চেলসি ফুটবল ক্লাব

অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল ক্লাব
(চেলসি থেকে পুনর্নির্দেশিত)

চেলসি ফুটবল ক্লাব লন্ডনের ফুলহ্যাম এলাকায় অবস্থিত একটি ইংরেজ পেশাদার ফুটবল দল। ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবটি ইংরেজ ফুটবলের শীর্ষ বিভাগ প্রিমিয়ার লিগে প্রতিযোগিতা করে। চেলসি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাবগুলির মধ্যে অন্যতম। ক্লাবটি ত্রিশটির বেশি প্রতিযোগীতামূলক শিরোপা জিতেছে যার মধ্যে ছয়টি লীগ শিরোপা এবং ছয়টি ইউরোপীয় ট্রফি উল্লেখযোগ্য। তাদের নিজস্ব মাঠ হচ্ছে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ[৪]

চেলসি
চেলসি ফুটবল ক্লাবের লোগো.svg
পূর্ণ নামচেলসি ফুটবল ক্লাব
ডাকনামদ্য ব্লুজ, দ্য পেনশনার্স[১]
সংক্ষিপ্ত নামসিএফসি, সিএইচই
প্রতিষ্ঠিত১০ মার্চ ১৯০৫; ১১৬ বছর আগে (1905-03-10)[২]
মাঠস্ট্যামফোর্ড ব্রিজ
ধারণক্ষমতা৪০,৮৩৪[৩]
স্থানাঙ্ক৫১°২৮′৫৪″ উত্তর ০°১১′২৮″ পশ্চিম / ৫১.৪৮১৬৭° উত্তর ০.১৯১১১° পশ্চিম / 51.48167; -0.19111
মালিকরাশিয়া ইসরায়েল রোমান আব্রামোভিচ
সভাপতিমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্রুস বাক
প্রধান কোচজার্মানি টমাস টুখেল
লীগপ্রিমিয়ার লীগ
২০২০–২১৪র্থ
ওয়েবসাইটক্লাব ওয়েবসাইট
বর্তমান মৌসুম

ক্লাবটি এ পর্যন্ত বেশিরভাগ সময়ে ইংল্যান্ডের ফুটবলে শীর্ষ দশে অবস্থান করেছে। তারা দুটি সময়ে সফলতা পেয়েছে, একটি হচ্ছে ১৯৬০ দশকের শেষভাগ ও ১৯৭০ দশকের শুরুতে এবং ১৯৯০ দশকের শেষভাগ থেকে বর্তমান পর্যন্ত। চেলসি প্রথম ইংলিশ লিগ শিরোপা অর্জন করে ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে। ১৯৬৫ থেকে ১৯৭১ সাল সময়কালে আরো কিছু কাপ প্রতিযোগিতায় ক্লাবটি জয়লাভ করে। ১৯৯৭ সাল থেকে ২৩টি শিরোপা জিতে দলটি গত দুই দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করছে। চেলসি নিজেদের ইতিহাসে আটটি এফ.এ. কাপ শিরোপা, পাঁচটি লীগ কাপ, দুটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, দুটি উয়েফা ইউরোপা লীগ, দুটি উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ, এবং একটি উয়েফা সুপার কাপ অর্জন করেছে। চেলসি হলো ইতিহাসের প্রথম ক্লাব যারা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতার পরের বছরই উয়েফা ইউরোপা লীগ জিতেছে।[৫] চেলসি উয়েফার তিনটি মূল ক্লাব প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করা পাঁচটি দলের একটি, উয়েফা ত্রয়ী জয়ী প্রথম ইংরেজ ক্লাব এবং চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ী একমাত্র লন্ডনের ক্লাব।

ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী পোশাক হচ্ছে রাজকীয় নীল রংয়ের জামা ও শর্টস এবং সাদা মোজা। নিজেদের ভাবমূর্তি আধুনিকায়নের জন্য নিজেদের ইতিহাসে বেশ কয়েকবার ক্লাবটি নিজেদের প্রতীক পরিবর্তন করেছে। বর্তমান প্রতীকে একটি রাজকীয় নীল সিংহকে একটি লাঠি ধরে থাকতে দেখা যায়, যা ক্লাবটির ১৯৫০ এর দশকের একটি প্রতীকের আধুনিক রূপ।[৬] ইংলিশ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বকালের গড় উপস্থিতির তালিকায় ক্লাবটির অবস্থান ষষ্ঠ। চেলসি যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় দল। তাদের সমর্থক সংখ্যা আনুমানিক চার মিলিয়ন।[৭] এছাড়া জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও ক্লাবের ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও গানে চেলসি অংশ নিয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের ২০১৭ সালের একটি জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে দামী ক্লাবগুলোর তালিকায় চেলসির অবস্থান ৭ম এবং ২০১৬-১৭ মৌসুমে ৪ কোটি ২৮ লাখ পাউন্ড উপার্জন করে ক্লাবটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপার্জন করা ক্লাবগুলোর মধ্যে অষ্টম স্থান অর্জন করে। ২০০৩ সাল থেকে ক্লাবটির মালিক রুশ-ইসরায়েলি বিলিওনিয়ার রোমান আব্রামোভিচ।[৮]

ইতিহাসসম্পাদনা

১৯০৪ সালে একটি ফুটবল মাঠ হিসেবে তৈরির উদ্দেশ্য নিয়ে গাস মিয়ার্স স্টাম্ফোর্ড ব্রিজ অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম কিনে নেন। নিকটবর্তী ফুলহাম ফুটবল ক্লাবের কাছে মাঠটি ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে তিনি মাঠটি ব্যবহার করার জন্য নিজের একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। যেহেতু তখন উক্ত এলাকা ফুলহামের নিজের নামে একটি ক্লাব তখনই ছিলো, মিয়ার্স নিজের ক্লাবের জন্য পার্শ্ববর্তী এলাকা চেলসির নামটি বেছে নেন। কেন্সিংটন ফুটবল ক্লাব, স্টাম্ফোর্ড ব্রিজ ফুটবল ক্লাব এবং লন্ডন ফুটবল ক্লাব এর মতো নামগুলোও বিবেচনা করা হয়েছিল।[৯]

স্টেডিয়ামসম্পাদনা

চেলসির শুধু একটি ঘরের মাঠ রয়েছে যা হলো স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা সেখানে খেলে আসছে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮৭৭ সালের এপ্রিল মাসে খোলা হয়েছিলো। প্রথম ২৮ বছর এটি লন্ডন অ্যাথলেটিক ক্লাব কর্তৃক অ্যাথলেটিকস মিটিংয়ের ক্রীড়াঙ্গন হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিলো। এখানে তখন ফুটবল খেলা হতো না। ১৯০৪ সালে ব্যবসায়ী গাস মিয়ার্স এবং তার ভাই জোসেফ এই মাঠটি অধিগ্রহণ করে। তারা ফুটবল ম্যাচ পরিচালনা করার লক্ষ্যে নিকটস্থ ১২.৫ একর (৫১,০০০ বর্গমিটার) জমিও (আগে একটি বড় বাজারের বাগান) কিনেছিলেন।[১০] স্ট্যামফোর্ড ব্রিজটি মিয়ার্স পরিবারের জন্য ডিজাইন করেছিলেন প্রখ্যাত ফুটবল স্থপতি আর্চিবাল্ড লিচ। তিনি ওল্ড ট্র‍্যাফোর্ড, আইব্রক্স, ক্রেভেন কটেজ এবং হ্যাম্পডেন পার্কের নকশাও করেছিলেন।[১১] বেশিরভাগ ফুটবল ক্লাব প্রথমে প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং তারপরে খেলার জন্য মাঠ খুঁজেছিলো। তবে চেলসি স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

একটি খোলা বাটির মতো নকশা এবং আসনসহ একটি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড দিয়ে শুরু করে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের মূল ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ১,০০,০০০। এটি ক্রিস্টাল প্যালেসের পরে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসাবে তৈরি হয়েছিলো।[১০] ১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে মাঠের দক্ষিণ পাশে ছাদ নির্মিত হয় যা স্ট্যান্ডের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ঢেকে রাখে। ছাদটি ঢেউ খেলানো লোহার শেডের অনুরূপ হওয়ায় এই স্ট্যান্ডটি "শেড এন্ড" নামে পরিচিতি লাভ করে। যদিও এই নামটি প্রথমে কে তৈরি করেছিলেন তা জানা যায়নি। ১৯৬০ এর দশক থেকে শুরু করে এটি চেলসির সবচেয়ে অনুগত এবং জোরালো সমর্থকদের বাড়ি হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।[১০] ১৯৩৯ সালে "নর্থ স্ট্যান্ড" নামে আরেকটি ছোট আসনযুক্ত স্ট্যান্ড যুক্ত করা হয়, যা ১৯৭৫ সালে ভেঙে ফেলার আগ পর্যন্ত ছিলো।[১০]

১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে, ক্লাবের মালিকরা স্ট্যামফোর্ড ব্রিজকে আধুনিকায়ন করে একটি অত্যাধুনিক ৫০,০০০ অল-সিটার স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৭২ সালে কাজ শুরু হয়েছিল তবে প্রকল্পটি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত কেবল পূর্ব স্ট্যান্ডটিই সম্পন্ন হয়েছিল। সমস্ত ব্যয় ক্লাবকে দেউলিয়ার কাছাকাছি এনেছিল। শেষ পর্যন্ত স্বত্ব প্রোপার্টি ডেভেলপারদের কাছে বিক্রি করতে হয়। দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের পরে ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টেডিয়ামে চেলসির ভবিষ্যত সুরক্ষিত হয় এবং সংস্কার কাজ আবার শুরু হয়। মাঠের উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ অংশ অল-সিটার স্ট্যান্ডে রূপান্তরিত হয়েছিল এবং পিচের কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়। এই প্রক্রিয়াটি ২০০১ সালে সমাপ্ত হয়েছিল। পূর্ব স্ট্যান্ডে ১৯৭০ এর দশকের উন্নয়নকাজ বজায় ছিলো। ১৯৯৬ সালে ক্লাবের পরিচালক এবং পৃষ্ঠপোষক ম্যাথু হার্ডিং বছরের শুরুতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল। তার স্মৃতিতে উত্তর স্ট্যান্ডটির নামকরণ ম্যাথু হার্ডিং স্ট্যান্ড করা হয়।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজটি যখন বেটস যুগে পুনর্নবীকরণ করা হয়েছিল তখন কমপ্লেক্সে দুটি মিলেনিয়াম ও কোপথর্ন হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, বার, রেস্তোঁরা, চেলসি মেগাস্টোর এবং চেলসি ওয়ার্ল্ড অফ স্পোর্ট নামে একটি ইন্টারেক্টিভ দর্শক আকর্ষণসহ অনেক অতিরিক্ত জিনিস যুক্ত হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল যে এইসব স্থাপনা ব্যবসায়ের ফুটবল দিক সমর্থন করার জন্য অতিরিক্ত উপার্জন সরবরাহ করবে। তবে সেসব আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। ২০০৩ সালে আব্রামোভিচ অধিগ্রহণের আগে এজন্য নেয়া ঋণ ক্লাবের উপর একটি বড় বোঝা ছিল। টেকওভারের পর খুব শীঘ্রই "চেলসি ভিলেজ" ব্র্যান্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং চেলসিকে একটি ফুটবল ক্লাব হিসাবে পুনরায় ফোকাস দেওয়া হয়। তবে স্টেডিয়ামকে মাঝে মাঝে "চেলসি ভিলেজ" বা "দ্য ভিলেজ"-এর অংশ হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ফ্রিহোল্ড, পিচ, টার্নস্টাইল এবং চেলসির নামাধিকার এখন চেলসি পিচ অউনার্স (সিপিও)-এর মালিকানাধীন। সিপিও একটি অলাভজনক সংস্থা যেখানে ভক্তরা শেয়ারহোল্ডার। এটি তৈরির উদ্দেশ্য ছিল যাতে নিশ্চিত করা যায় যে স্টেডিয়ামটি আর কখনো ডেভেলপারদের কাছে বিক্রি করা হবে না। চেলসি এফসি নাম ব্যবহার করার শর্ত ছিল ক্লাবকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে তার প্রথম দলের ম্যাচ খেলতে হবে। যার মানে হলো যদি ক্লাবটি নতুন স্টেডিয়ামে চলে যায় তাহলে দলের নাম পরিবর্তন করতে হতে পারে। চেলসির ট্রেনিং গ্রাউন্ড সারের কোবামে অবস্থিত।[১২] চেলসি ২০০৪ সালে কোবামে চলে আসে। হার্লিংটনে তাদের আগের প্রশিক্ষণ স্থলটি কিউপিআর ২০০৫ সালে নিয়ে নেয়।[১৩] কোবামে নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্র নির্মাণ ২০০৭ সালে সম্পন্ন হয়।[১৪]

 
বর্তমান স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের উপর থেকে দৃশ্য

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ১৯২০ থেকে ১৯২২ পর্যন্ত এফএ কাপ ফাইনাল আয়োজন করেছিল।[১৫] এখানে দশটি এফএ কাপ সেমিফাইনাল (সর্বশেষ ১৯৭৮ সালে), দশটি এফএ চ্যারিটি শিল্ড ম্যাচ (শেষ ১৯৭০) এবং তিনটি ইংল্যান্ড আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল, ১৯৩২ সালে সর্বশেষ। এটি ১৯৪৬ সালে একটি অনানুষ্ঠানিক ভিক্টোরি ইন্টারন্যাশনালের ভেন্যুও ছিল।[১৬] এটি ২০১৩ সালের প্রমীলা চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালও আয়োজন করে।[১৭] স্টেডিয়ামটি অন্যান্য খেলাধুলার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। ১৯০৫ সালের অক্টোবর মাসে এখানে অল ব্ল্যাকস এবং মিডলসেক্সের মধ্যে একটি রাগবি ইউনিয়ন ম্যাচ আয়োজন করা হয়[১৮] এবং ১৯১৪ সালে সফরকারী নিউইয়র্ক জায়ান্টস এবং শিকাগো হোয়াইট সক্সের মধ্যে একটি বেসবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।[১৯] এটি বিশ্ব ফ্লাইওয়েট চ্যাম্পিয়ন জিমি ওয়াইল্ড এবং জো কনের মধ্যে ১৯১৮ সালে একটি বক্সিং ম্যাচের স্থান ছিল।[২০] রানিং ট্র্যাকটি ডার্টি ট্র্যাক রেসিংয়ের জন্য ১৯২৮ থেকে ১৯৩২ সাল,[২১] গ্রেহাউন্ড রেসিংয়ের জন্য ১৯৩৩ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এবং ১৯৪৮ সালে মিজেট কার রেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল।[২২] ১৯৮০ সালে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে যুক্তরাজ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাডলাইট ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করেছিল,[২৩] এসেক্স এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে। এটি ১৯৯৭ মৌসুমের জন্য লন্ডন মনার্কস আমেরিকান ফুটবল দলের হোম স্টেডিয়ামও ছিল।[২৪]

বর্তমান ক্লাবের মালিকানা বলেছিল যে চেলসির একটি বড়ো স্টেডিয়াম প্রয়োজন প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবগুলির সাথে প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য যাদের উল্লেখযোগ্যভাবে বড়ো স্টেডিয়াম রয়েছে, যেমন আর্সেনাল এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।[২৫] এর অবস্থান একটি প্রধান সড়ক এবং দুটি রেল লাইনের পাশে হওয়ার কারণে ভক্তরা কেবল ফুলহ্যাম রোড এক্সিটের মাধ্যমে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে প্রবেশ করতে পারে। স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা বিধিবিধানের কারণে যা সম্প্রসারণে বাধা দেয়।[২৬] ক্লাব ক্রমাগত চেলসিকে তাদের বর্তমান স্টেডিয়ামে রাখার ইচ্ছাকে নিশ্চিত করেছে।[২৭][২৮] কিন্তু তা সত্ত্বেও আর্লস কোর্ট এক্সিবিশন সেন্টার, ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশন এবং চেলসি ব্যারাকসহ নিকটবর্তী বিভিন্ন জায়গায় ক্লাবের স্থানান্তরের গুঞ্জন শোনা গেছে।[২৯] ২০১১ সালের অক্টোবরে মাসে ক্লাবের পক্ষ থেকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের জমির ফ্রিহোল্ড কেনার জন্য একটি প্রস্তাব চেলসি পিচ ওউনার্সের শেয়ারহোল্ডাররা বাতিল করেছিলো।[৩০] ২০১২ সালের মে মাসে, ক্লাবটি ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশন কেনার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক বিড করেছিল।[৩১] ক্লাবের উদ্দেশ্য ছিল জায়গাকে একটি নতুন স্টেডিয়ামে উন্নীত করা। কিন্তু তারা মালয়েশিয়ার একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে হেরে যায়।[৩২] ক্লাব পরবর্তীতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজকে ৬০,০০০ আসনের স্টেডিয়ামে পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করে[৩৩] এবং ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে এই পরিকল্পনা হ্যামারস্মিথ এবং ফুলহাম কাউন্সিল অনুমোদন করে।[৩৪] কিন্তু ক্লাবটি ২০১৮ সালের ৩১ মে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায় যে নতুন স্টেডিয়াম প্রকল্পটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে "বর্তমান বিনিয়োগের প্রতিকূল আবহাওয়া" উল্লেখ করা হয়।[৩৫]

সমর্থনসম্পাদনা

চেলসি বিশ্বের সর্বাধিক সমর্থিত ফুটবল ক্লাবগুলির মধ্যে অন্যতম।[৩৬][৩৭] ইংলিশ ফুটবলে তাদের সর্বকালের সর্বমোট ষষ্ঠ সর্বোচ্চ উপস্থিতি রয়েছে[৩৮] এবং স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের নিয়মিত ৪০,০০০ এরও বেশি অনুরাগীকে আকর্ষণ করে। তারা ২০১৩-১৪ মৌসুমে গড় উপস্থিতি ৪১,৫৭২ নিয়ে সপ্তম সেরা সমর্থিত প্রিমিয়ার লিগ দল ছিলো।[৩৯] চেলসির ঐতিহ্যবাহী সমর্থকবৃন্দ গোটা গ্রেটার লন্ডন অঞ্চল জুড়ে রয়েছে। এর মধ্যে যেমন হ্যামারস্মিথ এবং ব্যাটারসির মতো শ্রমজীবী এলাকার বাসিন্দারা আছে, তেমনি চেলসি এবং কেনসিংটনের মতো ধনী অঞ্চল এবং হোম কাউন্টিও অবস্থিত। যুক্তরাজ্য এবং সারা বিশ্বে অসংখ্য স্বীকৃত সমর্থক ক্লাব রয়েছে।[৪০] ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে, বার্ষিক জার্সি বিক্রিতে চেলসি বিশ্বজুড়ে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। যার বিক্রির পরিমাণ ছিলো গড়ে ৯১০,০০০।[৪১] ২০১৮ সালে, চেলসির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিতে ৭২.২ মিলিয়ন অনুসরণকারী ছিলো, যা ফুটবল ক্লাবগুলির মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ।[৪২]


চেলসি সমর্থকরা ম্যাচের সময় বিভিন্ন গান গায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হচ্ছে "কেয়ারফ্রি" ("লর্ড অফ দ্য ডান্স" এর সুরে, যার কথা সম্ভবত সমর্থক মিক গ্রিনাওয়ে লিখেছিলেন),[৪৩][৪৪] "টেন ম্যান ওয়েন্ট টু মো", "উই অল ফলো দ্য চেলসি" ("ল্যান্ড অফ হোপ এন্ড গ্লোরি" এর সুরে), "জিগা জাগা" এবং উদ্‌যাপন সঙ্গীত "সেলারি"। শেষ গানটি গাওয়ার সাথে সাথে প্রায়শই সমর্থকরা একে অপরের দিকে সেলারি নিক্ষেপ করে। তবে ২০০৭ সালের লীগ কাপ ফাইনালে আর্সেনাল মিডফিল্ডার সেস্ক ফেব্রেগাসের সাথে হওয়া একটি ঘটনার পরে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ভিতরে এই সবজি নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।[৪৫] চেলসি সমর্থকরা ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে বিশেষ করে ফুটবল গুণ্ডামীর সাথে যুক্ত ছিলেন। ক্লাবটির "ফুটবল ফার্ম", যা প্রথমে চেলসি শেড বয়েজ হিসাবে পরিচিত ছিল এবং পরে চেলসি হেডহান্টারস নামে, ফুটবল সহিংসতার জন্য জাতীয়ভাবে কুখ্যাতি অর্জন করেছিলো। ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের ইন্টার সিটি ফার্ম এবং মিলওয়ালের বুশওয়্যাকার্সের মতো অন্যান্য ক্লাবের গুন্ডা সংস্থাগুলির পাশাপাশি তারা ম্যাচের আগে, ম্যাচের সময় এবং পরে সহিংসতার ঘটনা ঘটাতো।[৪৬] ১৯৮০-এর দশকে গুন্ডামির ঘটনা বৃদ্ধির ফলে তাদের পিচে আক্রমণ চালানো থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান কেন বেটস বৈদ্যুতিক বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব করেছিলেন। গ্রেটার লন্ডন কাউন্সিল সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছিলো।[৪৭]

১৯৯০ এর দশক থেকে কঠোর পুলিশিং, মাঠে সিসিটিভি এবং অল-সিটার স্টেডিয়ামের আবির্ভাবের ফলে খেলায় দর্শক গন্ডগোল উল্লেখযোগ্য রকম হ্রাস পেয়েছে।[৪৮] ক্লাবটি নিজেদের মাঠের ম্যাচগুলোর পরিবেশের উন্নতি করতে দ্য ব্যাক টু শেড ক্যাম্পেইনটি চালু করেছিল যা প্রচুর সফলতা লাভ করে। হোম অফিসের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০০৯-১০ মৌসুমে ১২৬ জন চেলসি সমর্থকদের ফুটবল-সম্পর্কিত অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো যা লীগে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং ২৭টি নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হয়েছিলো যা লীগের মধ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ।[৪৯]

প্রতিদ্বন্দ্বিতাসম্পাদনা

চেলসির সাথে উত্তর লন্ডনের ক্লাব আর্সেনাল এবং টটেনহ্যাম হটস্পারের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।[৫০][৫১] লিডস ইউনাইটেডের সাথে ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত এবং বিতর্কিত ম্যাচের মাধ্যমে এক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরম্ভ হয়েছিলো। এর মধ্যে ১৯৭০ সালের এফএ কাপ ফাইনাল উল্লেখযোগ্য।[৫২] কাপ প্রতিযোগিতায় বারবার সংঘর্ষের পরে লিভারপুলের সাথে সম্প্রতি একটি প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।[৫৩][৫৪] চেলসির নিকটস্থ পশ্চিম লন্ডনের দল ব্রেন্টফোর্ড, ফুলহ্যাম এবং কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সকে সাধারণত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। কারণ ক্লাবগুলি প্রায়শই পৃথক বিভাগে থাকায় তাদের মধ্যকার ম্যাচের সংখ্যা খুব সীমিত।[৫৫]

প্ল্যানেটফুটবল.কমের ২০০৪ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে চেলসি ভক্তরা তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করে: আর্সেনাল, টটেনহাম হটস্পার এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। একই সমীক্ষায়, আর্সেনাল, ফুলহাম, লিডস ইউনাইটেড, কিউপিআর, টটেনহ্যাম এবং ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের ভক্তরা তাদের তিনটি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে একটি হিসাবে চেলসিকে দাবি করে।[৫৬] ২০০৮ সালে দ্য ফুটবল ফ্যানস সেনসাসের পরিচালিত একটি জরিপে চেলসি ভক্তরা তাদের সবচেয়ে অপছন্দ ক্লাব হিসাবে লিভারপুল, আর্সেনাল এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে উল্লেখ করে। একই সমীক্ষায় "আপনি অন্য কোন ইংরেজ ক্লাবকে সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেন?" এই প্রশ্নের শীর্ষ উত্তর ছিল "চেলসি"।[৫৭] সারা দেশের শীর্ষ চারটি লীগ বিভাগের ১২০০ সমর্থকদের মধ্যে পরিচালিত ২০১২ সালের একটি জরিপে দেখা গেছে যে অনেক ক্লাবের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ২০০৩ সালের পর থেকে পরিবর্তিত হয়েছিলো। চেলসি ভক্তরা জানিয়েছিলো যে তারা টটেনহামকে আর্সেনাল এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের উপরে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে বিবেচনা করে। এছাড়া, আর্সেনাল, ব্রেন্টফোর্ড, ফুলহাম, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, কিউপিআর, টটেনহ্যাম এবং ওয়েস্ট হ্যামের ভক্তরা চেলসিকে তাদের শীর্ষ তিনটি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে মনে করেছিলো।[৫৮]

খেলোয়াড়গণ ও কোচসম্পাদনা

বর্তমান কোচসম্পাদনা

ক্লাবের বর্তমান কোচ জার্মানির টমাস টুখেল। তিনি ২৬ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে কোচ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বর্তমান দলসম্পাদনা

১৯ অগাস্ট ২০২১ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[৫৯]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতা নিয়মের অধীনে নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
গো   কেপা আরিসাবালাগা
  আন্তোনিও রুডিগার
  মার্কোস আলোন্সো মেন্দোজা
  আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন
  জর্জিনিও (সহ-অধিনায়ক)
  থিয়াগো সিলভা
  এন'গোলো কান্তে
  মাতেও কোভাচিচ
  রোমেলু লুকাকু
১০   ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক
১১   টিমো ভার্নার
১২   রুবেন লফটাস-চিক
১৩ গো   মার্কাস বেতিনেল্লি
১৪   ট্রেভোহ চালোবাহ
নং অবস্থান খেলোয়াড়
১৬ গো   এদুয়ার্দ মেন্দি
১৭   সাউল নিগেজ (আতলেতিকো দে মাদ্রিদ থেকে ধারে)
১৮   রস বার্কলি
১৯   মেসন মাউন্ট
২০   ক্যালাম হাডসন-ওডোই
২১   বেন চিলওয়েল
২২   হাকিম জিয়েশ
২৪   রিস জেমস
২৮   সেসার আজপিলিকুয়েতা (অধিনায়ক)
২৯   কাই হাভের্ৎজ
৩১   মালাং সার
৩২   লুইস বেকার
৩৬ গো   লুকাস বারিস্ত্রুম

চুক্তিবদ্ধ অন্যান্য খেলোয়াড়সম্পাদনা

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতা নিয়মের অধীনে নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
-   চার্লি মুসোন্ডা জুনিয়র

ধারে অন্য দলেসম্পাদনা

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতা নিয়মের অধীনে নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
- গো   নেথান ব্যাক্সটার (হাল সিটিতে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
- গো   জেমি কামিং (জিলিংহ্যামে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
- গো   কার্লো জিগার (রুদার ভেলেঞ্জে ২২ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   জেক ক্লার্ক-সল্টার (কভেন্ট্রি সিটিতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   লেভি কলউইল (হাডার্সফিল্ড টাউনে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   হেনরি লরেন্স (উইম্বল্ডনে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   ডুজন স্টার্লিং (ব্ল্যাকপুলে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   ইথান আম্পাদু (ভেনেজিয়ায় ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   এমারসন পালমিয়েরি (লিওঁতে ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   ইয়ান মাতসেন (কভেন্ট্রি সিটিতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   হুয়ান কাস্তিলো (বার্মিংহ্যাম সিটিতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
নং অবস্থান খেলোয়াড়
-   ম্যাট মিয়াজগা (আলাভেসে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   বাবা আব্দুল রহমান (রেডিংয়ে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   ড্যানিয়েল ড্রিংকওয়াটার (রেডিংয়ে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   তিনো আঞ্জোরিন (লোকোমোতিভ মস্কোয় ৩১ মে ২০২২ পর্যন্ত)
-   কনর গ্যালাহার (ক্রিস্টাল প্যালেসে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   বিলি গিলমোর (নরউইচ সিটিতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   তিয়েমুয়ে বাকায়োকো (এসি মিলানে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত)
-   থিয়ের্নো বাল্লো (রাপিড ভিনে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত)
-   কেনেডি (ফ্লামেঙ্গোতে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   মিশি বাতশুয়ায়ি (বেশিক্তাশে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)
-   আর্মান্দো ব্রোজা (সাউদাম্পটনে ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত)

বর্ষসেরা খেলোয়াড়সম্পাদনা

বছর বিজয়ী
১৯৬৭   পিটার বনেতি
১৯৬৮   চার্লি কুক
১৯৬৯   ডেভিড ওয়েব
১৯৭০   জন হলিন্স‌
১৯৭১   জন হলিন্স‌
১৯৭২   ডেভিড ওয়েব
১৯৭৩   পিটার অসগুড
১৯৭৪   গ্যারি লক
১৯৭৫   চার্লি কুক
১৯৭৬   রে উইল্কিন্স
১৯৭৭   রে উইল্কি‌ন্স‌
১৯৭৮   মিকি ড্রয়
১৯৭৯   টমি ল্যাংলি
১৯৮০   ক্লাইভ ওয়াকার
১৯৮১   পিটার বরোটা
 
বছর বিজয়ী
১৯৮২   মাইক ফিলারি
১৯৮৩   জোয়ি জোন্স‌
১৯৮৪   প্যাট নেভিন
১৯৮৫   ডেভিড স্পিডি
১৯৮৬   এডি নিয়েডজুইয়েকি
১৯৮৭   প্যাট নেভিন
১৯৮৮   টনি ডোরিগো
১৯৮৯   গ্রেহাম রবার্টস
১৯৯০   কেন মঙ্কু
১৯৯১   অ্যান্ডি টাউনসেন্ড
১৯৯২   পল এলিয়ট
১৯৯৩   ফ্র্যাংক সিনক্লেয়ার
১৯৯৪   স্টিভ ক্লার্ক
১৯৯৫   এর্ল্যান্ড জনসেন
১৯৯৬   রুদ খুলিত
 
বছর বিজয়ী
১৯৯৭   মার্ক হিউস
১৯৯৮   ডেনিস ওয়াইজ
১৯৯৯   জিয়ানফ্রাংকো জোলা
২০০০   ডেনিস ওয়াইজ
২০০১   জন টেরি
২০০২   কার্লো কুইদিচিনি
২০০৩   জিয়ানফ্রাংকো জোলা
২০০৪   ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ড
২০০৫   ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ড
২০০৬   জন টেরি
২০০৭   মাইকেল এসিয়েন
২০০৮   জো কোল
২০০৯   ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ড
২০১০   দিদিয়ের দ্রগবা
২০১১   পেটার চেক
 
বছর বিজয়ী
২০১২   হুয়ান মাতা
২০১৩   হুয়ান মাতা
২০১৪   ইডেন হ্যাজার্ড
২০১৫   ইডেন হ্যাজার্ড
২০১৬   উইলিয়ান
২০১৭   ইডেন হ্যাজার্ড
২০১৮   এন'গোলো কান্তে
২০১৯   ইডেন হ্যাজার্ড
২০২০   মাতেও কোভাচিচ
২০২১   মেসন মাউন্ট

সূত্র: চেলসি এফ.সি.

উল্লেখযোগ্য ম্যানেজারসম্পাদনা

নিম্নলিখিত ম্যানেজাররা চেলসির দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে কমপক্ষে একটি ট্রফি জিতেছিলেন:

নাম মেয়াদকাল শিরোপা
  টেড ড্রেক ১৯৫২-১৯৬১ প্রথম বিভাগ চ্যাম্পিয়নশীপ, চ্যারিটি শিল্ড
  টমি ডোচার্টি ১৯৬২-১৯৬৭ লীগ কাপ
  ডেভ সেক্সটন ১৯৬৭-১৯৭৪ এফএ কাপ, উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ
  জন নিল ১৯৮১-১৯৮৫ দ্বিতীয় বিভাগ চ্যাম্পিয়নশীপ
  জন হলিন্স ১৯৮৫-১৯৮৮ ফুল মেম্বার্স কাপ
  ববি ক্যাম্পবেল ১৯৮৮-১৯৯১ দ্বিতীয় বিভাগ চ্যাম্পিয়নশীপ, ফুল মেম্বার্স কাপ
  রুড হুলিট ১৯৯৬-১৯৯৮ এফএ কাপ
  জিয়ানলুকা ভিয়ালি ১৯৯৮-২০০০ এফএ কাপ, লীগ কাপ, চ্যারিটি শিল্ড, উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ, উয়েফা সুপার কাপ
  জোসে মরিনহো ২০০৪-২০০৭
২০১৩-২০১৫
প্রিমিয়ার লীগ, ৩ লীগ কাপ, এফএ কাপ, কমিউনিটি শিল্ড
  গাস হিডিঙ্ক ২০০৯
২০১৫-২০১৬
এফএ কাপ
  কার্লো আনচেলত্তি ২০০৯-২০১১ প্রিমিয়ার লীগ, এফএ কাপ, কমিউনিটি শিল্ড
  রবার্তো দি মাতেও ২০১২ এফএ কাপ, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ
  রাফায়েল বেনিতেজ ২০১২-২০১৩ উয়েফা ইউরোপা লীগ
  অ্যান্তোনিও কন্তে ২০১৬-২০১৮ প্রিমিয়ার লীগ, এফএ কাপ
  মরিজিও সারি ২০১৮-২০১৯ উয়েফা ইউরোপা লীগ

ব্যবস্থাপনা দলসম্পাদনা

পদ কর্মচারী
প্রধান কোচ   টমাস টুখেল
সহকারী প্রধান কোচ   এর্নো মিখেলস
সহকারী কোচ   জোল্‌ত লো
  জো এডওয়ার্ডস
  অ্যান্থনি ব্যারি[৬০]
গোলরক্ষক কোচ   হেনরিক হিলারিও
  জেমস রাসেল
ফিটনেস কোচ   ম্যাট বির্নি
  উইল টালেট
টেকনিক্যাল অ্যান্ড পারফরম্যান্স এডভাইজার   পেটার চেক[৬১]
মেডিক্যাল পরিচালক   পাকো বিয়স্কা
ধার সংক্রান্ত টেকনিক্যাল কোচ   কার্লো কুদিচিনি[৬২]
  পাওলো ফেরেইরা
  তোরে আন্দ্রে ফ্লো
ধার সংক্রান্ত গোলরক্ষক কোচ   ক্রিস্টফ ললিকন
আন্তর্জাতিক স্কাউটিংয়ের প্রধান   স্কট ম্যাকল্যাক্লান
টেকনিক্যাল মেন্টর   ক্লদ্‌ মাকেলেলে[৬৩]
যুব উন্নয়নের প্রধান   নিল বাথ
ডেভেলাপমেন্ট স্কোয়াড ম্যানেজার   অ্যান্ডি মায়ার্স
অনূর্ধ্ব-১৮ ম্যানেজার   এড ব্র্যান্ড

Source: Chelsea F.C.

সম্মাননাসম্পাদনা

ঘরোয়াসম্পাদনা

লীগসম্পাদনা

১৯৫৪-৫৫, ২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬, ২০০৯-২০১০, ২০১৪-১৫, ২০১৬-১৭
১৯৮৩-৮৪, ১৯৮৮-৮৯

কাপসম্পাদনা

১৯৬৯-৭০, ১৯৯৬-৯৭, ১৯৯৯-২০০০, ২০০৬-০৭, ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০, ২০১১-১২, ২০১৭-১৮
১৯৬৪-৬৫, ১৯৯৭-৯৮, ২০০৪-০৫, ২০০৬-০৭, ২০১৪-১৫
১৯৫৫, ২০০০, ২০০৫, ২০০৯
  • ফুল মেম্বার্স কাপ: ২
১৯৮৬, ১৯৯০

ইউরোপীয়ানসম্পাদনা

২০১১-১২, ২০২০-২১
২০১২-১৩, ২০১৮-১৯
১৯৭০-৭১, ১৯৯৭-৯৮
১৯৯৮

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Chelsea's first cup final – a century ago"। Chelsea FC। ২৩ এপ্রিল ২০১৫। ২৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৬ 
  2. "Team History – Introduction"chelseafc.com। Chelsea FC। ২৭ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১১ 
  3. "Premier League Handbook 2019/20" (PDF)। Premier League। পৃষ্ঠা 14। ২৭ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২০ 
  4. https://www.chelseafc.com/en/about-chelsea/about-the-club/general-club-information
  5. "Trophy Cabinet"chelseafc.com। Chelsea FC। ২৪ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৮ 
  6. "Chelsea centenary crest unveiled"। BBC। ২০০৪-১১-১২। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০১-০২ 
  7. "Chelsea voted one of UK's top brands"chelseafc.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৯-২৮ 
  8. "Russian businessman buys Chelsea"। BBC। ২০০৩-০৭-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০২-১১ 
  9. Glanvill, John (1664?–1735)। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ২০১৭-১১-২৮। 
  10. "Stadium History – Introduction"chelseafc.com। Chelsea FC। ১২ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০১২ 
  11. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 69–71। 
  12. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 91–92। 
  13. Veysey, Wayne (২৪ মে ২০০৫)। "QPR take over Chelsea training ground"London Evening Standard। ২৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০০৯ 
  14. "Chelsea's new training ground for the future"। BBC London। ৫ জুলাই ২০০৭। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০০৯ 
  15. "Cup Final Statistics"। The Football Association। ১৬ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  16. "England's Matches: Unofficial"Englandfootballonline। ২২ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  17. "2013 final: Stamford Bridge"। UEFA। ১৫ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১৪ 
  18. "All Blacks"। Rugbyfootballhistory.com। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  19. "Countdown to SABR Day 2011"। BaseballGB.co.uk। ১৭ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  20. "Jimmy Wilde: The Original Explosive Thin Man"। Cyberboxingzone.com। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  21. "Stamford Bridge Speedway"। guskuhn.net। ২৩ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  22. "U.S. Invades England 1948"। speedcarworld.com। ২৫ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  23. "Twenty20 before Twenty20"। spincricket.com। ১১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  24. "London Monarchs"। Britballnow.co.uk। ২১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  25. "Chelsea chief: We will drop out of Europe's elite without new stadium"। BBC। ২৫ এপ্রিল ২০১২। ৪ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১২ 
  26. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 76। 
  27. "Kenyon confirms Blues will stay at Stamford Bridge"। RTÉ Sport। ১২ এপ্রিল ২০০৬। ১৫ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  28. "Observer Stadium Story Denied"chelseafc.com। Chelsea FC। ৯ নভেম্বর ২০০৮। ২৩ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১৪ 
  29. "Chelsea plan Bridge redevelopment"BBC Sport। ২০ জানুয়ারি ২০০৬। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  30. "Chelsea FC lose fan vote on stadium"। BBC। ২৭ অক্টোবর ২০১১। ১৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১২ 
  31. "Chelsea bid to buy Battersea power station in £1bn stadium plan"The Guardian। UK। ৪ মে ২০১২। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১২ 
  32. "Chelsea's Battersea hopes end as Malaysian consortium completes deal"The Guardian। UK। ৫ জুলাই ২০১২। ২ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১২ 
  33. "Stamford Bridge: 'Slinky' or Bird's Nest? Chelsea unveil new £500m stadium"The Independent। UK। ৩ ডিসেম্বর ২০১৫। ২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  34. "'Chelsea's new £500m stadium will be one of world's best arenas'"London Evening Standard। ১২ জানুয়ারি ২০১৭। ৩ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  35. "Stadium plans on hold"chelseafc.com। Chelsea FC। ১৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৮ 
  36. Anderson, Jamie। "Chelsea are a more universally loved club! Blues chief lauds 400million fan base"Daily Express। London। ৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৪ 
  37. "The world's most popular football club revealed: Man United, Liverpool F.C., Arsenal F.C., Barca, Real or Chelsea?"talkSPORT। ১৩ অক্টোবর ২০১১। ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৪ 
  38. "All Time League Attendance Records"। nufc.com। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। ৬ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৬  Please note, pre-war figures come from unreliable sources.
  39. "Attendances (at home)"। Soccerstats.com। ২৮ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৭ 
  40. "Supporters Clubs Map"chelseafc.com। ২৩ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৪ 
  41. "EXCLUSIVE: Manchester United and Real Madrid top global shirt sale charts"Sporting Intelligence। ৮ অক্টোবর ২০১২। ১০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১২ 
  42. "The 20 most popular rich-list football teams on social media"Business Insider। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১৯ 
  43. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 150। 
  44. ""Carefree" audio sample"। Fanchants.com। ১০ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  45. Murray, Scott (১৭ এপ্রিল ২০০২)। "Fans sent spinning after tossing salad"The Guardian। ৫ জুন ২০০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  46. "Making a new start"BBC News। ২ মে ২০০২। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  47. "Bates: Chelsea's driving force"BBC Sport। ২ জুলাই ২০০৩। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  48. "Soccer hooliganism: Made in England, but big abroad"BBC News। ২ জুন ১৯৯৮। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৭ 
  49. "Statistics on football-related arrests and banning orders"। Home Office। নভেম্বর ২০১০। ১৭ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১১ 
  50. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 312–318। 
  51. "A brief history of the Arsenal-Chelsea rivalry and why it matters"The Guardian। ২২ এপ্রিল ২০১৫। ১ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  52. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 321–325। 
  53. "Six very modern football rivalries"TalkSport। ১৯ মে ২০১১। ২৫ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১১ 
  54. "A brief guide to Chelsea's rivalry with Liverpool"The Guardian। ২৯ অক্টোবর ২০১৫। ৩০ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  55. Glanvill, Rick (২০০৬)। Chelsea FC: The Official Biography। পৃষ্ঠা 311। 
  56. "Football Rivalries: The Complete Results"। Planetfootball.com। ১৭ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০০৭ 
  57. "The London Football Report 2008" (PDF)। Football Fans Census। ১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৮ 
  58. "Football Rivalries: The Survey"। The Daisy Cutter। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১২। ১৮ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৮ 
  59. "First team"। Chelsea FC। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২১ 
  60. "Lampard adds coach to his backroom staff"। Chelsea F.C.। ২৫ আগস্ট ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২০ 
  61. "Petr Cech appointed Technical and Performance Advisor"। Chelsea F.C.। ২১ জুন ২০১৯। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  62. "Carlo Cudicini takes on role coaching Chelsea loan players"। Chelsea F.C.। ২ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১৯ 
  63. "Claude Makelele returns to Chelsea in a new coaching role"। Chelsea F.C.। ২ আগস্ট ২০১৯। ২০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১৯ 
  64. Until 1992, when the Premier League was formed, the top tier of English football was known as the First Division
  65. The trophy was known as the Charity Shield until 2002, and as the Community Shield ever since.

বহিঃসংযোগসম্পাদনা