প্রথম সুলাইমান

উসমানীয় সাম্রাজের সুলতান

প্রথম সুলাইমান (উসমানীয় তুর্কি ভাষায়: سليمان اوّل-(সুলাইমান-ই-আউওয়াল) ("সুলায়মান দ্য ম্যাগ্নিফিসেন্ট", তুর্কি ভাষায় মুহতেশিম সুলাইমান বা মহৎ সুলায়মান নামে পশ্চিমা বিশ্বে পরিচিত, তুরস্কে সুলতান সুলাইমান আল কানুনি নামে পরিচিত)) ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের দশম এবং সবচেয়ে দীর্ঘকালব্যাপী শাসনরত সুলতান, যিনি ১৫২০ সাল থেকে ১৫৬৬ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত উসমানীয় সাম্রাজ্য শাসন করেন।[৩]

প্রথম সুলাইমান
উসমানীয় খলিফা
আমিরুল মুমিনিন
উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান
কায়সার ই রোম
আলকানুনি (বিধানকর্তা)
ম্যাগনিফিসেন্ট (মহৎ)
খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন
EmperorSuleiman.jpg
টিটিয়ান কর্তৃক অঙ্কিত একটি আবক্ষ চিত্রে সুলাইমান, আনুমানিক ১৫৩০
ইসলামের খলিফা
১০ম উসমানীয় সুলতান
রাজত্ব২২শে সেপ্টেম্বর ১৫২০ – ৫ই/৬ই সেপ্টেম্বর ১৫৬৬
রাজ্যাভিষেক৩০শে সেপ্টেম্বর ১৫২০
পূর্বসূরিপ্রথম সেলিম
উত্তরসূরিদ্বিতীয় সেলিম
সমাধি
সঙ্গিনীহুররাম সুলতান (রোক্সেলানা)(বৈধ স্ত্রী)
মাহিদেভ্রান সুলতান
গুলফাম হাতুন
ফেলানি হাতুন
বংশধরশাহজাদা মাহমুদ
শাহজাদা মুস্তাফা
শাহজাদা মুরাদ
শাহজাদা মেহমেদ
মিহরিমাহ সুলতান
শাহজাদা আবদুল্লাহ
রাজিয়া সুলতান
দ্বিতীয় সেলিম
শাহজাদা বায়েজিদ
শাহজাদা জাহাঙ্গীর
ফাতমা নূর সুলতান
রাজবংশউসমানীয় রাজবংশ
পিতাপ্রথম সেলিম
মাতাহাফসা সুলতান
ধর্মসুন্নি ইসলাম
তুগরাপ্রথম সুলাইমান স্বাক্ষর

পাশ্চাত্যে তিনি মহৎ সুলাইমান হিসেবেও পরিচিত। তিনি পুর্নবারের জন্য সম্পূর্ণভাবে উসমানীয় সাম্রাজ্যের নীতিমালাগুলো তৈরি করেছিলেন বলে প্রাচ্যে তাকে বলা হয় কানুনি সুলাইমান (আরবি: سليمان القانوني‎‎)। প্রথম সুলাইমান ষোড়শ শতাব্দীর ইউরোপে একজন বিশিষ্ট রাজা হিসেবে স্থান লাভ করেন, যার শাসনামলে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তির বিস্তার ঘটে। সুলতান সুলাইমানের সেনাবাহিনী রোমান সাম্রাজ্য এবং হাঙ্গেরির পতন ঘটায়।সুলতান সুলাইমান পারস্যের সাফাভি রাজবংশের সাফাভিদ শাহ প্রথম তাহমাসবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মধ্য প্রাচ্যের বেশির ভাগ অঞ্চল দখল করে নেন। তিনি উত্তর আফ্রিকায় আলজেরিয়া সহ বড় বড় অঞ্চলগুলো রোমান সাম্রাজ্যের হাত থেকে দখল করে নেয়। তার শাসনামলে নৌসেনাপতি হাইরেদ্দীন বারবারোসা স্পেনের অ্যাডমিরাল আন্দ্রে ডুরিয়ার নেতৃত্বে সম্মিলিত খ্রিস্টান বাহিনীর বিরুদ্ধে ১৫৩৮ সালে প্রিভিজার যুদ্ধে বারবারোসা বিজয় লাভ করে।এই উসমানীয় নৌবাহিনী ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর পর্যন্ত তাদের আধিপত্য বজায় রাখে।[৪] এছাড়াও তার নৌ বাহিনী তৎকালীন স্পেনের হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যাওয়া পলায়নরত নির্বাসিত মুসলিম ও ইহুদিদের উদ্ধারকার্য পরিচালনা করেন। সুলতান সুলায়মান ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের সবেচেয়ে শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান সুলতান।

উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিস্তারকালে, সুলতান সুলাইমান ব্যক্তিগতভাবে তার সাম্রাজ্যের সমাজ ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা, খাজনা ব্যবস্থা ও অপরাধের শাস্তি ব্যবস্থার বিষয়গুলোতে আইনপ্রণয়নসংক্রান্ত পরিবর্তন আনার আদেশ দেন। তিনি যেসব কানুনগুলো স্থাপন করে গেছেন, সেসব কানুনগুলো উসমানীয় সাম্রাজ্যে অনেক শতাব্দী ধরে প্রচলিত ছিল।[৫] সুলতান সুলাইমান যে শুধু একজন মহান রাজা ছিলেন তা নয়, তিনি একজন মহান কবিও ছিলেন। "মুহিব্বি" (অর্থ:প্রেমিক) নামক ছদ্ম উপনামে তিনি তুর্কি ও ফারসি ভাষায় বহু কালজয়ী কবিতা লিখেছেন। তার শাসনামলে উসমানীয় সংস্কৃতির অনেক উন্নতি হয়। সুলতান সুলাইমান উসমানীয় তুর্কি ভাষা সহ আরো পাঁচটি ভিন্ন ভাষায় কথা বলতে পারতেন: আরবী ভাষা, সার্বীয় ভাষা, ফার্সি ভাষা, উর্দু ভাষা এবং চাগাতাই ভাষা (একটি বিলুপ্ত তুর্কি ভাষা)।

জানা যায় যে, সুলতান সুলাইমান উসমানীয় সাম্রাজ্যের দু'শ বছরের সংসকৃতির নিয়ম ভঙ্গ করে তার হারেমের একজন কানিজ, রোক্সেলানার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রোক্সেলানার নাম পরবর্তীকালে হুরেম সুলতান রাখা হয়। তিনি সুলতান সুলাইমানের পুত্র, সেলিমের গর্ভধারণী হন, যেই শাহজাদা সুলতান সুলাইমানের মৃত্যুর পর দ্বিতীয় সেলিম হিসেবে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান হন।

সুলতান সুলেমান তৎকালীন ফ্রান্সের রাজা প্রথম ফ্রান্সিসকে লেখা তার একটি চিঠি:

“আমি যিনি সুলতানদের সুলতান, রাজার রাজা, বিশ্বের বুকে সমস্ত রাজাদের মুকুটদাতা, পৃথিবীতে আল্লাহর ছায়া, শ্বেতসাগর এবং কৃষ্ণসাগর, রুমেলিয়া(বলকান অঞ্চল), আনাতোলিয়া, কারামানিয়া, রুম ভূখণ্ড, জুলকাদ্রিয়া, দিয়ারবেকির, কুর্দিস্তান, আজেরবাইজান, পারস্য, দামাস্কাস, আলেপ্পো, কায়রো,মাগরিব (উত্তর আফ্রিকা), মক্কা, মদিনা, জেরুজালেম, সারা আরব, ইয়ামান, এবং অন্যান্য দেশ যা আমার পূর্বপুরুষদের (আল্লাহ তাদের কবরকে আলোকিত করুন) বাহুবলে জয় করা ভূখণ্ড এবং আমার বীরত্বের পরস্কার তাদের মহিমময় আল্লাহর দান করা ভূখণ্ডের সর্বময় কর্তা, আমি সুলতান সুলাইমান খান, সুলতান সেলিম খানের পুত্র, সুলতান বায়েজিদ খানের পৌত্র, তোমার উদ্দেশ্যে, ফ্রান্সের রাজা ফ্রান্সিস”।

বিকল্প নাম ও উপাধিসমূহসম্পাদনা

মহৎ সুলাইমান (محتشم سليمان মুহতেশিমrম সুলাইমান) নামে তিনি পশ্চিমা বিশ্বে পরিচিত ছিলেন, এবং পাশাপাশি তাকে প্রথম সুলাইমান (سلطان سليمان أول সুলতান সুলাইমান-ই আওয়াল), এবং অটোম্যান আইনি প্রক্রিয়াকে আবারও সম্পূর্ণরূপে ঢালাওভাবে সাজানোর কারণে তাকে আইনপ্রণয়নকারী সুলাইমান (قانونی سلطان سليمان কানুনি সুলতান সুলাইমান) নামেও ডাকা হতো।

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

শিক্ষাসম্পাদনা

আনাতোলিয়ার ভাইসরয়সম্পাদনা

উত্তরাধিকার লাভসম্পাদনা

সামরিক অভিযানসম্পাদনা

ইউরোপে বিজয়সমূহসম্পাদনা

 
Suleiman during the Siege of RhodesSiege of Rhodes in 1522.

Upon succeeding his father, Suleiman began a series of military conquests, eventually suppressing a revolt led by the Ottoman-appointed governor of Damascus in 1521. Suleiman soon made preparations for the conquest of Belgrade from the Kingdom of Hungary—something his great-grandfather Mehmed II had failed to achieve because of John Hunyadi's strong defense in the region. Its capture was vital in removing the Hungarians and Croats who, following the defeats of the Serbs, Bulgarians, Albanians and the Byzantines, remained the only formidable force who could block further Ottoman gains in Europe. Suleiman encircled Belgrade and began a series of heavy bombardments from an island in the Danube. Belgrade, with a garrison of only 700 men, and receiving no aid from Hungary, fell in August 1521.[৬]

The fall of Christendom's major strongholds spread fear across Europe. As the ambassador of the Holy Roman Empire to Constantinople was to note, "The capture of Belgrade was at the origin of the dramatic events which engulfed Hungary. It led to the death of King Louis, the capture of Buda, the occupation of Transylvania, the ruin of a flourishing kingdom and the fear of neighboring nations that they would suffer the same fate ..."[৭]

 
Suleiman as a young man

The road to Hungary and Austria lay open, but Suleiman turned his attention instead to the Eastern Mediterranean island of Rhodes, the home base of the Knights Hospitaller. In the summer of 1522, taking advantage of the large navy he inherited from his father, Suleiman dispatched an armada of some 400 ships towards Rhodes, while personally leading an army of 100,000 across Asia Minor to a point opposite the island itself.[৮] Here Suleiman built a large fortification, Marmaris Castle, that served as a base for the Ottoman Navy. Following the brutal five-month Siege of Rhodes (1522), Rhodes capitulated and Suleiman allowed the Knights of Rhodes to depart. (The Knights of Rhodes eventually formed a new base in Malta, becoming known as Knights of Malta, even now.)

As relations between Hungary and the Ottoman Empire deteriorated, Suleiman resumed his campaign in Central Europe and on 29 August 1526, he defeated Louis II of Hungary (1506–26) at the Battle of Mohács. In its wake, Hungarian resistance collapsed and the Ottoman Empire became the preeminent power in Central Europe.[৯] Upon encountering the lifeless body of King Louis, Suleiman is said to have lamented: "I came indeed in arms against him; but it was not my wish that he should be thus cut off before he scarcely tasted the sweets of life and royalty."[১০][১১] While Suleiman was campaigning in Hungary, Turkmen tribes in central Anatolia revolted under the leadership of Kalender Çelebi.

Some Hungarian nobles proposed that Ferdinand, who was ruler of neighboring Austria and tied to Louis II's family by marriage, be King of Hungary, citing previous agreements that the Habsburgs would take the Hungarian throne if Louis died without heirs.[১২] However, other nobles turned to the nobleman John Zápolya, who was being supported by Suleiman. Under Charles V and his brother Ferdinand I, the Habsburgs reoccupied Buda and took possession of Hungary. Reacting in 1529, Suleiman marched through the valley of the Danube and regained control of Buda; in the following autumn his forces laid siege to Vienna. This was to be the Ottoman Empire's most ambitious expedition and the apogee of its drive to the West. With a reinforced garrison of 16,000  men,[১৩] the Austrians inflicted the first defeat on Suleiman, sowing the seeds of a bitter Ottoman-Habsburg rivalry, which lasted until the 20th century.[১৪] His second attempt to conquer Vienna failed in 1532, with Ottoman forces delayed by the siege of Güns, failing to reach Vienna. In both cases, the Ottoman army was plagued by bad weather (forcing them to leave behind essential siege equipment) and was hobbled by overstretched supply lines.[১৫]

 
King John Sigismund of Hungary with Suleiman in 1556.

By the 1540s a renewal of the conflict in Hungary presented Suleiman with the opportunity to avenge the defeat suffered at Vienna.

In 1541 the Habsburgs once again engaged in conflict with the Ottomans, by attempting to lay siege to Buda. With their efforts repulsed and more Habsburg fortresses captured by the Ottomans in two consecutive campaigns in 1541 and in 1544 as a result,[১৬] Ferdinand and his brother Charles V were forced to conclude a humiliating five-year treaty with Suleiman. Ferdinand renounced his claim to the Kingdom of Hungary and was forced to pay a fixed yearly sum to the Sultan for the Hungarian lands he continued to control. Of more symbolic importance, the treaty referred to Charles V not as 'Emperor', but as the 'King of Spain', leading Suleiman to identify as the true 'Caesar'.[১৭]

With his main European rivals subdued, Suleiman ensured that the Ottoman Empire had a powerful role in the political landscape of Europe

অটোম্যান–সফভীয় যুদ্ধসম্পাদনা

ভারত মহাসাগরে অভিযানসমূহসম্পাদনা

ভূমধ্যসাগরীয় ও উত্তর আফ্রিকাসম্পাদনা

প্রশাসনিক সংস্কারসম্পাদনা

সাংস্কৃতিক অর্জনসমূহসম্পাদনা

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

সঙ্গিনীগণ ও সন্তানাদিসম্পাদনা

সুলায়মানের তিনজন সুপরিচিত সঙ্গী ছিলেন:

সুলায়মানের তিন সঙ্গীর মোট আট সন্তান ছিল:

হুররেম সুলতানের সঙ্গে সম্পর্কসম্পাদনা

হুররেম সুলতান ( রোক্সেলানা হিসেবেও পরিচিত ) ছিলেন রুথেনিয় বংশোদ্ভূত উসমানীয় সম্রাট প্রথম সুলাইমানের প্রিয়তম প্রমোদ দাসী (উপপত্নী) ও পরবর্তীকালে তার বৈধ স্ত্রী এবং সম্রাটের সন্তান শাহজাদা মেহমেদ, মিহরিমাহ সুলতান, শাহজাদা আবদুল্লাহ, সুলতান দ্বিতীয় সেলিম, শাহজাদা বায়েজিদ এবং শাহজাদা জাহাঙ্গীরের মাতা।[১৯] হুররেম সম্ভবত কোন ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স ধর্মযাজক পিতার ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন।[২০][২১][২২] তিনি পোল্যান্ড রাজ্যের রুথেনীয় ভয়ভডেশিপের প্রধান শহর ল্বও-এর ৬৮ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বের রুহাটাইন নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন (বর্তমান পশ্চিম ইউক্রেন)।[২২] ১৫২০-এর দশকে ক্রিমিয়ার তাতাররা ওই এলাকার একটি তড়িৎ অভিযানের সময় তাকে বন্দী করে একজন দাসী হিসেবে নিয়ে আসে (সম্ভবত প্রথমে ক্রিমিয়ার নগরী কাফফায়, যা দাস ব্যবসার একটি প্রধান কেন্দ্র, এরপর কনস্টান্টিনোপলে) এবং তাকে প্রথম সুলাইমানের হারেমের জন্য বাছাই করে।[২০][২২] তিনিই সুলতানের সর্বাধিক সংখ্যক সন্তানের জন্ম দেন, এবং আশ্চর্যজনকভাবে চিরায়ত প্রথা ভঙ্গ করে - তিনি দাসত্ব হতেও মুক্তি লাভ করেন। দুইশত বছরের অটোম্যান ঐতিহ্যকে ভঙ্গ করে,[২৩] একজন প্রাক্তন উপপত্নী এভাবে অবশেষে সুলতানের বৈধ পত্নী হয়ে ওঠে, যা প্রাসাদ ও নগরীর প্রত্যক্ষদর্শীদের জন্য অত্যন্ত হতবাককারী একটি বিষয় ছিল।[২৪] এই ঘটনা সুলাইমানকে ওরহান গাজির (১৩২৬- ১৩৬২) পর প্রথম দাসী বিবাহকারী সুলতানের পরিচয় এনে দেয় এবং প্রাসাদে হুররামের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে, যার ফলশ্রুতিতে তার অন্যতম পুত্র দ্বিতীয় সেলিম ১৫৬৬ সালে সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকার লাভ করেন। সুলায়মান বাকি জীবনে রাজসভাতেও হুররেমকে তার সাথে থাকতে দেন, যার ফলে আরেকটি প্রথা ভঙ্গ হয়, আর তা হল, যখন সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারীগণ উপযুক্ত বয়সে পৌঁছুবে, তাদেরকে তাদের রাজ উপপত্নীসহ (উত্তরাদিকারিদেরকে তাদের মাতাসহ) নিকটস্থ প্রদেশে শাসনের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হবে, উক্ত উপপত্নীদের সন্তান ক্ষমতায় বসার আগ পর্যন্ত তারা ফিরে আসতে পারবে না।[২৫] সুলতানের রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবেও হুররেম ভূমিকা পালন করেছেন, এবং প্রতীয়মান হয় যে তিনি বৈদেশিক নীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও প্রভাব রেখেছিলেন।[২৬]

সুলতান সুলেইমান তার "মুহিব্বি" নামক ছদ্মনাম ব্যবহার করে হুররেম সুলতানের জন্য নিম্নোক্ত কবিতাটি লিখেছিলেন:

"আমার নির্জনতার সিংহাসন, আমার সম্পত্তি, আমার প্রেম, আমার পূর্ণিমা।
আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু, আমার সখী, আমার চিরন্তন অস্তিত্ব, আমার সুলতান, আমার একমাত্র ভালোবাসা।
সুন্দরীদের মাঝে সবচেয়ে সুন্দরীতমা...
আমার বসন্তকাল, আমার সদা প্রফুল্ল মুখী ভালোবাসা, আমার দিবস, আমার প্রাণের প্রিয়া, আমার হাস্যোজ্জল পত্র...
আমার গুল্ম, আমার মিষ্টি, আমার গোলাপ, এ জগতে একমাত্র সেই আমাকে কোন দুঃখ দেয় নি...
আমার ইস্তাম্বুল, আমার কারামান, আমার আনাতোলিয়ার পৃথিবী
আমার বাদাকশান, আমার বাগদাদ আর খোরাসান
আমার সুকেশী রমণী, আমার হেলানো ভুরুর প্রণয়, আমার দুষ্টুমিভরা চোখের প্রেম...
আমি সর্বদা তোমার গুণ গাইবো
আমি, এই ভগ্ন হৃদয়ের প্রেমিক, অশ্রুভরা চোখের মুহিব্বি (প্রেমিক), আমিই তো সুখী।"[২৭]

প্রধান উজির পারগালি ইব্রাহীম পাশাসম্পাদনা

 
উসমানীয় সুলতান প্রথম সুলাইমান, তার প্রধান উজির পারগালি ইব্রাহিম পাশার জন্য বুদায় অপেক্ষা করছেন, সময়কাল ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দ।

শাসনের ধারাবাহিকতাসম্পাদনা

মৃত্যুসম্পাদনা

১৫৬৬ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর,[২৮] সুলাইমান, তিনি তখন হাঙ্গেরি অভিযানের নেতৃত্ব দেয়ার উদ্দেশ্যে কনস্টান্টিনোপল হতে রওয়ানা হয়েছিলেন, তিনি হাঙ্গেরিতে যিগেটভারের যুদ্ধে অটোম্যান বিজয়ের পূর্বেই মারা যান[২৯] এবং প্রধান উজির ফিরে যাবার সময় দ্বিতীয় সেলিমের অভিষেকের সুবিধার্থে তার মৃত্যুর খবর গোপন রাখেন।

উত্তরাধিকারসম্পাদনা

 
left.প্রথম সুলায়মান এর বিজয়গুলি সাম্রাজ্যের শিখর অবধি অব্যাহত আঞ্চলিক সম্প্রসারণ দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছিল।

At the time of Suleiman's death, the Ottoman Empire was one of the world's foremost powers.[৩০] Suleiman's conquests had brought under the control of the Empire the major Muslim cities (Mecca, Medina, Jerusalem, Damascus, Cairo and Baghdad), many Balkan provinces (reaching present day Croatia and Austria), and most of North Africa. His expansion into Europe had given the Ottoman Turks a powerful presence in the European balance of power. Indeed, such was the perceived threat of the Ottoman Empire under the reign of Suleiman that Austria's ambassador Busbecq warned of Europe's imminent conquest: "On [the Turks'] side are the resources of a mighty empire, strength unimpaired, habituation to victory, endurance of toil, unity, discipline, frugality and watchfulness ... Can we doubt what the result will be? ... When the Turks have settled with Persia, they will fly at our throats supported by the might of the whole East; how unprepared we are I dare not say."[৩১]

 
Türbe (tomb) of Sultan Suleiman at Süleymaniye Mosque

Even thirty years after his death, "Sultan Solyman" was quoted by the English playwright William Shakespeare as a military prodigy in The Merchant of Venice (Act 2, Scene 1).

Suleiman's legacy was not, however, merely in the military field. The French traveler Jean de Thévenot bears witness a century later to the "strong agricultural base of the country, the well being of the peasantry, the abundance of staple foods and the pre-eminence of organization in Suleiman's government".[৩২] The administrative and legal reforms which earned him the name Law Giver ensured the Empire's survival long after his death, an achievement which "took many generations of decadent heirs to undo".[৩৩]

 
Funeral of the Ottoman Sultan Suleiman the Magnificent

Through his personal patronage, Suleiman also presided over the Golden Age of the Ottoman Empire, representing the pinnacle of the Ottoman Turks' cultural achievement in the realm of architecture, literature, art, theology and philosophy.[৫][৩৪] Today the skyline of the Bosphorus and of many cities in modern Turkey and the former Ottoman provinces, are still adorned with the architectural works of Mimar Sinan. One of these, the Süleymaniye Mosque, is the final resting place of Suleiman and Hürrem Sultan: they are buried in separate domed mausoleums attached to the mosque.

However, after his death, the Ottoman Empire entered into a state of decline and stagnation during the reign of Sultan Selim II and later (not so great) sultans. The Ottoman conquests of Europe were ended permanently by major defeats such as the Battle of Lepanto and the Battle of Vienna. As the years passed, the Ottoman Empire slowly turned into a shadow of its former glory, becoming known as the "sick man of Europe", where the Christian powers gradually regained their might, gaining new technologies and weapons for their armies until the Empire's dissolution by the reign of Mehmed VI, the last Sultan of the Ottoman Empire, who was removed after World War I, which allowed the empire's total dismemberment as even the Muslim provinces became independent or part of colonial empires and Atatürk opted for a republican Turkish nation state.

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে সুলেইমানসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

টীকাসম্পাদনা

  1. The Encyclopædia Britannica, Vol.7, Edited by Hugh Chisholm, (1911), 3; Constantinople, the capital of the Turkish Empire...
  2. Britannica, Istanbul:When the Republic of Turkey was founded in 1923, the capital was moved to Ankara, and Constantinople was officially renamed Istanbul in 1930.
  3. Merriman.
  4. Mansel, 61.
  5. Atıl, 24.
  6. Imber, 49.
  7. Clot, 39.
  8. Kinross, 176.
  9. Kinross, 187.
  10. Severy, 580
  11. Embree, Suleiman The Magnificent ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ মে ২০০৭ তারিখে.
  12. Imber, 52.
  13. Turnbull, Stephen (২০০৩)। The Ottoman Empire 1326 – 1699। New York: Osprey Publishing। পৃষ্ঠা 50 
  14. Imber, 50.
  15. Labib, 444.
  16. Imber, 53.
  17. Imber, 54.
  18. Dr Galina I Yermolenko (২০১৩)। Roxolana in European Literature, History and Culturea। Ashgate Publishing, Ltd.। পৃষ্ঠা 275। আইএসবিএন 978-1-4094-7611-5 
  19. The Imperial House of Osman GENEALOGY
  20. The Speech of Ibrahim at the Coronation of Maximilian II, Thomas Conley, Rhetorica: A Journal of the History of Rhetoric, Vol. 20, No. 3 (Summer 2002), 266.
  21. Kemal H. Karpat, Studies on Ottoman Social and Political History: Selected Articles and Essays, (Brill, 2002), 756.
  22. Elizabeth Abbott, Mistresses: A History of the Other Woman, (Overlook Press, 2010), [১].
  23. Kinross, Patrick (1979). The Ottoman centuries: The Rise and Fall of the Turkish Empire. New York: Morrow. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৮৮-০৮০৯৩-৮. p, 236.
  24. Mansel, Phillip (1998). Constantinople : City of the World's Desire, 1453–1924. New York: St. Martin's Griffin. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১২-১৮৭০৮-৮. p, 86.
  25. Imber, Colin (2002). The Ottoman Empire, 1300–1650 : The Structure of Power. New York: Palgrave Macmillan. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৩৩-৬১৩৮৬-৩. p, 90.
  26. "Ayşe Özakbaş, Hürrem Sultan, Tarih Dergisi, Sayı 36, 2000"। ১৩ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  27. A 400 Year Old Love Poem
  28. Sakaoğlu, Necdet; p. 13
  29. Imber, 60.
  30. Clot, 298.
  31. Lewis, 10.
  32. Ahmed, 147.
  33. Lamb, 325.
  34. Russell, The Age of Sultan Suleyman.

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

মুদ্রিত উৎস
অনলাইন উৎস
  • "1548–49"The Encyclopedia of World History। ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  • "1553–55"The Encyclopedia of World History। ২০০১। ৩০ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  • "A 400 Year Old Love Poem"Women in World History Curriculum Showcase। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  • Embree, Mark (২০০৪)। "Suleiman The Magnificent"। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  • Halman, Talat (১৯৮৮)। "Suleyman the Magnificent Poet"। ৯ মার্চ ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৭ 
  • "The History of Malta"। ২০০৭। ১ মে ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০০৭ 
  • "Muhibbî (Kanunî Sultan Süleyman)"Türkçe Bilgi—Kim kimdir? (Turkish ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০০৮ 
  • Russell, John (২৬ জানুয়ারি ২০০৭)। "The Age of Sultan Suleyman"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০০৭ 
  • Yapp, Malcolm Edward (২০০৭)। "Suleiman I"Microsoft Encarta। ৩ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০০৮ 

অধিকন্তু পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

প্রথম সুলাইমান
জন্ম: ৬ নভেম্বর ১৪৯৪ মৃত্যু: আনুমানিক ৫ সেপ্তম্বর ১৫৬৬
শাসনতান্ত্রিক খেতাব
পূর্বসূরী
প্রথম সেলিম
উসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান
২২ সেপ্তম্বর ১৫২০ – আনুমানিক ৫ সেপ্টেম্বর ১৫৬৬
উত্তরসূরী
দ্বিতীয় সেলিম
সুন্নি ইসলাম পদবীসমূহ
পূর্বসূরী
প্রথম সেলিম
ইসলামের খলিফা
২২ সেপ্তম্বর ১৫২০ – আনুমানিক ৫ সেপ্টেম্বর ১৫৬৬
উত্তরসূরী
দ্বিতীয় সেলিম