পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)

বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

দিলারা হানিফ রীতা (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১)[২] একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে পূর্ণিমা নামে অধিক পরিচিত । জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।[১] কাজী হায়াৎ পরিচালিত ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৩]

পূর্ণিমা
জন্ম
দিলারা হানিফ রীতা

(1981-07-11) ১১ জুলাই ১৯৮১ (বয়স ৪২)[১]
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পেশাঅভিনেত্রী
কর্মজীবন১৯৯৮ – বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীআহমেদ ফাহাদ জামাল (বি. ২০০৭; বিচ্ছেদ. ২০২১)
আশফাকুর রহমান রবিন (বি. ২০২২)
সন্তানআরশিয়া উমাইজা (মেয়ে)
পুরস্কারজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১ বার)

পূর্ণিমা অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে এফ আই মানিক পরিচালিত অপরাধ-নাট্যধর্মী লাল দরিয়া (২০০২), মতিউর রহমান পানু পরিচালিত প্রণয়ধর্মী মনের মাঝে তুমি (২০০৩), চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত যুদ্ধভিত্তিক মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) ও নাট্যধর্মী সুভা, এবং এস এ হক অলিক পরিচালিত প্রণয়ধর্মী হৃদয়ের কথা (২০০৬) ও আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা (২০০৮)। পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় রিয়াজের বিপরীতে। রিয়াজের বিপরীতেই ২৫টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।[৪]

প্রাথমিক জীবন সম্পাদনা

পূর্ণিমা ১৯৮১ সালের ১১ জুলাই বাংলাদেশের চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে[১] তার বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তার পারিবারিক নাম দিলারা হানিফ ও ডাক নাম রিতা।

কর্মজীবন সম্পাদনা

 
রিয়াজ ও পূর্ণিমা আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা চলচ্চিত্রের সেটে মহড়ায় ২০০৭-এ

পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে আগমন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার দিয়ে। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে, তখন তিনি ক্লাস নাইনে পড়তেন। সুন্দর চেহারার অধিকারিণী এই অভিনেত্রী শুরুতেই অভিনয় এর সাথে সাথে অসাধারণ শারীরিক সৌন্দর্য এর জন্য সবার মন জয় করে নেন।  মিস ডায়নাকাল্লু মামা ছায়াছবিতে বেশ খোলামেলা পোশাকে হাজির হয়ে দর্শকদের নজর কাড়েন। ২০০৩ সালে মুক্তি পায় তার সব থেকে সফল ছবি মতিউর রহমান পানু পরিচালিত মনের মাঝে তুমি। এটি বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশের সবথেকে সফল ছবির মধ্যে অন্যতম।[৫] ২০০৪ সালে রাবেয়া খাতুনের উপন্যাস মেঘের পরে মেঘ অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছায়াছবি মেঘের পরে মেঘ ছবিতে অভিনয় করেন।[৬] এছাড়া কাজী নজরুল ইসলামের গল্প রাক্ষুসী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র রাক্ষুসীতে ও অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ২০০৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাস্তি গল্প অবলম্বনে নির্মিত শাস্তি চলচ্চিত্র চন্দরা চরিত্রে অভিনয় করেন।[৭]

২০০৬ সালে রবীন্দ্রনাথের শুভাসিনী গল্প অবলম্বনে নির্মিত সুভা চলচ্চিত্রে তিনি নাম ভূমিকায় একজন বাক প্রতিবন্ধী চরিত্রে অভিনয় করেন। একই বছর তার অন্যতম বাণিজ্যিক সফল ছায়াছবি হৃদয়ের কথা মুক্তি পায় এবং এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৭ সালে তিনি ধোকা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে পুরস্কৃত হন এবং মনের সাথে যুদ্ধ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তারকা জরিপে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মনোনীত হন। ২০০৮ সালে তার অভিনীত আরেকটি বাণিজ্যিক সফল ছায়াছবি আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা মুক্তি পায়। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপ ও সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মনোনীত হন। একই বছর তিনি মান্নার প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্র পিতামাতার আমানত-এ মান্নার বিপরীতে অভিনয় করেন।[৮] ২০০৯ সালে ওয়াকিল আহমেদ পরিচালিত কে আমি, মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত মায়ের চোখ এবং এফ আই মানিক পরিচালিত আমার স্বপ্ন আমার সংসার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন।[৯] এছাড়া এ বছর তিনি শুভ বিবাহ চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না ছায়াছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মত শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।[১০] একই বছর পরাণ যায় জ্বলিয়া রে ছায়াছবির জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মনোনীত হন।[১১]

 
পূর্ণিমা একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী।

২০১১ সালে চিত্রনায়ক আলমগীর প্রযোজিত শাহ আলম কিরণ পরিচালিত মাটির ঠিকানা মুক্তি পায়। ছায়াছবিটি বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করে। পাশাপাশি মুক্তি পায় আরেক চিত্রনায়ক সোহেল রানা প্রযোজিত আহমেদ নাসির পরিচালিত মায়ের জন্য পাগল[১২] এটিও বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করে ও পূর্ণিমা মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-এর তারকা জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী (নারী) বিভাগে মনোনয়ন লাভ করেন। ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করে। বড় বাজেটের এ ছায়াছবিতে অভিনয় করেন রাজ্জাক, সোহেল রানা, আলমগীর, ও শাকিব খান। ২০১৪ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত লোভে পাপ পাপে মৃত্যু চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এতে পূর্ণিমার বিপরীতে ছিলেন রিয়াজ[১৩] কন্যা সন্তান জন্মানোর পর তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন এবং ২০১৬ সালে ফিরে আসেন প্রতিবন্ধীদের নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র বন্ধ দরজা দিয়ে।[১৪][১৫]

পূর্ণিমা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি টিভি নাটকেও কাজ করেছেন। ২০১১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস উপলক্ষে তার ছোটগল্প ল্যাবরেটরি অবলম্বনে মাহবুবা ইসলাম সুমির পরিচালনায় ল্যাবরেটরি নাটকে সেজুতি চরিত্রে অভিনয় করেন।[১৬] এছাড়া একই বছর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য ঈদের পাঁচটি নাটকে অভিনয় করেন। নাটকগুলো হল আরিফ খান পরিচালিত ওই খানে যেও নাকো তুমি, শামীমা আক্তার বেবী পরিচালিত উল্টোধনুক, মাহবুবা ইসলাম সুমি পরিচালিত এখনও ভালোবাসি, এসএ হক অলিকের পরিচালনায় নীলিমার প্রান্তে দাঁড়িয়েঅমানিশা[১৭] ২০১৫ সালে ঈদ উপলক্ষে নির্মিত প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত দিন নাটকে অভিনয় করেন।[১৮] তুহিন হোসেন পরিচালিত এ নাটকে তার বিপরীতে অভিনয় করেন মোশাররফ করিমইরেশ যাকের[১৯] ২০১৬ সালে প্রায় সাত মাসের বিরতির পর সেজান মাহমুদের লাভ অ্যান্ড কোং নাটকে অভিনয় করেন।[২০] এতে তার সহশিল্পী ছিল মাহফুজ আহমেদ[২১] একই বছর সঙ্গীতশিল্পী হৃদয় খানের বিপরীতে এস এ হক অলিক পরিচালিত ফিরে যাওয়া হলো না টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন।[২২]

২০১৮ সাল থেকে তিনি তারকাদের নিয়ে আলাপচারিতা অনুষ্ঠান "এবং পূর্ণিমা" উপস্থাপনা করছেন।[২৩] এই বছর তিনি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত হ্যালো ৯১১-লাভ ইমার্জেন্সি, রাজিবুল ইসলাম রাজিব পরিচালিত রোদ্দুরে পেয়েছি তোমার নাম টেলিছবি এবং আবির খান পরিচালিত ম্যানিকুই টেলিভিশন নাটকের অনুবর্তী পর্বে কাজ করেন।[২৪]

ব্যক্তিগত জীবন সম্পাদনা

২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে ১ম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার সাথে ডিভোর্স হয় ২০০৭ সালের ১৫ মে।[২৫] ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদকে বিয়ে করেন।[২৬] ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তিনি প্রথম কন্যা সন্তানের মা হন।[২৭] তার মেয়ের নাম আরশিয়া উমাইজা।[৪] ফাহাদ জামালের সাথে বিচ্ছেদ ঘটার পর ২০২২ সালের ২৭ মে তিনি আশফাকুর রহমান রবিন এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

চলচ্চিত্রের তালিকা সম্পাদনা

চলচ্চিত্রের তালিকা সম্পাদনা

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র পরিচালক টীকা
১৯৯৮ এ জীবন তোমার আমার সিথি জাকির হোসেন রাজু অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র[১]
২০০১ নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি মাধুরী জাকির হোসেন রাজু
মেঘলা আকাশ রিমি নারগিস আক্তার
মায়ের সম্মান শান্তা গাজী জাহাঙ্গীর
শিকারী ইস্পাহানী-আরিফ জাহান মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
২০০২ লাল দরিয়া আয়না এফ আই মানিক
মাস্তানের উপর মাস্তান মনতাজুর রহমান আকবর
স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ এফ আই মানিক মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
আরমান মনতাজুর রহমান আকবর
২০০৩ জামাই শ্বশুর শিরি শাহাদাত খান
মনের মাঝে তুমি আনু/রেনু মতিউর রহমান পানু
২০০৪ মেঘের পরে মেঘ সুরাইয়া চাষী নজরুল ইসলাম মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার
টক ঝাল মিষ্টি প্রিয়া দেবাশীষ বিশ্বাস
আজকের সমাজ নজরুল ইসলাম খান
শাস্তি চন্দরা চাষী নজরুল ইসলাম মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার
২০০৫ গাদ্দারী সাফি-ইকবাল
ডেঞ্জার সেভেন সাফি-ইকবাল
বলো না ভালবাসি তমা সোহানুর রাহমান সোহান
সুভা সুভা চাষী নজরুল ইসলাম বাক প্রতিবন্ধী চরিত্রে
টাকা মৌলী শহীদুল ইসলাম খোকন মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
ছোট্ট একটু ভালবাসা জি সরকার
বাধা বৃষ্টি শাহীন সুমন
২০০৬ সাথী তুমি কার এম এম সরকার
রাক্ষুসী মতিন রহমান
দাফন জাহাঙ্গীর আলম
হৃদয়ের কথা অধরা এস এ হক অলিক বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
২০০৭ তুমি কত সুন্দর ভাবনা আবিদ হাসান বাদল
ধোকা শাহীন সুমন বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার
ধনী গরীবের প্রেম আবিদ হাসান বাদল
ক্ষমতার গরম পি এ কাজল
মনের সাথে যুদ্ধ মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
মা আমার স্বর্গ জাকির হোসেন রাজু
উল্টা পাল্টা ৬৯ পূর্ণা মালেক আফসারী
জীবনের চেয়ে দামী সাথী মুস্তাফিজুর রহমান বাবু
২০০৮ বিয়ের প্রস্তাব এফ আই মানিক
তোমাকেই খুঁজছি মতিন রহমান
আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা ছোঁয়া এস এ হক অলিক মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার
পিতা মাতার আমানত এফ আই মানিক
২০০৯ কে আমি নীলিমা ওয়াকিল আহমেদ
শ্রমিক নেতা কাজী হায়াৎ
ভুল সবই ভুল মঈন বিশ্বাস
শুভ বিবাহ দেবাশীষ বিশ্বাস অতিথি চরিত্রে
সবাইতো ভালোবাসা চায় দেলোয়ার জাহান ঝন্টু
ভালোবাসার লাল গোলাপ মোহাম্মদ হোসেন জেমী
চিরদিন আমি তোমার শানু এফ আই মানিক
২০১০ জমিদার শাহীন সুমন
আমার স্বপ্ন কাজী হায়াৎ
মা আমার জান আহমেদ নাসির
মায়ের চোখ মনতাজুর রহমান আকবর
আমার মা আমার অহংকার রাজু চৌধুরী
আমার স্বপ্ন আমার সংসার এফ আই মানিক
পরাণ যায় জ্বলিয়া রে সোহানুর রহমান সোহান মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না সেতু কাজী হায়াৎ বিজয়ী: বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী
২০১১ মায়ের জন্য পাগল আহমেদ নাসির মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর জন্য মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
গরিবের মন অনেক বড় মোহাম্মদ আসলাম
মাটির ঠিকানা শাহ আলম কিরণ
বন্ধু তুমি আমার নজরুল ইসলাম
অস্ত্র ছাড়ো কলম ধর রাজু চৌধুরী
২০১২ আই লাভ ইউ মুশফিকুর রহমান গুলজার
রাজা সূর্য খাঁ চাঁদ সুলতানা গাজী মাহবুব
২০১৩ জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার লিলি শাহীন সুমন
ছায়া-ছবি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ নির্মাণাধীন
২০১৪ লোভে পাপ পাপে মৃত্যু সোহানুর রহমান সোহান
২০১৭ টু বি কন্টিনিউড... ইফতেখার আহমেদ ফাহমি
২০২১ চিরঞ্জীব মুজিব শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নজরুল ইসলাম [২৮]
টিবিএ বন্ধ দরজা শাহরিয়ার নাজিম জয় নির্মাণাধীন
জ্যাম নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল নির্মাণাধীন
গাঙচিল নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল নির্মাণাধীন

ওয়েব ও টেলিভিশন সম্পাদনা

বছর নাটক পরিচালক চ্যানেল টীকা
২০১১ ল্যাবরেটরি মাহবুবা ইসলাম সুমি চ্যানেল আই বিশ্বকবির ল্যাবরেটরি গল্প অবলম্বনে
এখনো ভালবাসি মাহবুবা ইসলাম সুমি চ্যানেল আই
নীলিমার প্রান্তে দাঁড়িয়ে এস এ হক অলিক চ্যানেল আই
অমানিশা এস এ হক অলিক মাছরাঙা
ওইখানে যেওনাকো তুমি আরিফ খান এনটিভি
উল্টোধনুক শামীমা আক্তার বেবী এনটিভি
২০১৫ প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত দিন তুহিন হোসেন
২০১৬ লাভ অ্যান্ড কোং সেজান মাহমুদ
ফিরে যাওয়া হলো না এস এ হক অলিক
২০২১ মুন্সিগিরি অমিতাভ রেজা চৌধুরী চরকি [২৯]

পুরস্কার ও সম্মাননা সম্পাদনা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড চ্যানেল আই পুরস্কার
  • মনোনীত: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী - ২০১১

তথ্যসূত্র সম্পাদনা

  1. "চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার জন্মদিন আজ"জাগো নিউজ। ১১ জুলাই ২০১৭। ১৩ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  2. "দেশের বাইরে জন্মদিন পূর্ণিমা"প্রথম আলো। ১১ জুলাই ২০১৯। ২৯ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  3. "পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যাওয়া দিনে"দ্য ডেইলি স্টার। ১১ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  4. "স্বামী-সন্তান নিয়েই ভালো আছেন পূর্ণিমা"যুগের খবর। ৮ মার্চ ২০১৫। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৫ 
  5. "এক যুগ পেরিয়ে 'মনের মাঝে তুমি'"মানবকণ্ঠ। ১৭ অক্টোবর ২০১৫। ২১ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  6. আবদুল্লাহ মজুমদার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "ইমপ্রেসের তিন ছবিতে পূর্ণিমা"বাংলানিউজ। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  7. আবদুল্লাহ মজুমদার (১৫ জানুয়ারি ২০১৫)। "আলো আঁধারের পূর্ণিমা"দৈনিক আজাদী। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  8. সিদ্দিক, হাবিবুল্লাহ (২২ জুলাই ২০১৮)। "মান্না ভাইকে নিয়ে আমার অনেক স্মৃতি: পূর্ণিমা"দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  9. "তিন নতুন ছবিতে পূর্ণিমা-আমিন খান"দৈনিক জনকণ্ঠ। ২২ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. "২০১০ সালের শ্রেষ্ঠ অভিনেতা শাকিব খান ও অভিনেত্রী পূর্ণিমা"দৈনিক সংগ্রাম। ২১ মার্চ ২০১২। ১১ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  11. "এজন্য কোনো হতাশা বা আক্ষেপ নেই-পূর্ণিমা"আনন্দ আলো। মে ৬, ২০১৬। ২৫ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  12. "মায়ের জন্য পাগল"দৈনিক প্রথম আলো। ১৩ জানুয়ারি ২০১১। ২০১৭-০৫-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  13. আব্দুল্লাহ রায়হান (জানুয়ারি ৫, ২০১৪)। "রিয়াজের শেষ ছবি মুক্তি পাচ্ছে ১৭ জানুয়ারি"দৈনিক মানবকণ্ঠ। ৪ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  14. আমিনুল ই শান্ত (১৭ এপ্রিল ২০১৬)। "নতুন চলচ্চিত্রে পূর্ণিমা"রাইজিংবিডি। ৩১ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  15. "উচ্ছ্বসিত পূর্ণিমা"ভোরের কাগজ। ১৮ এপ্রিল ২০১৬। ১৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  16. "আবারও রবীন্দ্রনাথের নাটকে"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ৪ জুলাই ২০১১। ১৬ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  17. "ঈদের পাঁচ নাটকে পূর্ণিমা"দৈনিক সমকাল। ১৯ আগস্ট ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  18. "প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত দিন"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ২১ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  19. "পূর্ণিমার 'প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাত দিন'"ভোরের কাগজ। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  20. "অবশেষে অভিনয়ে ফিরলেন পূর্ণিমা"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ৮ এপ্রিল ২০১৬। ১৪ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  21. "আবার মাহফুজ-পূর্ণিমা"বাংলানিউজ। ৮ এপ্রিল ২০১৬। ১২ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  22. "নায়ক-নায়িকা, হৃদয় খান পূর্ণিমা"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২৫ মে ২০১৬। ২৮ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  23. মুরাদ, এ এইচ (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। "কাজটি আমার জন্য সোজা নয় : পূর্ণিমা । বিনোদন"আরটিভি অনলাইন। ৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  24. "নিজেও অপেক্ষায় আছি: পূর্ণিমা"দৈনিক সমকাল। ৮ জুন ২০১৮। ৬ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৮ 
  25. "দ্বিতীয় নয়, এটি পূর্ণিমার তৃতীয় বিয়ে!"banglanews24.com। ২০২২-০৭-২৩। ২০২২-০৭-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৭-২৬ 
  26. "কন্যাসন্তানের মা হলেন পূর্ণিমা"দৈনিক প্রথম আলো। এপ্রিল ১৬, ২০১৪। ১৯ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  27. "মেয়েকে নিয়ে পূর্ণিমা"দৈনিক নয়া দিগন্ত। এপ্রিল ১৩, ২০১৫। ১৭ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৬ 
  28. প্রতিবেদক, গ্লিটজ। "'চিরঞ্জীব মুজিব' মুক্তি পাচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর"bdnews24। ২০২২-০৬-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২৩-১২-০৬ 
  29. রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (২০২১-০৯-২৪)। "পূর্ণিমার 'মুন্সিগিরি'"The Daily Star Bangla (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২৩-১২-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২৩-১২-০৬ 

বহিঃসংযোগ সম্পাদনা