হোমিওপ্যাথি

জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান উদ্ভাবিত (১৭৯৬) এক চিকিৎসা পদ্ধতি

হোমিওপ্যাথি হল একটি ছদ্মবৈজ্ঞানিক[১][২][৩][৪] বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি। এটি ১৭৯৬ সালে জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান আবিষ্কার করেন। হোমিওপ্যাথ নামে পরিচিত এর চিকিৎসকরা বিশ্বাস করেন যে পদার্থ সুস্থ মানুষের মধ্যে একটি রোগের উপসর্গ সৃষ্টি করে সেই একই পদার্থ অসুস্থ মানুষের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ নিরাময় করতে পারে; এই মতবাদকে বলা হয় সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার, বা "সদৃশ সদৃশকে আরোগ্য করে"। [৫] হোমিওপ্যাথিক ঔষধকে রেমিডি বলা হয় এবং হোমিওপ্যাথিক ডায়োলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, নির্বাচিত পদার্থ বারবার মিশ্রিত করা হয় যতক্ষণ না চূড়ান্ত পণ্যটি রাসায়নিকভাবে দ্রবণীয় থেকে আলাদা হয়। প্রায়শই মূল পদার্থের একটি অণুও পণ্যটিতে থাকার আশা করা যায় না। [৬] প্রতিটি ডায়োলেশনে হোমিওপ্যাথ ঔষধটিকে আঘাত করতে পারে অথবা ঝাঁকি দিতে পারে, এই দাবী করে যে পাতলা পদার্থটি অপসারণের পরে মূল পদার্থটি মনে রাখে। চিকিৎসকরা দাবি করেন যে এই ধরনের প্রস্তুতকৃত ঔষধ, রোগীকে খাওয়ার পরে, রোগের চিকিৎসা বা নিরাময় করতে পারে। [৭]

হোমিওপ্যাথি
বিকল্প ঔষধ
সদৃশবিধান
স্যামুয়েল হ্যানিম্যান
স্যামুয়েল হ্যানিম্যান, হোমিওপ্যাথির জনক
উচ্চারণ
Claims"সদৃশ সদৃশকে আরোগ্য করবে", সূক্ষ্ম করলে শক্তি বৃদ্ধি হয়, রোগের কারন হলো মায়াজম
সম্পর্কিত ক্ষেত্রবিকল্প ঔষধ
Year proposed১৭৯৬
Original proponentsস্যামুয়েল হ্যানিম্যান
Subsequent proponentsজেমস টাইলার কেন্ট, রয়েল এস. কোপল্যান্ড, জর্জ ভিথোলক্যাস

হ্যানিম্যান বিশ্বাস করতেন সকল অসুখের মূলে রয়েছে "মিয়াসম" নামক একধরনের প্রতিক্রিয়া এবং হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এই মিয়াসম দূর করার জন্য কার্যকর। সাধারণত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ তৈরি করার জন্য একটি নির্দিষ্ট দ্রব্যকে ক্রমাগত লঘুকরণ করা হয় অ্যালকোহল অথবা পতিত জলে দ্রবীভূত করে। এই লঘুকরণ এতবার করা হয়ে থাকে যে শেষপর্যন্ত এই মিশ্রণে প্রাথমিক দ্রব্যের অণু পরিমাণও অবশিষ্ট থাকে না।[৮]

ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জৈবরসায়ন এবং জীববিজ্ঞান সম্পর্কে যে সকল প্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জিত হয়েছে তা হোমিওপ্যাথির বিপরীত।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
হোমিওপ্যাথি অ্যালোপ্যাথির ভয়াবহতা দেখেছে,অ্যালেক্সান্ডার বেইডেমনের একটি ১৮৫৭ সালের চিত্রকর্ম, যাতে ১৯ শতকের চিকিৎসার নৃশংসতা পর্যবেক্ষণ করে হোমিওপ্যাথির ঐতিহাসিক চিত্র এবং ব্যক্তিত্ব দেখা যায়।

ঐতিহাসিক প্রসঙ্গসম্পাদনা

হ্যানিম্যান আঠারো শতকের শেষের দিকে মূলধারার ঔষধগুলো অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য হিসাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন [৯] কারণ এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অকার্যকর এবং প্রায়শই ক্ষতিকারক ছিল। [১০] তিনি কম মাত্রায় একক ওষুধের ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন এবং জীবিত প্রাণীরা কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে একটি নিরপেক্ষ, প্রাণবন্ত দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেছিলেন। [১১] চিকিৎসা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের ফলাফলটি মূলধারার ঔষধের চেয়ে সাধারণত হোমিওপ্যাথির শুরু হওয়ার সময় প্রচলিত ছিল।

হ্যানিম্যানের ধারণাসম্পাদনা

 
স্যামুয়েল হ্যানিম্যান স্মৃতিস্তম্ভ, ওয়াশিংটন ডিসি, "সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার" সদৃশ্য সদৃশ্যকে আরোগ্য করবে।

"হোমিওপ্যাথি" শব্দটি হ্যানিম্যান তৈরি করেছিলেন এবং ১৮০৭ সালে প্রথম মুদ্রণে প্রকাশিত হয়েছিল।[১২]

স্কটিশ চিকিৎসক এবং রসায়নবিদ উইলিয়াম কুলেনের জার্মান ভাষায় একটি মেডিকেল গ্রন্থ অনুবাদ করার সময় হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন। ম্যালেরিয়া নিরাময়ের জন্য সিনচোনার ব্যবহার সম্পর্কিত কুলেনের তত্ত্ব সম্পর্কে সন্দেহাতীত হলেন, হ্যানিম্যান কী ঘটবে তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষভাবে কিছু ছাল খেয়েছিলেন। তিনি জ্বর, কাঁপুনি এবং জয়েন্টে ব্যথা অনুভব করেছেন: ম্যালেরিয়ার মতোই লক্ষণগুলি। এ থেকে হ্যানিম্যান বিশ্বাস করেছিলেন, যে সমস্ত কার্যকর ওষুধগুলি থেকে চিকিৎসা করা হয়, সেগুলোই রোগগুলির মতো সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে লক্ষণ তৈরি করে, প্রাচীন চিকিৎসকদের প্রস্তাবিত "সাদৃশ্য বিধান" অনুসারে। [১৩] অলিভার ওয়েন্ডেল হোমস দ্বারা চিহ্নিত এবং ১৮৬১ সালে প্রকাশিত সিনচোনার ছাল খাওয়ার প্রভাবগুলির একটি বিবরণ লক্ষণগুলি পুনরুৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়েছিল।[১৪] হ্যানিম্যানের সাদৃশ্য বিধান একটি আইপ্স ডিক্সিট যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি থেকে প্রাপ্ত হয় না।[১৫] এটিকে হোমিওপ্যাথি নাম দিয়েছ যা আসে, গ্রিকঃ ὅμοιος hómoios, "-সাদৃশ্য" and πάθος páthos, "পদ্ধতি" থেকে।

পরবর্তীতে বৈজ্ঞানিক গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে সিনচোনা ম্যালেরিয়া নিরাময় করে, কারণ এটিতে কুইনাইন রয়েছে যা প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপারাম পরজীবীকে মেরে ফেলে যা এই রোগের কারণ হয়; এটি একটি রাসায়নিক ক্রিয়াযা হ্যানম্যানের ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়। [১৬]

১৯ শতক: জনপ্রিয়তা এবং প্রথম দিকে সমালোচনা বৃদ্ধিসম্পাদনা

বিশ শতকে পুনর্জাগরণসম্পাদনা

একবিংশ শতাব্দিসম্পাদনা

ভারতীয় উপমহাদেশেসম্পাদনা

ভারত ও বাংলাদেশে বহুকাল থেকেই এই চিকিৎসা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভিজ্জ বা সাধারণ রাসায়নিক পদার্থ থেকে কনসেনট্রেট হিসেবে এই ওষুধ তৈরি করা হয় এবং চিকিৎসকরা গাইড বুকের নির্দেশ অনুযায়ী সেগুলি প্রয়োজন মতো লঘুকৃত করেন। বাংলা ভাষায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার প্রচুর বইপত্র আছে এবং এগুলির ভিত্তিতে দেশে এই চিকিৎসা চলছে। ইদানীং দেশের নগর ও শহরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদানের জন্য কয়েকটি হোমিওপ্যাথি কলেজ[১৭] প্রতিষ্ঠিত হয়েছে [১৮]

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯ সালে একটি বিবৃতিতে জানায় যে হোমিওপ্যাথি এইচআইভি, টিবি ও ম্যালেরিয়ার জন্য কোনো বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা নয়।[১৯]

কার্যকারিতাসম্পাদনা

সদৃশ ওষুধ কীভাবে আমাদের দেহে কাজ করে? এই প্রশ্নটা বহুদিনের। উত্তরের সঙ্গে সদৃশ নীতির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে। প্রথমে আমাদের জানা দরকার

জীবনী শক্তির কাজসম্পাদনা

মানব দেহে সংঘটিত সব কাজের ক্ষমতার উৎস হলো জীবনী শক্তি (ভাইটাল ফোর্স)। জৈবদেহ জীবনী শক্তির ক্ষমতাবলে ভাইটাল ফোর্স প্রয়োগ করে নিদিষ্ট নিয়মকানুন বা সূত্র অনুসারে সুস্থ, অসুস্থ ও আরোগ্যের সময় যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে। [২০]

কীভাবে কাজ করে?সম্পাদনা

মৃত্যুঞ্জয়ী চিকিৎসা বিজ্ঞানী হোমিওপ্যাথিক আবিষ্কারক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান বলেছেন, হোমিওপ্যাথিক ওষুধ স্নায়ুর মাধ্যমে কাজ করে। ওষুধ যাতে বেশিসংখ্যক স্নায়ুকে স্পর্শ করে ভালোভাবে কাজ করতে পারে, এ জন্য ওষুধের একটা অনুবটিকাকে পানিতে দ্রবীভূত করে প্রয়োগ করতে হবে। জিহ্বা, মুখ ও পাকস্থলির স্নায়ুগুলো সহজেই ওষুধের ক্রিয়া গ্রহণ করতে পারে। নাকে ও শ্বাসযন্ত্র দিয়ে ঘ্রাণ এবং মুখ দিয়ে আঘ্রাণ নিলেই সংশ্লিষ্ট আবরণীর ওপরের স্নায়ুও এ কাজে সাহায্য করতে পারে, বিশেষত একই ওষুধ যদি মর্দনের সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণভাবেও প্রয়োগ করা হয়।

ওষুধের কাজসম্পাদনা

চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. হ্যানিম্যান তার বিশ্বখ্যাত অর্গানন অব মেডিসিন পুস্তকে উল্লেখ করেছেন, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কাজ দুই ধরনের (১) রোগ সৃষ্টি করা ও (২) রোগ আরোগ্য করা। তিনি তার নিজের ও ৫০ জন সহকর্মীর সুস্থ দেহে প্রায় ১০০টি ওষুধ স্থূলমাত্রায় বার বার প্রয়োগ করে পরীক্ষণ করেন। তখন এসব ওষুধের লক্ষণ তাদের ওপর প্রকাশ পায়। লক্ষণগুলো সংগ্রহ করে হোমিওপ্যাথিক মেটিরিয়া মেডিকায় এবং রেপার্টারি গ্রন্থে লিখে রাখেন। যাতে চিকিৎসার সময় এগুলো ব্যবহার করা যায়। রোগ সৃষ্টিকারী এসব পরীক্ষার সময় ওষুধ সেবনের ফলে ওষুধ মুখ গহ্বরের স্নায়ুকে স্পর্শ করে এর অনুভূতিতে মস্তিকে পৌঁছে দেয়। সেখান থেকে এর ক্রিয়ার অনুভূতি মন ও দেহে ওষুধগুলোর নির্দিষ্ট ক্রিয়াক্ষেত্রে পৌঁছে যায় এবং শরীর ও মনে ওষুধের নিজ নিজ লক্ষণ প্রকাশ করে। এ ক্ষেত্রে সুস্থদেহ জীবনী শক্তির ক্ষমতাবলে জীবনীবল প্রয়োগ করে জীবনী সূত্র মোতাবেক এ কাজ সম্পন্ন করে। পরবর্তী সময়ে গবেষকরা তার পরীক্ষণ করা অনেক ওষুধ দ্বিও-অদ্ধ পদ্ধতিতে পরীক্ষণ করে এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তির প্রমাণ পান।

রোগ আরোগ্য করাসম্পাদনা

অপরদিকে রোগী চিকিৎসার সময় হ্যানিম্যান রোগীর রোগ লক্ষণের সদৃশ লক্ষণ সম্পন্ন ওষুধ সূক্ষ মাত্রায় প্রয়োগ করে রোগীকে আরোগ্যর পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৭৯০ সালে আবিষ্কৃত তার এ চিকিৎসা পদ্ধতির নাম হোমিওপ্যাথি । তিনি আরো প্রমাণ করেন যেকোনো ওষুধ সুস্থ মানুষের ওপর যে রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে তা সৃদশ লক্ষণের রোগীকে আরোগ্য করতে পারে। অর্থাৎ ওষুধের রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতার মাধ্যমেই এর রোগ আরোগ্যকারী ক্ষমতা নিহিত। একইভাবে অন্য এক গবেষণায় ৪০ জন মাথা ঘোরা রোগীর ওপর গবেষক ক্লোজেন, বার্গম্যানবাটিলি এ রোগীদের লক্ষণানুসারে ককুলাস, কোনিয়াম ও পেট্টোশিয়াম ওষুধ দিয়ে পরীক্ষা করে সফল হন।

উপসংহারসম্পাদনা

অতএব, মহাত্মা হ্যানিম্যান ও তার পরবর্তী গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে হোমিওপ্যাথি ওষুধ স্নায়ুর মাধ্যমে কাজ করে। এ ক্ষেত্রে জীবনীশক্তি জীবের সব ক্ষমতার উৎস এটা উপলব্ধি করে হোমিওপ্যাথিকে চিকিৎসাক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গভাবে যতই ব্যবহার করা যাবে জনস্বাস্থ্যের ততই উন্নতি হবে। [২১]

প্রমাণ এবং ফলপ্রসূতাসম্পাদনা

বিকল্পধারার চিকিৎসক সম্প্রদায়ের বাইরে, প্রচলিতধারার চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে হোমিওপ্যাথিকে একটি মিথ্যা [২২] বা একটি ছদ্মবিজ্ঞান, এবং তারা এটিকে হাতুড়ে চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করে। [২৩] এছাড়াও এটিতে থেরাপিউটিক কার্যকারিতার সাফল্যপূর্ণ পরিসংখ্যানগত প্রমাণের অনুপস্থিতি রয়েছে, এবং জৈবিকভাবে প্রশংসনীয় ফার্মাকোলজিকাল এজেন্ট বা পদ্ধতির অভাব রয়েছে। [২৪] তবে প্রবক্তারা যুক্তি দেন যে হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি অবশ্যই কিছুর দ্বারা কাজ করে, যা এখনও অনির্ধারিত, একটি বায়োফিজিক্যাল মেকানিজম। অহোমিওপ্যাথিকগন এটিকে উপশমদায়ক ছাড়া আলাদা কিছু বলে দেখান না। [২৪]

তত্ত্বনির্ভর বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাবসম্পাদনা

বিশ্বাসযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাব যার কার্যকারিতা সমর্থন করে [২৫] এবং সক্রিয় উপাদান ছাড়া এর প্রস্তুতির ব্যবহার হোমিওপ্যাথিকে ছদ্মবিজ্ঞান এবং হাতুড়ে হিসাবে চিহ্নিত করে, [২৬] [২৭] ইংল্যান্ডের চিফ মেডিক্যাল অফিসার, ডেম স্যালি ডেভিস, বলেছেন যে হোমিওপ্যাথিক প্রস্তুতি "আবর্জনা" এবং প্লেসবোসের চেয়ে বেশি কিছু নয়। [২৮] ২০১৩ সালে, মার্ক ওয়ালপোর্ট, যুক্তরাজ্য সরকারী প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা এবং বিজ্ঞান বিভাগের সরকারি অফিস প্রধান বলেন "হোমিওপ্যাথি অর্থহীন, এটি অবৈজ্ঞানিক।" [২৯] তার পূর্বসূরি, জন বেডিংটন, সেই হোমিওপ্যাথ বলেছিলেন "বৈজ্ঞানিক ভিত্তির কোন ভিত্তি নেই" এবং এটিকে সরকার "মৌলিকভাবে উপেক্ষা" করছে। পাগল বলেছেন বিদায়ী বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টাকে। [৩০]

ন্যাশনাল সেন্টার ফর কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড অলটারনেটিভ মেডিসিন এর ভারপ্রাপ্ত উপ -পরিচালক জ্যাক কিলেন বলেন, হোমিওপ্যাথি "রসায়ন এবং পদার্থবিজ্ঞানের বর্তমান তত্ত্বেট বাইরে"। তিনি যোগ করেন: "আমার জানামতে, এমন কোন শর্ত নেই যার জন্য হোমিওপ্যাথিকে একটি কার্যকর চিকিৎসা হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে।" বৈজ্ঞানিকভাবে নিরক্ষর জনসাধারণ, "... একাডেমিক ঔষধ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন, এবং সমালোচনার প্রায়শই যুক্তির পরিবর্তে পরিহার করা হয়েছে"। [৩১] হোমিওপ্যাথরা মেটা-বিশ্লেষণ উপেক্ষা করতে পছন্দ করে , যেমন একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণমূলক অধ্যয়ন (যাকে গোল্ডাক্রে "গ্রাহক-সন্তুষ্টি জরিপের চেয়ে একটু বেশি বলে বর্ণনা করে") প্রচার করে, যেন এটি র্যান্ডমাইজড কন্ট্রোর একটি সিরিজের চেয়ে বেশি তথ্যবহুল পরীক্ষা করা হয়েছে। [৩১]

"আমাদের কি হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে উন্মুক্ত মনোভাব বজায় রাখা উচিত?" হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে আমাদের কি খোলা মনে রাখা উচিত? হোমিওপ্যাথি বা একইভাবে বিকল্প ঔষধ অসম্ভব রূপ (যেমন, বাচ ফ্লাওয়ার প্রতিকার, আধ্যাত্মিক নিরাময়, স্ফটিক থেরাপি) সম্পর্কে খোলা মনে থাকতে হবে, এর বিকল্প নেই। আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন , মাইকেল বাউম এবং এডজার্ড আর্নস্ট  – অন্যান্য চিকিৎসকদের কাছে লেখা  – লিখেছেন যে "হোমিওপ্যাথি বিশ্বাস ভিত্তিক ঔষধের সবচেয়ে খারাপ উদাহরণগুলির মধ্যে একটি ... এই স্বতস্ফূর্ততাগুলি [হোমিওপ্যাথির] বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলির সাথে সীমাবদ্ধ নয় বরং সরাসরি তাদের বিরোধিতা করে। যদি হোমিওপ্যাথি সঠিক হয়, তবে অনেক পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং ফার্মাকোলজি অবশ্যই ভুল ... "।

হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ব্যবস্থাসম্পাদনা

বাংলাদেশেসম্পাদনা

বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সমন্ধে জ্ঞান অর্জনের জন্য সরকারী দুইটি কোর্স প্রচলিত আছে। একটি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৫ বছর ৬ মাস (ইন্টার্নি সহ) ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী (বিএইচএমএস) মেয়াদী কোর্স এবং অন্যটি হলো বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের অধিভুক্ত ৪ বছর ৬ মাস (ইন্টার্নি সহ) মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথি মেডিসিন এন্ড সার্জারী (ডিএইচএমএস) কোর্স। বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি শিক্ষার জন্য ১টি সরকারী মেডিকেল কলেজ এবং বোর্ড স্বীকৃত ৬৩টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।

অন্যান্য দেশেসম্পাদনা

লন্ডন, জার্মানি এবং পার্শ্ববর্তীদেশ ভারত, পাকিস্থান, শ্রীলংকা সহ বিশ্বের নানান দেশে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা অর্জনের জন্য বিভিন্ন স্বীকৃত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যুক্তরাজ্যে রয়েল লন্ডন হোমিওপ্যাথিক ইউনিভার্সিটি নামে একটি হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

সমালোচনাসম্পাদনা

ক্লিনিকাল ভিত্তিতে যে সকল রোগী সাধারণ চিকিৎসার বদলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নির্বাচন করেছেন, তাদের কিছু সংখ্যকের সময়মত রোগ নির্ণয় এবং ফলপ্রসূ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় নি, ফলে অবস্থা আরও গুরুতর হয়েছে।[৩২][৩৩][৩৪][৩৫] হোমিওপ্যাথির সমালোচকেরা বলেছেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণকারী ব্যক্তিরা যথাযথ চিকিৎসা নিতে পারেন নি,যা প্রচলিত চিকিৎসায় সম্ভব ছিল, এবং এর ফলে মৃত্যুও হয়েছে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দাবি করেন, প্রচলিত চিকিৎসা রোগকে আরও গুরুতর করবে এবং আরও ভয়াবহ সমস্যার মুখোমুখি করবে। [৩৬][৩৭] কিছু হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তাদের রোগীকে উপদেশ দেন ভ্যাক্সিনের পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিক nosode ব্যবহার করতে .[৩৪][৩৮][৩৯],যা জৈবিক উপাদান যেমন পুঁজ, রোগাক্রান্ত টিস্যু থেকে তৈরি হয়। যখন হানিম্যান এই পদ্ধতির বিরোধী ছিলেন, কিছু আধুনিক হোমিওপ্যাথিক এটি প্রায়শ ব্যবহার করে থাকেন যদিও এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ নেই।এও জানা যায়,হোমিওপ্যাথরা অ্যান্টি - ম্যালেরিয়াল ওষুধ ব্যবহার করতে নিষেধ করে। এই নিষেধবাণী যারা আক্রান্ত,তাদের বিপদে ফেলেছে, যেহেতু ম্যালেরিয়া পরজীবীর বিরুদ্ধে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ একদম অকার্যকর ।

১৯৭৮ সালে অ্যান্থনি ক্যাম্পবেল , রয়্যাল লন্ডন হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালের একজন কনসাল্ট্যান্ট , জর্জ ভিথলকাস এর বিবৃতির কঠোর সমালোচনা করেন, যিনি তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকে চালু করতে চেয়েছিলেন। ভিথলকাস বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে সিফিলিস রোগের চিকিৎসা করলে তা পরবর্তীতে সেকেন্ডারি এবং টারশিয়ারি অবস্থায় উন্নীত হতে পারে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র সহ। ক্যাম্পবেল একে দায়িত্বহীন বিবৃতি বলে আখ্যা করে বলেন, এ কথা একজন সচেতনতাবিহীন মানুষকে প্রচলিত ওষুধ গ্রহণে নিবৃত্ত করবে । [৪০]

আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন এ Should We Maintain in Open Mind about Homeopathy শীর্ষক একটি আর্টিকেলে প্রকাশিত , মাইকেল বম এবং এডয়ার্ড আর্ন্সট বলেছেন, "হোমিওপ্যাথি বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা চিকিৎসাপদ্ধতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট উদাহরণ। এই যুক্তি বহির্ভূত শুধু বৈজ্ঞানিক মতবাদের সাথে মিলে না, তাই নয়, বরং এটি স্ববিরোধীও বটে। যদি হোমিওপ্যাথি সঠিক হয়, তবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং ফার্মাকোলজির অধিকাংশই বেঠিক।[৪১]

২০১৩ সালে স্যার মার্ক ওয়ালপোর্ট , যুক্তরাজ্যের সরকারি প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা হোমিওপ্যাথি সম্বন্ধে বলেন,' বৈজ্ঞানিক ভাবে আমার দৃষ্টিভঙ্গি একদম সুস্পষ্ট; হোমিওপ্যাথি একটি ননসেন্স, অবৈজ্ঞানিক শাখা। সরকারের কাছে আমার উপদেশ, হোমিওপ্যাথিতে কোন বিজ্ঞান নেই। এটির সর্বোচ্চ প্লেসবো এফেক্ট থাকতে পারে। এটি এখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তারা এর পিছনে খরচ করবে কি না।[৪২] তার পূর্বসূরি প্রফেসর জন বেডিংটন বলেছেন, ' আমি হোমিওপ্যাথির ব্যাপারে যা ভাবতে পারি, তা হল পাগলামি। এটির কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। আসলে, সকল বৈজ্ঞানিক যুক্তি বলে এটি কোন যুক্তিযুক্ত জ্ঞান নয়। কিন্তু হোমিওপ্যাথি এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে।[৪৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Tuomela, R (১৯৮৭)। "Chapter 4: Science, Protoscience, and Pseudoscience"। Pitt JC, Marcello P। Rational Changes in Science: Essays on Scientific Reasoning। Boston Studies in the Philosophy of Science। 98। Springer। পৃষ্ঠা 83–101। আইএসবিএন 978-94-010-8181-8ডিওআই:10.1007/978-94-009-3779-6_4 
  2. Smith K (২০১২)। "Homeopathy is Unscientific and Unethical"Bioethics26 (9): 508–12। এসটুসিআইডি 143067523ডিওআই:10.1111/j.1467-8519.2011.01956.x 
  3. Baran GR, Kiana MF, Samuel SP (২০১৪)। "Science, Pseudoscience, and Not Science: How Do They Differ?"। Chapter 2: Science, Pseudoscience, and Not Science: How Do They Differ?Healthcare and Biomedical Technology in the 21st Century। Springer। পৃষ্ঠা 19–57। আইএসবিএন 978-1-4614-8540-7ডিওআই:10.1007/978-1-4614-8541-4_2within the traditional medical community it is considered to be quackery 
  4. Ladyman J (২০১৩)। "Chapter 3: Towards a Demarcation of Science from Pseudoscience"। Pigliucci M, Boudry M। Philosophy of Pseudoscience: Reconsidering the Demarcation Problem। University of Chicago Press। পৃষ্ঠা 48–49। আইএসবিএন 978-0-226-05196-3Yet homeopathy is a paradigmatic example of pseudoscience. It is neither simply bad science nor science fraud, but rather profoundly departs from scientific method and theories while being described as scientific by some of its adherents (often sincerely). 
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Hahnemann নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. "Homeopathy"Royal Pharmaceutical Society। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১৭ 
  7. "Homeopathy"nhs.uk (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭-১০-১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১০ 
  8. "Dynamization and Dilution", Complementary and Alternative Medicine, Creighton University Department of Pharmacology, সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৩-২৪ 
  9. Lasagna L (1970) [1962]. The doctors' dilemmas. New York: Collier Books. p. 33. ISBN 978-0-8369-1669-0.
  10. Edzard Ernst; Singh, Simon (2008). Trick or Treatment: The Undeniable Facts about Alternative Medicine. New York: W. W. Norton. ISBN 978-0-393-06661-6.
  11. W. Steven Pray (August 1, 2003). a History of Nonprescription Product Regulation https://books.google.com.bd/books?id=uadgq04eLr0C&pg=PA192&redir_esc=y. Psychology Press. p. 192. ISBN 978-0-7890-1538-9. Retrieved January 21, 2013.
  12. Dean ME (2001). "Homeopathy and "the progress of science""https://web.archive.org/web/20060101084902/http://www.shpltd.co.uk/dean-homeopathy.pdf(PDF). Hist Sci. 39 (125 Pt 3): 255–83. Bibcode:2001HisSc..39..255E. doi:10.1177/007327530103900301. PMID 11712570. Archived from the original http://www.shpltd.co.uk/dean-homeopathy.pdf(PDF) on January 1, 2006. Retrieved March 31, 2009.
  13. Robert W. Ullman; Judyth Reichenberg-Ullman (October 1, 1994). The patient's guide to homeopathic medicine. Picnic Point Press. pp. 1 https://archive.org/details/patientsguidetoh00robe/page/1–2. ISBN 978-0-9640654-2-0. Retrieved January 24, 2013.
  14. Oliver Wendell Holmes, Sr. (1842). Homoeopathy and its kindred delusions: Two lectures delivered before the Boston Society for the Diffusion of Useful Knowledge. Boston. as reprinted in Oliver Wendell Holmes, Sr. (1861). Currents and counter-currents in medical science. Ticknor and Fields. pp. 72–188. OCLC 1544161. OL 14731800M.
  15. J. D. White; John Hugh McQuillen; George Jacob Ziegler; James William White; Edward Cameron Kirk; Lovick Pierce Anthony, eds. (December 1894). "A wail from the waste-basket" https://quod.lib.umich.edu/d/dencos/acf8385.0036.001/1050:349?didno=ACF8385.0036.001;rgn=full+text;view=image. The Dental Cosmos (editorial). 36 (12): 1030–32.
  16. Atwood, Kimball (January 4, 2008). "Homeopathy and evidence-based medicine: back to the future" https://sciencebasedmedicine.org/homeopathy-and-evidence-based-medicine-back-to-the-future-part-i/. Science Based Medicine. Retrieved September 9, 2013.
  17. http://www.homeopathybd.com/list-of-homeopathic-medical-colleges-in-bangladesh/
  18. দৈনিক সংগ্রাম (শনিবার ২৫ ডিসেম্বর ২০১০)। "সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ পরিচিতি ও ভর্তিতথ্য, লেখক: মুহম্মদ হামিম উদ্দিন"। ১০ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  19. http://news.bbc.co.uk/2/hi/health/8211925.stm
  20. ডা. সামুয়েল হ্যানেমান-অর্গানন অব মেডিসিন ৬ষ্ঠ সংস্করণ, অনুচ্ছেদ ৯-১৫
  21. https://m.dailyinqilab.com/article/50521/%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%93%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%3F
  22. Caulfield, Timothy; Rachul, Christen (২০১১)। "Supported by science?: What Canadian naturopaths advertise to the public"Allergy, Asthma & Clinical Immunology7: 14। ডিওআই:10.1186/1710-1492-7-14পিএমআইডি 21920039পিএমসি 3182944 Within the non-CAM scientific community, homeopathy has long been viewed as a sham 
  23. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Baran20142 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  24. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; pmid124926032 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  25. | url = http: //www.newsweek.com/id/105581}}
  26. { {cite news | last = Dearden | first = Lizzie | date = February 7, 2017 | title = রুশ একাডেমী অফ সায়েন্সেস বলছে হোমিওপ্যাথি বিপজ্জনক 'ছদ্মবিজ্ঞান' যা কাজ করে না | সংবাদপত্র = ইন্ডিপেন্ডেন্ট | url = https: //www.independent.co.uk/news/world/europe/russia-academy-of-sciences-homeopathy-treaments-pseudoscience-does-not-work-par-magic-a7566406.html|access-date=Feb February 7 2017 Otolaryngology – মাথা ও ঘাড়ের সার্জারি | ভলিউম = 129 | ইস্যু = 12 | পৃ ges = 1356–57 | doi = 10.1001/archotol.129.12.1356 | pmid = 14676179}}
  27. Ndububa, VI (২০০৭)। [https: //www.telegraph.co.uk/news/health/news/9982234/Homeopathy-on-the-NHS-is-mad-says-outgoing-scientific-adviser.html "নাইজেরিয়ার মেডিকেল কোয়ারি; কেন নীরবতা? ১ medical সালের একটি মেডিকেল রিভিউ, "সবচেয়ে ভালো প্লেসবো থেরাপি এবং সবচেয়ে খারাপ সময়ে কোয়াকেরি"। শিরোনাম = হোমিওপ্যাথিক আর্নিকার কার্যকারিতা: প্লেসবো-নিয়ন্ত্রিত ক্লিনিকাল ট্রায়ালগুলির একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা"] |url= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)The Telegraph (ইংরেজি ভাষায়): 1187-90। ডিওআই:10.1001/archsurg.133.11.1187পিএমআইডি [//www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/9820349 )
  28. টেমপ্লেট:উদ্ধৃতি সংবাদ
  29. টেমপ্লেট:Cite সংবাদ
  30. 9820349 ) </span> </li> <li id="cite_note-28"><span class="mw-cite-backlink">[[#cite_ref-28|↑]]</span> <span class="reference-text"> [[:টেমপ্লেট:উদ্ধৃতি সংবাদ]] </span> </li> <li id="cite_note-Collins2-29"><span class="mw-cite-backlink">[[#cite_ref-Collins2_29-0|↑]]</span> <span class="reference-text"> [[:টেমপ্লেট:Cite সংবাদ]] </span> </li> <li id="cite_note-30"><span class="mw-cite-backlink">[[#cite_ref-30|↑]]</span> <span class="reference-text">] |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৮  অজানা প্যারামিটার |জার্নাল= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |ইস্যু= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |ভলিউম= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); line feed character in |pmid= at position 20 (সাহায্য)
  31. টেমপ্লেট:Cite Journal
  32. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; pmid17285788 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  33. Malik, Imtiaz A.; Gopalan, Sethuraman (২০০২), "Use of CAM results in delay in seeking medical advice for breast cancer", European Journal of Epidemiology, 18 (8): 817–22, ডিওআই:10.1023/A:1025343720564, পিএমআইডি 12974558, CAM use [in the developing countries this study solely considered] was associated with delay in seeking medical advice (OR: 5.6; 95% CI: 2.3, 13.3) and presentation at an advanced stage of disease 
  34. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; pmid8554846 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  35. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; malaria2 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  36. Case of Baby Gloria, who died in 2002:
  37. Alastair Neil Hope, State Coroner, Coroner's inquest into the death of Penelope Dingle. Ref No: 17/10 
  38. Ernst, E. (১৯৯৭), "The attitude against immunisation within some branches of complementary medicine", European Journal of Pediatrics, 156 (7): 513–5, ডিওআই:10.1007/s004310050650, পিএমআইডি 9243229 
  39. Ernst, E (২০০১), "Rise in popularity of complementary and alternative medicine: reasons and consequences for vaccination", Vaccine, 20: S90–3; discussion S89, ডিওআই:10.1016/S0264-410X(01)00290-0, পিএমআইডি 11587822 
  40. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Birnbaum নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  41. Baum, Michael; Ernst, Edzard (২০০৯), "Should We Maintain an Open Mind about Homeopathy?", The American Journal of Medicine, 122 (11): 973–4, ডিওআই:10.1016/j.amjmed.2009.03.038, পিএমআইডি 19854319 
  42. Nick Collins, Science Correspondent. Homeopathy is nonsense, says new chief scientist. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে The Telegraph, 18 Apr 2013
  43. http://www.telegraph.co.uk/health/healthnews/9982234/Homeopathy-on-the-NHS-is-mad-says-outgoing-scientific-adviser.html ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৭ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে Homeopathy on the NHS is 'mad' says outgoing scientific adviser.] The Telegraph, 09 Apr 2013