প্রধান মেনু খুলুন

উইকিপিডিয়া β

আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ

নির্বাচিত নিবন্ধ
নির্বাচিত নিবন্ধ
এককালিক তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানের শাখাগুলির সম্পর্ক

ভাষাবিজ্ঞান বলতে একটি সংশ্রয় হিসেবে ভাষার প্রকৃতি, গঠন, ঔপাদানিক একক ও এর যেকোনো ধরনের পরিবর্তন নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বোঝায়। যাঁরা এই গবেষণায় রত, তাঁদেরকে বলা হয় ভাষাবিজ্ঞানী।ভাষাবিজ্ঞানীরা নৈর্ব্যক্তিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাষাকে বিশ্লেষণ ও বর্ণনা করেন; ভাষার সঠিক ব্যবহারের কঠোর বিধিবিধান প্রণয়নে তাঁরা আগ্রহী নন। তাঁরা বিভিন্ন ভাষার মধ্যে তুলনা করে এদের সাধারণ উপাদানগুলো বের করার চেষ্টা করেন এবং এগুলিকে এমন একটি তাত্ত্বিক কাঠামোয় দাঁড় করাতে চেষ্টা করেন, যে কাঠামো সমস্ত ভাষার বিবরণ দিতে এবং ভাষাতে কোন্‌ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নেই, সে ব্যাপারেও ভবিষ্যৎবাণী করতে সক্ষম। ভাষা নিয়ে গবেষণা একটি অতি প্রাচীন শাস্ত্র হলেও কেবল ১৯শ শতকে এসেই এটি বিজ্ঞানভিত্তিক ‘ভাষাবিজ্ঞান’ নামের শাস্ত্রের রূপ নেয়। ভাষাবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক দিক ও ব্যবহারিক দিক দুই-ই বিদ্যমান। তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানে ভাষার ধ্বনিসম্ভার (ধ্বনিতত্ত্বও ধ্বনিবিজ্ঞান), ব্যাকরণ (বাক্যতত্ত্বরূপমূলতত্ত্ব) এবং শব্দার্থ (অর্থবিজ্ঞান) নিয়ে আলোচনা করা হয়। ব্যবহারিক ভাষাবিজ্ঞানে অনুবাদ, ভাষা শিক্ষণ, বাক-রোগ নির্ণয় ও বাক-চিকিৎসা, ইত্যাদি আলোচিত হয়। এছাড়া ভাষাবিজ্ঞান জ্ঞানের অন্যান্য শাখার সাথে মিলে সমাজভাষাবিজ্ঞান, মনোভাষাবিজ্ঞান, গণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান, ইত্যাদির জন্ম দিয়েছে। (বাকি অংশ পড়ুন...)


ভালো নিবন্ধ
ভালো নিবন্ধ
২০০০ সালের ৪ই জানুয়ারী গ্যালিলিও স্পেসক্রাফট থেকে গৃহীত আলোকচিত্র

থীবী (গ্রিক: Θήβη) বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ যা জুপিটার XIV নামেও পরিচিত। এটি বৃহস্পতি গ্রহ থেকে দূরত্বের দিক বিবেচনায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ৫ই মার্চ ভয়েজার ১-এর বৃহস্পতির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তোলা ছবি থেকে স্টিফেন পি. সাইনোট সর্বপ্রথম এর অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। ১৯৮৩ সালে গ্রিক পুরাণের দেবী চরিত্র থীবী-এর নামে উপগ্রহটির নামকরণ করা হয়। বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহরাজির মধ্যে থীবী দ্বিতীয় বৃহত্তম। এর কক্ষপথ থীবী গোসামার চক্র মুলতঃ থীবীর বাইরের পৃষ্ঠের ধুলোবালি দিয়ে তৈরি। এর আকৃতি অনির্দিষ্ট এবং কিছুটা লালচে বর্ণের। ধারণা করা হয়, এতে অ্যামেলথীয়া-এর মত অজানা পরিমাণ বিভিন্ন বস্তু, খনিজ জল ও বরফের উপস্থিতি রয়েছে। এর পৃষ্ঠে খানাখন্দ এবং উচ্চ পর্বত বিদ্যমান যার কিছু-কিছু চাঁদের সাথে তুলনা করার মত। ভয়েজার ১ ও ২ মহাকাশযানের মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে প্রথম থীবীর ছবি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে মহাকাশযান গ্যালিলিও অরবিটার-এর মাধ্যমে ১৯৯০ সালে থীবীর বিস্তারিত জানা যায়। (বাকি অংশ পড়ুন...)

আপনি জানেন কি...

আবুল-ফজল আকবরকে আকবরনামা উপহার দিচ্ছেন, মুঘল মিনিয়েচার

অন্য ভাষায় পড়ুন