  2. Derived from the root ṛc "to praise", cf. Dhātupātha 28.19. Monier-Williams translates Rigveda as "a Veda of Praise or Hymn-Veda".
  3. Michael Witzel (1997), The Development of the Vedic Canon and its Schools : The Social and Political Milieu, Harvard University, in Witzel 1997, পৃ. 259–264
  4. Antonio de Nicholas (2003), Meditations Through the Rig Veda: Four-Dimensional Man, আইএসবিএন ৯৭৮-০৫৯৫২৬৯২৫৯, p. 273
  5. Werner, Karel (1994). A Popular Dictionary of Hinduism. Curzon Press. আইএসবিএন ০-৭০০৭-১০৪৯-৩.
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; jamisonbrereton নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. C Chatterjee (1995), Values in the Indian Ethos: An Overview, Journal of Human Values, Vol 1, No 1, pp. 3–12;
    Original text translated in English: The Rig Veda, Mandala 10, Hymn 117, Ralph T. H. Griffith (Translator);
  8. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; 3translations নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  9. উদাহরণ:
    ঋক ১.১৬৪.৩৪, "পৃথিবীর শেষ সীমা কোথায়?", "মহাবিশ্বের কেন্দ্র কোনটি?", "বিশ্ব-অশ্বের বীর্য কোনটি?", "মানব-বাকশক্তির পরম উৎস কোনটি?"
    ঋক ১.১৬৪.৩৪, "পৃথিবীকে কে রক্ত, আত্মা ও চৈতন্য দান করেছেন?", "অবিন্যস্ত মহাবিশ্ব থেকে কীভাবে এই সুবিন্যস্ত বিশ্ব উৎসারিত হল? "
    ঋক ১.১৬৪.৫, "রাত্রিকালে সূর্য কোথায় লুকায়?", "দেবতারা কোথায় বাস করেন"
    ঋক ১.১৬৪.৬, "জাত মহাবিশ্বের অজাত অবলম্বনটি কী ও কোথায়?";
    ঋক ১.১৬৪.২০ (এই ঋকটি উপনিষদ্সমূহে দেহ ও আত্মার রূপক হিসেবে বহুল উদ্ধৃত): "শুভ্র পক্ষবিশিষ্ট দু’টি পাখি পরস্পরের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; তারা একই আশ্রয়দাতা বৃক্ষে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। একজন সেই ডুমুর গাছ থেকে অবিরাম খেয়েই চলেছে; আর অপর জন্য খাচ্ছে না, শুধুই দেখছে।";
    ঋগ্বেদ প্রথম মণ্ডল, সূক্ত ১৬৪ উইকিসোর্স;
    এই ঋকগুলির অনুবাদ দেখুন: Stephanie W. Jamison; Joel Brereton (২০১৪)। The Rigveda: 3-Volume Set। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-972078-1 
  10. Antonio de Nicholas (2003), Meditations Through the Rig Veda: Four-Dimensional Man, আইএসবিএন ৯৭৮-০৫৯৫২৬৯২৫৯, pp. 64–69;
    Jan Gonda, A History of Indian Literature: Veda and Upanishads, Volume 1, Part 1, Otto Harrassowitz Verlag, আইএসবিএন ৯৭৮-৩৪৪৭০১৬০৩২, pp. 134–135;
  11. Stephanie W. Jamison; Joel Brereton (২০১৪)। The Rigveda: 3-Volume Set। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 3। আইএসবিএন 978-0-19-972078-1 
  12. Edwin F. Bryant (২০১৫)। The Yoga Sutras of Patañjali: A New Edition, Translation, and Commentary। Farrar, Straus and Giroux। পৃষ্ঠা 565–566। আইএসবিএন 978-1-4299-9598-6 
  13. Edgar Polome (২০১০)। Per Sture Ureland, সম্পাদক। Entstehung von Sprachen und Völkern: glotto- und ethnogenetische Aspekte europäischer Sprachen। Walter de Gruyter। পৃষ্ঠা 51। আইএসবিএন 978-3-11-163373-2 
  14. Wood 2007
  15. Hexam 2011, পৃ. chapter 8।
  16. Dwyer 2013
  17. Flood 1996, পৃ. 37।
  18. Witzel 1995, পৃ. 4।
  19. Anthony 2007, পৃ. 454।
  20. Oberlies 1998 p. 158
  21. Lucas F. Johnston, Whitney Bauman (২০১৪)। Science and Religion: One Planet, Many Possibilities। Routledge। পৃষ্ঠা 179। 
  22. Klaus Klostermaier (১৯৮৪)। Mythologies and Philosophies of Salvation in the Theistic Traditions of IndiaWilfrid Laurier University Press। পৃষ্ঠা 6। আইএসবিএন 978-0-88920-158-3 
  23. লেস্টার কার্টজ (২০১৫), গডস ইন দ্য গ্লোবাল ভিলেজ, সেজ পাবলিকেশনস, আইএসবিএন ৯৭৮-১৪৮৩৩৭৪১২৩, পৃ. ৬৪, উদ্ধৃতি: "The 1,028 hymns of the Rigveda are recited at initiations, weddings and funerals...."; অনুবাদ: "ঋগ্বেদের ১,০২৮টি সূক্ত [উপনয়ন] দীক্ষা, বিবাহ ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় পঠিত হয়।
  24. Stephanie W. Jamison; Joel Brereton (২০১৪)। The Rigveda: 3-Volume Set। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 5–6। আইএসবিএন 978-0-19-972078-1 
  25. Mallory 1989
  26. Witzel, Michael (২০০৩)। "Vedas and Upanisads"। Flood, Gavin। The Blackwell Companion to Hinduism। Blackwell Publishing Ltd। পৃষ্ঠা 68–69। আইএসবিএন 0631215352The Vedic texts were orally composed and transmitted, without the use of script, in an unbroken line of transmission from teacher to student that was formalized early on. This ensured an impeccable textual transmission superior to the classical texts of other cultures; it is, in fact, something like a tape-recording of ca. 1500–500 bce. Not just the actual words, but even the long-lost musical (tonal) accent (as in old Greek or in Japanese) has been preserved up to the present. On the other hand, the Vedas have been written down only during the early second millennium ce,... 
  27. "As a possible date ad quem for the RV one usually adduces the Hittite-Mitanni agreement of the middle of the 14th cent. B.C. which mentions four of the major Rgvedic gods: mitra, varuNa, indra and the nAsatya azvin)" M. Witzel, Early Sanskritization – Origin and development of the Kuru state ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ নভেম্বর ২০১১ তারিখে
  28. The Vedic People: Their History and Geography, Rajesh Kochar, 2000, Orient Longman, আইএসবিএন ৮১-২৫০-১৩৮৪-৯
  29. Rigveda and River Saraswati: class.uidaho.edu
  30. Witzel 1997, পৃ. 261।
  31. Asko Parpola (২০১৫)। The Roots of Hinduism: The Early Aryans and the Indus Civilization। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 149। আইএসবিএন 9780190226930 
  32. H. Oldenberg, Prolegomena,1888, Engl. transl. New Delhi: Motilal 2004
  33. termed orthoepische Diaskeuase by Oldenberg, 1888
  34. K. Meenakshi (২০০২)। "Making of Pāṇini"। George Cardona, Madhav Deshpande, Peter Edwin Hook। Indian Linguistic Studies: Festschrift in Honor of George Cardona। Motilal Banarsidass। পৃষ্ঠা 235। আইএসবিএন 81-208-1885-7 
  35. The oldest manuscript in the Pune collection dates to the 15th century. The Benares Sanskrit University has a Rigveda manuscript of the 14th century. Earlier manuscripts are extremely rare; the oldest known manuscript preserving a Vedic text was written in the 11th century in Nepal (catalogued by the Nepal-German Manuscript Preservation Project ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে, Hamburg.
  36. B. van Nooten and G. Holland, Rig Veda. A metrically restored text. Cambridge: Harvard Oriental Series 1994

গ্রন্থপঞ্জিসম্পাদনা

সংস্করণ
  • editio princeps: Friedrich Max Müller, The Hymns of the Rigveda, with Sayana's commentary, London, 1849-75, 6 vols., 2nd ed. 4 vols., Oxford, 1890-92.
  • Theodor Aufrecht, 2nd ed., Bonn, 1877.
  • Rgveda-Samhitā: Śrimat-Sāyanāchārya virachita-bhāṣya-sametā (First সংস্করণ), Pune: Vaidika Samśodhana Maṇḍala, ১৯৩৩ . The Editorial Board for the First Edition included N. S. Sontakke (Managing Editor), V. K. Rājvade, M. M. Vāsudevaśāstri, and T. S. Varadarājaśarmā.
  • B. van Nooten und G. Holland, Rig Veda, a metrically restored text, Department of Sanskrit and Indian Studies, Harvard University, Harvard University Press, Cambridge, Massachusetts and London, England, 1994.
  • Rgveda-Samhita, Text in Devanagari, English translation Notes and indices by H. H. Wilson, Ed. W.F. Webster, originally in 1888, Published Nag Publishers 1990, 11A/U.A. Jawaharnagar,Delhi-7.
ভাষ্য
  • Sayana (14th century)
    • ed. Müller 1849-75 (German translation);
    • ed. Müller (original commentary of Sāyana in Sanskrit based on 24 manuscripts).
    • ed. Sontakke et al., published by Vaidika Samsodhana Mandala, Pune (2nd ed. 1972) in 5 volumes.
  • Rgveda-Samhitā Srimat-sāyanāchārya virachita-bhāṣya-sametā, ed. by Sontakke et al., published by Vaidika Samśodhana Mandala,Pune-9,1972 ,in 5 volumes (It is original commentary of Sāyana in Sanskrit based on over 60 manuscripts).
  • Sri Aurobindo: Hymns of the Mystic Fire (Commentary on the Rig Veda), Lotus Press, Twin Lakes, Wisconsin আইএসবিএন ০-৯১৪৯৫৫-২২-৫ [১]
দর্শন
  • Vashishtha Narayan Jha, A Linguistic Analysis of the Rgveda-Padapatha Sri Satguru Publications, Delhi (1992).
  • Bjorn Merker, Rig Veda Riddles In Nomad Perspective, Mongolian Studies, Journal of the Mongolian Society XI, 1988.
  • Thomas Oberlies, Die Religion des Rgveda, Wien 1998.
  • Oldenberg, Hermann: Hymnen des Rigveda. 1. Teil: Metrische und textgeschichtliche Prolegomena. Berlin 1888; Wiesbaden 1982.
  • Die Religion des Veda. Berlin 1894; Stuttgart 1917; Stuttgart 1927; Darmstadt 1977
  • Vedic Hymns, The Sacred Books of the East vo, l. 46 ed. Friedrich Max Müller, Oxford 1897
  • Adolf Kaegi, The Rigveda: The Oldest Literature of the Indians (trans. R. Arrowsmith), Boston,, Ginn and Co. (1886), 2004 reprint: আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৭৯-৮২০৫-৯.
ইতিহাস
পুরাজ্যোতির্বিজ্ঞান

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

পাঠ
অনুবাদ
ব্যাখ্যা
  • Rig Veda (Sri Aurobindo Kapali Sastry Institute)


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "note" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="note"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি