গ্যাংটক (ইংরেজি: Gangtok গ্যাংটক্‌ এই শব্দ সম্পর্কেˈgæŋ.tɒk , নেপালি: गान्तोक গান্তোক্‌, হিন্দি: गंगटोक গাংগ্‌টোক্‌) ভারতীয় রাজ্য সিকিমের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। পূর্ব হিমালয় পর্বতশ্রেণীর শিবালিক পর্বতে ১৪৩৭ মিটার উচ্চতায় গ্যাংটক শহরটি অবস্থিত। শহরের জনসংখ্যা প্রায় ত্রিশ হাজার। এই শহরের বাসিন্দারা প্রধানত নেপালি, লেপচাভুটিয়াসিকিম সরকারের বিভিন্ন বিভাগ এই শহরের প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত। হিমালয় পর্বতমালার সুউচ্চ শিখরগুলির মাঝখানে মনোরম পরিবেশে গ্যাংটকের অবস্থান। এই অঞ্চলের জলবায়ু সারা বছরই মোটামুটি আরামদায়ক। এই কারণে গ্যাংটক সিক্কিমের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র।

গ্যাংটক
গ্যাংটক
{{{official_name}}} স্কাইলাইন
স্থানাঙ্ক: ২৭°২০′ উত্তর ৮৮°৩৭′ পূর্ব / ২৭.৩৩° উত্তর ৮৮.৬২° পূর্ব / 27.33; 88.62
সরকার
 • মেয়র
জনসংখ্যা (2001)
 • মোট২৯,১৬২

১৮৪০ সালে এনচে মঠ নির্মাণের পর থেকেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান হিসেবে গ্যাংটকের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। ১৮৯৪ সালে তৎকালীন সিকিম চোগিয়াল (রাজা) থুতোব নামগিয়াল গ্যাংটকে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে তিব্বতের লাসাব্রিটিশ ভারতের কলকাতার মধ্যে বাণিজ্যপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্রামস্থলে পরিণত হয় গ্যাংটক। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর সিকিম ভারতে যোগ না দিয়ে স্বাধীন রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রসত্ত্বা বেছে নেয়। এই সময় গ্যাংটক ছিল দেশটির রাজধানী। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে যোগ দিলে গ্যাংটক ভারতের বাইশতম রাজধানীতে পরিণত হয়।

গ্যাংটক নামটির সঠিক অর্থ জানা যায় না। যদিও নামটির জনপ্রিয়তম অর্থ হল পাহাড় চূড়া[২] বর্তমানে গ্যাংটক তিব্বতি বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষার একটি কেন্দ্র। এখানে একাধিক বৌদ্ধ মঠ, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তিব্বততত্ত্ব কেন্দ্র রয়েছে।

  1. "Maps, Weather, and Airports for Gangtok, India"Global Gazetteer Version 2.1। Falling Rain Genomics। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৫-২২ 
  2. Bannerjee, Parag (১৪ অক্টোবর ২০০৭)। "Next weekend you can be at ... Gangtok"The Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৫-২১ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা