প্রধান মেনু খুলুন

ধর্ম প্রবেশদ্বার

P religion world.svg

ধর্ম হল  লিপিবদ্ধ  শৃঙ্খলিত প্রত্যাদেশ কে বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান  (প্রথা )  এঁর  উপর    আনুগত্য , যা  সাধারনত " আধ্যাত্মিক " ব্যাপারে " দৃঢ় বিশ্বাস " এঁর সাথে সম্পর্ক যুক্ত ; এবং বিশেষ  পূর্বপুরুষ হতে  প্রাপ্ত  ঐতিহ্য , জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা , রীতি ও প্রথা কে  মানা এবং গবেষণা করা যাতে মানবজীবন কে বোঝা যায়  এবং সেভাবে চালানো যায় ।

In the larger sense, religion is a communal system for the coherence of belief—typically focused on a system of thought, unseen being, person, or object, that is considered to be supernatural, sacred, divine, or of the highest truth. Moral codes, practices, values, institutions, traditions, and rituals are often traditionally associated with the core belief, and these may have some overlap with concepts in secular philosophy. Religion can also be described as a way of life.

The development of religion has taken many forms in various cultures. "Organized religion" generally refers to an organization of people supporting the exercise of some religion with a prescribed set of beliefs, often taking the form of a legal entity (see religion-supporting organization). Other religions believe in personal revelation and responsibility. "Religion" is sometimes used interchangeably with "faith" or "belief system," but is more socially defined than that of personal convictions.

More about religion...

নির্বাচিত নিবন্ধ

গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, বোধগয়া, ভারত। কথিত আছে, বোধগয়াতেই বুদ্ধ বোধিলাভ করেছিলেন।
বৌদ্ধ ধর্ম বা ধর্ম (পালি ভাষায় ধম্ম) গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক প্রচারিত একটি ধর্ম বিশ্বাস এবং জীবন দর্শন। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম। বুদ্বের পরিনির্বাণের পরে ভারতীয় উপমহাদেশ সহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার হয়। বর্তমানে বৌদ্ধ ধর্ম দুটি প্রধান মতবাদে বিভক্ত। প্রধান অংশটি হচ্ছে হীনযান বা থেরবাদ (সংস্কৃত: স্থবিরবাদ)। দ্বিতীয়টি মহাযান নামে পরিচিত। বজ্রযান বা তান্ত্রিক মতবাদটি মহাযানের একটি অংশ। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, চীন, জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ও কোরিয়াসহ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে এই ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী রয়েছে।

নির্বাচিত চিত্র

Nelli Nintra Vilai Thangal.png
কৃতিত্ব: Vaikunda Raja

A Nizhal Thangal near Marthandam, Tamil Nadu. It is a simple temple of the Ayyavazhi, built per the instructions of Akilattirattu Ammanai by commoners in order to worship without distinction of color, race or caste. Cleanliness is strictly enforced: there are no sacrifices, no incenses, no arathi and no poojari.

নির্বাচিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব

ক্যালিগ্রাফিক অংকনে আল্লাহ শব্দ, চিত্রকর: তুর্কি সাম্রাজ্যের ১৭শ শতকের ক্যালিগ্রাফার হাফিজ ওসমান
ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, আল্লাহ (আরবি: ﺍﷲ আল্লাহ) হল বিশ্বজগতের একমাত্র স্রষ্টা এবং প্রতিপালকের নাম। আল্লাহ শব্দটি প্রধানতঃ মুসলিমরাই ব্যবহার করে থাকেন। তবে বাহাই, আরবী-ভাষী ক্যাথলিক খ্রিস্টান, মাল্টাবাসী রোমান ক্যাথলিক, পূর্ব-এশিয়ার অর্থোডক্স খ্রিস্টান, মিজরাহী ইহুদি, এবং শিখ সম্প্রদায়ও আল্লাহ শব্দ ব্যবহার করে থাকেন। ইসলামিক ভাষ্যমতে, আল্লাহ হলো ঈশ্বর বা সর্বশক্তিমান স্বত্তার প্রকৃত নাম, এবং তার ইচ্ছা এবং আদেশসমূহের প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য ইসলামী ধর্মবিশ্বাসের মুলকান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। "তিনি এক এবং অদ্বিতীয় ঈশ্বর, সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একক সৃষ্টিকর্তা, এবং সমগ্র মানবজাতির বিচারক" "তিনি একক (wāḥid) এবং অদ্বিতীয় (ʾaḥad), পরম দয়ালু এবং সর্বত্র বিরাজমান" কুরআনের "আল্লাহর বাস্তব স্বত্তা, তার অপরিমেয় রহস্য, বিভিন্ন নাম, এবং সৃষ্টিজগতের জন্য তিনি যা করেন" তার ঘোষনা দেয়।

আপনি জানেন কি...

নৃসিংহের প্রতিকৃতি

আজকের এই দিনে...

সংবাদ

আপনি কি কি করতে পারেন

ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কি কি কাজ করতে হবে তা দেখতে ইসলাম প্রবেশদ্বারে ক্লিক করুন।
হিন্দুধর্ম সম্পর্কিত কি কি কাজ করতে হবে তা দেখতে হিন্দুধর্ম প্রবেশদ্বারে ক্লিক করুন।

নির্বাচিত উক্তি

নির্বাচিত ধর্ম গ্রন্থ

Om symbol.svg
উপনিষদ্‌ (সংস্কৃত: उपनिषद्) হিন্দুধর্মের এক বিশেষ ধরনের ধর্মগ্রন্থের সমষ্টি। এই বইগুলিতে হিন্দুধর্মের তাত্ত্বিক ভিত্তিটি আলোচিত হয়েছে। উপনিষদের অপর নাম বেদান্ত। ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, উপনিষদ্‌গুলিতে সর্বোচ্চ সত্য ব্রহ্মের প্রকৃতি এবং মানুষের মোক্ষ বা আধ্যাত্মিক মুক্তি লাভের উপায় বর্ণিত হয়েছে। উপনিষদ্‌গুলি মূলত বেদ-এর ব্রাহ্মণআরণ্যক অংশের শেষ অংশে পাওয়া যায়। এগুলি প্রাচীনকালে গুরু-শিষ্য পরম্পরায় মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। দুশোরও বেশি উপনিষদের কথা জানা যায়। এগুলির মধ্যে প্রথম বারোটিই প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলিকে "মুখ্য উপনিষদ" বলে। ভগবদ্গীতা, ব্রহ্মসূত্র এবং মুখ্য উপনিষদ্‌গুলি (এগুলিকে একসঙ্গে প্রস্থানত্রয়ী বলা হয়) পরবর্তীকালে হিন্দু বেদান্ত দর্শনের বিভিন্ন শাখার জন্ম দিয়েছিল। এগুলির মধ্যে দুটি একেশ্বরবাদী শাখা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ঐতিহাসিকদের মতে, মুখ্য উপনিষদ্‌গুলি প্রাক্‌-বৌদ্ধ যুগ থেকে শুরু করে খ্রিস্টীয় প্রথম সহস্রাব্দের প্রথমার্ধ্ব পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময়কালের বিভিন্ন পর্বে রচিত হয়। অপর দিকে অপ্রধান উপনিষদগুলি মধ্যযুগ ও প্রাক্‌-আধুনিক যুগের রচনা। অবশ্য প্রতিটি উপনিষদের সঠিক রচনাকাল নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। ব্রিটিশ কবি মার্টিন সেমোর-স্মিথ উপনিষদ্‌গুলিকে "সর্বকালের ১০০টি সবচেয়ে প্রভাবশালী বই"-এর তালিকাভুক্ত করেছেন। আর্থার শোপেনহাওয়ার, রালফ ওয়াল্ডো এমারসন ও হেনরি ডেভিড থোরো সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপনিষদ্‌গুলির গুরুত্ব স্বীকার করেছেন। গবেষকেরা উপনিষদের দর্শনের সঙ্গে প্লেটোকান্টের দর্শনের মিল খুঁজে পান।

উপপ্রবেশদ্বার

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া