আমজাদ হোসেন

বাংলাদেশের অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্রকার

আমজাদ হোসেন (১৪ আগস্ট ১৯৪২ - ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশী অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। ব্যতিক্রমধর্মী এই চলচ্চিত্র নির্মাতা তার কর্মজীবনে ১২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।[১] সাবিনা ইয়াসমিনের (১৩টি) পর তিনি সর্বাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী। এছাড়া তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং এক আয়োজনে পাঁচটি বিভাগে (গোলাপী এখন ট্রেনে চলচ্চিত্রের জন্য) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরবর্তীকালে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এই দুটি কৃতিত্ব গড়েন গাজী রাকায়েত[২][৩]

আমজাদ হোসেন
আমজাদ হোসেন
জন্ম(১৯৪২-০৮-১৪)১৪ আগস্ট ১৯৪২
মৃত্যু১৪ ডিসেম্বর ২০১৮(2018-12-14) (বয়স ৭৬)
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
 পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
 বাংলাদেশ
পেশালেখক, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা
কর্মজীবন১৯৬৩-২০১৮
দাম্পত্য সঙ্গীসুরাইয়া আখতার
সন্তানসোহেল আরমান
সাজ্জাদ হোসেন দোদুল
পুরস্কারপূর্ণ তালিকা

তিনি ১৯৬১ সালে তোমার আমার চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। পরে তিনি চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন এবং চলচ্চিত্র পরিচালনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র আগুন নিয়ে খেলা (১৯৬৭)। পরে তিনি নয়নমনি (১৯৭৬), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), ভাত দে (১৯৮৪) দিয়ে প্রশংসিত হন। গোলাপী এখন ট্রেনেভাত দে চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত করে। এছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেন।

প্রারম্ভিক জীবন

সম্পাদনা

আমজাদ হোসেন ১৯৪২ সালের ১৪ই আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। লেখালেখির মাধ্যমেই তার সৃজনশীল জীবন শুরু। ছড়া দিয়ে সাহিত্যের অঙ্গণে তার প্রবেশ। তার প্রথম কবিতা ছাপা হয় বিখ্যাত দেশ (পত্রিকা) পত্রিকায়। ছোটদের জন্যেও তিনি লিখেছেন বহু গল্প, ছড়া এবং উপন্যাস। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন।[৪]

রাজনৈতিক ভূমিকা

সম্পাদনা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন[৫][৬]

কর্মজীবন

সম্পাদনা

তিনি ১৯৬১ সালে তোমার আমার চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন করেন।[১] একই বছর মুস্তাফিজ পরিচালিত হারানো দিন ছবিতে অভিনয় করেন। পরিচালক সালাহ্‌উদ্দিন তার রচিত নাটক ধারাপাত অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ধারাপাত তার রচিত প্রথম চলচ্চিত্র এবং তিনি এই চলচ্চিত্রে একটি প্রধান চরিত্রে অভিনয়ও করেন।[১] পরবর্তীকালে তিনি জহির রায়হানের দলে যোগ দেন ও তার সহকারী হিসেবে কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লোককাহিনী নির্ভর বেহুলা (১৯৬৬)। ১৯৬২ সালে ছবিটির কাজ শুরু হয়। তিনি এই ছবির সংলাপ রচনা করেন এবং এতে অভিনয় করেন। এই ছবিতে কাজ করতে গিয়ে অভিনেতা রাজ্জাকের সাথে তার বন্ধুত্ব হয়, যে সম্পর্ক রাজ্জাকের মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।[৭] এছাড়া পরের বছর তিনি জহির রায়হানের আনোয়ারা (১৯৬৭) চলচ্চিত্রেও রাজ্জাকের সাথে অভিনয় করেন।

তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র আগুন নিয়ে খেলা (১৯৬৭)। তিনি এটি নুরুল হক বাচ্চুর সাথে যৌথভাবে নির্মাণ করেন। একক পরিচালক হিসেবে তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র জুলেখা (১৯৬৭)। পরের বছর তিনি নুরুল হক বাচ্চু, মুস্তাফা মেহমুদ ও রহিম নওয়াজের সাথে যৌথভাবে দুই ভাই চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। ছবিটির প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ছিলেন জহির রায়হান। এছাড়া তিনি এককভাবে বাল্যবন্ধু (১৯৬৮) চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

১৯৭০ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়ার সংলাপ রচনা করেন এবং এতে মধু চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়।[৮] ১৯৭০-এর দশকে তিনি নয়নমনি (১৯৭৬), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), ও সুন্দরী (১৯৭৯) চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। নয়নমনি ছবিটি তার নিজের রচিত নিরক্ষর স্বর্গে উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করেন। এই ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। গোলাপী এখন ট্রেনে ছবিটি দিয়ে তিনি দেশে-বিদেশে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেন। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ ১০টি বিভাগে জাতীয় পুরস্কার অর্জন করে। আমজাদ হোসেন এক বছরে রেকর্ড সংখ্যক পাঁচটি পুরস্কার অর্জন করেন, সেগুলো হল শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজক), পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ রচয়িতা ও গীতিকার।[৯] গোলাপী এখন ট্রেনের সফলতার পর তিনি সুন্দরী ছবি দিয়েও সফলতা অর্জন করেন। ছবিটি ৭টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে এবং হোসেন শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা ও গীতিকার বিভাগে দুটি পুরস্কার অর্জন করেন।[৯]

১৯৮০-এর দশকে কসাই (১৯৮০), জন্ম থেকে জ্বলছি (১৯৮২), দুই পয়সার আলতা (১৯৮২), ভাত দে (১৯৮৪) কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বাংলা চলচ্চিত্র।[১০] ভাত দে ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ মোট ৯টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে এবং হোসেন জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, ও সংলাপ রচয়িতা বিভাগে তিনটি পুরস্কার অর্জন করেন।[৯]

ব্যক্তিগত জীবন

সম্পাদনা

আমজাদ হোসেনের দুই পুত্র সাজ্জাদ হোসেন দোদুল ও সোহেল আরমান।[১১] তার দুজনেই পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তিনি ইশকেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকার ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।[১২][১৩] পরবর্তীকালে সরকারী অনুদানে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৭শে নভেম্বর ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়।[১৪] হোসেন ২০১৮ সালের ১৪ই ডিসেম্বর ৭৬ বছর বয়সে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।[১৫] ২০শে ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়[১৬] এবং দাফন শেষে জামালপুরের পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।[১৭]

কর্মতালিকা

সম্পাদনা

সাহিত্যকর্ম

সম্পাদনা

উপন্যাস

  • ধ্রুপদী এখন ট্রেনে
  • দ্বিধাদ্বন্দ্বের ভালোবাসা
  • আমি এবং কয়েকটি পোস্টার
  • রক্তের ডালপালা
  • ফুল বাতাসী
  • রাম রহিম
  • আগুনে অলঙ্কার
  • ঝরা ফুল
  • শেষ রজনী
  • মাধবীর মধাব
  • মাধবী ও হিমানী
  • মাধবী সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস

  • যুদ্ধে যাবো
  • অবেলায় অসময়
  • উত্তরকাল
  • যুদ্ধযাত্রার রাত্রি

কিশোর উপন্যাস

  • জন্মদিনের ক্যামেরা
  • যাদুর পায়রা
  • ভূতের রাণী হিমানী
  • সাত ভূতের রাজনীতি
  • শীতের রাজা উহু কুহু
  • টুকটুক
  • রঙিন ছড়া কৃষ্ণচুড়া

গল্পগ্রন্থ

  • পরী নামা জোছনায় বৃষ্টি
  • কৃষ্ণলীলা

ফিকশন

  • ডারকেনিং ডে

রচনাসমগ্র

  • মুক্তিযুদ্ধের রচনাসমগ্র
  • মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস সমগ্র
  • মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত কিশোর গল্প
  • আমজাদ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস
  • উপন্যাসসমগ্র-১
  • নির্বাচিত গল্প
  • গল্পসমগ্র
  • কিশোর গল্পসমগ্র
  • কিশোরসমগ্র
  • মাধবী সমগ্র

চলচ্চিত্রের তালিকা

সম্পাদনা
  • জব্বার আলী এখন রিমান্ডে
  • হ্যালো জব্বার আলী

গীতিকার

সম্পাদনা
  • আছেন আমার মোক্তার
  • হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ
  • কেউ কোনদিন আমারে তো কথা দিলো না
  • চুল ধইরো না খোঁপা খুলে যাবে গো
  • একবার যদি কেউ ভালোবাসতো
  • বাবা বলে গেলো আর কোনদিন গান করোনা
  • এমন তো প্রেম হয়
  • কত কাঁদলাম কত সাধলাম
  • চিনেছি তোমারে আকারে প্রকারে
  • গাছের একটা পাতা ঝরলে কাছের একটা মানুষ মরলে
  • তিলে তিলে মইরা যামু তবু তোরে ডাকবো না[১৮]

পুরস্কার ও সম্মাননা

সম্পাদনা

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

সম্পাদনা

সাহিত্য পুরস্কার

সম্পাদনা
  • অগ্রণী ব্যাংক শিশু সাহিত্য পুরস্কার - ১৯৯৩, ১৯৯৪
  • উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার - ২০০৪[২০]
  • ভূতের রাণী হিমানী-এর জন্য ইউরো শিশু সাহিত্য পুরস্কার - ২০০৮[২১]
  • ফজলুল হক স্মৃতি কমিটি থেকে ফজলুল হক স্মারক পুরস্কার - ২০০৯[২২]

চলচ্চিত্র পুরস্কার

সম্পাদনা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
বছর পুরস্কারের বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
১৯৭৬ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার নয়নমনি বিজয়ী
১৯৭৮ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক) গোলাপী এখন ট্রেনে বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ পরিচালক বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিজয়ী
১৯৭৯ শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা সুন্দরী বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিজয়ী
১৯৮৪ শ্রেষ্ঠ পরিচালক ভাত দে বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিজয়ী
২০০৪ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার জয়যাত্রা বিজয়ী
বাচসাস পুরস্কার
বছর পুরস্কারের বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
১৯৭৩ সেরা কাহিনিকার আবার তোরা মানুষ হ বিজয়ী
১৯৭৬ সেরা সংলাপ রচয়িতা নয়নমনি বিজয়ী
১৯৭৮ গোলাপী এখন ট্রেনে বিজয়ী
১৯৮১ সেরা গীতিকার জন্ম থেকে জ্বলছি বিজয়ী
১৯৮৪ সেরা সংলাপ রচয়িতা ভাত দে বিজয়ী
১৯৮৮ সেরা পরিচালক হীরামতি বিজয়ী
অন্যান্য
প্রদানের তারিখ পুরস্কার পুরস্কারের বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
২১ মে ২০০৪ মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার সেরা চলচ্চিত্র পরিচালক প্রাণের মানুষ মনোনীত
৬ নভেম্বর ২০১০ টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ পুরস্কার[২৩] আজীবন সম্মাননা "সামগ্রিক অবদান" বিজয়ী

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. "Our Talents"দ্য ডেইলি স্টার। ৫ নভেম্বর ২০০৪। ৫ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮ 
  2. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে 'মৃত্তিকা মায়া'র জয়জয়কার"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১০ মার্চ ২০১৫। ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ 
  3. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৩ : ১৭টি শাখায় পুরস্কার জিতেছে মৃত্তিকামায়া"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ১০ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ 
  4. মিলান আফ্রিদী (১৬ এপ্রিল ২০১৫)। "আমজাদ হোসেন একাল আর সেকাল"দৈনিক যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৬ 
  5. "আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে : খালেদা জিয়া"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০২০ 
  6. "জাসাসের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সোমবার"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০২০ 
  7. হালদার, মিঠু (২৩ জানুয়ারি ২০১৬)। "রাজ্জাককে নিয়ে বন্ধু আমজাদ হোসেনের মূল্যায়ন"প্রিয়.কম। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮ 
  8. মাজহার বাবু (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "আমজাদ হোসেনের 'জীবন থেকে নেয়া'"। এনটিভি অনলাইন। ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৬ 
  9. রাশেদ শাওন (২০ আগস্ট ২০১২)। "চার দশকে আমাদের সেরা চলচ্চিত্রগুলো"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৮ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  10. মিলান আফ্রিদী (১৮ ডিসেম্বর ২০১৪)। "বিরলপ্রজ এক ব্যক্তিত্বের গল্প"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৬ 
  11. "আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২০ নভেম্বর ২০১৮। ২০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮ 
  12. "লাইফ সাপোর্টে আমজাদ হোসেন"দৈনিক প্রথম আলো। ১৮ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮ 
  13. "আমজাদ হোসেনের অবস্থার অবনতি"দৈনিক প্রথম আলো। ১৯ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮ 
  14. "মারা গেছেন কিংবদন্তি নির্মাতা আমজাদ হোসেন"চ্যানেল আই অনলাইন। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  15. "চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন আর নেই"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  16. "আমজাদ হোসেনের মরদেহ ঢাকায়"দৈনিক যুগান্তর। ২১ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  17. "জামালপুরে পৌঁছেছে আমজাদ হোসেনের মরদেহ"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  18. আমজাদ হোসেন : দুঃসাহসী এক পরিচালক, বাংলা মুভি ডাটাবেজ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  19. "একুশে পদকপ্রাপ্ত সুধীবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠান" (পিডিএফ)সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পৃষ্ঠা ১২। ২২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৯ 
  20. "পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক-তালিকা – বাংলা একাডেমি"বাংলা একাডেমি। ১১ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ 
  21. "Asad Chowdhury, Amjad Hossain and Anwara Syed Haque receive Uro Shishu Shahitya Puroshkar '08"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ এপ্রিল ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ 
  22. "Syed Shamsul Huq and Amjad Hossain honoured"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ অক্টোবর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৮ 
  23. "অ্যাওয়ার্ড 'আনিস চৌধুরীর হাত ধরে দেশের নাটক হয়েছে আধুনিক'"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ৬ নভেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২০ 

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা