প্রবেশদ্বার:হিন্দুধর্ম

হিন্দুধর্ম প্রবেশদ্বার
হিন্দুধর্ম সম্পর্কিত নিবন্ধের সংগ্রহের জন্য উইকিপিডিয়ার একটি প্রবেশদ্বার।

Aum Om navy blue circle hollow coral.svg

ভূমিকা

Om symbol.svg

হিন্দুধর্ম ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম তথা একটি দেশীয় ধর্মবিশ্বাস। হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ স্বীয় ধর্মমতকে সনাতন ধর্ম (सनातन धर्म) নামেও অভিহিত করেন। হিন্দুধর্মের সাধারণ "ধরনগুলির" মধ্যে লৌকিকবৈদিক হিন্দুধর্ম থেকে বৈষ্ণবধর্মের অনুরূপ ভক্তিবাদী ধারার মতো একাধিক জটিল মতবাদগুলির সমন্বয়ের এক প্রচেষ্টা লক্ষিত হয়। যোগ, কর্মযোগ ধারণা, ও হিন্দু বিবাহের মতো বিষয়গুলিও হিন্দুধর্মের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। হিন্দুধর্ম একাধিক ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গঠিত। এই ধর্মের কোনো একক প্রতিষ্ঠাতা নেই। লৌহযুগীয় ভারতের ঐতিহাসিক বৈদিক ধর্মে এই ধর্মের শিকড় নিবদ্ধ। হিন্দুধর্মকে বিশ্বের "প্রাচীনতম জীবিত ধর্মবিশ্বাস" বা "প্রাচীনতম জীবিত প্রধান মতবাদ" আখ্যা দেওয়া হয়। জনসংখ্যার বিচারে হিন্দুধর্ম খ্রিষ্টধর্মইসলামের পরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মমত। এই ধর্মের অনুগামীদের সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি। এদের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি হিন্দু বাস করেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে। এছাড়া নেপাল (২৩,০০০,০০০), বাংলাদেশ (১৪,০০০,০০০) ও ইন্দোনেশীয় দ্বীপ বালিতে (৩,৩০০,০০০) উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় হিন্দুরা বাস করেন। হিন্দুধর্মের শাস্ত্রগ্রন্থের সংখ্যা প্রচুর। হিন্দুশাস্ত্র শ্রুতিস্মৃতি নামে দুই ভাগে বিভক্ত। এই গ্রন্থগুলিতে ধর্মতত্ত্ব, দর্শনপুরাণ আলোচিত হয়েছে এবং ধর্মানুশীলন সংক্রান্ত নানা তথ্য বিবৃত হয়েছে। এই গ্রন্থগুলির মধ্যে বেদ সর্বপ্রাচীন, সর্বপ্রধান ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলি হল উপনিষদ্‌, পুরাণ, ও ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণমহাভারতভগবদ্গীতা নামে পরিচিত মহাভারতের কৃষ্ণ-কথিত একটি অংশ বিশেষ গুরুত্বসম্পন্ন ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা পেয়ে থাকে।

নির্বাচিত নিবন্ধ - আরেকটি দেখান

ভীষ্ম পর্বে পাণ্ডব এবং কৌরবদের মধ্যে মহাযুদ্ধের প্রথম ১০ দিন বর্ণনা করা হয়েছে। এতে ভগবদ্গীতা, কেন এবং কখন যুদ্ধ করতে হবে, ধর্ম এবং মুক্তির পথ নিয়ে অর্জুন ও কৃষ্ণের মধ্যে কথোপকথন রয়েছে।

ভীষ্মপর্ব (সংস্কৃত: भीष्म पर्व) ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারতের আঠারোটি পর্বের মধ্যে ষষ্ঠ পর্ব। এই পর্বের ১১৭টি অংশ এবং ১৫,৮৮৪টি স্তোত্র রয়েছে। এটি মহাভারতের একমাত্র পর্ব যেখানে প্রধান নায়ক অর্জুন নয় বরং ভীষ্মকৃষ্ণ। এই পর্বে কৃষ্ণ তার ঐশ্বরিক বিশ্বরূপ দেখান। মহাভারতের এই পর্বটিতে ব্যাপকভাবে অধ্যয়ন করা ভগবত গীতা অন্তর্ভুক্ত, যাকে কখনও কখনও গীতা বা প্রভুর গান বা স্বর্গীয় গান হিসাবে উল্লেখ করা হয়। ভগবদ্গীতার অধ্যায়গুলি যুদ্ধের উদ্দেশ্য, সহিংসতার চূড়ান্ত প্রভাব এবং জীবনের অর্থ সম্পর্কে অর্জুনের প্রশ্নাবলী বর্ণনা করে। অর্জুনের সন্দেহ ও আধিভৌতিক প্রশ্নের উত্তর কৃষ্ণ দিয়েছেন। ভীষ্মপর্বের অন্যান্য গ্রন্থে প্রাচীন ভারতে ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ তত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেইসাথে কৌশল এবং কৌশল। বইটিতে উত্তরের মৃত্যুর (অভিমন্যুর শ্যালক এবং উত্তরার ভাই) এবং ভীষ্মের পতনের কথাও বলা হয়েছে, যথাক্রমে যুদ্ধের প্রথম ও দশম দিনে। ভীষ্মের আদেশে প্রথম দশ দিন কর্ণ যুদ্ধ করেননি। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত চিত্র

শাস্ত্রবাণী

तद्विद्धि प्रणिपातेन परिप्रश्नेन सेवया
उपदेक्ष्यन्ति ते ज्ञानं ज्ञानिनस्तत्त्वदर्शिन:

তদ্ বিদ্ধি প্রণিপাতেন পরিপ্রশ্নেন সেবয়া।
উপদেক্ষ্যন্তি তে জ্ঞানং জ্ঞানিনস্তত্ত্বদর্শিনঃ

ভাবার্থ:
সদগুরুর শরণাগত হয়ে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার চেষ্টা কর। বিনম্র চিত্তে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা কর এবং অকৃত্রিম সেবার দ্বারা তাঁকে সন্তুষ্ট কর। তা হলে সেই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষেরা তোমাকে জ্ঞান উপদেশ দান করবেন।
ভগবদ্গীতা (অধ্যায়: ৪, শ্লোক: ৩৪)

নির্বাচিত জীবনী - আরেকটি দেখান

আদি শঙ্করের পরমগুরু তথা অদ্বৈত বেদান্তের প্রথম ঐতিহাসিক প্রবক্তা গৌড়পাদ। কথিত আছে ইনিই শ্রীগৌড়পাদাচার্য মঠ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

গৌড়পাদ (খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দী) বা শ্রীগৌড়পাদাচার্য ছিলেন বৈদিক দর্শনের অদ্বৈত বেদান্ত শাখার প্রথম যুগের গুরুদের অন্যতম। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, তিনি ছিলেন আদি শঙ্করের পরমগুরু (গুরুর গুরু)। তিনি বৈদিক দর্শন শাখার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। অপর প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, তিনি শ্রীগৌড়পাদাচার্য মঠের প্রতিষ্ঠাতা তথা মাণ্ডুক্য কারিকা-র সংকলক। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

আপনি জানেন কি Symbol question.svg - আরেকটি দেখান

উল্লিখিত তথ্যগুলি উইকিপিডিয়া:আপনি জানেন কি প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রধান পাতায় প্রদর্শিত হয়েছে।

নৃসিংহের প্রতিকৃতি


নির্বাচিত উক্তি

“অন্ধকার ঘরে থাকিলে, তোকে যদি কেহ জিজ্ঞাস করে 'তুই কে?' তুই বলিস 'আমি'। আমাকে যদি কেহ জিজ্ঞাস করে আমিও বলি 'আমি'। নামে নামে এত মিত্রতা হয় আর 'আমি'তে 'আমি'তে কি কোনো মিত্রতা হইতে পারে না?”

লোকনাথ ব্রহ্মচারী(৪ সেপ্টেম্বর, ১৭৩০ – ১ জুন, ১৮৯০)
একজন বাঙ্গালী ভারতীয় হিন্দু সাধক। বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার বারদীতে তার আশ্রম অবস্থিত।

নির্বাচিত মন্দির - আরেকটি দেখান

বিরাট রামায়ণ মন্দির
विराट रामायण मंदिर
বিরাট রামায়ণ মন্দিরের ধারণাগত চিত্র.jpg
বিরাট রামায়ণ মন্দিরের পরিকল্পনা
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিহিন্দুধর্ম
জেলাপূর্ব চম্পারণ জেলা
ঈশ্বররাম
অবস্থান
অবস্থানকেশরিয়া
রাজ্যবিহার
দেশভারত
স্থাপত্য
সৃষ্টিকারীমহাবীর মন্দির ট্রাস্ট, পাটনা
ওয়েবসাইট
viraatramayanmandir.net
বিরাট রামায়ণ মন্দির হলো একটি নির্মাণাধীন হিন্দু মন্দির কমপ্লেক্স যা ভারতের বিহার রাজ্যের কেসারিয়াতে অবস্থিত। যার আনুমানিক বাজেট ₹৫০০ কোটি (US$৬৬ মিলিয়ন)। বিরাট রামায়ণ মন্দির কম্বোডিয়ার বিশ্ব বিখ্যাত ১২ শতকের আংকর বাট মন্দির কমপ্লেক্সের প্রায় দ্বিগুণ উচ্চতা হবে , যা ২১৫ ফুট উঁচু।  মন্দিরে ২০,০০০ লোকের বসার ক্ষমতা সহ একটি হল থাকবে। কাজ সম্পূর্ণ হলে, এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভগুলোর একটি। এটির কাজ ২০২৩ সালে শেষেরদিকে সম্পূর্ণ হবে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

জানুয়ারি মাসে উৎসব ও অনুষ্ঠান


স্বীকৃত ভুক্তি

ভাল নিবন্ধ

আজাকি নিবন্ধ

বিষয় বিভাগ

বিষয়শ্রেণী

বিষয়শ্রেণী ধাঁধা

নিচের বিষয়শ্রেণীগুলোর অধীনে সবগুলো নিবন্ধ সাজানো আছে। [►] চিহ্নে ক্লিক করলেই উপ-বিষয়শ্রেণী দেখতে পাবেন।


আপনি কি করতে পারেন

বাঙালি হিন্দু লোকাচার (বর্তমান বা প্রাচীন) একটি অসম্পূর্ণ তালিকা। আপনি ইচ্ছা করলে যেকোন একটি নিবন্ধ শুরু করতে পারেন।


সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া

Wikinews-logo.svg
উইকিসংবাদে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস

Wikiquote-logo.svg
উইকিউক্তিতে হিন্দুধর্ম
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন

Wikisource-logo.svg
উইকিসংকলনে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত পাঠাগার

Wikibooks-logo.png
উইকিবইয়ে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল

Wikiversity-logo.svg
উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম

Commons-logo.svg
উইকিমিডিয়া কমন্সে হিন্দুধর্ম
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার

Wiktionary-logo.svg
উইকিঅভিধানে হিন্দুধর্ম
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ

Wikidata-logo.svg
উইকিউপাত্তে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার

Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg
উইকিভ্রমণে হিন্দুধর্ম
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা