প্রধান মেনু খুলুন

ত্রিশাল উপজেলা

ময়মনসিংহ জেলার একটি উপজেলা

ত্রিশাল উপজেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

ত্রিশাল
উপজেলা
ত্রিশাল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ত্রিশাল
ত্রিশাল
বাংলাদেশে ত্রিশাল উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৩৬.০০০″ উত্তর ৯০°২৫′১২.০০০″ পূর্ব / ২৪.৫৬০০০০০০° উত্তর ৯০.৪২০০০০০০° পূর্ব / 24.56000000; 90.42000000স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৩৬.০০০″ উত্তর ৯০°২৫′১২.০০০″ পূর্ব / ২৪.৫৬০০০০০০° উত্তর ৯০.৪২০০০০০০° পূর্ব / 24.56000000; 90.42000000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগময়মনসিংহ বিভাগ
জেলাময়মনসিংহ জেলা
প্রতিষ্ঠা১৯৮৩
আসনময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
সরকার
 • সংসদ সদস্যহাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী
আয়তন
 • মোট৩৩৮.৭৩ কিমি (১৩০.৭৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪,৩৫,৮০৩
 • জনঘনত্ব১৩০০/কিমি (৩৩০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৬১ ৯৪
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

অবস্থানসম্পাদনা

প্রশাসনিক এলাকাসম্পাদনা

ইতিহাসসম্পাদনা

ত্রিশাল হানাদার মুক্ত দিবসসম্পাদনা

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার মুক্তিকামী জনতা রাতব্যাপী পাক বাহিনীকে সন্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করে। ৮ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে মেজর আফসার বাহিনীর যুদ্ধকালীন কমান্ডার শাহ আনছার উদ্দিন মাস্টারের নির্দেশে কোম্পানি কমান্ডার আ. বারী মাস্টার একদল গেরিলা যোদ্ধা নিয়ে ত্রিশাল থানার পাশে বয়ে যাওয়া সূতীয়া নদীর তীরে থানার ৪শ গজ দক্ষিণে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ওৎ পেতে বসে থাকে। রাত আনুমানিক ১টার দিকে দক্ষিণ ও পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ শুরু করলে পাকবাহিনী ভীত হয়ে উঠে। পাক সেনারা কূলকিনারা না পেয়ে ভোর হবার আগেই জেলা সদরের দিকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাসহ এলাকার বীর বাঙালিরা ত্রিশাল থানা দখল করতে সক্ষম হয়। ওইদিন সকাল ৭টার সময় কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল বারী মাস্টার মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে থানা প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। এ যুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা আত্মঘাতি বুলেটে নিহত হন।

জনসংখ্যার উপাত্তসম্পাদনা

মোট জনসংখ্যা ৪,৩৫,৮০৩ জন (২০১১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ২,১৬,৮৮০ জন, মহিলা ২১৮৯০৩ জন। খানার সংখ্যা ৮০,৬০০টি।

শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্যসমূহসম্পাদনা

শিক্ষার হার ও প্রতিষ্ঠানশিক্ষার হার ৪০.২০% (পুরুষ ৪২.১০%, মহিলা ৩৮.২০%)। মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১৮টি (সরকারী ২০টি, বেসরকারী রেজিষ্টার্ড ৪৪টি, আন-রেজিষ্টার্ড ২টি, উচ্চ বিদ্যালয় সংলগন ৪টি, কিন্ডার গার্ডেন ৩টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ৪টি, উচ্চ মাদ্রাসা সংলগ্ন ৩৪টি, কমিউনিটি ৭টি), নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৩টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি, ডিগ্রী কলেজ ২টি (১টি সরকারী), বিশ্ববিদ্যালয় ১টি (সরকারী), ফাযিল মাদ্রাসা ৫টি, আলিম মাদ্রাসা ৮টি, দাখিল মাদ্রাসা ৩৪টি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহসম্পাদনা

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহসম্পাদনা

বিশ্ববিদ্যালয়টি মার্চ ১, ২০০৫-এ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৭ সালে প্রথম ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়।

কলেজসমূহসম্পাদনা

সম্মিলিত কলেজসম্পাদনা

  • ত্রিশাল ফুলবাড়িয়া মৈত্রী কলেজ
  • ভালুকা ত্রিশাল মৈত্রী কলেজ

মাদ্রাসাসমূহসম্পাদনা

  • কাটাখালী কে.বি.আই দাখিল মাদ্রাসা,কাটাখালী,ধানীখোলা,ত্রিশাল
  • ধানীখোলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ধানীখোলা,ত্রিশাল।
  • বৈইলর মাঠবাড়ি দারুল হুদা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, বইলর,ত্রিশাল।
  • আব্বাসিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, ত্রিশাল
  • কাশীগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসা, আমিরাবাড়ি,ত্রিশাল।
  • মাদরাশা আহলে সুফা, ত্রিশাল।
  • দরগা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, সলিমপুর,ত্রিশাল।
  • সিদ্দিকীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা
  • জান্নাতুল ফেরদুয়াস কাউমি মাদ্রাসা, ত্রিশাল
  • শাখুয়া শেখ বাজার দাখিল মাদ্রাসা
  • জামিয়া সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা নিঘোরকান্দা।
  • কুরগাছা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, মঠবাড়ি, ত্রিশাল

মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহসম্পাদনা

কাটাখালী উমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়,ধানীখোলা, ত্রিশাল।

  • ত্রিশাল সরকারী নজরুল একাডেমী,দরিরামপুর,ত্রিশাল।
  • ধানীখোলা উচ্চ বিদ্যালয়,ধানীখোলা,ত্রিশাল১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
  • সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়,চৌপাগারিয়া,ধানীখোলা,ত্রিশাল১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
  • নজরুল গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়,ত্রিশাল।
  • নজরুল সেনা উচ্চ বিদ্যালয়
  • বৈলর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,সোমূখ বৈলর, ত্রিশাল।
  • ধানীখোলা উসমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,ধানীখোলা।
  • সোনাখালী পাজলারচর উচ্চ বিদ্যালয়,পাজলারচর,ধানীখোলা,ত্রিশাল।
  • ফাতেমানগর উচ্চ বিদ্যালয়,কালির-বাজার।
  • আলী আকবর ভূইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  • শাহজালাল (আর.এ) কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাই স্কুল, সলিমপুর।
  • শুকতারা বিদ্যানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়
  • আহমদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়
  • রাহেলা হযরত মডেল স্কুল
  • মুকাসপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  • শঙ্কিভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়
  • ইসলামিয়া একাডেমী স্কুল অ্যান্ড কলেজ
  • সলিমপুর আদর্শ জুনিয়র স্কুল
  • সোনাখালী পাজলার চর উচ্চ বিদ্যালয়
  • ত্রিশাল আন্তর্জাতিক স্কুল ও কলেজ
  • সাখুয়া উচ্চ বিদ্যালয়
  • গুজিয়াম আমিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়
  • পাটুলি রহমতউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়, আউলিয়ানগর।
  • বাগান ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বাগান।
  • আহমদাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়
  • ধল্লা হাই স্কুল, বালিপাড়া।
  • রায়ের গ্রাম শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়।
  • পোড়াবাড়ী উচ্চবিদ্যালয় (১৯৫২)

অর্থনীতিসম্পাদনা

এখানকার মানুষ কৃষি, মৎস, শিল্প ইত্যাদি নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।ফলে আমাদের রপ্তানি আয় অনেক বাড়ছে। দেশ অনেক উৎপাদনশীল এবং সাবলম্বী হতে পারতেছে।

নদীসমূহসম্পাদনা

গ্যালারীসম্পাদনা

কৃতি ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

বিবিধসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে ত্রিশাল"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৪ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬০৬। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 
  4. "আবুল মনসুর আহমেদ : যে কারনে আলোচিত"জননেতা.কম। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা