প্রধান মেনু খুলুন

সালমান শাহ

বাংলাদেশী অভিনেতা

সালমান শাহ (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ - ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬) ছিলেন একজন বাংলাদেশী অভিনেতা ও মডেল। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন[১] টেলিভিশন নাটক দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু হলেও ১৯৯০-এর দশকে তিনি চলচ্চিত্রে অন্যতম জননন্দিত শিল্পী হয়ে উঠেন।[২] ১৯৯৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পায়।[২] একই ছবিতে নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়। জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্র অভিনয় করেন এবং সবকয়টিই ছিল ব্যবসাসফল।[৩] তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণ করেন[২]

সালমান শাহ
সালমান শাহ.gif
সালমান শাহ
জন্ম
শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন

(১৯৭১-০৯-১৯)১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
মৃত্যু৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬(1996-09-06) (বয়স ২৪)
ইস্কাটন, ঢাকা, বাংলাদেশ
সমাধিজকিগঞ্জ উপজেলা, সিলেট জেলা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাসিলেটী
পেশামডেল, অভিনেতা
কার্যকাল১৯৮৬–১৯৯৬
পরিচিতির কারণকেয়ামত থেকে কেয়ামত
আনন্দ অশ্রু
স্বপ্নের নায়ক
দাম্পত্য সঙ্গীসামিরা হক (বি. ১৯৯২–১৯৯৬)
স্বাক্ষর
সালমান শাহ এর স্বাক্ষর.jpg

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

জন্মসম্পাদনা

সালমান শাহ ১৯৭১ সালে ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সিলেট জেলায় অবস্থিত জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন, এবং তার রাশি ছিল বৃশ্চিক। তার পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে। যদিও তার জন্মনাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, কিন্তু চলচ্চিত্র জীবনে তিনি সবার কাছে সালমান শাহ বলেই পরিচিত ছিলেন।[৪]

শিক্ষাসম্পাদনা

সালমান পড়াশুনা করেন খুলনার বয়রা মডেল হাইস্কুলে। একই স্কুলে চিত্রনায়িকা মৌসুমী তার সহপাঠী ছিলেন।[৫] ১৯৮৭ সালে তিনি ঢাকার ধানমন্ডি আরব মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও ধানমন্ডির মালেকা সায়েন্স কলেজ থেকে বি.কম. পাস করেন।[৬]

পারিবারিক জীবনসম্পাদনা

সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ তার খালার বান্ধবীর মেয়ে সামিরা হককে বিয়ে করেন। সামিরা হক ছিলেন একজন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী। তিনি সালমানের ২টি চলচ্চিত্রে তার পোশাক পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করেন।[৬]

অভিনয়জীবনসম্পাদনা

নাটকে অভিনয়সম্পাদনা

সালমান ১৯৮৫ সালে বিটিভির আকাশ ছোঁয়া নাটক দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন। পরে দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফিরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫), স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে অভিনয় করেন।[৪] নয়ন নাটকটি সে বছর শ্রেষ্ঠ একক নাটক হিসেবে বাচসাস পুরস্কার লাভ করে।[৭] এছাড়া তিনি ১৯৯০ সালে মঈনুল আহসান সাবের রচিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত পাথর সময় ও ১৯৯৪ সালে ইতিকথা ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন।[৬]

চলচ্চিত্রে অভিষেকসম্পাদনা

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে সালমান শাহ চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনন্দ মেলা তিনটি হিন্দি ছবি 'সনম বেওয়াফা' 'দিল' ও 'কেয়ামত সে কেয়ামত তক' এর কপিরাইট নিয়ে সোহানুর রহমান সোহানের কাছে আসে এর যে কোন একটির বাংলা পুনঃনির্মাণ করার জন্য কিন্তু তিনি উক্ত ছবিগুলোর জন্য উপযুক্ত নায়ক-নায়িকা খুঁজে না পেয়ে সম্পূর্ণ নতুন মুখ দিয়ে ছবি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। নায়িকা হিসেবে মৌসুমীকে নির্বাচিত করলেও নায়ক খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তখন নায়ক আলমগীরের সাবেক স্ত্রী খোশনুর আলমগীর 'ইমন' নামে একটি ছেলের সন্ধান দেন। প্রথম দেখাতেই তাকে পছন্দ করে ফেলেন পরিচালক এবং সনম বেওয়াফা ছবির জন্য প্রস্তাব দেন, কিন্তু যখন ইমন 'কেয়ামত সে কেয়ামত তক' ছবির কথা জানতে পারেন তখন তিনি উক্ত ছবিতে অভিনেয়র জন্য পীড়াপীড়ি করেন। তার কাছে কেয়ামত সে কেয়ামত তক ছবি এতই প্রিয় ছিলো যে তিনি মোট ২৬ বার ছবিটি দেখেছেন বলে পরিচালক কে জানান। শেষ পর্যন্ত পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান তাকে নিয়ে কেয়ামত থেকে কেয়ামত চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন এবং ইমন নাম পরিবর্তন করে সালমান শাহ রাখা হয়।[৮] পরে মৌসুমীর বিপরীতে তিনি আরও তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ছবি তিনটি হল অন্তরে অন্তরে (১৯৯৪), স্নেহ (১৯৯৪) ও দেনমোহর (১৯৯৫)। শিবলী সাদিক পরিচালিত অন্তরে অন্তরে হিন্দি চলচ্চিত্র আও পেয়ার করের আনঅফিসিয়াল রিমেক, স্নেহ পরিচালনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও শফি বিক্রমপুরী পরিচালিত দেনমোহর হিন্দি চলচ্চিত্র সনম বেওয়াফার অফিসিয়াল রিমেক।[৯]

চলচ্চিত্রে সাফল্যসম্পাদনা

তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র জহিরুল হকতমিজউদ্দিন রিজভী পরিচালিত তুমি আমার চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয়। পরিচালক জহিরুল হক চলচ্চিত্রটির কিছু অংশ নির্মাণ করার পর মারা যান। পরে তমিজউদ্দিন রিজভী বাকি কাজ শেষ করেন।[১০] এই চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মত তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর[১১] পরে তার সাথে জুটি বেধে একে একে সুজন সখি (১৯৯৪), বিক্ষোভ (১৯৯৪), স্বপ্নের ঠিকানা (১৯৯৪), মহামিলন (১৯৯৫), বিচার হবে (১৯৯৬), তোমাকে চাই (১৯৯৬), স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬), জীবন সংসার (১৯৯৬), চাওয়া থেকে পাওয়া (১৯৯৬), প্রেম পিয়াসী (১৯৯৭), স্বপ্নের নায়ক (১৯৯৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), বুকের ভিতর আগুন (১৯৯৭) সহ মোট ১৪টি ছবিতে অভিনয় করেছেন।[১২] সবকটি ছবি ব্যবসাসফল হয়।

সালমান শাহ মৃত্যুর আগে মন মানে না ছবির ৫০% কাজ শেষ করতে পেরেছিলেন, তার মৃত্যুর পর চিত্রনায়ক রিয়াজ কে দিয়ে ছবিটি করানো হয়। এছাড়াও কে অপরাধী, তুমি শুধু তুমি, প্রেমের বাজি সহ একাধিক মুভি সালমান শাহ অর্ধেক শুটিং করে মারা যান। পরবর্তীতে প্রেমের বাজি ব্যতীত বাকি সিনেমাগুলি অন্য নায়কদের দিয়ে নতুন করে শুটিং করা হয়। সালমানের অসমাপ্ত সিনেমার মধ্যে একমাত্র প্রেমের বাজি সিনেমার কাজ পরে আর শেষ হয়নি।[১৩]

চলচ্চিত্রের তালিকাসম্পাদনা

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র পরিচালক টীকা
১৯৯৩ কেয়ামত থেকে কেয়ামত রাজ সোহানুর রহমান সোহান চলচ্চিত্রে অভিষেক
১৯৯৪ তুমি আমার আকাশ জহিরুল হকতমিজউদ্দিন রিজভী
অন্তরে অন্তরে শান শিবলী সাদিক
সুজন সখি সুজন শাহ আলম কিরণ
বিক্ষোভ অনিক মহম্মদ হান্‌নান
স্নেহ ইমন গাজী মাজহারুল আনোয়ার
প্রেমযুদ্ধ রাজা জীবন রহমান
১৯৯৫ দেনমোহর সরোয়ার শফী বিক্রমপুরী
কন্যাদান শ্রাবন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু
স্বপ্নের ঠিকানা সুমন এম. এ. খালেক বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ২য় সর্বোচ্চ আয়কারী (১৯ কোটি)
আঞ্জুমান সালমান হাফিজউদ্দিন
মহামিলন শান্ত দিলীপ সোম
আশা ভালবাসা আকাশ তমিজউদ্দিন রিজভী
১৯৯৬ বিচার হবে সুজন শাহ আলম কিরণ
এই ঘর এই সংসার মিন্টু মালেক আফসারী
প্রিয়জন নয়ন/জীবন রানা নাসের
তোমাকে চাই সাগর মতিন রহমান
স্বপ্নের পৃথিবী মাসুম বাদল খন্দকার
সত্যের মৃত্যু নাই জয় ছটকু আহমেদ মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত /১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬
জীবন সংসার সবুজ জাকির হোসেন রাজু মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ অক্টোবর, ১৯৯৬
মায়ের অধিকার রবিন শিবলী সাদিক মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
চাওয়া থেকে পাওয়া সাগর এম এম সরকার মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ২০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
১৯৯৭ প্রেম পিয়াসী হৃদয়/জীবন চৌধুরী রেজা হাসমত মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৭
স্বপ্নের নায়ক রাজু নাসির খান মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ৪ জুলাই, ১৯৯৭
শুধু তুমি আকাশ কাজী মোরশেদ মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ জুলাই, ১৯৯৭
আনন্দ অশ্রু খসরু শিবলী সাদিক মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১ আগস্ট, ১৯৯৭
বুকের ভিতর আগুন আগুন ছটকু আহমেদ মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত শেষ ছবি / ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭

টিভি নাটকসম্পাদনা

 
সিলেটে সালমান শাহ্‌-এর কবরের এপিটাফ।
বছর নাটক চরিত্র
১৯৮৫ আকাশ ছোঁয়া
১৯৮৮ সৈকতে সারস রাব্বি
১৯৯০ পাথর সময়
১৯৯৪ ইতিকথা ইউসুফ
১৯৯৪ দোয়েল
১৯৯৫ সব পাখি ঘরে ফেরে
১৯৯৫ নয়ন সুলতান
১৯৯৬ স্বপ্নের পৃথিবী শুভ

মৃত্যুসম্পাদনা

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন। রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে তার নিজ বাস ভবনে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। ময়না তদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য এখনো কাটেনি। অনেকেই সালমান শাহ-এর মৃত্যুর জন্য তার স্ত্রী সামিরার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন, এমনকি পরবর্তীকালে সালমানের পরিবারের পক্ষ থেকে স্ত্রী সামিরা ও আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয় কিন্তু পরে এই মামলার আর কোন অগ্রগতি হয়নি ফলে সালমানের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আর উদঘাটিত হয়নি।[১৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Salman Shah's 13th death anniversary"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  2. "Salman Shah Forever etched in memory"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. "মৃত্যুর ২০ বছর পরেও আলোচনায় নায়ক সালমান শাহ। কেন তিনি এত জনপ্রিয় ছিলেন?"বিবিসি বাংলা। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  4. "সাফল্যের রাজপুত্র সালমান শাহ"দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  5. "একই স্কুলে পড়তেন সালমান-মৌসুমী"বাংলা মুভি ডেটাবেজ। সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  6. শান্তা মারিয়া (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "অন্তরে সালমান শাহ"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  7. "সালমান শাহের নাটক 'নয়ন'"দ্য রিপোর্ট। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  8. "ইমন থেকে সালমান"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  9. "সালমান-মৌসুমীর রসায়ন"দ্য রিপোর্ট। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  10. গোলাম রিয়াদ (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "স্মরণ : অমর নায়ক সালমান শাহ"দৈনিক ভোরের পাতা। ২১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  11. "একে অন্যের চোখের ইশারা বুঝতে পারতাম: শাবনূর"দৈনিক প্রথম আলো। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  12. "সালমান শাহ'র নায়িকারা"দ্য রিপোর্ট। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  13. "আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন"। কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  14. "সালমান শাহ'র মৃত্যু এখনো রহস্য"রাইজিংবিডি। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা