প্রধান মেনু খুলুন

ধর্ম প্রবেশদ্বার

P religion world.svg

ধর্ম হল  লিপিবদ্ধ  শৃঙ্খলিত প্রত্যাদেশ কে বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান  (প্রথা )  এঁর  উপর    আনুগত্য , যা  সাধারনত " আধ্যাত্মিক " ব্যাপারে " দৃঢ় বিশ্বাস " এঁর সাথে সম্পর্ক যুক্ত ; এবং বিশেষ  পূর্বপুরুষ হতে  প্রাপ্ত  ঐতিহ্য , জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা , রীতি ও প্রথা কে  মানা এবং গবেষণা করা যাতে মানবজীবন কে বোঝা যায়  এবং সেভাবে চালানো যায় ।

In the larger sense, religion is a communal system for the coherence of belief—typically focused on a system of thought, unseen being, person, or object, that is considered to be supernatural, sacred, divine, or of the highest truth. Moral codes, practices, values, institutions, traditions, and rituals are often traditionally associated with the core belief, and these may have some overlap with concepts in secular philosophy. Religion can also be described as a way of life.

The development of religion has taken many forms in various cultures. "Organized religion" generally refers to an organization of people supporting the exercise of some religion with a prescribed set of beliefs, often taking the form of a legal entity (see religion-supporting organization). Other religions believe in personal revelation and responsibility. "Religion" is sometimes used interchangeably with "faith" or "belief system," but is more socially defined than that of personal convictions.

More about religion...

নির্বাচিত নিবন্ধ

দেবরাজ জিউসের মর্মর আবক্ষ-মূর্তি – তথাকথিত ‘জিউস অব ওট্রিকোলি’, মূল গ্রিক মূর্তির রোমান অনুকরণ, চতুর্থ শতক
গ্রিক পুরাণ প্রাচীন গ্রীসে রচিত সেদেশের দেবদেবী ও বীর যোদ্ধাদের কাহিনীসম্বলিত পুরাণকথা ও কিংবদন্তী সংক্রান্ত আখ্যানমালা। এই গল্পগুলিতে বিশ্বপ্রকৃতি এবং গ্রিকদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও প্রথা ও রীতিনীতির উদ্ভব ও গুরুত্বও ব্যাখ্যাত হয়েছে। এগুলি প্রাচীন গ্রিসের ধর্মীয় সংস্কৃতির অঙ্গ হিসাবে বিবেচিত হয়। আধুনিক বিশেষজ্ঞগণ এই সকল পুরাণকথা অধ্যয়ন করে প্রাচীন গ্রিসের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে পুরাণ-রচনার প্রকৃতিটি বুঝবারও চেষ্টা করে থাকেন। গ্রিক পুরাণের রূপায়ণ ঘটেছে মুখ্যত এক সুবিশাল উপাখ্যান-সংগ্রহে এবং গৌণত বিভিন্ন প্রতিনিধিত্বমূলক শিল্পকলা, যেমন পাত্র-চিত্রকলা বা পূজাপহার ইত্যাদিতে। গ্রিক পুরাণে উল্লিখিত হয়েছে বিশ্বের সৃজন এবং বহু দেবদেবী, যোদ্ধা, নায়িকা ও অপরাপর পৌরাণিক জীবের বিস্তারিত বিবরণী। একটি মৌখিক কাব্যপ্রথায় এই কাহিনীগুলির বীজ উপ্ত হয়েছিল। আজকের পরিচিত গ্রিক পুরাণকথাগুলি পাওয়া যায় প্রধানত গ্রিক সাহিত্যে। গ্রিসের প্রাচীনতম সাহিত্য উপাদান ইলিয়াডওডিসি গ্রন্থদ্বয়ে বর্ণিত হয়েছে ট্রয় যুদ্ধ ও তার পারিপার্শ্বিক ঘটনাগুলি। হোমার রচিত এই গ্রন্থদুটি হেসিয়ডের থিওগনিওয়ার্কস অ্যান্ড ডেজ গ্রন্থের সমসাময়িক; যেগুলির বিষয়বস্তু হল জগতের সৃষ্টিতত্ত্ব, দৈবী শাসকদের আবির্ভাব, মানবীয় যুগগুলির পারম্পার্য, মানুষের দুঃখের সূত্রপাত এবং বলিপ্রথাগুলির উদ্ভব। এছাড়াও এই পুরাণকথাগুলি সংরক্ষিত হয়েছে হোমারীয় স্তোত্রাবলিতে, মহাকাব্য-চক্র বা এপিক সাইকেলের মহাকাব্যিক কবিতাবলিতে, গীতিকবিতায়, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের ট্রাজেডিয়ানদের রচনাবলিতে, হেলেনীয় যুগের পণ্ডিত ও কবিদের রচনায় এবং প্লুটার্ক বা পসানিয়াসের মতো রোমান সাম্রাজ্যের সমসাময়িক লেখকবৃন্দের রচনায়। বহু পুরাসামগ্রীর অলংকরণে দেবতা ও যোদ্ধাদের চিত্রাঙ্কণ করা হত বলে পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণও গ্রিক পুরাণ ব্যাখ্যানের অন্যতম প্রধান উপাদান। খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীর পাত্রগুলিতে বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশার সাহায্যে ট্রয় চক্র বা ট্রোজান সাইকেল তথা হেরাক্লিসের অভিযানসমূহের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। পরবর্তীকালে প্রাচীন, ধ্রুপদী ও হেলেনীয় যুগগুলিতে হোমারীয় ও অন্যান্য পৌরাণিক দৃশ্যকলা সমকালে বিদ্যমান সাহিত্যিক প্রমাণের নিদর্শনস্বরূপ।

নির্বাচিত চিত্র

A commonly used version of the Taijitu
কৃতিত্ব: Gregory Maxwell

The Taijitu (চীনা: 太極圖; ফিনিন: Taìjí tú; ওয়েড-জাইলস: T'ai4 chi2 t'u2; আক্ষরিক: "diagram of the supreme ultimate"), often incorrectly called a yin-yang, is a well known symbol deriving from Chinese culture which represents the principle of yin and yang from Taoist and Neo-Confucian philosophy. The term Taijitu itself refers to any of several schematic diagrams representing these principles.

নির্বাচিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব

জুপিটার দে স্মিরন, ১৬৮০ সালে স্মিরনায় আবিষ্কৃত।
গ্রিক পুরাণে জিউস (ইংরেজি উচ্চারণ: /ˈzuːs/ (অসমর্থিত টেমপ্লেট) বা /ˈzjuːs/; প্রাচীন গ্রিক: Ζεύς জ়্‌দেউ্যস্‌, আধুনিক গ্রিক: Δίας, Dias) হলেন "দেবগণ ও মানবজাতির পিতা"। হেসিয়ডের থিওজেনি অনুসারে, তিনি পরিবারের পিতার ন্যায় মাউন্ট অলিম্পাসের অলিম্পিয়ানদের শাসন করতেন। গ্রিক পুরাণে তিনি ছিলেন আকাশবজ্রের দেবতা। গ্রিকদের বিশ্বাসে তিনি দেবরাজ। জিউস নিরন্তর বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে পর্যবেক্ষণ করেন। পসেনিয়াস লিখেছেন, "জিউস স্বর্গের রাজা, এই প্রবাদটি সকলেই জানেন।" হেসিয়ডের থিওজেনি গ্রন্থের মতে, জিউস বিভিন্ন দেবতাদের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেন। হোমারীয় স্তোত্রাবলি-তেও তাঁকে দেবতাদের প্রধান বলা হয়েছে। হেসিয়ডের থিওজেনি গ্রন্থে তাঁকে "দেবগণ ও মানবজাতির পিতা" বলেও অভিহিত করা হয়েছে। তাঁর প্রতীকগুলি হল বজ্র, ঈগল, ষাঁড়ওক। ইন্দো-ইউরোপীয় ঐতিহ্যের এই সকল নিদর্শনগুলি ছাড়াও, এই ধ্রুপদি "মেঘ-সমাবেশকারী" প্রাচীন নিকট প্রাচ্য থেকেও কিছু মূর্তিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছেন। এর উদাহরণ হল রাজদণ্ড। গ্রিক শিল্পীরা মূলত দুটি ভঙ্গিতে জিউসের মূর্তিগুলি নির্মাণ করেছেন: প্রথমত, দণ্ডায়মান অবস্থায় দ্রুত-অগ্রসর হওয়ার ভঙ্গিতে, যেখানে তিনি ডান হাতে বজ্র উঁচিয়ে থাকেন এবং দ্বিতীয়ত রাজসভায় উপবিষ্ট মূর্তিতে।

আপনি জানেন কি...

নৃসিংহের প্রতিকৃতি

আজকের এই দিনে...

সংবাদ

আপনি কি কি করতে পারেন

ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কি কি কাজ করতে হবে তা দেখতে ইসলাম প্রবেশদ্বারে ক্লিক করুন।
হিন্দুধর্ম সম্পর্কিত কি কি কাজ করতে হবে তা দেখতে হিন্দুধর্ম প্রবেশদ্বারে ক্লিক করুন।

নির্বাচিত উক্তি

নির্বাচিত ধর্ম গ্রন্থ

Aesthetic photograph of a modern copy of the Qur'ān
কুরআন শরীফ (আরবি: القرآن আল্‌ক্বুর্‌'আন্‌ "আবৃত্তিটা") মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। এটি একটি আসমানী গ্রন্থ। ইসলামী ইতিহাস অনুসারে দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে খণ্ড খণ্ড অংশে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) - এর নিকট অবতীর্ণ হয়। পবিত্র কুরআনে সর্বমোট ১১৪টি সূরা বা অধ্যায় আছে। আয়াত বা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ৬,২৩৬ টি। এটি মূল আরবি ভাষায় অবর্তীর্ণ হয়। মুসলিম চিন্তাধারা অনুসারে কুরআন ধারাবাহিকভাবে অবর্তীর্ণ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর মধ্যে সর্বশেষ। গ্রন্থ অবতরণের এই ধারা ইসলামের প্রথম বাণীবাহক আদম (আঃ) থেকেই শুরু হয়। কুরআনে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে যার সাথে বাইবেলসহ অন্যান্য ঐশ্বিক গ্রন্থের বেশ মিল রয়েছে, অবশ্য অমিলও কম নয়।

উপপ্রবেশদ্বার

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া