প্রধান মেনু খুলুন

মালেক আফসারী একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক। ১৯৮৩ সালে ঘরের বউ চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৮০-এর দশকে তিনি প্রযোজনা সংস্থা রোজী ফিল্মসের প্রতিষ্ঠা করেন। প্রখ্যাত অভিনেত্রী রোজী আফসারী তার দাম্পত্য সঙ্গী ছিলেন। তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯), ক্ষমা (১৯৯২), ঘৃণা (১৯৯৪), দূর্জয় (১৯৯৬), ও এই ঘর এই সংসার (১৯৯৬)।

মালেক আফসারী
জন্ম
পেশাপরিচালক, চিত্রনাট্যকার
দাম্পত্য সঙ্গীরোজী আফসারী
(বি. ১৯৮৫; মৃ. ২০০৫)
সন্তানরবি আফসারী

কর্মজীবনসম্পাদনা

মালেক আফসারী ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিকে সহকারী পরিচালক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পিয়াসী মন চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে তিনি চলচ্চিত্রে আগমন করেন। এরপর তিনি লুটেরা ছবির কাহিনি রচনা করেন এবং কার পাপে ছবির সংলাপ রচনা করেন। ১৯৮৩ সালে ঘরের বউ চলচ্চিত্র পরিচালনার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।[১][২]

তার নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্রসমূহ হল ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯), ক্ষমা (১৯৯২), ঘৃণা (১৯৯৪), দূর্জয় (১৯৯৬), এই ঘর এই সংসার (১৯৯৬), হীরা চুনি পান্না (২০০০), ঠেকাও মাস্তান (২০০১), আমি জেল থেকে বলছি (২০০৫), মনের জ্বালা (২০১১), ফুল অ্যান্ড ফাইনাল (২০১৩)।[৩] ২০১৬ সালে তিনি জাজ মাল্টিমিডিয়ার রক্ত চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু জাজের ধরাবাঁধা সময়সূচিতে তিনি এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারবেন না জানালে তাকে এই চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে বাদ দেওয়া হয়।[৪] তার পরবর্তী কাজ ছিল অন্তর জ্বালা। প্রয়াত অভিনেতা মান্নার এক ভক্তের কাহিনি নিয়েই ছবির গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। জায়েদ খান প্রযোজিত এই ছবিতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন জায়েদ নিজে ও পরীমনি[৫]

চলচ্চিত্রের তালিকাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. সাইফুল, রাহাত (২২ অক্টোবর ২০১৬)। "মালেক আফসারীর চ্যালেঞ্জ"রাইজিংবিডি.কম। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 
  2. "এফডিসি'র মুখ দেখতে চাননা মালেক আফসারী"একুশে টেলিভিশন। ১২ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 
  3. মঈনুদ্দীন, অভি (২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। "মালেক আফসারীর জীবনের পোস্টার"বিবার্তা২৪.নেট। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৯ 
  4. বাবু, মাজহার (৮ জুন ২০১৬)। "ভালো ছবির জন্য সময় লাগে : মালেক আফসারী"এনটিভি অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 
  5. "মুক্তি পাচ্ছে জায়েদ-পরীর 'অন্তর জ্বালা'"সময় নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা