কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলষ্টেশন

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে পরিচিত) বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন। এটি ঢাকার মতিঝিলের উত্তর–পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে স্টেশন এবং ঢাকার সাথে বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল। এর স্টেশন ভবন ঢাকার অন্যতম অত্যাধুনিক ভবন যার নকশা করেছেন মার্কিন স্থপতি রবার্ট বাউগি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশের বি শ্রেণীর রেলওয়ে স্টেশন
Kamlan.jpg
অন্যান্য নামঢাকা রেলওয়ে স্টেশন
অবস্থানমতিঝিল, ঢাকা
ঢাকা বিভাগ
 বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৩′৫৫″ উত্তর ৯০°২৫′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৭৩২০° উত্তর ৯০.৪২৬২° পূর্ব / 23.7320; 90.4262স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৩′৫৫″ উত্তর ৯০°২৫′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৭৩২০° উত্তর ৯০.৪২৬২° পূর্ব / 23.7320; 90.4262
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালিতবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইননারায়ণগঞ্জ-বাহাদুরাবাদ ঘাট
প্ল্যাটফর্ম৮টি
নির্মাণ
গঠনের ধরনমানক
অন্য তথ্য
অবস্থাসক্রিয়
স্টেশন কোডDA
ইতিহাস
চালু২৭ এপ্রিল ১৯৬৮; ৫২ বছর আগে (1968-04-27)
অবস্থান

ইতিহাস

ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন ছিলো তৎকালীণ পূর্ব বাংলার, এবং ভারত বিভাজনের পর, পূর্ব পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন। বাংলা বিভক্তীকরণের পর ঢাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ শহরে রূপান্তরিত হয়। তাই ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে প্রতিস্থাপন করে তুলনামূলক নতুন ও অধিক বড় রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সদ্যপ্রতিষ্ঠিত বুয়েটের আমেরিকান শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এই সম্প্রসারন সাধিত হয়।[১] মতিঝিলের কমলাপুরের একটি জায়গায় স্টেশন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পূর্বে এই জায়গাটি ছিল বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, লোকজনের বসবাস ছিল না। ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৮ সালে শেষ হয়। ১৯৬৮ সালের ২৭শে এপ্রিল স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১লা মে ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় এবং এর পরের দিন স্টেশনটিকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয় ও তুলে ফেলা হয়।

অবস্থান

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনটি মতিঝিলের কাছে দক্ষিণ কমলাপুরে অবস্থিত। কমলাপুর স্টেশন একটি বিশাল অঞ্চল নিয়ে অবস্থিত। কমলাপুর তিন রাস্তার মাথার দক্ষিণ দিকে হাতের বাম পাশে অবস্থিত।[২]

বর্তমান অবস্থা

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দৈনিক ৫০টি ট্রেন বাংলাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যায়। দিন রাত সব সবসময় এখানে মানুষের যাতায়াত থাকে। যাত্রীদের সেবাদানের জন্য কমলাপুর স্টেশনে শতাধিক এবং বিভিন্ন বিভাগে বহুসংখ্যক কর্মচারি কর্মরত। এরপরও নানা সমস্যায় জর্জরিত কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। যাত্রী বেড়েছে বহুগুণ। কমলাপুর স্টেশনের প্লাটফর্ম এর দৈর্ঘ্য ৯১৮.৪ মিটার। রেল লাইনের ওপর একটি ওভারব্রিজ রয়েছে। বাংলাদেশের এটাই সর্ববৃহৎ রেল ওভারব্রিজ। তবে সেই ওভারব্রিজের সৌন্দর্য আর নেই। বর্তমানে বর্ধিত আকারে রিমডেলিংয়ের কাজ চলছে। বর্তমানে রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ চলছে।[৩]

ট্রেনের তালিকা

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন গুলো হচ্ছে:

চিত্রশালা

তথ্যসূত্র

  1. "কমলাপুর রেলস্টেশন স্থানান্তর করা হলে যানজট বৃদ্ধি পাবে"। মে ১০, ২০১৪। ৯ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৬ 
  2. "কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন"। জুলাই ২২, ২০১৫। মার্চ ২৬, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২৩, ২০১৬ 
  3. "কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (ঢাকা)"। জুলাই ২২, ২০১৫। 

বহিঃসংযোগ

  উইকিমিডিয়া কমন্সে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন