মাটির ময়না

তারেক মাসুদ পরিচালিত ২০০২-এর চলচ্চিত্র

মাটির ময়না ২০০২ সালের বাংলাদেশী বাংলা যুদ্ধভিত্তিক নাট্য চলচ্চিত্র। এটি রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ। এটি তারেক পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। তারেকের গল্প অবলম্বনে যৌথভাবে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন তারেক এবং ক্যাথরিন মাসুদ। চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে ষাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তানের উদ্বেগের পটভূমিতে তারেক মাসুদের ছেলেবেলার মাদ্রাসা জীবনের অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে। চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, লামিসা রিমঝিম এবং শোয়েব ইসলাম।

মাটির ময়না
চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকতারেক মাসুদ
প্রযোজকক্যাথরিন মাসুদ
রচয়িতাতারেক মাসুদ
চিত্রনাট্যকার
  • তারেক মাসুদ
  • ক্যাথরিন মাসুদ
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারমৌসুমী ভৌমিক
চিত্রগ্রাহকসুধীর পাল্‌সানে
সম্পাদকক্যাথরিন মাসুদ
প্রযোজনা
কোম্পানি
পরিবেশক
  • এমকে২ ডিফিউশন (আন্তর্জাতিক বিক্রয়, দক্ষিণ এশিয়া ব্যতীত)
  • মাইলস্টোন ফিল্ম অ্যান্ড ভিডিও (যুক্তরাষ্ট্র/কানাডা)
  • অডিওভিশন (দক্ষিণ এশিয়া)
  • অঅইসিএ প্রজেক্টস (যুক্তরাজ্য)
মুক্তি
দৈর্ঘ্য৯৮ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
আয়প্রা. $৪৬,৮৫২ (নিচে দেখুন)

পুরো চলচ্চিত্র জুড়ে ঐতিহাসিক ঘটনার উদ্ধৃতি থাকলেও সেগুলো একটি কিশোরের মানবিক অভিজ্ঞতায় প্রকাশিত হয়েছে। মাদ্রাসায় তার শিক্ষক, সহপাঠীদের আচরণ আর পরিবারের সদস্যদের সাথে তার সম্পর্কের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রটির কাহিনি এগিয়ে যায়। ফরাসি সরকারকারের প্রাথমিক অর্থায়ন চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরু হয়েছিল। ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনি হয়। এটি প্রযোজনা করেছেন ক্যাথরিন মাসুদ। মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে প্রায় $৪৬,৮৫২ মার্কিন ডলার আয় করে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশে চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে বহিষ্কারাদেশ বাতিল হবার পর ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল লেজার ভিশন চলচ্চিত্রটির ভিসিডি এবং ডিভিডি সংস্করণ মুক্তি দেয়। ২০০২ সালে চলচ্চিত্রটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিরেক্টরস' ফোর্টনাইট আয়োজনে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিপরেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচকদের পুরষ্কার লাভ করে। ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পীশ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও ২৪তম বাচসাস পুরস্কার অনুষ্ঠানে পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার সহ বিভিন্ন দেশিয়-আন্তর্জাতিক পুরস্কার জেতে। এটি ২০০২ সালে ৭৫তম একাডেমি পুরস্কার অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে বাংলাদেশের নিবেদিত প্রথম চলচ্চিত্র।

কাহিনিসংক্ষেপসম্পাদনা

ষাটের দশকের উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপট হতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঠিক আগের সময়ের একটি পরিবার কিভাবে যুদ্ধ ও ধর্মের কারণে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় তার গল্প নিয়ে তৈরি এ চলচ্চিত্র। পরিচালকের নিজের ছোটবেলার কাহিনীর জীবনের উপর ভিত্তি করে এ ছবির কাহিনী গড়ে উঠেছে। অত্যন্ত ধার্মিক বাবা কাজী সাহেব তার ছোট্ট ছেলে আনুকে পড়াশোনার জন্য মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেন। দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের পাশাপাশি আনুর মাদ্রাসাতেও চরম ও মধ্যপন্থী মতবাদের বিকাশ ঘটতে থাকে। বিভক্তির এই একই চিত্র দেখা যায় গোঁড়া ধার্মিক কাজী ও তার স্বাধীনচেতা স্ত্রী আয়েশার মধ্যে । ধর্মীয় উদারতা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র এবং ইসলামের দুর্বোধ্যতা এ সব কিছু মিলিয়ে মাটির ময়না জাগতিক দ্বন্দ্বের একটি দৃশ্যমান প্রতিকৃতি।

অভিনয়েসম্পাদনা

তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদের মতে, চলচ্চিত্রটির প্রায় পুরোটুকু স্থানীয় অ-পেশাদার পরিবেশে ও স্থানীয় শব্দগ্রহণের মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে।

  • জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় – কাজী, আনুর বাবা
  • রোকেয়া প্রাচী – আয়েশা, আনুর মা
  • নুরুল ইসলাম বাবলু – আনু
  • রাসেল ফরাজী – মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন, আনুর বন্ধু
  • লামিসা রিমঝিম – আসমা, আনুর ছোট বোন
  • শোয়েব ইসলাম – মিলন, আনুর চাচা
  • মোহাম্মদ মোসলেমউদ্দিন – মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক
  • মঈন আহমেদ – ইবরাহিম, মাদ্রাসার শিক্ষক
  • শাহ্ আলম দেওয়ান – করিম মাঝি
  • আবদুল করিম – হালিম মিয়া

কলাকুশলীসম্পাদনা

  • অতিরিক্ত চিত্রগ্রহণ – মাকসুদুল বারী, রঞ্জন পালিত
  • প্রথম ক্যামেরা সহকারী – গেইতান রুশো
  • শব্দ গ্রহণ – ইন্দ্রজিত নিয়োগী
  • অতিরিক্ত শব্দ গ্রহণ – আবদুস সাত্তার রিপন, কেরামত আলী
  • শিল্প নির্দেশনা – কাজী রকিব, সিলভেইন নাহমিয়াস, তরুণ ঘোষ
  • পরিচ্ছদ পরিকল্পনা – মাসুদা কাজী, কাজী রকিব
  • শব্দ মিশ্রণ – রতন পাল

প্রাক-নির্মাণসম্পাদনা

বেশকিছু বছর ধরে, ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) তারেকের মাদ্রাসায় (ইসলামিক বিদ্যালয়) শৈশবকালীন অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলেন তারেক মাসুদক্যাথরিন মাসুদ। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত অশান্ত সময়, যখন বৃহত্তর ইসলামি রাষ্ট্র পাকিস্তানের পূর্ব শাখা হিসাবে দেশটি একটি শক্তিশালী ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মতবিরোধ ও সংস্কারকে দূরে রাখার প্রতিবাদী একটি ইসলামপন্থী সামরিক জান্তার মধ্যে বিভক্ত হয়েছিল। চলচ্চিত্রে সেই সময়ের ঐতিহাসিক ঘটনার তির্যক উল্লেখ থাকলেও তা মূলত একটি মানবিক, শিশুর দৃষ্টিতে দেখানো হয়েছে। ২০০০ সালের মে মাসে, চিত্রনাট্যের মানের ভিত্তিতে চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্য মাসুদ ফেঞ্চ গভর্নমেন্ট ফন্ডস স্যুদ (দক্ষিণ তহবিল) অনুদান লাভ করে। প্রাপ্ত অনুদানের মধ্যে চলচ্চিত্র সংভার, ৩৫ মিলিমিটার ক্যামেরা সরঞ্জাম এবং নির্মাণ প্রযুক্তিগত গুণমান নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণাগার সুবিধাগুলি অন্তর্ভূক্ত ছিল।[১] পরবর্তীতে সহ-প্রযোজক এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশক হিসেবে প্যারিস ভিত্তিক প্রযোজনা ও পরিবেশন সংস্থা এমকে২ চুক্তিবদ্ধ হয়।[১]

নির্মাণসম্পাদনা

এরপরে চলচ্চিত্র নির্মাণের দেড় বছরের অভিযাত্রা শুরু হয়। উচ্চাভিলাষী ব্যাপক মৌসুমি শুটিং এবং সময়ের প্রকাশনা নকশা জড়িত প্রকল্পে মাসুদ-ক্যাথরিন নিজেদের সমগ্র সঞ্চয়ের বিনিয়োগ ঘটান। পুরোপুরি অ-​​পেশাদারদের অভিনয়শিল্পীর সমন্বয়ে গঠিত চরিত্রগুলিতে পথশিশু, প্রকৃত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, লোকসঙ্গীতশিল্পী এবং গ্রামবাসীদের নেয়া হয়েছে। প্রথম বাংলাদেশী পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে মাটির ময়নায় স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশনা এবং বাস্তব পরিবেশ ধরে রাখতে লোকেশন সাউন্ড রেকর্ডিং ব্যবহৃত হয়েছিল।[১] শীত, বর্ষা এবং বসন্তের মরসুমে গ্রামীণ পটভূমিতে, ছোট শহরগুলিতে সহ প্রকৃত অবস্থানে বছরব্যপী চলচ্চিত্রের দৃশ্যধারণ করা হয়।[১] ২০০২ সালের প্রথমদিকে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শেষ হয়।[১]

নির্মাণ পরবর্তীসম্পাদনা

সঙ্গীত ও সাউন্ডট্র্যাকসম্পাদনা

ট্র্যাক তালিকাসম্পাদনা

সবগুলি গানের সুরকার মৌসুমি ভৌমিক

মাটির ময়না: সাউন্ডট্র্যাক
নং.শিরোনামলেখকদৈর্ঘ্য
১."যদি ভেস্তে ডাইতে চাও"  
২."শেরে খোদা আলী সাবে"তারেক মাসুদ৪:২২
৩."নৌকা বাইচ উৎসব"  
৪."মাদ্রাসা ক্লাসরুম"  
৫."মিলাদ"  
৬."পাখিটা বন্দি আছে"প্রদীপ দে 

মুক্তিসম্পাদনা

প্রাথমিক প্রদর্শনীসম্পাদনা

বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ২০০২ সালের ১৫ মে, ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে এটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।[১][২] পরবর্তীতে ইউরোপ-আমেরিকায় বাণিজ্যিক মুক্তির পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি পরবর্তী বছরগুলিতেও একাধিক উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল। চলচ্চিত্রটি পরবর্তীকালে ব্যাপক প্রশংসাসহ ফ্রান্সের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল, যদিও বাংলাদেশে প্রদর্শনী নিষিদ্ধকরণের কারণে দেশে চলচ্চিত্রটির কোনো বাণিজ্যিক প্রদর্শনী হয় নি।

বিতর্ক ও সেন্সরশিপসম্পাদনা

কান চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হওয়ার পর, ফরাসি ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলি চলচ্চিত্রটির বাংলাদেশের ইতিবাচক চিত্র এবং সহনশীল ঐতিহ্যের জন্য প্রশংসিত হলেও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বিবেচিনায় মাটির ময়না চলচ্চিত্রের প্রদর্শনি নিষিদ্ধ করে।[১] নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বাংলাদেশর গণমাধ্যমগুলিতে এবং ইন্টারনেটে বিশাল প্রচারণা শুরু হয়েছিল যা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করেছিল। তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে মামলা দায়ের করেন এবং তাদের সপক্ষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়।[১] ফলে, ২০০২ সালের শেষের দিকে চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশে প্রদর্শিত হবার অনুমতি লাভ করে।

ডিভিডিসম্পাদনা

মাটির ময়নার ডিভিডি লেজার ভিশন থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল। এতে দু’ঘণ্টার অতিরিক্ত তথ্যচিত্র যোগ হয়েছে যাতে দৃশ্যধারণ, সাক্ষাৎকার ও দর্শকদের মতামত স্থান পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম ইণ্টারএ্যাকটেড ডিভিডি হিসেবে বিবেচিত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

সমালোচকদের অভ্যর্থনাসম্পাদনা

মাধ্যম রেটিং/শতাংশ সমালোচক
অলমুভি[৩]       -
আলোসিনে[৪]       ১৩
ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ[৫]            ৩,৬৯৭
রটেন টম্যাটোস[৬] ৮৯% ২৭
মেটাক্রিটিক[৭] ৭৫ ১৪

পুরস্কার এবং মনোনয়নসম্পাদনা

পুরস্কার এবং মনোনয়নের তালিকা
সংগঠন অনুষ্ঠানের তারিখ বিভাগ প্রাপক এবং মনোনীত ফলাফল তথ্যসূত্র
কান চলচ্চিত্র উৎসব মে, ২০০২ ডিরেক্টরস' ফোর্টনাইট অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিপরেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচকদের পুরষ্কার তারেক মাসুদ বিজয়ী [৮][৯]
মেরাকেচ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০০২ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র তারেক মাসুদ মনোনীত
শেষ্ঠ চিত্রনাট্য তারেক মাসুদ, ক্যাথরিন মাসুদ বিজয়ী [১০][১১]
কারা চলচ্চিত্র উৎসব ২০০৩ শেষ্ঠ চলচ্চিত্র তারেক মাসুদ বিজয়ী [১২][১১]
শেষ্ঠ
শেষ্ঠ সঙ্গীত মৌসুমী ভৌমিক বিজয়ী [১৩]
চ্যানেল আই চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৩ শেষ্ঠ চলচ্চিত্র তারেক মাসুদ বিজয়ী [১১]
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি ২০০৩ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র তারেক মাসুদ, ক্যাথরিন মাসুদ বিজয়ী [১৪]
শ্রেষ্ঠ পরিচালক তারেক মাসুদ বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার তারেক মাসুদ বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার তারেক মাসুদ বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ চিত্রসম্পাদক ক্যাথরিন মাসুদ বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক কাজী রাকিব বিজয়ী
কেরালা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ডিসেম্বর ২০০৩ গোল্ডেন ক্রো ফিজেন্ট তারেক মাসুদ মনোনীত
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৪ শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী রাসেল ফরাজী বিজয়ী [১৫]
শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী (বিশেষ পুরস্কার) নুরুল ইসলাম বাবলু বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার তারেক মাসুদ বিজয়ী
ডিরেক্টর্স গিল্ড অব গ্রেট ব্রিটেন ২০০৪ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্রে অসামান্য পরিচালনা অর্জন তারেক মাসুদ মনোনীত

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The Story of 'Matir Moina'" (ইংরেজি ভাষায়)। ctmasud.site.aplus.net। ২০০২। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  2. "Quinzaine 2002"quinzaine-realisateurs.com (ইংরেজি ভাষায়)। কান: ডিরেক্টরস' ফোর্টনাইট। ১৫ মে ২০২০। ২৭ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  3. "মাটির ময়না"অলমুভি (ইংরেজি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২০ 
  4. "মাটির ময়না"আলোসিনে (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২০ 
  5. "মাটির ময়না (২০০২)"ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২০ 
  6. "The Clay Bird (Matir moina)"রটেন টম্যাটোস (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২০ 
  7. "The Clay Bird 2004"মেটাক্রিটিক (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২০ 
  8. "A web resource on Tareque Masud and his film "Matir Moyna" compiling many of his film reviews and interviews" (ইংরেজি ভাষায়)। Ctmasud.web.aplus.net। ৫ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  9. "FIPRESCI Awards 2002" (ইংরেজি ভাষায়)। ipresci.org। ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  10. "মেরাকেচ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার ২০০২"। ২০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  11. "পুরষ্কার ও স্বীকৃতি" (ইংরেজি ভাষায়)। তারেক মাসুদ। ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  12. কার্লেকার, মালাবিকা (৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Soulful story of loss: The acclaimed film Matir Moina (The Clay Bird), which was banned in Bangladesh (for a few months), is now available on DVD" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ট্রিবিউন (ভারত)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  13. "Lecture by Moushumi Bhowmik" (ইংরেজি ভাষায়)। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। ২৫ মার্চ ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 
  14. জোয়াদ ২০১০
  15. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নামের তালিকা (১৯৭৫-২০১২)"বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন। পৃষ্ঠা ১৬। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২০ 

সূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

অন্যান্য