প্রধান মেনু খুলুন

কাজল দেবগন (হিন্দি: काजोल देवगन, জন্ম: কাজল মুখার্জী; আগস্ট ৫, ১৯৭৪) একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি কাজল নামেই সমধিক পরিচিত। ভারতের মুম্বই শহরে জন্ম নেওয়া কাজল পরিচালক সমু মুখার্জী ও অভিনেত্রী তনুজা দম্পতির কন্যা, এবং অভিনেতা অজয় দেবগনের স্ত্রী। কাজল ভারতের অন্যতম সফল এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী। তিনি তার কর্মজীবনে বারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার মনোনয়নের মধ্যে ছয়টি পুরস্কার জয় লাভ করেছেন। তার মাসী নূতনের সাথে যৌথভাবে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার বিজয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সম্মানিত পুরস্কার পদ্মশ্রীতে ভূষিত করেন।

কাজল দেবগন
Kajol promotes her film VIP2 in Delhi.jpg
২০১৭ সালে কাজল
জন্ম
কাজল মুখার্জী

(1974-08-05) ৫ আগস্ট ১৯৭৪ (বয়স ৪৫)
পেশাচলচ্চিত্র অভিনেত্রী
কার্যকাল১৯৯২–২০০১, ২০০৬–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীঅজয় দেবগন (১৯৯৯–বর্তমান)
সন্তান
পিতা-মাতাসমু মুখার্জী (পিতা)
তনুজা (মাতা)
পুরস্কারপূর্ণ তালিকা

কাজলের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৯২ সালে তার মায়ের সাথে প্রণয়ধর্মী বেখুদি চলচ্চিত্রে। তার প্রথম বাণিজ্যিক সফল চলচ্চিত্র হল থ্রিলারধর্মী বাজীগর (১৯৯৩)। নব্বইয়ের দশকে তিনি ভারতের পাঁচটি সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিসমূহ হল - ইয়ে দিল্লাগি (১৯৯৪), ইশ্‌ক (১৯৯৭), প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া (১৯৯৮), প্যায়ার তো হোনা হি থা (১৯৯৮), এবং হাম আপকে দিল মে রেহতে হ্যাঁয় (১৯৯৯)। ১৯৯৭ সালে রহস্য চলচ্চিত্র গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ এবং ১৯৯৮ সালে মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার দুশমন তাকে খ্যাতি এনে দেয়। গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ খলনায়ক পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে রোম্যান্টিক দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে ছবিতে রক্ষণশীল ভারতীয় পরিবারের কন্যা, ১৯৯৮ সালে রোম্যান্টিক-নাট্যধর্মী কুচ কুচ হোতা হ্যায় ছবিতে প্রথমে বালকসুলভ চেহারা ও পরে আদর্শ ভারতীয় নারী চরিত্রে, ২০০১ সালে পারিবারিক-নাট্যধর্মী কভি খুশি কভি গম... ছবিতে নিম্ন মধ্যবিত্ত পাঞ্জাবি নারী, ২০০৬ সালে ফনা ছবিতে অন্ধ কাশ্মিরি নারী, এবং ২০১০ সালে মাই নেম ইজ খান ছবিতে বিচ্ছেদ হওয়া একক মা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রেকর্ড সংখ্যক পাঁচবার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ইউ মি অউর হাম (২০০৮), উই আর ফ্যামিলি (২০১০), এবং দিলওয়ালে (২০১৫)।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি কাজল সামাজিক কর্মকান্ডেও জড়িত। তিনি বিধবা নারী এবং শিশুদের নিয়ে কাজের জন্য সুপরিচিত। এই কাজের জন্য তিনি ২০০৮ সালে কর্মবীর পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি জি টিভির রিয়েলিটি শো রক-এন-রোল অনুষ্ঠানের বিচারক এবং দেবগন এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড সফটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

জন্ম ও পরিবারসম্পাদনা

 
কাজল তার মা তনুজা (মধ্য) এবং বোন তানিশার (ডান) সাথে।

কাজল ১৯৭৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতের মুম্বইয়ে বাঙালি-মারাঠি মুখার্জী-সমর্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সমু মুখার্জী ছিলেন একজন পরিচালক ও প্রযোজক, এবং তার মাতা তনুজা সমর্থ একজন অভিনেত্রী।[১] তার পিতা সমু ২০০৮ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।[২] কাজলের ছোট বোন তানিশা মুখার্জীও অভিনেত্রী। তার মাসী ছিলেন অভিনেত্রী নূতন এবং তার নানী শোভনা সমর্থ ও প্র-পিতামহী ছিলেন রতন বাই। তারা সকলেই ভারতীয় চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত ছিলেন। তার দুই চাচা জয় মুখার্জীদেব মুখার্জী চলচ্চিত্র প্রযোজক। তার দাদা শশধর মুখার্জী এবং নানা কুমারসেন সমর্থও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। কাজলের চাচাত বোন রানী মুখার্জীশ্রাবণী মুখার্জী বলিউডের অভিনেত্রী এবং চাচাত ভাই অয়ন মুখার্জী চলচ্চিত্র পরিচালক।[৩][৪][৫]

শিক্ষা জীবনসম্পাদনা

কাজল পঞ্চগণির সেন্ট জোসেফ কনভেন্ট বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি নৃত্যসহ বিভিন্ন অতিরিক্ত কার্যক্রমে অংশ নিতেন।[৬] বিদ্যালয়ে থাকাকালীন তার কথাসাহিত্য পাঠের আগ্রহ জন্মে। এই অভ্যাস তাকে তার জীবনের দুঃসময়ে সঙ্গ দেয়।[৭] ষোল বছর বয়সে তিনি রাহুল রাওয়াইলের বেখুদি চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তার বিদ্যালয়ের গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময়ে ধারণকৃত চলচ্চিত্রটিতে কাজ শেষে তার বিদ্যালয়ে ফিরে আসার পরিকল্পনা ছিল। তবে তিনি দ্বাদশ শ্রেণিতে ফেল করার পর পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে চলচ্চিত্রে পূর্ণকালীন কর্মজীবন শুরু করতে মনোনিবেশ করেন। পড়াশোনা শেষ না করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পড়াশোনা শেষ না করলেও আমি মনে করি না যে আমি কোন অংশে কম চৌকস।"[৮]

কর্মজীবনসম্পাদনা

১৯৯২-১৯৯৬: অভিষেক ও খ্যাতি অর্জনসম্পাদনা

কাজলের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে সতেরো বছর বয়সে ১৯৯২ সালে প্রণয়মূলক নাট্যধর্মী বেখুদি চলচ্চিত্রে আরেক অভিষিক্ত কমল সাদানাহ ও তার মা তনুজার সাথে। এই ছবিতে তার মা তার চরিত্রের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন।[৯] কাজল রাধিকা নামে এক তরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করেন যে সাদানাহের চরিত্রের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তার পিতামাতার ইচ্ছা তার অন্য একজনের সাথে বিয়ে দেওয়ার। যদিও ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়, কিন্তু কাজলের অভিনয় দৃষ্টি কাড়ে এবং তাকে পরিচালক যুগল আব্বাস-মাস্তানের রোমহর্ষক বাজীগর (১৯৯৩) চলচ্চিত্রের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হয়। ১৮২.৫ মিলিয়ন রুপী আয়কারী ছবিটি সে বছরের অন্যতম ব্যবসাসফল এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।[১০] মার্কিন চলচ্চিত্র আ কিস বিফোর ডাইং চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত চলচ্চিত্রটিতে তিনি শাহরুখ খান, শিল্পা শেঠীসিদ্ধার্থ রায়ের সাথে অভিনয় করতে দেখা যায় এবং তিনি প্রিয়া চোপড়া নামে এক তরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করেন যে তার বোনের খুনীর প্রেমে পড়ে। এটি শাহরুখ খানের সাথে তার অভিনীত অসংখ্য কাজের প্রথম কাজ।[১১]

১৯৯৪ সালে কাজল উধার কী জিন্দগী চলচ্চিত্রে জিতেন্দ্রমৌসুমী চট্টোপাধ্যায় অভিনীত চরিত্রের নাতনীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। তেলুগু চলচ্চিত্র সীতারমাইয়া গারি মানাভারালু-এর পুনর্নির্মিত চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়।[১২] তবে কাজল তার অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বঙ্গ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি এরপর যশ রাজ ফিল্মসের প্রণয়মূলক নাট্যধর্মী ইয়ে দিল্লাগি ছবিতে অক্ষয় কুমারসাইফ আলি খানের সাথে অভিনয় করে আরও খ্যাতি অর্জন করেন। চলচ্চিত্রটি ১৯৫৪ সালের মার্কিন চলচ্চিত্র সাবরিনার পুনর্নির্মাণ। ছবিতে তাকে এক ভৃত্যের কন্যার চরিত্রে দেখা যায় যে মডেল হওয়ার পর দুই ভাইয়ের সাথে ত্রিভুজ প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যায়।[১৩] ইয়ে দিল্লাগির সফলতাকে কাজলের প্রথম আলোচিত সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তিনি এই কাজের জন্য তার প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

 
২০১৪ সালে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে (১৯৯৫) চলচ্চিত্রের বিশ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে মারাঠা মন্দিরে এক প্রদর্শনীতে সহশিল্পী শাহরুখ খানের সাথে কাজল

১৯৯৫ সালে কাজল দুটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, সেগুলো হল রাকেশ রোশনের করন অর্জুন এবং আদিত্য চোপড়ার দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে। দুটি ছবিতেই তার বিপরীতে ছিলেন শাহরুখ খান। প্রথমটি পুনর্জন্মের গল্পে একটি নাট্যধর্মী থ্রিলার, যেখানে তিনি সোনিয়া সাক্সেনা নামক একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন যে শাহরুখের চরিত্রের প্রেমে পড়ে। চলচ্চিত্রটি সে বছরে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র।[১৪] পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমি করন অর্জুন ছবিটি করেছি কারণ আমি জানতে চেয়েছিলাম কেবল অলংকার হতে কেমন লাগে। এই ছবিতে আমার সুন্দর মুখশ্রী ধরে রাখা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।"[১৫] এই বছরে কাজলের পরবর্তী তিনটি কাজ - তাকত, হালচালগুন্ডারাজ বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়। শেষ দুটি ছবিতে তিনি তার ভবিষ্যৎ স্বামী অজয় দেবগনের সাথে অভিনয় করেন।[১৬]

১৯৯৫ সালে কাজল অভিনীত ও মুক্তিপ্রাপ্ত পঞ্চম চলচ্চিত্র ছিল প্রণয়ধর্মী দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে। এটি শুধু ১৯৯৫ সালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রই নয়, বরং ভারতের সর্বকালের সবচেয়ে সফল চলচ্চিত্র।[১৭][১৮] মুক্তির সময় চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ১.২৩ বিলিয়ন আয় করে,[১৯] এবং পরবর্তী কালেও নিয়মিত মুম্বইয়ে প্রদর্শিত হতে থাকে।[২০] চলচ্চিত্রটি সমালোচনামূলক দিক থেকেও সফল হয় এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ দশটি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে এবং কাজল লন্ডন প্রবাসী ভারতীয় তরুণী সিমরান সিং চরিত্রে তার অভিনয়ের জন্য তার প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।[২১] ২০০৫ সালে ইন্ডিয়াটাইমস মুভিজ চলচ্চিত্রটিকে "২৫টি অবশ্য দর্শনীয় বলিউড চলচ্চিত্র" তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং ছবিটি সম্পর্কে লিখে এটি "এক ধরনের নতুন ধারা সৃষ্টিকারী"।[২২] এই বছরের এক ফিরে দেখা চলচ্চিত্র পর্যালোচনায় রেডিফ.কমের রাজা সেন বলেন "কাজলকে সিমরান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য চাতুর্যের সাথে নির্বাচন করা হয়, শুরুতে সিমরান হিসেবে বিনয়াভিমানী ও অনিচ্ছুক হলেও পরে তিনি আবেগ-উত্তেজনা ও বিশ্বাসপ্রবণতা দেখিয়েছিলেন।[২৩] পর্দায় তার রসায়নকে আলাদাভাবে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি ইতোমধ্যে কিংবদন্তিতুল্য হয়ে গেছে।" ১৯৯৬ সালে কাজল বিক্রম ভাটের মারপিট-নাট্যধর্মী বাম্বাই কা বাবু ছবিতে সাইফ আলি খান ও অতুল অগ্নিহোত্রীর সাথে অভিনয় করেন। মুক্তি পর ছবিটি সমালোচনামূলকভাবে এবং বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়।[২৪]

১৯৯৭-৯৮: অধিকতর সফলতাসম্পাদনা

১৯৯৭ সালে গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ চলচ্চিত্রে মনোবিকৃত ধারাবাহিক খুনী ও মোহাবিষ্ট প্রেমিকা ইশা দিওয়ান চরিত্রে তার অভিনয় সমাদৃত হয় এবং এটি তার কর্মজীবনের বাঁক বদলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।[২৫] তিনি দিওয়ান চরিত্রে অভিনয় সম্পর্কে বলেন এটি তার কর্মজীবনের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র কারণ এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা খুবই কষ্টকর।[২৬] দ্য হিন্দু-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক রাজীব রাই বলেন, "[আমি] গুপ্ত ছবিতে কাজলের বৈচিত্রপূর্ণ শিল্পীভাবকে ব্যবহার উপযোগী করেছিলাম। তার চরিত্রটি জটিল ছিল এবং তিনি ছবিটিতে এই চরিত্রায়নের বিরল কৌশলগত সূক্ষ্মতা নিয়ে এসেছেন।"[২৭] এই সাসপেন্স থ্রিলারটিতে তার সহশিল্পী ছিলেন ববি দেওলমনীষা কৈরালা। ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়,[২৮] এবং কাজল প্রথম অভিনেত্রী হিসেবে শ্রেষ্ঠ খল অভিনয়শিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং পুরস্কৃত হন।[২৯]

তার পরবর্তী কাজ ছিল আদিত্য পঞ্চোলিসাইফ আলি খানের সাথে সঞ্জয় গুপ্তের পুনর্জন্ম বিষয়ক প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র হামেশা। ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। এরপর তিনি অরবিন্দ স্বামীপ্রভু দেবার সাথে রাজীব মেননের তামিল ভাষার প্রণয়মূলক নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র মিনসারা কানাভু-এ একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী নান চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি তামিল ভাষা জানতেন না, তাই তার স্থলে কণ্ঠ দেন তামিল অভিনেত্রী রেবতী। কাজল পরবর্তী কালে বলেন যে প্রভু দেবার সাথে নাচা কষ্টকর ছিল এবং ঠিক নাচের তালের জন্য তাকে ২০ বার পুনঃদৃশ্যধারণ ও ৩০ বার পুনরাবৃত্তি করতে হয়েছিল।[৩০] দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর পর্যালোচনায় তার কাজটি প্রশংসিত হয় এবং লেখা হয়, "কাজল তার চরিত্রের জন্য প্রশংসাসূচক স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উপযুক্ত ছিলেন। এটি বর্তমান সময়ের অন্যতম অভিব্যক্তিপূর্ণ মুখভঙ্গী। তার পরবর্তী মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল ইন্দ্র কুমারের প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক ইশ্‌ক। এতে তিনি আমির খান, জুহি চাওলাঅজয় দেবগনের সাথে অভিনয় করেন। তাকে এক ধনী যুবকের প্রেমে পড়া দরিদ্র তরুণীর চরিত্রে দেখা যায়। মুক্তির পর ছবিটি ব্যবসাসফল হয় এবং প্রধান চার অভিনয়শিল্পীর অভিনয় প্রশংসিত হয়।[২৮]

১৯৯৮ সালে কাজল সে বছরের তিনটি সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রে কাজ করে সমকালীন হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই বছরে তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিল সোহেল খানের প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া। এতে তিনি মুসকান ঠাকুর নামে এক গ্রাম্য তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেন যে সালমান খান অভিনীত ধনী যুবকের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তার বড় ভাই তাদের সম্পর্ক সহজে মেনে না নেওয়ায় সমস্যার সৃষ্টি হয়। ছবিটির শুধু বক্স অফিসে সফলই হয়নি, এটি সমালোচকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক পর্যালোচনা অর্জন করে।

২০১৫-বর্তমান: দিলওয়ালে ও অন্যান্যসম্পাদনা

 
২০১৫ সালে দিলওয়ালে ছবির শুটিংয়ে কাজল ও শাহরুখ খান।

পাঁচ বছর পর্দায় অনুপস্থিত থাকার পর কাজল সতেরতম বারের মত শাহরুখ খানের বিপরীতে প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক দিলওয়ালে (২০১৫) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[৩১] রোহিত শেঠী পরিচালিত ছবিটিতে আরও অভিনয় করেন বরুণ ধবনকৃতি শ্যানন। এই ছবিতে কাজল মাফিয়া ডনের কন্যা মীরা দেব মালিক চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি তার বিরোধী পরিবারের একজন সদস্যের প্রেমে পড়েন। সামগ্রিকভাবে চলচ্চিত্রটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া লাভ করে, এবং কাজলের অভিনয় মিশ্র থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লাভ করে। ইন্ডিয়া টুডে-র সুহানী সিং লিখেন, "পর্দায় কাজলের উজ্জ্বল উপস্থিতি এবং তার কাছ থেকে যা আশা করা হয়েছিল - তা যথেষ্ট নয়।"[৩২] নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও দিলওয়ালে ছবিটি বক্স অফিসে সফলতা অর্জন করে এবং বিশ্বব্যাপী ৩৭২ কোটি রুপি আয় করে বলিউডের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী তালিকায় প্রবেশ করে।[৩৩] কাজল তার অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারস্ক্রিন পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার আয়োজনে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে মনোনীত হন।[৩৪]

পর্দার বাইরের কাজসম্পাদনা

ব্যবস্থাপকসম্পাদনা

১৯৯৯ সালে অজয় দেবগণের সিনেমা প্রোডাকশন কোম্পানি দেবগন ফিল্মস (বর্তমানে দেবগন এন্টারটেইনমেন্ট এবং সফটওয়্যার লিমিটেড নামে পরিচিত)[৩৫]) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, কাজল নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইট তৈরিতে কাজ করেন। ২০০০ সালে তিনি সিনেএক্সপ্লোর নামে একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করেন।

নির্বাচিত চলচ্চিত্রসম্পাদনা

বছর চলচ্চিত্র ভূমিকা টীকা
২০১৫ দিলওয়ালে মীরা দেব মালিক
২০১০ মাই নেম ইজ খান মন্দিরা খান বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
২০০৬ কভি আলবিদা না কেহনা "রক অ্যান্ড রোল" গানে অতিথি চরিত্রে
২০০৬ ফনা জুনি আলী বেগম বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
২০০৩ কাল হো না হো "মাহি ভে" গানে অতিথি চরিত্রে
২০০১ কভি খুশি কভি গম... অঞ্জলি শর্মা রায়চন্দ বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
২০০১ কুচ খাট্টি কুচ মিঠঠি টিনা/সুইটি খান্না
২০০০ রাজু চাচা অ্যানা
১৯৯৯ হোতে হোতে প্যার হো গ্যায়া পিঙ্কি
১৯৯৯ হাম আপকে দিল মে রেহতে হেঁ মেঘা বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৯ দিল ক্যায়া করে নন্দিতা রায়
১৯৯৮ কুচ কুচ হোতা হ্যায় অঞ্জলি শর্মা বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৮ দুশমন সোনিয়া/নয়না সেহগল মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৮ ডুপ্লিকেট অতিথি চরিত্রে
১৯৯৮ প্যার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া মুসকান ঠাকুর মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৮ প্যার তো হোনা হি থা সঞ্জনা
১৯৯৭ ইশ্‌ক কাজল
১৯৯৭ মিন্সারা কানাভু প্রিয়া তামিল চলচ্চিত্র (হিন্দি সংস্করণ স্বপ্নে)
বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার দক্ষিণ
১৯৯৭ গুপ্ত: দি হিডেন ট্রুথ ইশা দিওয়ান বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ খলনায়ক পুরস্কার
১৯৯৭ হামেশা রানী শর্মা/রেশমা
১৯৯৬ বাম্বাই কা বাবু নেহা
১৯৯৫ দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে সিমরান সিং বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৫ গুন্ডারাজ ঋতু
১৯৯৫ তাকাত কবিতা
১৯৯৫ করন অর্জুন সোনিয়া সাক্সেনা
১৯৯৪ ইয়ে দিল্লাগি স্বপ্না মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার
১৯৯৪ উধার কি জিন্দগী সীতা
১৯৯৩ বাজীগর প্রিয়া চোপড়া
১৯৯২ বেখুদি রাধিকা

পুরস্কার ও মনোনয়নসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. R. Rahman A.K. Thakur (১ জানুয়ারি ২০০৯)। Women Entrepreneurship। Deep & Deep Publications। পৃষ্ঠা 109। আইএসবিএন 978-81-8450-165-0। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৭ 
  2. "Kajol's father passed away"ইন্ডিয়াএফএম। ১০ এপ্রিল ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৭ 
  3. Varma, Anuradha (১৪ জুন ২০০৯)। "In Bollywood, everyone's related!"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৭ 
  4. "Kajol, Rani come together"এনডিটিভি। ১২ অক্টোবর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. "Waking up Ayan"মিড ডে। ১২ আগস্ট ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৭ 
  6. "When Kajol was head girl" (ইংরেজি ভাষায়)। রেডিফ.কম। ২২ আগস্ট ২০০৭। ৭ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  7. "Kajol shoots for a short film on education and literacydate=19 April 2012"মিড ডে (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  8. বামজাই, কাভেরি (২২ মে ২০০৬)। "Return of the natural"ইন্ডিয়া টুডে (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  9. দবর, রমেশ (১ জানুয়ারি ২০০৬)। Bollywood Yesterday-Today-Tomorrow (ইংরেজি ভাষায়)। স্টার পাবলিকেশন। পৃষ্ঠা ৬২। আইএসবিএন 978-1-905863-01-3। ৩ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  10. "You, me aur Kajol"দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। বলিউড নিউজ সার্ভিস। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। ২৯ আগস্ট ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  11. বসুদেবন, রবি (২০০০)। Making meaning in Indian cinema (ইংরেজি ভাষায়)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস। পৃষ্ঠা ২৫৬। আইএসবিএন 978-0-19-564545-3। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  12. "Box Office 1994" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ৩০ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  13. ম্যাকনেলি, ক্যারেন (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। Billy Wilder, Movie-Maker: Critical Essays on the Films (ইংরেজি ভাষায়)। ম্যাকফারল্যান্ড। পৃষ্ঠা ২১৬। আইএসবিএন 978-0-7864-4211-9। ২৭ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  14. "Box Office 1995" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ৩০ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  15. এডওয়ার্ডস, এলিজাবেথ; ভৌমিক, কৌশিক (১৫ ডিসেম্বর ২০০৮)। Visual Sense: A Cultural Reader (ইংরেজি ভাষায়)। বার্গ। পৃষ্ঠা ১৩৪। আইএসবিএন 978-1-84520-740-3। ২৭ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  16. "Gundaraj: B'day Bumps: Kajol turns 35" (ইংরেজি ভাষায়)। আইবিএন লাইভ। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  17. "All Time Earners Inflation Adjusted (Figures in Ind Rs)" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ১২ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  18. গন্তি, তেজস্বিনী (২৪ আগস্ট ২০০৪)। Bollywood: A Guidebook To Popular Hindi Cinema (ইংরেজি ভাষায়)। রুটলেজ। পৃষ্ঠা ১৬৯–১৭০। আইএসবিএন 978-0-415-28853-8। ২৭ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  19. "Top Lifetime Grossers Worldwide" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ২২ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  20. "´DDLJ´ Enters The Twelfth Year at the Theaters!" (ইংরেজি ভাষায়)। প্ল্যানেট বলিউড। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  21. "Kajol: Awards & Nominations" (ইংরেজি ভাষায়)। বলিউড হাঙ্গামা। ৪ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  22. কানওয়ার, রচনা (৩ অক্টোবর ২০০৫)। "25 Must See Bollywood Movies"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  23. সেন, রাজা (১৩ মে ২০০৫)। "DDLJ: Ten years, everybody cheers" (ইংরেজি ভাষায়)। রেডিফ.কম। ৩০ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  24. "Box Office 1996" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ২৫ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৯ 
  25. চৌধুরী, শান্তনু রায়; নায়েক, প্রশান্ত কুমার (২০০৫)। Icons from Bollywood (ইংরেজি ভাষায়)। পাফিন বুকস। পৃষ্ঠা ১৫৫। ১৯ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 
  26. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; DKK নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  27. রাজেন্দ্রন, গিরিজা (১৭ আগস্ট ২০০১)। "A complete change of scene"দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 
  28. "Box Office 1997" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ১১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 
  29. "The life and times of Kajol" (ইংরেজি ভাষায়)। এনডিটিভি। ২৯ জুলাই ২০০৯। ১২ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 
  30. "Movies: An interview with Kajol, actress on the ascendant" (ইংরেজি ভাষায়)। রেডিফ.কম। ৪ এপ্রিল ১৯৯৭। ২ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৯ 
  31. "আসছে শাহরুখ-কাজলের 'দিলওয়ালে'"দৈনিক জনকন্ঠ। ১৯ জুন ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৮ 
  32. সিং, সুহানী (১৮ ডিসেম্বর ২০১৫)। "Dilwale review: The film struggles to make its way into the audience's hearts"ইন্ডিয়া টুডে (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৮ 
  33. "Top Worldwide Grossers All Time"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৮ 
  34. "Nominations for the 61st Britannia Filmfare Awards"ফিল্মফেয়ার (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৮ 
  35. Lalwani, Vickey (৩১ অক্টোবর ২০১১)। "Ajay Devgn and Kumar Mangat at loggerheads"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১২ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা