সেনেগাল জাতীয় ফুটবল দল

সেনেগাল জাতীয় ফুটবল দল (ফরাসি: Équipe nationale de football du Senegal, ইংরেজি: Senegal national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সেনেগালের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম সেনেগালের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেনেগালীয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৬৪ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬৩ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৫৯, ফরাসি সেনেগাল হিসেবে সেনেগাল প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; গাম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে সেনেগাল ব্রিটিশ গাম্বিয়াকে ১–২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

সেনেগাল
দলের লোগো
ডাকনামলে লায়ন্স দে লা তেরাঙ্গা
(তেরাঙ্গার সিংহ)
অ্যাসোসিয়েশনসেনেগালীয় ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচআলিউ সিসে
অধিনায়ককালিদু কুলিবালি
সর্বাধিক ম্যাচঅঁরি কামারা (৯৯)
শীর্ষ গোলদাতাঅঁরি কামারা (২৯)
মাঠস্তাদ লেওপোলদ সেদার স্যাঁগর
ফিফা কোডSEN
ওয়েবসাইটwww.fsfoot.sn
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ২০ অপরিবর্তিত (১০ ডিসেম্বর ২০২০)[১]
সর্বোচ্চ২০ (জুলাই ২০১৯ – সেপ্টেম্বর ২০২০)
সর্বনিম্ন৯৯ (জুন ২০১৩)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৩২ হ্রাস(১৩ জানুয়ারি ২০২১)[২]
সর্বোচ্চ২১ (জুন ২০০২)
সর্বনিম্ন১০৫ (অক্টোবর ১৯৯৪)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 ব্রিটিশ গাম্বিয়া ১–২ ফরাসি সেনেগাল Flag of Senegal (1958–1959).svg
(গাম্বিয়া; ১৯৫৯)
বৃহত্তম জয়
 সেনেগাল ৭–০ মরিশাস 
(ডাকার, সেনেগাল; ৯ অক্টোবর ২০১০)
বৃহত্তম পরাজয়
 চেকোস্লোভাকিয়া ১১–০ সেনেগাল 
(প্রাগ, চেকোস্লোভাকিয়া; ২ নভেম্বর ১৯৬৬)
বিশ্বকাপ
অংশগ্রহণ২ (২০০২-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যকোয়ার্টার-ফাইনাল (২০০২)
আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ১৬ (১৯৬৫-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যরানার-আপ (২০০২, ২০১৯)

৬০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট স্তাদ লেওপোলদ সেদার স্যাঁগরে লে লায়ন্স দে লা তেরাঙ্গা নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন আলিউ সিসে এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন নাপোলির রক্ষণভাগের খেলোয়াড় কালিদু কুলিবালি

সেনেগাল এপর্যন্ত ২ বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছানো, যেখানে তারা তুরস্কের কাছে অতিরিক্ত সময়ে গোল্ডেন গোলের মাধ্যমে পরাজিত হয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে সেনেগাল এপর্যন্ত ১৬ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০০২ এবং ২০১৯ আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সের ফাইনালে পৌঁছানো।

অঁরি কামারা, তনি সিলভা, জুল বোকঁদে, সাদিও মানে এবং মামাদু নিয়ংয়ের মতো খেলোয়াড়গণ সেনেগালের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিংসম্পাদনা

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে সেনেগাল তাদের ইতিহাসে সর্বপ্রথম সর্বোচ্চ অবস্থান (২০তম) অর্জন করে এবং ২০১৩ সালের জুন মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ৯৯তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে সেনেগালের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ২১তম (যা তারা ২০০২ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১০৫। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
১০ ডিসেম্বর ২০২০ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[১]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৮     ওয়েলস ১৫৬২
১৯     পোল্যান্ড ১৫৫৯
২০     সেনেগাল ১৫৫৮
২০     সুইডেন ১৫৫৮
২২     মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫৪৫
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১৩ জানুয়ারি ২০২১ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[২]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৩১     চেক প্রজাতন্ত্র ১৭৬১
৩২     সেনেগাল ১৭৫৮
৩৩     তুরস্ক ১৭৫৩
৩৪     আলজেরিয়া ১৭৫১

প্রতিযোগিতামূলক তথ্যসম্পাদনা

ফিফা বিশ্বকাপসম্পাদনা

ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো
  ১৯৩০ অংশগ্রহণ করেনি অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান
  ১৯৩৪
  ১৯৩৮
  ১৯৫০
  ১৯৫৪
  ১৯৫৮
  ১৯৬২
  ১৯৬৬
  ১৯৭০ উত্তীর্ণ হয়নি
  ১৯৭৪
  ১৯৭৮
  ১৯৮২
  ১৯৮৬
  ১৯৯০ অংশগ্রহণ করেনি অংশগ্রহণ প্রত্যাখ্যান
  ১৯৯৪ উত্তীর্ণ হয়নি ১১ ১২
  ১৯৯৮
    ২০০২ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৭ম ১০ ১৬
  ২০০৬ উত্তীর্ণ হয়নি ১০ ২১
  ২০১০
  ২০১৪ ১১
  ২০১৮ গ্রুপ পর্ব ১৭তম ১৫
  ২০২২ অনির্ধারিত অনির্ধারিত
মোট কোয়ার্টার-ফাইনাল ২/২১ ১১ ১০ ৬৩ ২৬ ২২ ১৫ ৯০ ৫৬

অর্জনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ১০ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০২০ 
  2. গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১৩ জানুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২১ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা