প্রধান মেনু খুলুন

উইকিপিডিয়া β

রিয়াজ

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক এই শব্দ সম্পর্কে উচ্চারণ  (জন্ম: ২৬ অক্টোবর ১৯৭২, যিনি রিয়াজ নামেই বেশি পরিচিত) হলেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা[৫][৬] তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলার নায়ক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন।[৬][৭][৮] ১৯৯৭ সালে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত প্রাণের চেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্রে রিয়াজ অভিনয় করেন যা ব্যবসায়িকভাবে সফল হয় এবং একইসঙ্গে রিয়াজকে জনসাধারণের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলে।[৬][৮] তিনি বাংলাদেশের অনেক প্রখ্যাত পরিচালকের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।[৯] এছাড়াও রিয়াজ ভারতীয় চলচ্চিত্রকার ও অভিনেতা মহেশ মাঞ্জরেকারের ইট ওয়াজ রেইনিং দ্যাট নাইট নামে একটি ইংরেজী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।[১০] এই চলচ্চিত্রে রিয়াজ বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের সাথে কাজ করেছেন।[১০]

রিয়াজ
রিয়াজ আহমেদ
রিয়াজ তার বনানী'র বাসভবনে (২০১৪)
জন্ম রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক[১][২]
(১৯৭২-১০-২৬) ২৬ অক্টোবর ১৯৭২ (বয়স ৪৪)[২][৩][৪]
কমলাপুর, ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
জাতিসত্তা বাঙালি
নাগরিকত্ব  বাংলাদেশ
পেশা
কার্যকাল ১৯৯৫ – বর্তমান
উচ্চতা ১.৭১ মি (৫ ফু   ইঞ্চি)
ধর্ম ইসলাম
দাম্পত্য সঙ্গী মুশফিকা তিনা (বি. ২০০৭)
আত্মীয় কোহিনুর আক্তার সুচন্দা (চাচাতো বোন)
ফরিদা আক্তার ববিতা (চাচাতো বোন)
গুলশান আরা চম্পা (চাচাতো বোন)
পুরস্কার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৩ বার)
মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার (৭ বার)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
স্বাক্ষর
রিয়াজের স্বাক্ষর.svg

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত করে। পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলি যথাক্রমে দুই দুয়ারী (২০০০),[৭] দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭)[৭] এবং কি যাদু করিলা (২০০৮)।[১১] রিয়াজ অভিনীত সাম্প্রতিকতম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র লোভে পাপ পাপে মৃত্যু ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে মুক্তি লাভ করে।[১২][১৩] নানা মাধ্যম ও কাজে সক্রিয় অভিনেতা রিয়াজ চ্যানেল আইয়ের হ্যান্ডসাম দি আলটিমেট ম্যান প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় মৌসুমে প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[১৪][১৫][১৬][১৭][১৮][১৯]

বিভিন্ন পত্রপত্রিকা'য় সাম্প্রতিক দেয়া সাক্ষাত্কারে রিয়াজ জানান: খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে চলচ্চিত্রে ব্যস্ত হতে যাচ্ছেন এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পুরো প্রস্তুতি নিয়ে নতুন চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করবেন পাশপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজনার কথাও বলেছেন।[২০][২১][২২][২৩][২৪]

রিয়াজ
নিবন্ধের একটি ধারাবাহিক অংশ

পরিচ্ছেদসমূহ

প্রাথমিক জীবন ও কর্ম জীবন

 
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কর্মরত থাকাকালে রিয়াজ (ফ্লাইং অফিসার)

রিয়াজ ১৯৭২ সালে ফরিদপুর জেলা সদরের কমলাপুর মহল্লায় একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[৬][৭] তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে ফরিদপুর শহরের সিএনবি স্টাফ কোয়ার্টার্সের চৌহদ্দিতে।[২৫] তাঁর বাবা জাইনুদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক ছিলেন সরকারি অফিসের একজন কর্মকর্তা; মাতা মৃত আরজুমান্দ আরা বেগম গৃহিণী। রিয়াজ পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান। তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বড় ভাই রাইজুদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক এবং ছয় বোন জিন্ন্যা আরা, সুলতানা জাহানারা সিদ্দিক, সুলতানা রওনক আরা, সুলতানা রওশন জামিল, সুলতানা সালমা শাহীন ও সুলতানা ফাতেমা শিরিণ। সকলেই বিবাহিত।[২৫] ছোটবেলায় রিয়াজের ইচ্ছা ছিল স্থপতি হবেন;[২৬] পরে পরিবারের বড়দের উৎসাহে যশোরে বিমানবাহিনীতে ভর্তি পরীক্ষা দেন এবং উত্তীর্ণ হন।[২৬] যথাযথ প্রশিক্ষণ শেষে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে যোগদান করেন।[৭] বৈমানিক হিসাবে তিনি একটি জেট ফাইটারে মোট ৩০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন।[২৭] তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অধীনে তুরস্ক গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ১৯৯৩ সালে বিমানবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত হন।[২৫]

চাকরিচ্যুতির পর তিনি বাড়ি ছেড়ে ঢাকা শহরে পাড়ি জমান এবং চাচাতো বোন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতার হাত ধরে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে একজন অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।[৭] অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হৃদয়ের কথা চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন।[২৫] বর্তমানে রিয়াজ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ঢাকার বনানীতে ইয়েস কর্পোরেশন নামে একটি কোমল পানীয় উৎপাদনকারী ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত রয়েছেন।[২৮] এছাড়াও হাউজিং কোম্পানি আশিয়ান গ্রুপ-এর পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।[৭][২৯] সম্প্রতি একটি সাক্ষাত্কারে রিয়াজ ইঙ্গিত দেন যে, তিনি বর্তমানে ব্যবসা ও চাকরি থেকে দূরে রয়েছেন।[৩০]

শিক্ষা জীবন

 
তুরস্কে অধ্যায়নরত রিয়াজ, ১১ এপ্রিল ১৯৯১

রিয়াজ তার ছেলেবেলা থেকেই উদ্যমী, খেলাধুলাপ্রিয়, লেখাপড়ায় উজ্জ্বল ছিলেন।[২৫] তিনি স্থপতি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে[২৬] ১৯৭৭ সালে ফরিদপুর জেলা সদরে অবস্থিত তারার মেলা উইলস্ লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু করেন।[৩১] পরে ফরিদপুর জিলা স্কুলে ভর্তি হন, সেখানে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে ফরিদপুর সদরে অবস্থিত ময়েজউদ্দীন হাই স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে এসএসসি পাশ করেন।[৩১] এরপর ফরিদপুর থেকে চলে আসেন পৈতৃক বাসস্থান যশোর জেলায়। তাঁর কলেজ জীবন শুরু হয় যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজে এইচএসসিতে ভর্তির মাধ্যমে এবং সেখান থেকে এইচএসসি পাশ করেন।[২৫] এরপর বুয়েটে ভর্তি হওয়ার জন্য ঢাকা এসে কোচিং শুরু করেন, কিন্তু পরিবারের বড়দের উৎসাহে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমীতে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।[২৬] এরই মধ্যে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি (পাস কোর্স) সম্পূর্ণ করেন। মাঝখানে তিনি তুরস্ক বিমান বাহিনীর দেওয়া একটি বৃত্তিতে টি-থার্টি-সেভেন বিমানের উপরে একটি প্রশিক্ষণ নিতে ঐ দেশে যান।[২৫] ঐ প্রশিক্ষণটিতে তিনি ভালো ফলাফল অর্জন করেন, যার ফলশ্রুতিতে তুরস্ক বিমান বাহিনী তাঁকে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করে। কিন্তু বিভিন্ন রকমের প্রক্রিয়াকরণের দরূন প্রশিক্ষণটি নেয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন (১৯৯১ সালের জুন মাসে) এবং একজন বিমান চালক হিসেবে নিয়োগ পান।[২৫]

ব্যক্তিগত জীবন

 
রিয়াজ ও তিনা তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠানে।

রিয়াজ চলচ্চিত্রে বিভিন্ন নায়িকার সাথে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন একসাথে অভিনয় করেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হলো শাবনূরপূর্ণিমা[৩২][৩৩] অনেক দিন একসাথে কাজ করার ফলে সখ্য গড়ে উঠে এই দুই অভিনেত্রীর সাথে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন সময়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে রিয়াজ-শাবনূরের প্রেমের খবর প্রকাশ হতে থাকে।[৩৪] এমনকি তাদের প্রেম ও গোপন বিয়ের খবর ঝড় তুলেছিল ২০০০ সালের প্রথম পর্যন্ত চলচ্চিত্র এবং এ অঙ্গনের বাইরে।[৩২] এছাড়া পূর্নিমার সাথেও তার সম্পর্কের খবরও কিছুদিন লোকমুখে শোনা গিয়েছিল। রিয়াজ ২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২০০৪-এর বিনোদন বিচিত্রার ফটো সুন্দরী বিজয়ী মডেল মুশফিকা তিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[৩২][৩৫][৩৬] বিয়ের প্রায় আট বছর পর ২০১৫ সালের ১ জুন তিনি কন্যা সন্তানের পিতা হন।[৩৭]

অভিনয় জীবন

 
রিয়াজ, সুচন্দা, ববিতা, তিনা ও চম্পা কক্সবাজারে ২০১৪ সালে।

রিয়াজের নিজ পরিবারের কেউ অভিনয়ের সাথে সম্পৃক্ত না থাকলেও তাঁর তিন চাচাতো বোন কোহিনুর আক্তার সুচন্দা, ফরিদা আক্তার ববিতাগুলশান আরা চম্পা বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।[৩৮][৩৯] ছোটবেলায় জনপ্রিয় টিভি সিরিজ টারজান এবং বাংলাদেশী পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'টারজান' তরুণ রিয়াজের উপর বিরাট প্রভাব বিস্তার করেছিল।[২৫] এছাড়াও টম ক্রুজ অভিনীত হলিউড সুপারহিট চলচ্চিত্র টপ গান এবং পুনর্নির্মিত টারজান চলচ্চিত্রও তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল।[২৫] ১৯৯৪ সালে তিনি চাচাতো বোন ববিতার সাথে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-তে ভ্রমণে এসে প্রয়াত অভিনেতা-প্রযোজক জসিম-এর নজরে পড়েন। জসিম যখন তাঁকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তখন তিনি অভিনয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এক্ষেত্রে ববিতা তাঁকে উৎসাহিত করেন, কিন্তু তাঁর মা ছিলেন ধর্মভীরু, তাই তার মাকে রাজি করাতে একটু সময় লেগে গিয়েছিল।[২৫] অবশেষে রিয়াজ ববিতার হাত ধরেই চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন।[৩৯]

১৯৯৫-২০০০

১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে মুক্তি পায় রিয়াজ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র বাংলার নায়ক[৩০] এই চলচ্চিত্রে তিনি মুন্না চরিত্রে অভিনয় করে রূপালী পর্দায় অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং এটি ব্যবসা-সফল হয়েছিল।[৪০] তবে তিনি চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় ছিলেন না। এটির পরিচালক ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা দেওয়ান নজরুল।[৭]

 
১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দিলীপ বিশ্বাস-এর অজান্তে চলচ্চিত্র।

১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে রিয়াজ খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার দিলীপ বিশ্বাস-এর অজান্তে[৪১] এবং মোহাম্মদ হোসেন-এর প্রিয়জন-এ অভিনয় করার সুযোগ লাভ করেন।[৪১] "প্রিয়জন"ই একমাত্র চলচ্চিত্র যাতে রিয়াজ অকালপ্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহের সাথে অভিনয় করেন।[৩০] এছাড়াও মতিন রহমান এর পরিচালনায় মন মানে না ছবির প্রায় ৫০ ভাগ কাজ শেষ করেন সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে দিলীপ বিশ্বাস এর সাথে ছবির শুটিং দেখতে আসা রিয়াজ পরে সালমানের পরিবর্তে এই ছবিতে অভিনয় করেন। কারণ এর প্রায় তিন মাস পর সালমানের মৃত্যু ঘটে। দিলীপ বিশ্বাস মতিন রহমানের সাথে রিয়াজকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন; "সম্ভব হলে ওকে নিয়ে কাজ করার চিন্তা করতে পারেন" এবং এটিই রিয়াজ-শাবনূর জুটি অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।[৪২]

১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত প্রাণের চেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্রটি বাণিজিক্যভাবে সফলতা লাভ করে এবং এই চলচ্চিত্রটি রিয়াজকে রাতারাতি খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে দেয়।[৪১] এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে রিয়াজের আসনটি মজবুত হয়ে যায়।[৪১] এ চলচ্চিত্রের "পড়েনা চোখের পলক" গানটি তাঁকে তরুণ-তরুণীদের হার্টথ্রবে পরিণত করে।[৪১] একই বছরের ১১ নভেম্বর মুক্তি লাভ করে মতিন রহমান নির্মিত মন মানেনা যেটি রিয়াজ-শাবনূর জুটির প্রথম চলচ্চিত্র এবং এটি সুপার হিট হয়।[৪১][৪২] শাবনূরের সঙ্গে রিয়াজের দ্বিতীয় ছবি আবিদ হাসান বাদল পরিচালিত তুমি শুধু তুমি[৪১] এরপর এই জুটি চলচ্চিত্র মহলে বেশ আলোচিত-সমালোচিত হয়ে ওঠে।[৪১]

১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে অবমুক্ত পৃথিবী তোমার আমার চলচ্চিত্রটি বড় ধরনের বাণিজ্যিক সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়।[৪১] এটি পরিচালনা করেন বাদল খন্দকার।[৪১] এছাড়াও আজাদী হাসনাত ফিরোজ পরিচালিত কাজের মেয়ে চলচ্চিত্রটিও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই দুটি চলচ্চিত্রেই রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর।

রিয়াজ ১৯৯৯ মৌসুমে শাবনূরের বিপরীতে অভিনয় করেন বলিউড সুপারহিট চলচ্চিত্র দিওয়ানা অনুকরণে পরিচালক মতিন রহমান নির্মিত বিয়ের ফুল চলচ্চিত্রে এবং এটিও ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে।[৪০] প্রাণের চেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্রটি ব্যাবসায়িক সাফল্য এনে দেয়ায় পরিচালক মহাম্মাদ হান্নান রিয়াজকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন।[৮] এগুলো হলো, শাবনূরের বিপরীতে ভালবাসি তোমাকে, পপির বিপরীতে বিদ্রোহ চারিদিকে, রাভিনার বিপরীতে সাবধান, দলপতি, পূর্ণিমার বিপরীতে খবরদার এবং সর্বশেষ শাবনূরের বিপরীতে ভালবাসা ভালবাসা (২০০৭)।[৮]

২০০০ সালের ঈদুল ফিতর-এ মুক্তি পায় এফ আই মানিক পরিচালিত চলচ্চিত্র এ বাঁধন যাবেনা ছিঁড়ে। এই চলচ্চিত্রের মধ্যে দিয়ে সাফল্যের স্রোতে আরো এগিয়ে যান তিনি।[২৩][২৪] এরপর তিনি প্রথমবারের মতো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদের দুই দুয়ারী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন একজন রহস্য মানবের ভূমিকায়। এটিও ব্যবসা-সফল হয় এবং তিনি প্রথমবারের মতো শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৪৩]

অতঃপর সাঈদুর রহমান সাঈদ নির্মাণ করেন এরই নাম দোস্তী যাতে রিয়াজ-শাবনূর ছাড়াও অভিনয় করেন বলিউড অভিনেতা শক্তি কাপুর। গল্প এবং অভিনয় মিলিয়ে এই চলচ্চিত্রটিও রিয়াজকে সাফল্য এনে দেয়।[৪৪]

২০০১-২০০৫

 
২০০১ সালে শুটিংয়ে আহত রিয়াজ তার নিজ বাসায় বিশ্রামে থাকা কালে।

২০০১ সালে মুক্তি পায় পরিচালক মতিন রহমান এর এই মন চায় যে...!। এই চলচ্চিত্রটি আশানুরূপ ব্যবসা সফল হয়নি। গাজী মাহাবুব পরিচালিত প্রেমের তাজমহল চলচ্চিত্রটি সফলতা অর্জন করে এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি (বিএফপিডিএ) থেকে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।[৪৫] ২০০১ সালে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় পরিচালক দিলীপ বিশ্বাস-এর পুত্র দেবাশীষ বিশ্বাস নির্মিত চলচ্চিত্র শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ। ব্যাপক প্রচার এবং নির্মাণশৈলীর কল্যাণে ছবিটি সাফল্য অর্জনে সমর্থ হয়।[৪০] এই সিনেমায় রিয়াজের অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ আলোচিত হয়।[৪৬] লালন সাইয়ের বিখ্যাত গান "মিলন হবে কতো দিনে"-এর শিরোনামে পরিচালক জাকির হোসেন রাজু নির্মাণ করেন মিলন হবে কতো দিনে চলচ্চিত্র। একই বছর মুক্তি পায় বলিউড অভিনেত্রী রিয়া সেনর সঙ্গে অভিনীত চলচ্চিত্র মনে পড়ে তোমাকে[৪৭] তবে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি আশানুরূপ ব্যাবসায়িক সাফল্য অর্জন করেনি।[৪৭] পরের বছর জাকির হোসেন রাজুর ভালোবাসা কারে কয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি বিএফপিডিএ পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন।[৪৫]

২০০৪ সালে মুক্তি পায় প্রেমের চলচ্চিত্র রং নাম্বার[৪৮] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন মতিন রহমান[৪৮] এটিতে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেছেন টিভি অভিনেত্রী শ্রাবন্তী।[৪৮] মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিত্যদিনের ঘটনা নিয়ে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি সে সময় তরুণ-তরুণীসহ প্রায় সকল শ্রেণীর দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করে।[৪৮] এরপর তিনি কাজ করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়াতে[৪৯] এই চলচ্চিত্রে রিয়াজ একজন ইমামের চরিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হন। এটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে নিবেদন করা হয়েছিল।[৫০] এছাড়াও চলচ্চিত্রটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।[৫১] একই বছর বিশ্ব বিখ্যাত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ছোট গল্প শাস্তি অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র শাস্তি[৫২] এটি ছিল বাংলাদেশে রবিন্দ্রসাহিত্যের প্রথম অনুপম চলচ্চিত্রায়ন, দ্বিতীয়টি সুভা[৫৩] রিয়াজ এখানে ছিদাম চরিত্রে অভিনয় করেন।[৫২] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশের অন্যতম চলচ্চিত্রকার চাষী নজরুল ইসলাম[৫২] রিয়াজ-সহ এ চলচ্চিত্রের সকল শিল্পীর অভিনয় দর্শক-সমালোচকদের কাছে সমাদৃত হয় এবং তিনি মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার (সমালোচক) পুরস্কার লাভ করেন।[৫৪]

 
রিয়াজ আগুনের মধ্য দিয়ে শট দিচ্ছেন।

২০০৫ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হান এর কালজয়ী উপন্যাস হাজার বছর ধরে অবলম্বনে একই শিরোনাম নির্মিত হয় হাজার বছর ধরে[৫৫] ছবিটি পরিচালনা করেন জহির রায়হানের সহধর্মিনী এক সময়ের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা[৫৫] রিয়াজ এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিক হিসাবে নিয়েছিলেন শুধুমাত্র ১০১ টাকা[৫৫][৫৬] রিয়াজ উপন্যাসের মন্টু চরিত্রে অভিনয় করে চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের কাছে আলোচিত হন এবং জিতে নেন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার।[৫৭]

২০০৬-২০১০

২০০৬ সালে চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেন খেলাঘর[৫৮] বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কথাশিল্পী মাহমুদুল হকের ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত যুদ্ধকালের চিরন্তন প্রেমের গল্পের উপন্যাস খেলাঘর অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।[৫৯] এই সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেন সোহানা সাবা। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে রিয়াজ বিএফএফএস চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিবেচিত হয়েছিলেন।[৬০] চলচ্চিত্রকার-প্রযোজক দিদারুল আলম বাদলের নির্মাণ করেন ত্রিভুজ প্রেমের না বোলনা[৬১] এই চলচ্চিত্রে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেন শিমলাসুমনা সোমা[৬১]

২০০৭ সালে মুক্তি পায় জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এর জনপ্রিয় উপন্যাস দারুচিনি দ্বীপ অবলম্বনে নির্মিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দারুচিনি দ্বীপ[৬২] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা তৌকির আহমেদ[৬২] এ ছবিতে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেন লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার (২০০৬) জাকিয়া বারী মম[৬৩] রিয়াজ এতে শুভ্র চরিত্রে অভিনয় করেন।[৬৩] তিনি এ চলচ্চিত্র অভিনয় করে আবারো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এর শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন।[৬৪] জনপ্রিয় বাংলাদেশী সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক-এর 'একজন সঙ্গে ছিল' উপন্যাস অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র একজন সঙ্গে ছিল[৬৫] এটিতে রিয়াজের সাথে অভিনয় করেছেন মৌসুমী[৬৫] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শওকত জামিল।[৬৫]

 
রিয়াজ আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা চলচ্চিত্রের সেটে (২০০৭)।

২০০৮ সালে রিয়াজ অভিনীত তিনটি চলচ্চিত্র বেশ আলোচিত ছিল।[৬৬] এর মধ্যে নবীন চলচ্চিত্রকার মুরাদ পারভেজ নির্মাণ করেন চন্দ্রগ্রহণ[৫] ষাটের দশকের পটভূমিতে নির্মিত হয় ছবিটি।[৬৭] এটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ মোট সাতটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।[৬৮] এটিতে রিয়াজ কাসু এবং সোহানা সাবা ফালানি চরিত্রে অভিনয় করেন।[৫] প্রখ্যাত নারী চলচ্চিত্রকার নার্গিস আক্তার নির্মাণ করেন এইচআইভি/এইডস সম্পর্কিত জনসচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণমূলক চলচ্চিত্র মেঘের কোলে রোদ[৬৯] মালয়শিয়ার মনোরম পরিবেশে চলচ্চিত্রটি চিত্রায়ন করা হয়।[৭০] চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীসহ (পপি) মোট পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।[৬৮][৭১][৭২] এরপর রিয়াজ আরও একটি ব্যক্তিগত সাফল্য লাভ করেন কি যাদু করিলা ছবিতে নিখুঁত অভিনয়ের কল্যাণে। চন্দন চৌধুরী পরিচালিত এ ছবিতে রিয়াজের বিপরীতে ছিলেন পপি। রিয়াজ তৃতীয়বারের মত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কারে ভূষিত হন।[৬৮][৭৩]

২০০৯ সালে মুক্তি পায় প্রবীণ অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র এবাদত[৭৪] রিয়াজের বিপরীতে এখানে অভিনয় করেন শাবনূর[৭৪] ছবিটি ব্যবসায়িক সাফল্য না-পেলেও রিয়াজ অনেকের কাছে তাঁর অভিনয় জন্য প্রশংসিত হয়েছেন।[৭৫] এফআই মানিক পরিচালিত রোমান্টিক চলচ্চিত্র চিরদিন আমি তোমার[৭৬] এখানে রিয়াজের বিপরীতে ছিলেন পূর্ণিমা ও রোমানা।[৭৭] এখানে রিয়াজ একজন মানসিক রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।[৭৮] এটি এটিএন বাংলা প্রযোজিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।[৭৬]

২০১০ সালে মুক্তি পায় মোহাম্মদ হোসেন জেমী পরিচালিত বাজাও বিয়ের বাজনা[৭৯] এই চলচ্চিত্রে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস[৭৯] এটি রিয়াজ-অপু বিশ্বাস জুটি অভিনীত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র।[৭৯] শাহীন-সুমন পরিচালিত জমিদার চলচ্চিত্রটিও মুক্তি পায় একই বছর।[৮০] এটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা[৮০]

২০১১-বর্তমান

২০১১ সালের মুক্তি পায় কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন-এর মধুমতি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র মধুমতি[৮১] এখানে রিয়াজ 'মধুমতি' উপন্যাসের মূল চরিত্র আনু-এর ভূমিকায় অভিনয় করেন। এটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা ২০০৮-এর চ্যাম্পিয়ন ইশরাত জাহান চৈতি[৮২] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহজাহান চৌধুরী[৮১] এরপর মুক্তি পায় চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত দুই পুরুষ[৮৩] এটিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন মৌসুমীনিপুণ[৮৩] মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত কুসুম কুসুম প্রেম ছবিতে তার সাথে অভিনয় করেন মৌসুমী ও ফেরদৌস।[৮৪] এছাড়া শাহিন-সুমন পরিচালিত কে আপন কে পর ছবিটিতে তিনি একটি গানে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত হন।[৮৫]

২০১২ সালের প্রথম দিকে মুক্তি পায় নজরুল ইসলাম পরিচালিত বন্ধু তুমি আমার চলচ্চিত্রটি।[৮৬] এখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা[৮৬] ২০১৩ সালে মুক্তি লাভ করে ঐতিহাসিক গল্পে গাজী মাহবুব এর পুননির্মিত চলচ্চিত্র শিরি ফরহাদ যার বিপরীতে ছিলেন শাবনূর,[৮৭] এটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এবং চলচ্চিত্রটি নির্মানে প্রায় ছয়-সাত বছর সময় লেগেছিল।[৮৮]

২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পায় লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। এটি পরিচালনা করেন সোহানুর রহমান সোহান।[১২][১৩][৮৯] এই চলচ্চিত্রে সুদর্শন অভিনেতা হিসেবে পরিচিত আমিন খান প্রথম খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন[৯০] এছাড়াও তার উল্লেখযোগ্য ছবি গুলো হলো; এস এ হক অলিক এর এক পৃথিবী প্রেম - বিপরীতে পূর্ণিমা, এ জেড ফিরোজ পরিচালিত মাধবী - বিপরীতে আছেন রোমানা[৯১]

দীর্ঘ পাঁচ বছর বিরতি দিয়ে আবারো চলচ্চিত্রে অভিনয়ে ফিরেছেন রিয়াজ। "সুইটহার্ট" নামের এই চলচ্চিত্রের একটি অতিথি চরিত্রে সাইকো'র ভূমিকায় অভিনয় করবেন তিনি।[৯২] ওয়াজেদ আলী সুমনের পরিচালনায় এই চলচ্চিত্রে আরও অভিনয় করবেন বিদ্যা সিনহা সাহা মীম এবং বাপ্পি চৌধুরী[৯২][৯৩][৯৪][৯৫][৯৬] দীর্ঘ বিরতির পর অক্টবর ২০১৪-এ রিয়াজ ও শাবনূর জুটি হয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সালাউদ্দীন লাভলুর 'জনম জনমে' চলচ্চিত্রে। এছারাও ২০০৫ সালে তারা দুজন এই নির্মাতার মোল্লা বাড়ীর বউ ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন।[৯৭][৯৮] সর্বশেষ তিনি অভিনয় করেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ছবি "কৃষ্ণপক্ষ"- তে। এ ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। ছবিটি সারাদেশে মুক্তি পায় ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬।

জুটি

রিয়াজ কয়েকজন অভীনেত্রীর সাথে জুটি বেঁধে কাজ করে জনপ্রিয়তা ও সফলতা পেয়েছেন এবং একইসাথে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পে রেখেছেন তাঁর অসামান্য অবদান। বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর এর সাথে রিয়াজের প্রথম এবং সফল জুটি গড়ে উঠে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পে এই জুটির রয়েছে অসংখ্য দর্শক নন্দিত চলচ্চিত্র।[৩৩] আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমার সাথেও গড়ে উঠে রিয়াজের আরও একটি সফল জুটি। এই জুটিও বাংলাদেশ চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু ভালো চলচ্চিত্র।[৩৩] এছাড়াও রিয়াজ বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর সাথে জুটিবদ্ধ হয়ে কাজ করেছেন, কিন্তু এগুলো তেমন সফল হয়নি।[৩১]

রিয়াজ-শাবনূর জুটি

 
রিয়াজ-শাবনূর জুটি অভিনীত জনপ্রিয় কমেডি চলচ্চিত্র শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ-এর পোস্টার।

রিয়াজ-শাবনূর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একটি সফল জুটি গড়ে উঠে।[৪১] তাঁদের এই জুটি দর্শকদের বেশ কিছু সুন্দর সিনেমা উপহার দিয়েছে।[৭] এই জুটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৭ সালে এই জুটির প্রথম ছবি মন মানেনা মুক্তি পায।[৪১] এটি পরিচালনা করেছেন চলচ্চিত্রকার মতিন রহমান।[৪১] এবং চলচ্চিত্রটি আশানুরূপ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। সালমান শাহ'র অকাল মৃত্যুর পর সালমানের পরিবর্তে এই ছবিতে অভিনয় করেন রিয়াজ। মৃত্যুর আগে ছবির প্রায় ৫০ শতাংশ কাজ শেষ করেছিলেন সালমান।[৪২] ১৯৯৮ সালে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত ভালোবাসি তোমাকে চলচ্চিত্রটি দারুন জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০১ সালে এই জুটির একটি সফল চলচ্চিত্র হল প্রেমের তাজমহল। গাজী মাহাবুব পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলা ছবির মন্দা কাটাতে দারুণ ভুমিকা রাখে। চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং তাঁরা নতুন করে আলোচনায় উঠে আসেন।[৯৯] এই জুটির আরো একটি চলচ্চিত্র ও প্রিয়া তুমি কোথায় এটি পরিচালনা করেছেন শাহাদাত হোসেন লিটন। এ চলচ্চিত্রে আরও অভিনয় করেন বর্তমান চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান। এটির নামকরণ করা হয় তারকা সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর এর জনপ্রিয় গান ও প্রিয়া তুমি কোথায় শিরোনাম অনুসরণ করে।[১০০] ছবিটি সে সময় ব্যাবসায়িকভাবে ভালো সফলতা লাভ করে। হৃদয়ের বন্ধন এই জুটির অন্যতম একটি সফল চলচ্চিত্র। বিখ্যাত পরিচালক এফ আই মানিক পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি সেসময় দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়। ২০০৫ সালে মুক্তি পায় মোল্লা বাড়ীর বউ চলচ্চিত্রটি, রিয়াজ-শাবনূর জুটিকে বড় আকারের সফলতা এনে দেয় এটিও।[১০১] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন টিভি নির্মাতা সালাউদ্দিন লাভলু[১০১] এটি প্রযোজনা করেন মনের মাঝে তুমি ছবির পরিচালক মতিউর রহমান পানু[১০১] এছাড়াও রয়েছে এই জুটির উল্লেখযোগ্য আরো বেশ কয়েকটি সফল চলচ্চিত্র। রিয়াজ-শাবনূর জুটি এই পর্যন্ত প্রায় চল্লিশটিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। রিয়াজ-শাবনূর জুটি অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র শিরি ফরহাদ মুক্তি পায় ২২শে মার্চ ২০১৩ সালে যা গাজী মাহবুব পরিচালনা করেন।[৯৯][১০২][১০৩]

রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটি

রিয়াজের আরেকটি সফল জুটি গড়ে উঠেছিল সে সময়ের নবাগতা, অভিনেত্রী পূর্ণিমার সাথে।[৭][৮০] ১৯৯৭-এ মুক্তি পায় রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটি অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র এ জীবন তোমার আমার[১০৪] চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন পরিচালক জাকির হোসেন রাজু।[১০৪] এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়েই পূর্ণিমার অভিনয় জীবন শুরু হয়।।[১০৪] ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে মুক্তি পায় রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটির সব চাইতে সফল চলচ্চিত্র মনের মাঝে তুমি[৮০] এটি পরিচালনা করেন প্রবীণ পরিচালক মতিউর রহমান পানু। এই চলচ্চিত্রটি দর্শকপ্রিয়া অর্জনে সফল হয়েছিল।[১০৪] এটি বাংলাদেশভারত-এর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল। এটি রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটির বড় সাফল্য এবং সেই সাথে এটি ছিল সকল শ্রেণীর দর্শকদের জন্য তাঁদের পক্ষ থেকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার।

 
রিয়াজ ও পূর্ণিমা আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা চলচ্চিত্রের সেটে মহড়ায় (২০০৭)।

এরপর ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে মুক্তি পায় প্রেমের গল্পের চলচ্চিত্র হৃদয়ের কথা[১০৫] পরিচালক এস এ হক অলিক এটি পরিচালনা করেন।[৮০][১০৫] এটি রিয়াজ প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র। এ ছবির গানগুলো তরুণ দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি গান হলো হাবিব ওয়াহিদের গাওয়া ভালোবাসব বাসবোরে বন্ধু এবং এস আই টুটুলের গাওয়া যায় দিন যায় একাকি। রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটির এই চলচ্চিত্রটি দর্শক সাদরে গ্রহণ করে। অতঃপর পরিচালক এস এ হক অলিক তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্রের জন্য রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটিকেই চুক্তিবদ্ধ করেন। ২০০৮-এ এস এ হক অলিকের পরিচালনায় মুক্তি পায় এই জুটির আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা[৮০][১০৬] পারিবারিক প্রেক্ষাপটে প্রেমের গল্প ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে ছিলো অসাধারণ সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থানের ঝকঝকে চিত্রায়ন। এই চলচ্চিত্রের গানগুলোও তরুণ দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ছবিটি দর্শক মহলে প্রশংসিত হয়। এরপর পরিচালক এস এ হক অলিক তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্র এক পৃথিবী প্রেম এর জন্য আবারও রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটিকে বেছে নেন।[৮০][১০৭] ২০১২ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে মুক্তি পায় নজরুল ইসলাম পরিচালিত চলচ্চিত্র বন্ধু তুমি আমার[৮৬]
রিয়াজ-পুর্ণিমা জুটি এই পর্যন্ত ত্রিশটিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পায় সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত লোভে পাপ পাপে মৃত্যু এবং এটিই রিয়াজ-পুর্ণিমা জুটির সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র।[১২][১৩] এবং চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করে।[১০৮][১০৯]

অভিনয়কৃত উল্লেখযোগ্য চরিত্রের নাম

রিয়াজ সর্বাধিক আঠার'বার সাগর নাম বিশিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিচে উল্লেখযোগ্য কিছু চরিত্রের নাম ও চলচ্চিত্রের নাম দেওয়া হল।

  • সাগর - মন মানেনা, তুমি শুধু তুমি, পৃথিবী আমারে চায়না, আমি তোমারি, বিয়ের ফুল, বুক ভরা ভালবাসা, কাজের মেয়ে, মনে রেখ আমায়, হৃদয়ে লেখা নাম, ক্ষেপা বাসু, ও প্রিয়া তুমি কোথায়, লাল দরিয়া, স্বপ্নের বাসর, ছোট্ট একটু ভালবাসা, বিয়ের লগন, কি যাদু করিলা, চাঁদের মতো বউ ও লোভে পাপ পাপে মৃত্যু চলচ্চিত্রে।
  • আকাশ - হৃদয়ের বন্ধন, বাধা, তোমাকেই খুজছি, আকাশ ছোঁয়া ভালবাসা, কে আমি, ধনী গরিবের প্রেম, মন বসেনা পড়ার টেবিলে ও মন ছুঁয়েছে মন চলচ্চিত্রে।
  • অনিক - ভালবাসি তোমাকে, বিদ্রহী চারিদিকে, খবরদার, গুন্ডার প্রেম, হৃদয়ের কথা ও চিরদিন তুমি আমার চলচ্চিত্রে।
  • রাজু - বাঁচার লড়াই, মিথ্যার মৃত্যু, এরই নাম দোস্তী, ভালবাসার শত্রু ও বিদ্রোহী পদ্মা চলচ্চিত্রে।

চলচ্চিত্রসমূহ

 
জহির রায়হান এর কালজয়ী উপন্যাস হাজার বছর ধরে অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র হাজার বছর ধরে

রিয়াজ অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো: প্রাণের চেয়ে প্রিয়হৃদয়ের আয়না (১৯৯৭), ভালবাসি তোমাকে, পৃথিবী তোমার আমার, বুক ভরা ভালোবাসাকাজের মেয়ে (১৯৯৮), বিয়ের ফুল স্বপ্নের পুরুষ (১৯৯৯), এ বাঁধন যাবেনা ছিঁড়ে, সাবধান ভয়ঙ্কর বিষু (২০০০), হৃদয়ের বন্ধন, শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ, মিলন হবে কতো দিনে প্রেমের তাজমহল (২০০১), নিঃশ্বাসে তুমি বিঃশ্বাসে তুমি, ও প্রিয়া তুমি কোথায় সুন্দরী বধু (২০০২), মাটির ফুল, ভালবাসা কারে কয়, মনের মাঝে তুমি, স্বপ্নের বাসরজামাই শ্বশুর (২০০৩), রং নাম্বারছোট্ট একটু ভালবাসা (২০০৪), মোল্লা বাড়ীর বউ (২০০৫), হৃদয়ের কথা (২০০৬), আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসাতোমাকেই খুঁজছি (২০০৮), চাঁদের মত বউমন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), বাজাও বিয়ের বাজনা (২০১০) এবং লোভে পাপে পাপে মৃত্যু (২০১৪)।

তিনি জনপ্রিয় কিছু গল্প-উপন্যাসের ভিত্তিতে নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এগুলো হলো দুই দুয়ারী (২০০০), সুন্দরী বধু (২০০২), মেঘের পরে মেঘ, শ্যামল ছায়াশাস্তি (২০০৪), হাজার বছর ধরে (২০০৫), খেলাঘরবিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬), দারুচিনি দ্বীপএকজন সঙ্গে ছিল (২০০৭) এবং মধুমতি (২০১১)।

এছাড়াও রিয়াজ বিকল্প ধারার কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন যেমন টক ঝাল মিষ্টি (২০০৪), না বোলনাবকুল ফুলের মালা (২০০৬), মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলাচন্দ্রগ্রহণ (২০০৮), এবাদত (২০০৯), কুসুম কুসুম প্রেম (২০১১) ইত্যাদি।

নির্বাচিত চলচ্চিত্রের তালিকা

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র পরিচালক সহ-শিল্পী বিশেষত্ব
১৯৯৫ বাংলার নায়ক মুন্না দেওয়ান নজরুল সোনিয়া রিয়াজ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।
১৯৯৭ প্রাণের চেয়ে প্রিয় সজিব/রনি মহাম্মদ হান্নান রাভিনা বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০০ দুই দুয়ারী রহস্য মানব হুমায়ুন আহমেদ শাওন বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
২০০১ শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ বাঁধন দেবাশীষ বিশ্বাস শাবনূর বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০১ প্রেমের তাজমহল রবিন গাজী মাহবুব শাবনূর বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০৩ মনের মাঝে তুমি সিন্টু/বেনু মতিউর রহমান পানু পূর্ণিমা বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০৪ মেঘের পরে মেঘ সেজান মাহমুদ/মাজিদ চাষী নজরুল ইসলাম পূর্ণিমা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
২০০৪ শ্যামল ছায়া মাওলানা সোলেমান হুমায়ুন আহমেদ তানিয়া আহমেদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।
২০০৪ শাস্তি (চলচ্চিত্র) ছিদাম চাষী নজরুল ইসলাম পূর্ণিমা বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০৫ হাজার বছর ধরে মন্টু মিয়া কোহিনুর আক্তার সুচন্দা শশি ও শাহনুর বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০৬ হৃদয়ের কথা অনিক এস এ হক অলিক পূর্ণিমা রিয়াজ প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র।
বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার
২০০৬ খেলাঘর ইয়াকুব মোরশেদুল ইসলাম সোহানা সাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
২০০৭ দারুচিনি দ্বীপ শুভ্র তৌকির আহমেদ জাকিয়া বারি মম বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
২০০৮ কি যাদু করিলা সাগর চন্দন চৌধুরি পপি ও সাগরিকা বিজয়ী শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
২০১১ মধুমতি আনু শাহজাহান চৌধুরী চৈতী মনোনয়ন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
২০১৩ শিরি ফরহাদ ফরহাদ গাজী মাহবুব শাবনূর

মনোনয়ন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার

২০১৪ লোভে পাপ পাপে মৃত্যু সাগর চৌধুরী সোহানুর রহমান সোহান পূর্ণিমা
২০১৫ কৃষ্ণপক্ষ মুহিব মেহের আফরোজ শাওন মাহিয়া মাহী হুমায়ুন আহমেদ এর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র।[১১০]

প্রযোজক

রিয়াজ চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেও সফলতা লাভ করেছেন। তিনি ২০০৫ সালে তুহিন বড়ুয়ার সাথে যৌথ ভাবে পথিক [২৫][১১১] নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র হৃদয়ের কথা[৭][২৫] এতে রিয়াজ নিজেই প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন। এবং এই চলচ্চিত্র মুক্তি দেয়ার আগেই বাজারে মুক্তি দেওয়া হয় গানের অডিও এ্যালবাম, যা চলচ্চিত্র মুক্তির পূর্বেই শ্রুতারা সাদরে গ্রহণ করে। চলচ্চিত্রটি ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর মুক্তি দেয়া হয় এবং বক্স অফিসে ব্যবসায়িকভাবে সফলতা অর্জন করে। পরে রিয়াজ চলচ্চিত্র প্রযোজনাতে আগ্রহী হয়ে উঠেন এবং মিডিয়ায় দেয়া বিভিন্ন সাক্ষাত্কারে তিনি জানান তাঁদের প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী চলচিত্রের নাম হৃদয় আছে যার সহ হৃদয় শিরোনামে আরো একটি চলচ্চিত্র হৃদয়ের মোহনায়। "হৃদয় আছে যার" ছবিটি পরিচালনা করার কথা ছিল ফেরদৌস হাসানের।[১১১]

প্রযোজিত চলচ্চিত্র
  • হৃদয়ের কথা - (২০০৬)
  • হৃদয় আছে যার - (অসমাপ্ত উদ্যোগ)
  • হৃদয়ের মোহনায় - (অসমাপ্ত উদ্যোগ)

টেলিভিশন

নাটকে অভিনয়

 
রিয়াজ, তিশা শুটিং ইউনিটের সাথে ২০১৪ সালে।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি বেশ কিছু টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন রিয়াজ। অতিথি শিল্পী হিসেবে হুমায়ুন আহমেদ-এর হাবলঙ্গের বাজারে দিয়েই তাঁর টেলিভিশন নাটকে যাত্রা শুরু হয়। এরপর বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল-এ কাজ করেন।[১১২] এটি পরিচালনা করেন সাইদুল আনাম টুটুল।[১১২] বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ভূমিকা ও কর্ম জীবন নিয়ে নির্মিত ডকুড্রামা অগ্নিবলাকা'য় মতিউর রহমান ভূমিকায় অভিনয় করেন রিয়াজ এবং মতিউর রহমানের স্ত্রী বীরজায়া মিলি রহমানের ভূমিকায় ছিলেন তারিন। এটি পরিচালনা করেছিলেন আব্দুল্লাহ রানা এবং প্রযোজনা করেছিলেন মাহমুদ ইকবাল।[২৩][২৪] পরবর্তীতে হুমায়ুন আহমেদের পরিচালনায় যমুনার জল দেখতে কালোএই বর্ষায় নাটক দুটিতে অভিনয় করেন।[১১৩] এছাড়াও তিনি হুমায়ুন আহমেদের বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রহস্য, এটি পরিচালনা করেন মেহের আফরোজ শাওন[১১৪] এস এ হক অলিকের টেলিছবি চিকেন টিক্কামাসালায় তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন মডেল সারিকা।[১১৫] এছাড়াও তিনি অলিকের পরিচালনায় তুলিতে আঁকা স্বপ্নমেম সাহেব টেলিছবি দুটিতে অভিনয় করেছেন। সাজ্জাদ সুমন পরিচালিত টেলিছবি অপরাহ্নের গল্প-তে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন ফারহানা মিলি।[১১৬] এসএম রিপন ও বদিউর রহমান সোহেলের যৌথ পরিচালনায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পটভূমিতে নির্মিত প্রভাত ফেরী নাটকটিতে তিনি অভিনয় করেন।[১১৭] আহসান হাবীবের রচনা ও জুয়েল রানা'র পরিচালনায় প্রজেক্ট ট্রাফিক জ্যাম নাটকে সাবা'র বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি।[১১৮]

এরপর প্রায় দেড় বছরের বিরতির পর আবার টেলিভিশনের জন্য অভিনয় শুরু করেন রিয়াজ। মার্চ ২০১৪ থেকে মোহন খান পরিচালিত একটি নাটক ও একটি টেলিছবিতে কাজ করছেন তিনি। নাটক ও টেলিছবিতে রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করবেন রোমানা। নাটকটি হলো সৈকতে ঘর আর টেলিছবিটি ভালোবাসার এক ফোঁটা জল[১১৯][১২০] ১৪২১ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নির্মিত দুটি নাটকে তিশার বিপরীতে অভিনয় করেছেন রিয়াজ। নাটক দুটি হলো সকাল আহমেদের এক বছর পরের সন্ধ্যা এবং সুমন ধরের গল্পে গল্পে ভালোবাসা[১২১][১২২]

টেলিভিশন উপস্থাপকের ভূমিকা

 
রিয়াজ, মমতাজ, এস আই টুটুল, ফাতেমা-তুজ-জোহরা ও তিনা নির্মাণের তারকা অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে।

রিয়াজ ২০০৭ সালের মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন।[১২৩] এতে জুটি হিসেবে তাঁর সাথে ছিলেন অভিনেতা ফেরদৌস[১২৪] এই অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আইএটিএন বাংলা চ্যানেল দুটিতে প্রচার করা হয়। ২০০৯-২০১০ মৌসুমে তিনি শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আয়োজিত এটিএন বাংলায় প্রচারিত[১২৫] নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য সঙ্গীত প্রতিভা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান নির্মাণের তারকা[১২৬] এর টিভি উপস্থাপনা করেন তাঁর স্ত্রী মুসফিকা তিনাকে সাথে নিয়ে।[১২৩][১২৭] ২০১০-এর সেপ্টেম্বরে ঈদুল ফিত্‌র উপলক্ষে নির্মাণের তারকা এর শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় বিশেষ পর্ব শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা ঈদ স্পেসাল, এটিও স্ত্রী তিনা'কে নিয়ে উপস্থাপনা করেন রিয়াজ। এটিও এটিএন বাংলায় প্রচার করা হয়।[১২৮] ২০১১ সালে ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাংলাদেশ চলচিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান পূর্তি উৎসব তারার মেলা এর উপস্থাপনাও করেন তিনি, এখনে তাঁর সাথে ছিলেন অভিনেত্রী মৌসুমী[১২৯] এটি প্রচার করা হয় বৈশাখী টিভিতে। ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১০-এর উপস্থাপনা করেন রিয়াজ, এখানে তাঁর সাথে ছিলেন মৌসুমী[১৩০] [১৩১]

উপস্থাপক

মূল্যায়ন

 
রিয়াজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০০ গ্রহণ করছেন সাবেক প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত থেকে, ২০০১-এ।

রিয়াজ তাঁর অভিনয় পারদর্শিতার কারণে অভিনয় জীবন শুরুর প্রায় দুই বছরের মধ্যে একজন নির্ভরযোগ্য অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং প্রযোজক ও নির্মাতাদের পছন্দের পাত্রে পরিনত হন। এর সুবাদে শুরু থেকেই খ্যাতিমান ও নতুন নির্মাতাদের পছন্দের শীর্ষে ছিলেন তিনি। এছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাণ ছেড়ে দিয়েছিলেন এমন কয়েকজন গুণী নির্মাতা আবার চলচ্চিত্র নির্মানে আগ্রহী হয়ে উঠেন রিয়াজ অভিনীত কিছু চলচ্চিত্রের সাফল্য দেখে, এদেঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম আমজাদ হোসেন (সুন্দরী বধু) এবং মতিউর রহমান পানু (মনের মাঝে তুমি)।

রিয়াজ ২০০৪ সালে হুমায়ুন আহমেদ নির্মিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়ায় মাওলানা সোলেমান'র চরিত্রে অভিনয় করে সহশিল্পী হুমায়ুন ফরীদি ও চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের প্রশংসা কুড়ান।[১৩২]

২০০৫ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত হাজার বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য রিয়াজ পারিশ্রমিক হিসাবে নিয়েছিলেন শুধুমাত্র ১০১ টাকা[৫৫][৫৬] ভালো অভিনয় পারদর্শিতার ফলে তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[১৩৩] সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা থাকায় তিনি ক্রীড়া সংগঠনের শুভেচ্ছা দূত ও পণ্য উপস্থাপক (ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর) হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ নানাবিধ জন-সচেতনতা মূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

সম্মাননা

 
রিয়াজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৮ গ্রহণ করছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে, ২০১০-এ।

রিয়াজ তাঁর সুঅভিনয়ের জন্য দীর্ঘ অভিনয় জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত একমাত্র রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে তিনি তিনবার এই পুরস্কার লাভ করেন।[১৩৪] এবং মেরিল-প্রথম আলো পূরস্কার-এ দুইবার সমালোচকদের রায়ে সহ সর্বমোট সাত'বার সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

বিজয়ী
বছর শ্রেণী চলচ্চিত্র ফলাফল
২০০০ সেরা অভিনেতা দুই দুয়ারী বিজয়ী
২০০০ সেরা অভিনেতা দারুচিনি দ্বীপ বিজয়ী
২০০৮ সেরা অভিনেতা কি যাদু করিলা বিজয়ী

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার

বিজয়ী

জন-সচেতনতা মূলক কর্মকান্ড

রিয়াজ চলচ্চিত্রে ও টেলিভিশনে অভিনয়ের পাশাপাশি কিছু জন-সচেতনতা মূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। তিনি রাজবাড়িতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন।[৩১] তিনি বাংলাদেশের মানুষকে মহামারী এইচআইভি/এইডস ও মরণ ব্যাধি এবং বাংলাদেশের প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা যক্ষা সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় এইচআইভি/এইডস নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এর টেলিভিশন প্রচারনায় অংশগ্রহণ করেন।[৩১] পাশাপাশি জাতীয় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম (এনটিসিপি) কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। এই কর্মসূচির আওতায় তিনি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ, শহর/উপ-শহরের বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও অন্যান্য লোকমুখর স্থান সমূহে তাঁর প্রতিকৃতি সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপনের অনুমোদন ও হাসপাতাল/নগর চিকিৎসা কেন্দ্রে লিফলেট বিলি করে থাকেন।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখে তিনি বাংলাদেশে হকি খেলাকে জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।[১৩৬] ৫ এপ্রিল ২০১২ থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী সংগঠন ‘মানুষ’-এর নতুন শুভেচ্ছা দূত হিসেবে রিয়াজ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[১৩৭][১৩৮][১৩৯][১৪০] এতে তিনি দেশে এবং বিদেশে সবাইকে এই সংগঠনের কার্যক্রমের বিষয়ে সচেতন, প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রাখবেন।[১৩৮] এর আগে এই সংগঠনের শুভেচ্ছা দূত ছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ[১৩৯][১৪০] নিরাপদ মাতৃত্ব 'শ্লোগান' নিয়ে ইউএনএফপিএ মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও মাতৃমৃত্যু রোধে বাস ব্রান্ডিং এ কার্যক্রমে ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করছেন অভিনেত্রী মৌসুমী ও রিয়াজ।[১৪১][১৪২][১৪৩]

সামাজিক সচেতনতামূলক নাটকে কাজ করতে পেরে রিয়াজ নিজেও উচ্ছ্বসিত। তিনি বললেন, অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাদের কিন্তু কিছু দায়বদ্ধতাও আছে। এই ধরনের নাটকে কাজ করার মধ্য দিয়ে সমাজের কিছুটা উপকার হয়। মানুষ সচেতন হয়। নিজের কাছেও ভালো লাগে।[১৪৪]

২০১৪ সালের শেষ দিকে রিয়াজ একটি তথ্যচিত্রে অভিনয় করেন। দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম নিয়ে তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে। সৈয়দ আওলাদ পরিচালিত তথ্যচিত্রটির নাম 'কুসুমপুরের দুনিয়া কুসুমপুরের দুনিয়া তথ্যচিত্রটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার করা হবে। বর্তমানে এটি সরকারিভাবে জেলায় উপজেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে। তথ্যচিত্রটিতে রিয়াজের সাথে অভিনয় করেন হাজার বছর ধরে চলচ্চিত্রের টুনি খ্যাত অভিনেত্রী শশী[১৪৪][১৪৫][১৪৬][১৪৭][১৪৮]

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. বিনোদন (২৬ অক্টবর, ২০১৩)। "চিত্রনায়ক রিয়াজের জন্মদিন আজ"ডেইলি সকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৪ 
  2. বিনোদন (২৬ অক্টবর, ২০১৩)। "আজ রিয়াজের জন্মদিন"বিনোদন বার্তা (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ মে, ২০১৪ 
  3. Nayeem Hassan। "Riaz Biography"IMDb (Worldwide)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৪ 
  4. Mayn Uddin (অক্টোবর ১২, ২০১২)। "Riaz Biography"biographybd.com। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৪location=Worldwide 
  5. Ershad Kamol (২৭ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Film “Chandragrohon” aesthetically rich presentation of an unconventional plot"The Dailystar (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ০১ আগস্ট ২০১১ 
  6. Culture Desk (১৭ আগস্ট, ২০১৩)। [http://www.daily-sun.com/details_yes_17-08-2013_Actor-Riaz-on-%E2%80%98Amar-Ami%E2%80%99-tonight_587_1_7_1_2.html "Actor Riaz on �Amar Ami� tonight"]। The Daily Sun (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১০ মে, ২০১৪ 
  7. দৈনিক মানবজমিন, বিনোদন, তারকার ডায়েরি, পৃষ্ঠাঃ ১৬, মুদ্রিত সংস্করণ, ১৫ নভেম্বর, ২০১১ইং, সংগৃহীতঃ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
  8. নন্দন (জানুয়ারি ৩০, ২০১৪)। "ভালবাসার কারিগর - রিয়াজ"দৈনিক সমকাল (samakal.net)। সংগৃহীত এপ্রিল ২০, ২০১৪ 
  9. Nusrat Jahan Pritom (১২ জুন, ২০১৪)। "The Charming Riaz"The Daily Sun (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ৩০ আগস্ট, ২০১৪ 
  10. আলাউদ্দীন মাজিদ। "আর অভিনয় নয় : রিয়াজ"। bangladesh-pratidin.com। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১১ 
  11. মেঘলা রহমান বৃষ্টি (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "অভিনয়ে সেরা রিয়াজ ও পপি"দৈনিক কালের কণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৪ মার্চ, ২০১২ 
  12. আনন্দ কণ্ঠ (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "আজ মুক্তি পাচ্ছে ৫ চলচ্চিত্র"দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৭, ২০১৪ 
  13. "পেশাদারির উন্নতি হয়নি: রিয়াজ"http://www.prothom-alo.com। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  14. বিনোদন প্রতিবেদক (জুলাই ০৩, ২০১৪)। "বিচারকের আসনে রিয়াজ-কুসুম"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত আগস্ট ২০, ২০১৪ 
  15. আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক (জুলাই ০২, ২০১৪)। "এবার বিচারক রিয়াজ-কুসুম"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত আগস্ট ২০, ২০১৪ 
  16. বিনোদন প্রতিবেদক (এপ্রিল ২৯, ২০১৪)। "আবার হ্যান্ডসাম খোঁজার পালা"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৯, ২০১৪ 
  17. শোবিজ প্রতিবেদক (এপ্রিল ২৯, ২০১৪)। "শুরু হলো ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম চ্যানেল আই প্রতিযোগিতা"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৯, ২০১৪ 
  18. স্টাফ রিপোর্টার (এপ্রিল ২৯, ২০১৪)। "শুরু হলো ‘ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম-চ্যানেল আই হ্যান্ডসাম দি আলটিমেট ম্যান’"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৯, ২০১৪ 
  19. Art and Entetaiment (মে ০৩, ২০১৪)। "Handsome The Ultimate Man New Adventure With Season 2"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১০ মে, ২০১৪ 
  20. তারাঝিলমিল (১০ এপ্রিল, ২০১৪)। "রিয়াজের নতুন অধ্যায়..."দৈনিক যুগান্তর (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১১ মে, ২০১৪ 
  21. রংয়ে ঢংয়ে-বর্তমান প্রতিবেদক (১২ এপ্রিল, ২০১৪)। "নতুন বছরে অন্য রিয়াজ"দৈনিক বর্তমান (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১১ মে, ২০১৪ 
  22. অভি মঈনুদ্দীন (১ মে, ২০১৪)। "অত:পর রিয়াজ"দৈনিক নয়াদিগন্ত (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১১ মে, ২০১৪ 
  23. আনন্দ কণ্ঠ (১৭ এপ্রিল ২০১৪)। "প্রত্যাবর্তন এবং অতঃপর রিয়াজ..."দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৭, ২০১৪ 
  24. আনন্দ কণ্ঠ (৬ মে, ২০১৪)। "রিয়াজের দিনলিপি"দৈনিক যায়যায়দিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১১ মে, ২০১৪ 
  25. The Daily Star (আগস্ট ০৪, ২০০৬)। ""There is no ingenuity in our current films"-- Riaz"Mahmuda Afroz (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ 
  26. দৈনিক কালের কণ্ঠ (৬ মে, ২০১০)। "'ইচ্ছে ছিল আর্কিটেক্ট হওয়ার'"রঙের মেলা (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩১ মার্চ, ২০১২ 
  27. Arumana (জানুয়ারি ২০, ২০১১)। "Riaz uddin ahamed siddique"People Face of Bangladesh। Dhaka, Bangladesh। সংগৃহীত জুলাই ০৪, ২০১২ 
  28. আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক (৯ নভেম্বর, ২০০৯)। "রিয়াজের নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  29. নিজস্ব প্রতিবেদক (১৩ এপ্রিল ২০১১)। "আশিয়ান গ্রুপের পরিচালক হলেন রিয়াজ"দৈনিক কালের কণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৯ এপ্রিল ২০১২ 
  30. পারভেজ আহমেদ (২২ মার্চ, ২০১৪)। "অল্প সময়েই ভালবাসা পেয়েছি: রিয়াজ"showbiztimes.নেট (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২২ মার্চ, ২০১৪ 
  31. প্রাবন্ধিক (২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪)। "সুদর্শন নায়ক রিয়াজ"দৈনিক আজাদী (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১ জুলাই, ২০১৪ 
  32. আলাউদ্দীন মাজিদ (০৮ জুলাই, ২০১৩)। "নায়িকাদের ব্যর্থ প্রেমের খসড়া"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৯ মার্চ, ২০১৪ 
  33. শোবিজ প্রতিবেদক (আগষ্ট ২৬, ২০১২)। "আবার রিয়াজ-শাবনূর-পূর্ণিমা"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত আগস্ট ২৬, ২০১২ 
  34. শোবিজ (০৫ ডিসেম্বর, ২০১৩)। "শাবনূরে তোলপাড় চলচ্চিত্র অঙ্গন"বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ 
  35. ব্লিটজ (ডিসেম্বর ১৯, ২০০৭)। "বিয়ে করলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ"বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  36. Magazine-GROOVE (১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪)। "Dance Makes Them Love: Riaz-Tina"The Daily Sun (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১০ মে, ২০১৪ 
  37. http://channelionline.com/news/details/আমেরা’র-মুখ-দেখালেন-রিয়া
  38. "তারায় তারায় আত্মীয়তা"। www.bd-pratidin.com। সংগৃহীত ২২ জানুয়ারি, ২০১৪ 
  39. "বিনোদন জগতে আত্মীয়তার বন্ধন যারা আছেন"। redtimesbd.com। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১১ 
  40. মাহফুজুর রহমান (সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১০)। "ফিরে দেখা ঈদের ছবি"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগৃহীত ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  41. বিনোদন প্রতিদিন (অক্টোবর ২১, ২০১০)। "রিয়াজ"দৈনিক ইত্তেফাক (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১২ 
  42. শোবিজ প্রতিবেদক (২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪)। "নিয়তির নির্মম পরিহাস"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  43. Bangladesh News Agency (BSS), Dhaka (সেপ্টেম্বর ১০, ২০০৩)। "PM to distribute film awards today"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ 
  44. বিনোদন (১৫ মার্চ, ২০১৪)। "চলচ্চিত্র"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২২ মার্চ, ২০১৪ 
  45. Cultural Correspondent (আগস্ট ১৩, ২০০৬)। "Film awards, The glitterati turn up in full strength"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  46. আনন্দ (৩ নভেম্বর, ২০১২)। "ঈদে আমার সেরা কাজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ 
  47. শ্রাবণী হালদার। "ঢাকাই ছবির ভিনদেশি নায়িকারা"দৈনিক কালের কণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  48. Cultural Correspondent (১৮ জানুয়ারি, ২০০৫)। "Film Review Wrong Number: An entertaining movie"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  49. Culture (জুলাই ২৭, ২০০৫)। "UK channel to air Bangla movies"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  50. Ershad Kamol (সেপ্টেম্বর ১৫, ২০০৫)। "Honours Shyamol Chhaya going to the Oscars"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  51. Culture (ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০০৬)। "Honours Shyamol Chhaya going to the Oscars"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  52. Cultural Correspondent (জুন ২৭, ২০০৪)। "Tagore's Shasti goes on celluloid, Chashi makes another movie based on literary piece"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  53. Karim Waheed (আগস্ট ১০, ২০০৫)। "Tagore's short story on celluloid, Shubha premiered at Balaka"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  54. Staff Correspondent (মে ২২, ২০০৪)। "Meril-Prothom Alo Award handed over"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  55. Kausar Islam Ayon (এপ্রিল ২৮, ২০০৪)। "I'm making my dream film Haajar Bachhar Dhorey' --Suchanda"The Daily StarThe Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১২ 
  56. Nayeem Hasan (২০০৬)। "Biography for Riaz - Salary"IMDb (Wordwide)। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১৩ 
  57. Staff Corresponden (মে ১৩, ২০০৬)। "Meril-Prothom Alo awards for 2005 given"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  58. Ershad Kamol (মার্চ ২৮, ২০০৬)। "Morshedul Islam's Khelaghar Of love and war on celluloid"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১২ 
  59. glitz.bdnews24.com। "মাহমুদুল হকের `খেলাঘর' যেভাবে ছবি হলো"। Dhaka, Bangladesh: http://glitz.bdnews24.com। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  60. Arts & Entertainment (মে ২৩, ২০০৮)। "BFFS announces winners of Film Award '06"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১২ 
  61. Khalid-Bin-Habib (এপ্রিল ০৭, ২০০৬)। "Celluloid Na Bolona: A quintessential love triangle"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  62. Arts & Entertainment (এপ্রিল ১৮, ২০০৮)। "A visit to “Daruchini Dwip”"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  63. Cultural Correspondent (আগস্ট ৩১, ২০০৭)। "A visit to “Daruchini Dwip”"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  64. Nadia Sarwat (অক্টোবর ২৫, ২০০৮)। "National Film Awards generate enthusiasm"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  65. বিডিনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম (২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৭)। "ঈদে সিঙ্গাপুরে মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমীর 'একজন সঙ্গে ছিল'"bdnews24 (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৪ অক্টবর, ২০১১ 
  66. আনন্দ (১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "আট ছয় পাঁচ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৮ মে, ২০১২ 
  67. Ershad Kamol (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "The story of an Unexpected Success"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  68. বিনোদন প্রতিবেদক (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘চন্দ্রগ্রহণ’, অভিনেতা রিয়াজ, অভিনেত্রী পপি - জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৮ ঘোষণা"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  69. Ershad Komol (১৩ আগস্ট, ২০০৮)। "“Megher Koley Rode” Generating awareness on HIV/AIDS"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  70. Khalid-Bin-Habib (১১ আগস্ট, ২০০৬)। "Movie watch Nargis Akhter's latest venture 'Megher Koley Roud"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  71. Arts & Entertainment (১৩ জানুয়ারি, ২০১০)। "National Film Awards ‘08 announced"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  72. Arts & Entertainment (১২ এপ্রিল, ২০১০)। "National Film Award winners’ reactions"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  73. মেঘলা রহমান বৃষ্টি (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "অভিনয়ে সেরা রিয়াজ ও পপি"। www.dailykalerkantho.com। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১১ 
  74. আনন্দ প্রতিদিন (০৪ জুলাই ২০০৯)। "এক বছর নাটক থেকে দূরে"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  75. আনন্দ (২৫ মার্চ, ২০১০)। "বড় পর্দার চূড়ান্ত পাঁচ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  76. বিনোদন রিপোর্ট (২৫ অক্টোবর ২০০৯)। "৩০ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে চিরদিন আমি তোমার"দৈনিক আমার দেশ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  77. বিনোদন প্রতিবেদক (১ অক্টোবর, ২০০৯)। "তিন তারকার ‘চিরদিন আমি তোমার’"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  78. নন্দন (৩০ অক্টোবর, ২০০৯)। "চিরদিন আমি তোমার"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  79. আজ আনন্দ (৬ জানুয়ারি, ২০১০)। "রিয়াজ-অপুর বাজাও বিয়ের বাজনা"দৈনিক ডেসটিনি (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  80. আজ আনন্দ (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)। "একসঙ্গে তাঁরা দুইজন"দৈনিক ডেসটিনি (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ কালের কণ্ঠ, ২০১২ 
  81. বিনোদন (০৬ এপ্রিল, ২০১১)। "অনেক দিন পর রিয়াজ"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ কালের কণ্ঠ, ২০১২ 
  82. বিনোদন প্রতিবেদক (০৭ এপ্রিল, ২০১১)। "চলচ্চিত্রে চৈতির অভিষেক, নায়ক রিয়াজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ কালের কণ্ঠ, ২০১২ 
  83. বিনোদন প্রতিবেদক (২৭ আগস্ট, ২০১১)। "ছোট পর্দায় ‘দুই পুরুষ’ নিয়ে মৌসুমী ও রিয়াজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ কালের কণ্ঠ, ২০১২ 
  84. অনলাইন প্রতিবেদক (০৭ আগস্ট, ২০১১)। "ফেরদৌস-মৌসুমী-রিয়াজের ‘কুসুম কুসুম প্রেম’"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  85. বিনোদন (১০ অক্টোবর ২০১১)। "অমিত হাসানের ‘কে আপন কে পর’ ছবিতে যুক্ত হলো মিডিয়া পার্টনার"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১২ 
  86. বিনোদন (৩০ জানুয়ারী, ২০১১)। "আসছে রিয়াজ-পূর্ণিমার ‘বন্ধু তুমি আমার’"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  87. বিনোদন প্রতিবেদক (২৪ মে, ২০১০)। "শেষ হলো ‘শিরি ফরহাদ’"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  88. শোবিজ প্রতিবেদক (আগষ্ট ৫, ২০১২)। "আবারও বড় পর্দায় রিয়াজ-শাবনূর"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত আগস্ট ২৫, ২০১২ 
  89. বিনোদন (২৩ মার্চ ২০১২)। "রিয়াজ-আমিনের ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০১২ 
  90. শোবিজ প্রতিবেদক (আগষ্ট ৫, ২০১২)। "আমিন খান এবার ভিলেন"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত আগস্ট ২৫, ২০১২ 
  91. সংস্কৃতি অঙ্গন (৭ জানুয়ারি ২০১০)। "মাধবীতে জুটি গড়ছেন রিয়াজ-রোমানা"দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ 
  92. দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪)। "একসঙ্গে রিয়াজ-মিম-বাপ্পি"Mahmuda Afroz (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  93. দৈনিক কালের কণ্ঠ (০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪)। "ফিরছেন রিয়াজ"রংবেরং প্রতিবেদক (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  94. ঢালিউড২৪.কম (৩১ অগাস্ট, ২০১৪)। "আবার চলচ্চিত্রে রিয়াজ"আহমেদ জামান শিমুল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  95. দৈনিক করতোয়া (০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪)। "অভিমানেই চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন রিয়াজ"বিনোদন প্রতিবেদক (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  96. The Daily Bangladesh Today (সেপ্টেম্বর, ২০১৪)। "Riaz to make a comeback"Entertainment Desk (Dhaka, Bangkadesh)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  97. Dhaka Live (১ নভেম্বর ২০১৪)। "Shabnur will return to silver screen with Riaz"Daily Independent (English ভাষায়) (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ২৩ নভেম্বর ২০১৪ 
  98. শোবিজ প্রতিবেদক (০১ নভেম্বর, ২০১৪)। "আবারও নিয়মিত রিয়াজ-শাবনূর"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (বাংলা ভাষায়) (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ০১ নভেম্বর, ২০১৪ 
  99. Entertainment (২৪ মার্চ, ২০১৩)। "“Shiri Farhad” hits the silver screen"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ৫ জুন, ২০১৩ 
  100. Cultural Correspondent (জুলাই ৯, ২০০৯)। "Asif on Rtv tonight"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১২ 
  101. Karim Waheed (অক্টোবর ০৭, ২০০৫)। "Mollah Barir Bou: A breath of fresh air"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  102. Entertainment (২৬ মার্চ, ২০১৩)। "Gazi Mahbub’s “Shiri-Farhad”"bdtoday (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ৫ জুন, ২০১৩ 
  103. Entertainment (মার্চ, ২০১৩)। "Shabnur-Riaz’s ‘Shiri-Farhad’ to be released soon"The Daily New Nation (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ৫ জুন, ২০১৩ 
  104. বিনোদন (০৭ অক্টোবর ২০১১)। "তারকার ডায়েরি"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  105. Khalid-Bin-Habib (সেপ্টেম্বর ১৫, ২০০৬)। "Movie Watch Hridoyer Kotha: A quintessential love story"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  106. "ভালবাসা যখন আকাশ ছোঁয়া"। www.khola-janala.com। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১১ 
  107. "এবার অলীকের ‘এক পৃথিবী প্রেম’"। www.prothom-alo.com। ২২-০৪-২০১০। সংগৃহীত মার্চ ০৮, ২০১১ 
  108. শোবিজ প্রতিবেদক (২৭ এপ্রিল, ২০১৪)। "আবারও সফল রিয়াজ-পূর্ণিমা জুটি"http://www.bd-pratidin.com। সংগৃহীত ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ 
  109. আলাউদ্দীন মাজিদ (২৯ এপ্রিল, ২০১৪)। "আলো অাঁধারিতে ঢাকাই ছবি"http://www.bd-pratidin.com। সংগৃহীত ২৯ এপ্রিল, ২০১৪ 
  110. বিনোদন প্রতিবেদক (অক্টোবর ০২, ২০১৫)। "শুরু হচ্ছে রিয়াজ-মাহির ‘কৃষ্ণপক্ষ’"দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২০, ২০১৫ 
  111. bdnews24.com (০২ জুলাই ২০০৭)। "ছবি করছেন ফেরদৌস হাসান, শুটিং হবে রামুজী ফিল্ম সিটিতে"bdnews24.com (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১২ 
  112. Harun ur Rashid (জুলাই ০৯, ২০০৪)। "A revival of Humayun Ahmed's drama"The Daily স্তর (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  113. Culture Desk (নভেম্বর ২৫, ২০০৩)। "Humayun's Eid hattrick"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  114. Culture Desk (ডিসেম্বর ২০, ২০০৭)। "What to watch on Eid, TV play “Rohoshyo”"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  115. আনন্দ প্রতিদিন (১৬ নভেম্বর, ২০১০)। "চিকেন টিক্কামাসালা"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  116. বিনোদন (নভেম্বর ২০, ২০১০)। "অপরাহ্নের গল্প"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  117. বিনোদন রিপোর্ট (ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১১)। "ভাষা দিবসের নাটকে রিয়াজ"দৈনিক ইত্তেফাক (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ 
  118. রংবেরং (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২)। "নাটকে রিয়াজ-সাবা"দৈনিক কালের কণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১১ মে, ২০১৪ 
  119. The Daily Bangladesh Today (মার্চ, ২০১৪)। "Riaz make a comeback"Entertainment Desk (Dhaka, Bangkadesh)। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ 
  120. বিনোদন প্রতিবেদক (মার্চ ২৪, ২০১৪)। "আবার ক্যামেরার সামনে রিয়াজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১ এপ্রিল, ২০১৪ 
  121. বিনোদন প্রতিবেদক (এপ্রিল ১০, ২০১৪)। "রিয়াজ ও তিশা জুটির দুটি নাটক"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল, ২০১৪ 
  122. বিনোদন প্রতিবেদক (এপ্রিল ০৭, ২০১৪)। "গল্পে গল্পে ভালোবাসায় রিয়াজ-তিশা"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল, ২০১৪ 
  123. বিনোদন (১১ জানুয়ারী, ২০১০)। "উপস্থাপনার কাজটি খুব চ্যালেঞ্জিং"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ০৬ অক্টোবর, ২০১২ 
  124. কামরুজ্জামান (১৪ জুলাই ২০১১)। "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৯ উপস্থাপক রিয়াজ ও শমী"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০১২ 
  125. Arts & Entertainment (জুন ১৭, ২০০৯)। "Shah Cement Nirman-er Taroka: Auditions held at Bogra"The Dailystar (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত জানুয়ারি ৩০, ২০১২ 
  126. Arts & Entertainment (জুন ০৯, ২০০৯)। "New talent hunt for construction workers"The Dailystar (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত জানুয়ারি ৩০, ২০১২ 
  127. Arts & Entertainment (জানুয়ারি ১৯, ২০১০)। "Riaz and Tina: A perfect match on and off screen"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত জানুয়ারি ৩০, ২০১২ 
  128. বিনোদন প্রতিদিন (০৯ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "শাহ সিমেন্ট নির্মাণের তারকা ঈদ পেশাল"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩১ জানুয়ারি, ২০১২ 
  129. বিনোদন (০১ জানুয়ারি, ২০১২)। "জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ৩০ বছর পূর্তি"দৈনিক মানবজমিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ৩১ জানুয়ারি, ২০১২ 
  130. বিনোদন (৩ এপ্রিল, ২০১২)। "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১০ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৮ জুলাই, ২০১২ 
  131. বিনোদন (২৮ মার্চ, ২০১২)। "উপস্থাপনা করবেন মৌসুমী ও রিয়াজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৮ মার্চ, ২০১২ 
  132. ঢালিউড (০২ জুলাই ২০০৭)। "শ্যামল ছায়া: যুদ্ধের ভেতরের গল্প"। ঢাকা, বাংলাদেশ: mukhomukhoshmag.com। সংগৃহীত এপ্রিল ২৬, ২০১৪ 
  133. ভাস্কর বৈদ্য (ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০১৩)। "ডিজিটাল রিয়াজ"। ঢাকা, বাংলাদেশ: jjdin.com। সংগৃহীত এপ্রিল ২৬, ২০১৪ 
  134. আলমগীর কবির (১২ এপ্রিল ২০১৪)। "উল্টো পথে রিয়াজ"দৈনিক নয়া দিগন্ত (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত এপ্রিল ২৭, ২০১৪ 
  135. Khalid-Bin-Habib (মে ১৪, ২০০৬)। "Meril-Prothom Alo Award '05"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১২ 
  136. দ্য ডেইলী স্টার, স্পোর্ট, পৃষ্ঠাঃ ১৭, মুদ্রিত সংস্করণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ইং
  137. Arts & Entertainment (এপ্রিল ১০, ২০১২)। "Filmstar Riaz becomes brand ambassador of Manush"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত জুন ১৮, ২০১২ 
  138. বিনোদন প্রতিবেদক (১৭ এপ্রিল ২০১২)। "অন্য রিয়াজ"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ এপ্রিল ২০১২ 
  139. বিনোদন (১৪ এপ্রিল ২০১২)। "রিয়াজ ‘মানুষ’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর"দৈনিক আমার দেশ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ এপ্রিল ২০১২ 
  140. সংস্কৃতি অঙ্গন (১২ এপ্রিল ২০১২)। "ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর হলেন রিয়াজ"দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১৭ এপ্রিল ২০১২ 
  141. সংস্কৃতি অঙ্গন (৩ মে, ২০১২)। "‘সেফ মাদারহুড’ নিশ্চিত উদ্বুদ্ধকরণে ইউএনএফপিএ’র বাস ব্রান্ডিং"দৈনিক নয়া দিগন্ত (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৮ জুলাই, ২০১২ 
  142. সংস্কৃতি অঙ্গন (২৪ মে, ২০১২)। "'নিরাপদ মাতৃত্ব' নিয়ে ফটো প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ"দৈনিক কালের কণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৮ জুলাই, ২০১২ 
  143. সংস্কৃতি অঙ্গন (২০ জুন, ২০১২)। "ইউএনএফপিএর বাস ব্র্যান্ডিং"দৈনিক সমকাল (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ২৮ জুলাই, ২০১২ 
  144. অনলাইন প্রতিবেদক (০২ ডিসেম্বর, ২০১৪)। "রিয়াজ-শশী সিনেমার পর নাটকে"দৈনিক প্রথম আলো (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪ 
  145. স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট (০১ ডিসেম্বর, ২০১৪)। "৯ বছর পর রিয়াজ-শশী"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪ 
  146. বিনোদন ডেস্ক (০১ ডিসেম্বর, ২০১৪)। "নয় বছর পর রিয়াজ-শশী"দৈনিক যায়যায় দিন (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪ 
  147. সংস্কৃতি অঙ্গন (০২ ডিসেম্বর, ২০১৪)। "আবারও এক সঙ্গে রিয়াজ-শশী"দৈনিক জনকণ্ঠ (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪ 
  148. আনন্দনগর প্রতিবেদক (০২ ডিসেম্বর, ২০১৪)। "নয় বছর পর একসঙ্গে রিয়াজ-শশী"দৈনিক যুগান্তর (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ