সুন্নি ইসলাম

ইসলামের একটি সম্প্রদায়
(সুন্নি (ইসলাম) থেকে পুনর্নির্দেশিত)

সুন্নি ইসলাম (আরবি: سني‎‎) বা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাʿআহ (আরবি: أهل السنة والجماعة‎‎) হল ইসলামের বৃহত্তম শাখা। বিশ্বের মুসলমানদের ৮৭–৯০% সুন্নি মতাবলম্বী। এর নামটি আরবি সুন্নাহ শব্দ থেকে এসেছে যা নবী মুহাম্মদের অনুকরণীয় জীবনাচারকে নির্দেশ করে।[১] সুন্নি ও শিয়া মুসলমানদের মধ্যে পার্থক্য মুহম্মদের স্থলাভিষেক সংক্রান্ত মতবিরোধের ফলে উদ্ভূত হয় এবং পরবর্তীকালে বিস্তৃত রাজনৈতিক তাৎপর্য তথা ধর্মতাত্ত্বিকআইনশাস্ত্রীয় মাত্রা অর্জন করে।[২] সুন্নি ঐতিহ্য অনুসারে, মুহাম্মদ তাঁর কোনো উত্তরসূরি মনোনীত করে যাননি এবং আবু বকর হলেন জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত নবীর স্থলাভিষিক্ত ও প্রথম ন্যায়নিষ্ঠ খলিফা[৩][২] এটি শিয়া দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে বৈসাদৃশ্য ধারণ করে। শিয়া মুসলমানদের মতে মুহাম্মদ তাঁর চাচাতো ভাই ও জামাতা আলী ইবনে আবী তালিবকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন।[৪]

আল্লাহর নামের পাশাপাশি সুন্নি ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব নবী মুহাম্মদ, আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, হাসানহোসেনের নাম সংবলিত আরবি চারুলিপি

সুন্নি ইসলামের অনুসারীদের আরবিতে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাʿআহ অর্থাৎ “সুন্নত ও সম্প্রদায়ের লোক” বা সংক্ষেপে আহলুস সুন্নাহ বলে অবিহিত করা হয়।[৫][৬] ইংরেজিতে এর মতাদর্শ ও অনুশীলনকে প্রায়শই সুন্নিজম বলা হয়[৭] এবং এর অনুসারীদের সুন্নি মুসলিম, সুন্নি বা সুন্নাইট নামে ডাকা হয়। সুন্নি ইসলামকে কখনও কখনও “অর্থডক্স ইসলাম” বলে উল্লেখ করা হয়,[৮][৯][১০] যদিও অনেক পণ্ডিত এই অনুবাদকে অনুপযুক্ত মনে করেন।[১১]

কুরআন, হাদিস (বিশেষত কুতুব আল-সিত্তাহে সংগৃহীত) এবং ইজমা সুন্নি ইসলামের মধ্যকার সমস্ত ঐতিহ্যবাহী ফিকহশাস্ত্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। শরীয়তের বিধানগুলি এই মৌলিক উৎসসমূহের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী হানাফি, মালিকি, শাফিঈহাম্বলি মাযহাব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত উসুল আল ফিকহ প্রয়োগের মাধ্যমে কিয়াস, ইস্তিহসানের ইস্তিসলাহ ও মাসলাহার সংযোগে উদ্ভূত হয়। আকীদাগত ক্ষেত্রে সুন্নি ঐতিহ্য ঈমানের ছয়টি স্তম্ভকে সমর্থন করে এবং কালামশাস্ত্রের যুক্তিবাদী আশআরিমাতুরিদি চিন্তাধারা এবং আক্ষরিকতাবাদী আসারি চিন্তাধারা ধারণ করে।

জনসংখ্যা

 
সুন্নী ও শিয়া সম্প্রদায়ের আবাসস্থল দেখানো হয়েছে (গাঢ় অংশ শিয়া)

মুসলিম জনসংখ্যার কত অংশ কোন প্রধান ধারার সাথে যুক্ত আছে তা নির্ণয় করা পরিসংখ্যানবিদদের কাছে বেশ কষ্টকর ছিল। যেমন, শিয়া সুন্নি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য অনেক দেশেই পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। যখন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না তখন দেশটিকে সুন্নি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবুও বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করে একজন মোটামুটি এই অনুমানে পৌঁছাতে পারে যে শিয়ারা মোট মুসলিম জনসংখ্যার ১০-১৫%। যদিও আরেকটি গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখা গেছে শিয়াদের মোট পরিমাণ ৭.৫%।[১২] প্রকৃতপক্ষে এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার তথ্যমতে শিয়াদের পরিমাণ মোট মুসলিম জনসংখ্যার এক-দশমাংশেরও কম।

সুন্নি মাযহাব

ইসলামী আইনকে শরিয়াহ বলা হয়। আর এই শরিয়াহ তৈরি হয় কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াসের ভিত্তিতে। সুন্নিদের যারা এই আইনসমূহের ব্যাখ্যা দেন তাদের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। সুন্নিদের প্রধান চারটি মাযহাব আছে।

পারসিক ইমাম আবু হানিফা (জন্ম ৬৯৯খ্রি. - মৃত্যু ৭৬৭ খ্রি.) হলেন হানাফি মাজহাবের প্রবক্তা। তিনি ইরাকে জন্মগ্রহণ করেন। অন্য মাজহাবগুলোর তুলনায় তার মাজহাবটিতে প্রজ্ঞা ও যুক্তির উপর অনেক বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া; দক্ষিণ রাশিয়া, ককেশাস, বলকান উপদ্বীপের কিছু অংশে, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, ইয়েমেন এবং তুরস্কের অধিকাংশ মুসলিম এই মাজহাব অনুসরণ করেন।

মালিক ইবনে আনাস (জন্ম : ৭১১ খ্রিষ্টাব্দ/ ৯৩ হিজরি - মৃত্যু : ৭৯৫ খ্রিষ্টাব্দ/ ১৭৯ হিজরি) তার তত্ত্বগুলো সুসংগঠিত করেন মদিনাতে যেখানে তার সাথে পরিচয় ঘটেছিলো নবি মুহাম্মদের বেঁচে থাকা এক বৃদ্ধ সাহাবির সঙ্গে। সমগ্র আফ্রিকা (মিশর ব্যতিত) ও পুর্ব উপকূল জুড়ে এই মাজহাবের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।

আল শাফি একজন মধ্যপন্থী হিসেবে বিবেচিত হন। তিনি প্রথমে ইরাকে ও পরে মিশরে শিক্ষালাভ করেন। ইন্দোনেশিয়া, মিশরের দক্ষিণ ভাগ, মালেয়শিয়া এবং ইয়েমেনে এই মাজহাবের অনুসারীদের দেখা মেলে।

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল(৭৮০-৮৫৫ খ্রি./ ১৬৪-২৪১ হিজরি) আশ-শাফির শিষ্য ছিলেন। তৎকালীন খলিফার সাথে কিছু মতভেদের কারণে তার উপর অনেক নির্যাতন করা হয়। আধুনিক সৌদি আরবের অনেকে এই মতের অনুসারী।

এই মাজহাবগুলোর মধ্যে অল্পবিস্তর পার্থক্য থাকলেও সুন্নিরা সব কয়টি পথকেই সঠিক মনে করেন। এই মাজহাবগুলো ছাড়াও আরো মাজহাব রয়েছে যাদের অনুসারী সংখ্যা খুবই নগণ্য কিংবা এরা কেউ বেঁচে নেই।

শরিয়াহকে ব্যাখ্যা করে বিশেষ আইন প্রণয়নকে ফিকহ বলে। মাজহাব হলো একটা বিশেষ উপায়ে ফিকহকে ব্যাখ্যা করার প্রচেষ্টা। এই ঘরানাগুলো বিশেষ কিছু প্রমাণ (শাফি ও হাম্বলি) কিংবা বিশেষ কিছু সাধারণ নীতিমালা (হানাফী ও মালিকী) এর উপর গুরুত্ব আরোপ করে। যেহেতু এই মাজহাবগুলো শরিয়াহ ব্যাখ্যা করার পদ্ধতিগত ভিন্নতা নির্দেশ করে, তাই প্রতিটি ধারাতেই কিছু না কিছু পার্থক্য আছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন ফিকহ আইন তৈরি হয়। যেমন, একসময় তামাক সেবনে অনুৎসাহিত করা হতো এর উৎকট গন্ধের কারণে কিন্তু পরবর্তীতে গবেষণায় এর খারাপ দিকগুলো উন্মোচিত হওয়ায় এটিকে এখন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলাফল হলো শরিয়া অপরিবর্তিত থাকলেও ফিকহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে।

সুন্নীদের মতে মাজহাব ও ধর্মীয় উপদল একই বিষয় নয়। কারণ মাজহাবগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়। একটি বড় মুসলিম জনগোষ্ঠীতে চারটি মাজহাবের অনুসারী চিন্তাবিদই থাকতে পারে। এটা সম্পূর্ণ লোকজনের ব্যাপার যে তারা কোনটা পছন্দ করবে। অনেক সুন্নি মনে করেন যে, একজন মুসলিমের শুধু একটি মাজহাবই অনুসরণ করা উচিত। যদিও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে অন্য মাজহাব থেকেও বিধান নেওয়া যেতে পারে। কিছু সুন্নিরা আবার নির্দিষ্ট কোনো মাজহাব অনুসরণ করেন না। যেমন, আহলে হাদীসরা বিশেষ কোনো মাজহাব মেনে চলতে অস্বীকৃতি জানায়।

ইতিহাস

সুন্নি ধর্মতাত্ত্বিক ঐতিহ্য

বিভিন্ন যুগে মুসলিম চিন্তাবিদগণ স্রষ্টার প্রকৃতি, মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা আছে কিনা ইত্যাদি দার্শনিক প্রশ্নের মুখোমুখী হয়েছেন। ধর্মতত্ত্ব ও দর্শনের বিভিন্ন মতানুসারীগণ বিভিন্নভাবে এই প্রশ্নের জবাব দিতে চেষ্টা করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধর্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যাগুলো হলো :

  • আশয়ারিয়া, যা কিনা আবুল হাসান আশয়ারি কর্তৃক উপস্থাপিত। এই ব্যাখ্যাগুলো ইমাম গাজ্জালি কর্তৃক বেশ সমাদৃত হয়।
    • এই ধর্মতত্ত্বে মরমী জ্ঞানকে প্রজ্ঞার উপর স্থান দেওয়া হয়। তাদের মতে নৈতিক নিয়মসমূহ মানবিক প্রজ্ঞা থেকে তৈরি করা যায় না, বরং স্রষ্টার নির্দেশ, যেমনটা কুরআনে উল্লেখিত এবং মুহাম্মাদ(সা.) এর জীবনাদর্শ (সুন্নাহ)-ই হলো সকল প্রকার নৈতিকতার উৎস।
    • স্রষ্টার প্রকৃতি সম্পর্কে তারা মুতাজিলাদের অবস্থানকে বর্জন করে (যে তত্ত্বমতে কুরআনে স্রষ্টা সংক্রান্ত সকল ভৌত গুণ রূপক)।[১৩] আশারিয়া জোর দেয় যে, বরং এই সকল গুণ সঠিক, কারণ কুরআন ভুল হতে পারে না, তবে স্রষ্টার উপর মোটা দাগের নরত্ব আরোপ করে এগুলো উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।
    • আশারিয়া মানবীয় স্বাধীন ইচ্ছার বিপরীতে স্রষ্টার সর্বময় ক্ষমতার উপর জোর দেয়। তারা বিশ্বাস করে যে, কুরআন সৃষ্ট নয় এবং তা অনাদিকাল থেকে বিদ্যমান।
  • মাতুরিদিয়া (আবু মনসুর আল মাতুরিদি কর্তৃক উপস্থাপিত) যতদিন পর্যন্ত না মধ্য এশিয়ার তুরস্কের (যারা আগে আশআরি ও আল-শাফির অনুসারী ছিল) গোষ্ঠীগুলো এই ধারণা গ্রহণ করে ততদিন পর্যন্ত এই মতবাদের অনুসারীরা খুবই সংখ্যালঘু ছিল। গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি হলো সেলজুক তুর্ক, যারা তুরস্কে চলে গিয়েছিল, যেখানে কিনা পরবর্তীতে উসমানীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[১৪] তাদের প্রতিষ্ঠিত আইনি ব্যবস্থা গোটা সাম্রাজ্যে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
    • মাতুরিদিরা দাবি করত যে স্রষ্টার অস্তিত্ব মানবীয় প্রজ্ঞা থেকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
  • আসারিয়াহ, আসারিয়াহ হলো একটি ইসলামি জ্ঞানতাত্ত্বিক আন্দোলন। এর উদ্ভব ৮ম শতকের শেষের দিকে। আসারিয়াহ মতবাদের অনুসারীদের 'আসারি' বলা হয়। আকিদার ক্ষেত্রে তাঁরা কালাম তথা দার্শনিক যুক্তিতর্ক পরিহার করেন। আসারিরা 'আসার' তথা নবি মুহাম্মাদ ও তাঁর সাথীদের বর্ণনার ভিত্তিতে তাঁদের বিশ্বাস পোষণ করেন। কুরআন-সুন্নাহর বক্তব্য সরল অর্থ গ্রহণ করেন। আল্লাহর সিফাতসমূহের তুলনামুক্ত স্বীকৃতি দেন। আসারিরা আকিদার ক্ষেত্রে সালাফদের অনুসরণ করেন বলে দাবি করেন। এই আকিদার অনুসারীদের মধ্যে আছেন ইমাম আহমাদ, ইবন খুযাইমা, ইবন আবদুল বারর মালিকি, আবু যাইদ আল-কায়রাওয়ানি, ইবন তাইমিয়া, ইবনুল কায়্যিম, ইবন আবিল ইয আল-হানাফি, ইমাম আয-যাহাবি, ইবন রজব আল-হানবালি, ইবন কাসির প্রমূখ।

হাদিসের প্রতি সুন্নি দৃষ্টিভঙ্গি

যে কুরআন আজ আমরা দেখি সেটা আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মুহাম্মাদ (সা.)-এর সহচারীদের দ্বারা সংকলিত হয় এবং তা সমগ্র মুসলিমদের দ্বারা স্বীকৃত হয়। তৎকালীন আরবরা দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক কিছুর সম্মুখীন হতো যেগুলো সরাসরি কুরআনে ছিল না। এক্ষেত্রে তারা মুহাম্মাদ (সা.) ও তার সহাচারীদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করতো। মুহাম্মাদ (সা.)-এর এই জীবনাদর্শ (বাণী ও কর্ম)-কে হাদিস বলা হয়। মুসলিম চিন্তাবিদরা এইসকল হাদিসের বর্ণনাকারীদের ধারা অনুসরণ করে ও তাদের বিশ্বস্ততা যাচাই করে হাদিসের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করে থাকেন। সুন্নিরা সহীহ বুখারীসহীহ মুসলিম নামে দুটি হাদিসগ্রন্থকে বাকিগুলোর তুলনায় অধিকতর গ্রহণযোগ্য মনে করেন। যদিও ছয়টি হাদিস সংকলন মুসলিমদের কাছে বিশেষ গুরত্ব বহন করে। এগুলো হলো :

এছাড়াও আরো কিছু কম পরিচিত হাদিস সংকলন বিদ্যমান। যেমন :

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. John L. Esposito, সম্পাদক (২০১৪)। "Sunni Islam"The Oxford Dictionary of Islam। Oxford: Oxford University Press। 
  2. Tayeb El-Hibri, Maysam J. al Faruqi (২০০৪)। "Sunni Islam"। Philip Mattar। The Encyclopedia of the Modern Middle East and North Africa (Second সংস্করণ)। MacMillan Reference। 
  3. Fitzpatrick, Coeli; Walker, Adam Hani (2014). Muhammad in History, Thought, and Culture: An Encyclopedia of the Prophet of God [2 volumes]. ABC-CLIO. pp. 2–3. আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১০৬৯-১৭৮-৯.
  4. Jafri, Syed Husain Mohammad (২৭ আগস্ট ১৯৭৬)। The Origins and Early Development of Shi'a Islam (Millennium (Series)) (The Millennium (Series).)। Karachi, Pakistan: Oxford University Press (First Published By Longman Group Ltd and Librairie du Liban 1979)। পৃষ্ঠা 19–21। আইএসবিএন 9780195793871The Shi'a unequivocally take the word in the meaning of leader, master and patron and therefore the explicitly nominated successor of the Prophet. The Sunnis, on the other hand, interpret the word mawla in the meaning of a friend or the nearest kin and confidant. 
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; marmura-term নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; lucas-term নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. "Sunnism"-Ologies & -Isms। The Gale Group। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৬ 
  8. John Richard Thackrah (২০১৩)। Dictionary of Terrorism (2, revised সংস্করণ)। Routledge। পৃষ্ঠা 252। আইএসবিএন 978-1-135-16595-6 
  9. Nasir, Jamal J., সম্পাদক (২০০৯)। The Status of Women Under Islamic Law and Modern Islamic Legislation (revised সংস্করণ)। Brill। পৃষ্ঠা 11। আইএসবিএন 9789004172739 
  10. George W. Braswell (২০০০)। What You Need to Know about Islam & Muslims (illustrated সংস্করণ)। B&H Publishing Group। পৃষ্ঠা 62। আইএসবিএন 978-0-8054-1829-3 
  11. An Introduction to the Hadith. John Burton. Published by Edinburgh University Press. 1996. p. 201. Cite: "Sunni: Of or pertaining sunna, especially the Sunna of the Prophet. Used in conscious opposition to Shi'a, Shi'í. There being no ecclesia or centralized magisterium, the translation 'orthodox' is inappropriate. To the Muslim 'unorthodox' implies heretical, mubtadi, from bid'a, the contrary of sunna and so 'innovation'."
  12. ""How Many Shia Are in the World?""। IslamicWeb.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১০-১৮ 
  13. Bülent Þenay। "Ash'ariyyah Theology, Ashariyyah"BELIEVE Religious Information Source। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৪-০১ 
  14. "Maturidiyyah"Philtar। ২০০৬-০২-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-০৪-০১ 

বহিঃসংযোগ