দক্ষিণ ভারত

ভারতের দক্ষিণাংশ

দক্ষিণ ভারত বা উপদ্বীপীয় ভারত বলতে ভারতের দক্ষিণপ্রান্তের উপদ্বীপীয় অংশটিকে বোঝায়। এর মূলভূখণ্ড অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরল, তামিলনাড়ুতেলেঙ্গানা রাজ্য এবং পুদুচেরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত। এছাড়া আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লাক্ষাদ্বীপকে এই অঞ্চলের অন্তর্গত করা হয়। এই অঞ্চল পূর্বদিকে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিমদিকে আরব সাগর ও দক্ষিণে ভারত মহাসাগর দ্বারা আবদ্ধ।

দক্ষিণ ভারত
উপদ্বীপীয় ভারত
অঞ্চল
দেশ ভারত
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ
সবচেয়ে জনবহুল শহর
আয়তন
 • মোট৬,৩৫,৭৮০ বর্গকিমি (২,৪৫,৪৮০ বর্গমাইল)
সর্বোচ্চ উচ্চতা২,৬৯৫ মিটার (৮,৮৪২ ফুট)
সর্বনিন্ম উচ্চতা−২.২ মিটার (−৭.২ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২৫,৩০,৫১,৯৫৩
 • জনঘনত্ব৪০০/বর্গকিমি (১,০০০/বর্গমাইল)
বিশেষণদক্ষিণ ভারতীয়
সময় অঞ্চলভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+৫:৩০)
মাতৃভাষা
মানব উন্নয়ন সূচক (২০১৯)বৃদ্ধি ০.৭৫৫ (উচ্চ)
সাক্ষরতা (২০১১)৮১.০৯%[১]
লিঙ্গানুপাত (২০১১)৯৮৬ /১০০০ [২]

দক্ষিণ ভারতের ভূগোল বৈচিত্র্যপূর্ণ। এখানে পশ্চিমঘাটপূর্বঘাট পর্বতমালা এবং মাঝে দাক্ষিণাত্য মালভূমি অবস্থিত। কাবেরী, কৃষ্ণা, গোদাবরী, তুঙ্গভদ্রাভাইগাই নদী এই অঞ্চলে জলের অন্যতম উৎস। কোচি, কোয়েম্বাটুর, চেন্নাই, বেঙ্গালুরুহায়দ্রাবাদ এই অঞ্চলের সবচেয়ে জনবহুল শহর।

দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ জনগণ কন্নড়, তামিল, তেলুগুমালয়ালম—এই চারটি দ্রাবিড় ভাষার মধ্যে যেকোনো একটির বক্তা। ইতিহাসের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজবংশ এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের উপর শাসনকার্য চালিয়েছিল, এবং মুসলমানদের ভারত বিজয় এই অঞ্চলের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করেছিল। চালুক্য, চের, চোল, পল্লব, পাণ্ড্য, বিজয়নগর, রাষ্ট্রকূট, সাতবাহন, হৈসল ইত্যাদি দক্ষিণ ভারতের প্রধান রাজবংশ। ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো কেরল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং দক্ষিণ ভারত ক্রমে ব্রিটিশ, পর্তুগিজফরাসিদের উপনিবেশে পরিণত হয়েছিল।

ভারতের স্বাধীনতা লাভের অব্যবহিত পরের দশকের অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে তিন দশক ধরে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলো জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় দক্ষিণ ভারতের মিলিত স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ ভারতের মানব উন্নয়ন সূচক উচ্চ এবং এর অর্থনীতির বৃদ্ধির হার উত্তর ভারতের চেয়ে বেশি। ২০১১ সালে দক্ষিণ ভারতের স্বাক্ষরতার হার জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশি। এখনকার প্রজনন হার ১.৯, যা ভারতের সমস্ত অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ইতিহাস

সম্পাদনা

রাজনীতি

সম্পাদনা

প্রশাসনিক বিভাগ

সম্পাদনা

দক্ষিণ ভারত সাধারণত অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরল, তামিলনাড়ুতেলেঙ্গানা রাজ্য এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পুদুচেরিলাক্ষাদ্বীপ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত। এই পাঁচ রাজ্য ও পুদুচেরি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচিত সরকার রয়েছে, অন্যদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লাক্ষাদ্বীপ কেন্দ্রীয়ভাবে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্বারা শাসিত।[৩]

জনপরিসংখ্যান

সম্পাদনা

পরিবহন

সম্পাদনা

অর্থনীতি

সম্পাদনা

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

সম্পাদনা

স্বাস্থ্যসেবা

সম্পাদনা

শিক্ষা

সম্পাদনা

ক্রীড়া

সম্পাদনা

আরও দেখুন

সম্পাদনা

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. "Literacy Survey, India (2017–18)"। Firstpost। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  2. "Census 2011 (Final Data) – Demographic details, Literate Population (Total, Rural & Urban)" (পিডিএফ)planningcommission.gov.in। Planning Commission, Government of India। ২৭ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  3. "Union Territories of India"। National Portal of India। ২৬ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৬ 

গ্রন্থ ও রচনাপঞ্জি

সম্পাদনা
  • Beck, Brenda. 1976. “The Symbolic Merger of Body, Space, and Cosmos in Hindu Tamil Nadu." Contributions to Indian Sociology 10(2): 213-43.
  • Bharata (1967). The Natyashastra [Dramaturgy], 2 vols., 2nd. ed. Trans. by Manomohan Ghosh. Calcutta: Manisha Granthalaya.
  • Boulanger, Chantal; (1997) Saris: An Illustrated Guide to the Indian Art of Draping, Shakti Press International, New York. আইএসবিএন ০-৯৬৬১৪৯৬-১-০
  • Craddock, Norma. 1994. Anthills, Split Mothers, and Sacrifice: Conceptions of Female Power in the Mariyamman Tradition. Dissertation, U. of California, Berkeley.
  • Danielou, Alain, trans. 1965. Shilappadikaram (The Ankle Bracelet) By Prince Ilango Adigal. New York: New Directions. আইএসবিএন ০-৮১১২-০০০১-৯
  • Dehejia, Vidya, Richard H. Davis, R. Nagaswamy, Karen Pechilis Prentiss (2002) The Sensuous and the Sacred: Chola Bronzes from South India. আইএসবিএন ০-২৯৫-৯৮২৮৪-৫
  • Hart, George, ed. and trans. 1979. Poets of the Tamil Anthologies: Ancient Poems of Love and War. Princeton: Princeton U. Press
  • Kallarasa Virachita Janavasya Ed: G.G. Manjunathan. Kannada Adhyayana Samsthe, University of Mysore, Mysore 1974.
  • Gover, Charles. 1983 (1871). Folk-songs of Southern India. Madras: The South India Saiva Siddhanta Works Publishing Society.
  • Nagaraju, S. 1990. “Prehistory of South India.” In South Indian Studies, H. M. Nayak and B. R. Gopal, eds., Mysore: Geetha Book House, pp. 35–52.
  • Trawick, Margaret. 1990a. Notes on Love in a Tamil Family. Berkeley: U. of California Press.
  • Wadley, Susan, ed. 1980. The Powers of Tamil Women. Syracuse: Syracuse U. Press.
  • Zvelebil, Kamil. 1975. Tamil Literature. Leiden: Brill. আইএসবিএন ৯০-০৪-০৪১৯০-৭
  • Economy referenced from the Encyclopaedia Britannica online.
  • Some economic statistics from Union Budget and Economic Survey, Government of India. URL accessed April 10th, 2006.
  • Menachery G (1973) The St. Thomas Christian Encyclopedia of India, Ed. George Menachery, B.N.K. Press, vol. 2, আইএসবিএন ৮১-৮৭১৩২-০৬-X, Lib. Cong. Cat. Card. No. 73-905568; B.N.K. Press
  • Mundalan, A. Mathias. (1984) History of Christianity in India, vol.1, Bangalore, India: Church History Association of India.
  • Leslie Brown, (1956) The Indian Christians of St. Thomas. An Account of the Ancient Syrian Church of Malabar, Cambridge: Cambridge University Press 1956, 1982 (repr.)
  • Podipara, Placid J. (1970) "The Thomas Christians". London: Darton, Longman and Tidd, 1970.
  • Menachery G (ed); (1998) "The Indian Church History Classics", Vol. I, The Nazranies, Ollur, 1998. [[[আন্তর্জাতিক মান পুস্তক সংখ্যা|আইএসবিএন]] ৮১-৮৭১৩৩-০৫-৮].
  • David de Beth Hillel (1832) "travels"; madras publication;
  • Menachery G (ed) (1982) The St. Thomas Christian Encyclopedia of India, B.N.K. Press, vol. 1;
  • Lord, James Henry (1977) "The Jews in India and the Far East"; Greenwood Press Reprint; আইএসবিএন ০-৮৩৭১-২৬১৫-০).
  • Poomangalam C. A. (1998) The Antiquities of the Knanaya Syrian Christians; Kottayam, Kerala.
  • James Hough (1893) "The History of Christianity in India".
  • K.V. Krishna Iyer (1971) Kerala’s Relations with the Outside World, pp. 70, 71 in "The Cochin Synagogue Quatercentenary Celebrations Commemoration Volume", Kerala History Association, Cochin.
  • Periplus Maris Erythraei "The Periplus of the Erythraean Sea", (trans). Wilfred Schoff (1912), reprinted South Asia Books 1995 আইএসবিএন ৮১-২১৫-০৬৯৯-৯
  • Miller, J. Innes. (1969). The Spice Trade of The Roman Empire: 29 B.C. to A.D. 641. Oxford University Press. Special edition for Sandpiper Books. 1998. আইএসবিএন ০-১৯-৮১৪২৬৪-১.
  • Thomas Puthiakunnel, (1973) "Jewish colonies of India paved the way for St. Thomas", The Saint Thomas Christian Encyclopedia of India, ed. George Menachery, Vol. II., Trichur.
  • Koder S. 'History of the Jews of Kerala". The St. Thomas Christian Encyclopaedia of India, Ed. G. Menachery,1973.
  • Vellian Jacob (2001) Knanite community: History and culture; Syrian church series; vol. XVII; Jyothi Book House, Kottayam
  • Weil, S. (1982) "Symmetry between Christians and Jews in India: The Cananite Christians and Cochin Jews in Kerala. in Contributions to Indian Sociology,16.
  • Bjorn Landstrom (1964) "The Quest for India", Double day English Edition, Stockholm.
  • T. K. Velu Pillai, (1940) "The Travancore State Manual"; 4 volumes; Trivandrum
  • Caldwell, R (1998) "A comparative grammar of the Dravidian or South-Indian family of languages" 3rd ed. rev. and edited by J.L. Wyatt, T. Ramakrishna Pillai. New Delhi: Asian Educational Services. আইএসবিএন ৮১-২০৬-০১১৭-৩
  • Menachery, George, 2010 "The St. Thomas Christian Encyclopaedia of India," Vol.III, Ed. George Menachery, Ollur [Trichur], 2010 ISBN 81-8732-00-0
  • Bloch, J. (1954) "The grammatical structure of Dravidian Languages". tr. of 'Structure grammaticale des langues Dravidiennes' (1946) Poona: Deccan College Handbook Series.

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা