প্রধান মেনু খুলুন

গ্রিস জাতীয় ফুটবল দল (গ্রিক: Εθνική Ελλάδος, Ethniki Ellados) আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে গ্রিস দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ফুটবল দল। গ্রিস ফুটবলের পরিচালনা পরিষদ হেলেনিক ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক গ্রিস দল পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। পিরেয়াজে অবস্থিত কারাইজকাকিস স্টেডিয়াম গ্রিসের নিজস্ব অনুশীলনী মাঠ। ফার্নান্দো সান্তোস বর্তমানে দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। ইউরোপীয় ফুটবলভূক্ত জাতীয় দলগুলোর মধ্যে গ্রিসও অন্যতম সফল দলরূপে পরিচিত। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপ শিরোপা লাভকারী নয়টি জাতীয় দলের একটি হিসেবে গ্রিস অন্তর্ভুক্ত।

গ্রিস
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন কুলচিহ্ন
ডাকনাম(সমূহ)Ethniki (National)
Piratiko (The Pirate Ship)
Galanolefki (Sky blue-white)
অ্যাসোসিয়েশনHellenic Football Federation (HFF)
Ελληνική Ποδοσφαιρική Ομοσπονδία
কনফেডারেশনউয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচফার্নান্দো সান্তোস
অধিনায়কগিওর্গোস কারাগোনিস
সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়গিওর্গোস কারাগোনিস (১৩২)
শীর্ষ গোলদাতানিকোজ আনাস্তাপোলোস (২৯)
স্বাগতিক স্টেডিয়ামগিওর্গিওস কারাইজকাকিস স্টেডিয়াম
ফিফা কোডGRE
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান১০
সর্বোচ্চ(এপ্রিল ২০০৮ - জুন ২০০৮; অক্টোবর ২০১১)
সর্বনিম্ন৬৬ (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান১৭
সর্বোচ্চ(আগস্ট ২০০৪)
সর্বনিম্ন৭৮ (মে ১৯৬৩ ও নভেম্বর ১৯৬৩)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 গ্রিস ১-৪ ইতালি 
(এথেন্স, গ্রিস; ৭ এপ্রিল, ১৯২৯)
বৃহত্তম জয়
 গ্রিস ৮-০ সিরিয়া 
(এথেন্স, গ্রিস; ২৫ নভেম্বর ১৯৪৯)
বৃহত্তম হার
 হাঙ্গেরি ১১-১ গ্রিস 
(বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি; ২৫ মার্চ ১৯৩৮)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি (প্রথম ১৯৯৪)
সেরা সাফল্য১ম রাউন্ড, ১৯৯৪২০১০
ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ
উপস্থিতি (প্রথম ১৯৮০)
সেরা সাফল্যবিজয়ী Gold medal icon bn.svg : ২০০৪
অলিম্পিক
উপস্থিতি৩ (প্রথম ১৯২০)
Best result১ম রাউন্ড: ১৯২০, ১৯৫২, ২০০৪
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি (প্রথম ২০০৫)
সেরা সাফল্য১ম রাউন্ড, ২০০৫

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাসসম্পাদনা

বড় ধরনের ফুটবল প্রতিযোগিতায় গ্রিস তেমন সফলতা লাভ করতে পারেনি। তবে, দলটি ফিফা বিশ্বকাপ ও উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপের চূড়ান্ত পর্বে যথাক্রমে ১৯৯৪১৯৮০ সালে অংশ নিতে পেরেছে। কিন্তু ২০০৪ সালের উয়েফা ইউরো প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়বারের মতো অংশগ্রহণ ও শিরোপা লাভ করে সকলকে তাক লাগিয়ে দেয়। জুয়াড়ীরা প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বে ৮০-১ থেকে ১৫০-১ দর ধরে। পূর্বতন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং স্বাগতিক পর্তুগালকে সম্ভাব্য শিরোপালাভে আশাবাদ ব্যক্ত করা হলেও উভয় দলকেই উদ্বোধনী ও চূড়ান্ত খেলায় পরাভূত করেছিল। এ বিজয়ের পর থেকেই গ্রিস ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ও বিশ্বকাপ বাদে সকল বড় ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও দলটি ২০১২ সালের ইউরো কাপে কোয়ার্টার-ফাইনালে অংশ নিয়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে চার মাস ছাড়া ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ২০ দলে ঠাঁই পায়। এপ্রিল-জুন, ২০০৮ এবং অক্টোবর, ২০১১ সালে দলটি সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিং ৮-এ পৌঁছে।

ফিফা বিশ্বকাপসম্পাদনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপে গ্রিস দল চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। উয়েফা বাছাই পর্ব থেকে দলটি অপরাজিত অবস্থায় রাশিয়া দলকে পাশ কাটিয়ে শীর্ষস্থান লাভ করে। চূড়ান্ত পর্বে ডেথ গ্রুপ নামে পরিচিত ডি গ্রুপে অবস্থান করে আর্জেন্টিনার কাছে ৪-০, বুলগেরিয়ার কাছে ৪-০ ও নাইজেরিয়ার কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাভূত হয়। এ বিশ্বকাপে কোচ আলকেতাস পানাগোলিয়াস তিন খেলায় তিনজন গোলরক্ষককে মাঠে নামান যা বেশ দুর্লভ ঘটনা।

২০১০ সালের উয়েফা বিশ্বকাপ বাছাই-পর্বের ২নং গ্রুপে গ্রিস দল দ্বিতীয় স্থান লাভ করে ও বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ৪ নভেম্বর, ২০০৯ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া দলের সাথে বি গ্রুপে অবস্থান করে। গ্রিস তাদের উদ্বোধনী খেলায় কোরিয়ার কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত হয় ও নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারায়। কিন্তু শেষ খেলায় শক্তিশালী আর্জেন্টিনা দলেরসাথে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ০-০ ড্র রাখলেও শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হেরে যায়। বিশ্বকাপ শেষে গ্রিস ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৩শ থেকে ১২শ অবস্থানে চলে আসে।

আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাবার পর গ্রিক দলের ম্যানেজোর অটো রেহাগেলকে বরখাস্ত করা হয়।[১] এর আট দিন পর হেলেনিক ফুটবল ফেডারেশন ফার্নান্দো সান্তোসকে গ্রিক ফুটবলের নতুন ম্যানেজাররূপে নিযুক্ত করে।[২]

সাফল্যগাঁথাসম্পাদনা

সম্মাননাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা