ননসেন্স ছড়া বা কিম্ভূূত ছড়া একধরনের ছড়া, যা সাধারণত কৌতুক পরিবেশনের জন্য লেখা হয়। এতে বলিষ্ঠ পদ্যের উপাদান তথা ছন্দ ও অন্ত্যমিল থাকে।

বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম ননসেন্স ছড়ার প্রবর্তন করেন সুকুমার রায়[১] পরবর্তীকালে তার পুত্র সত্যজিৎ রায়ও এধরনের কয়েকটি ছড়া লিখেছেন, যেগুলো পরবর্তীকালে তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

ইংরেজি ভাষায় ননসেন্স ছড়া রচনার জন্য উল্লেখযোগ্য কয়েকজন লেখক হলেন এডওয়ার্ড লিয়ার,[২] লুইস ক্যারল, মারভিন পিক, এডওয়ার্ড গোরি, কলিন ওয়েস্ট, ডক্টর সেউস, ও স্পাইক মিলিগান।

এডওয়ার্ড লিয়ারের ছড়াগুলো বিষয়বস্তুর নিরিখে ননসেন্স ছড়া হলেও একটি বিশেষ গঠনছাঁদের কারণে সেগুলোকে লিমারিক বলা হয়। লিমারিকগুলোর প্রতিটি পাঁচ পংক্তির ব্যাপ্তিতে গড়া। ১ম, ২য় ও ৫ম লাইনে সদৃশ অন্ত্যমিল থাকে, এবং পঙক্তিগুলো ৩য় ও ৪র্থ লাইনের চেয়ে দীর্ঘ। ৩য় ও ৪র্থ লাইনে সদৃশ অন্ত্যমিল থাকে। বস্তুত লিমারিক এক বিশেষ ধরনের ননসেন্স ছড়া।

ব্যবহারসম্পাদনা

সুকুমার রায়ের একটি ননসেন্স ছড়া নিম্নরূপ:

মাসী গো মাসী পাচ্ছে হাসি
নিম গাছেতে হচ্ছে সিম,
হাতির মাথায় ব্যাঙের বাসা
কাগের বাসায় বগের ডিম।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. টিপু, শাহ মতিন (১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "ননসেন্স ছড়ার সুকুমার"রাইজিংবিডি.কম। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২০ 
  2. বেভিস, ম্যাথু (১১ জুন ২০১৯)। "On Rationality and Nonsense - Matthew Bevis"আইএআই টিভি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২০ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা