জামতৈল-জয়দেবপুর লাইন

জামতৈল-জয়দেবপুর লাইন বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে পরিচালিত একটি রেললাইন। এই রেললাইনটি বঙ্গবন্ধু সেতুকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়।

জামতৈল-জয়দেবপুর লাইন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ধরনবাংলাদেশের রেললাইন
অবস্থাসক্রিয়
অঞ্চল বাংলাদেশ
বিরতিস্থল
স্টেশনসমূহ১১
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধন২০০৩
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
ট্র্যাক গেজ
চালন গতি৮০

ইতিহাসসম্পাদনা

বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হলে সরাসরি ঢাকার সাথে রংপুর রাজশাহী খুলনা তথা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ চালু করার জন্য জামতৈল-জয়দেবপুর লাইন তৈরি করা হয়। এই লাইনের কাজ শেষ হয় ২০০৩ সালে। তবে প্রাথমিক ভাবে তৎকালীন ইব্রাহিমাবাদ বর্তমানে (বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন) এবং তৎকালীন সয়দাবাদ বর্তমানে (বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন) এর মধ্যে ব্রডগেজ ট্রেন চালুর মাধ্যমে যমুনা নদী পার করার শুভ উদ্বোধন করা হয় ২৩শে জুন ১৯৯৮ সালে । ২০০৩ সালের মধ্যে সেতু পূর্ব- জয়দেবপুর জংশন পর্যন্ত রেলপথ বর্ধিত করা হয় যার দৈর্ঘ্য ৯৪ কিলোমিটার ও সেতু পশ্চিম থেকে জামতৈল হয়ে নতুন ঈশ্বরদী বাইপাস বানিয়ে পার্বতীপুর পর্যন্ত ব্রডগেজ অংশ ডুয়েলগেজে রুপান্তরিত করা হয়।

পূর্বাঞ্চলের সাথে পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগকারী প্রথম ট্রেন হচ্ছে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস যা ১৪ই আগস্ট, ২০০৩ সালে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে এসে নতুন এই লাইনে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।[১][২]

স্টেশন তালিকাসম্পাদনা

জামতৈল-জয়দেবপুর লাইনে থাকা রেলওয়ে স্টেশন তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

শাখা লাইন

শাখা লাইনসম্পাদনা

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-জামালপুর লাইনসম্পাদনা

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষের সরাসরি রেল যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরিষাবাড়ীর তারাকান্দি রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত এই রেলপথ নির্মাণ করা হয়। যা ২০১২ সালের ৩০শে জুন প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "যমুনা সেতু ও তাতে ট্রেন চলাচলের ইতিহাস - FriendsDiary.NeT"Friendsdiary। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৭ 
  2. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৭ 
  3. "আড়াইশ' কোটি টাকায় নির্মিত রেলপথে চলছে তিনটি লোকাল ট্রেন!"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৮