মুহাম্মাদের স্ত্রীগণ

মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের বর্ণনা
(মুহাম্মাদের বৈবাহিক জীবন থেকে পুনর্নির্দেশিত)

মুহাম্মদের স্ত্রীগণ হলেন ইসলামের নবী মুহাম্মাদ তার জীবনে যে সকল নারীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন মুসলমানগণ তাদেরকে উম্মাহাতুল মুমিনীন অর্থাৎ বিশ্বাসীগণদের মাতা হিসেবে অভিহিত করেন।

أمهات المؤمنين
Wives of Muhammad.png
দাম্পত্য সঙ্গী
মুহাম্মাদের স্ত্রীগণ বিয়ে
খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ৫৯৫–৬১৯
সাওদা বিনতে জামআ৬১৯–৬৩২
Aisha bint Abi Bakrc. 623–632
Hafsa bint Umar625–632
Zaynab bint Khuzayma625–627
Hind bint Abi Umayya625–632
Zaynab bint Jahsh627–632
Juwayriya bint al-Harith628–632
Ramla bint Abi Sufyan628–632
Safiyya bint Huyayy629–632
Maymunah bint al-Harith630–632
Rayhana bint Zayd627–631
Maria al-Qibtiyya628–632
পরিবারHouse of Muhammad

কুরআনেও সেটি উল্লেখিত হয়েছে। কুরআন ৩৩:৬:

নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা[১]

তিনি আরবীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সেনানায়ক হিসেবেও সফলতা লাভ করেছেন। ইতিহাসে তাকে রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তি এবং ইসলামের প্রবর্তক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। যৌবনে তিনি মূলত ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২৫ বছর বয়সে তার সাথে আরবের তৎকালীন বিশিষ্ট ধনী এবং সম্মানিত ব্যক্তিত্ব খাদিজার বিয়ে হয়। তাদের বৈবাহিক জীবন প্রায় ২৪ বছর স্থায়ী হয়। এরপর খাদিজা মৃত্যুবরণ করেন। খাদিজার জীবদ্দশায় তিনি আর কোন স্ত্রী গ্রহণ করেননি। মুসলিম জীবনীকারদের বর্ণনামতে, খাদিজার মৃত্যুর পর নবী আরও ১০ জন (মতান্তরে ১২ জন) স্ত্রী গ্রহণ করেন। অর্থাৎ তার স্ত্রীর সংখ্যা সর্বমোট ১১ জন (মতান্তরে ১৩ জন)। ইসলামে এককালীনভাবে চারটির অধিক বিয়ে নিষিদ্ধ হলেও কুরআনের সূরা আহযাবের ৫০-৫২ আয়াত অনুযায়ী মুহাম্মাদ চারটির অধিক বিয়ের অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন। স্ত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র আয়েশা ছিলেন কুমারী। বাকি সব স্ত্রী ছিলেন বিধবা । মুহাম্মাদের জীবনকে প্রধান দুইটি অংশে ভাগ করা হয়: মক্কী জীবন এবং মাদানী জীবন। মক্কী জীবনে তিনি দুইজনকে বিয়ে করেন। তার বাকি সবগুলো বিয়েই ছিলো মাদানী জীবনে তথা হিজরতের পরে। মুহাম্মদের বৈবাহিক জীবনে তালাক ছিল না। এ কারণে কুরআনে তালাক সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা রয়েছে।

পরিবারসম্পাদনা

 

খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদসম্পাদনা

তিনি ছিলেন মক্কার একজন ধনাঢ্য ও সম্ভ্রান্ত মহিলা। তার বয়স যখন ৪০, তখন ২৫ বৎসর বয়সী মুহাম্মদের সঙ্গে তার বিবাহ হয়েছিল। মুহাম্মদের সকল সন্তান তার গর্ভে জন্ম লাভ করে। তার জীবদ্দশায় মুহাম্মদ আর কোন বিয়ে করেন নি। তাকে মক্কার জান্নাতুল মুয়াল্লা নামীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সাওদা বিনতে যামআসম্পাদনা

হিজরতের পূর্বেই (আনুমানিক ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে) খাদিজা এর মৃত্যুর বেশ কিছুদিন পরেই মুহাম্মাদ এর সাথে তার বিবাহ হয় ।

আয়িশা বিনতে আবু বকরসম্পাদনা

ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকরের কন্যা আয়িশা। তাকে উম্মুল মুমেনিন বলা হয়ে থাকে। ইসলামী শরিয়তের বৃহদংশ তার মাধ্যমে স্বীকৃত। তার গৃহেই মুহাম্মাদের ওফাত হয়। তাকে জান্নাতুল বাক্বীতে দাফন করা হয়েছে।

হাফসা বিনতে উমরসম্পাদনা

তিনি ইসলামের ২য় খলিফা উমর এর কন্যা। হাফসার প্রথম স্বামী খুনাইস ইবনে হুজাইফা মারা গেলে উমর খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে প্রথমে আবু বকর এবং পরে উসমান কে বিবাহের প্রস্তাব দেন; কিন্তু তারা কেউ-ই রাজী হন না। পরে হিজরী ২য় বা ৩য় সালে মুহাম্মদ তাকে বিবাহ করেন। কথিত আছে, তিনি অত্যন্ত ইবাদত গুজার ছিলেন। রাতে অধিকাংশ সময় আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করতেন এবং বেশির ভাগ দিন রোজা রাখতেন।

ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি ৪১ অথবা ৪৫ হিজরিতে পরলোকগমন করেন।

যয়নাব বিনতে খুযাইমাসম্পাদনা

মুহাম্মাদ উনাকে হিজরতের একত্রিশ মাস পরে ৩য় হিজরীর রমজান মাসে বিবাহ করেন । মাত্র আটমাস তার বিবাহাধীনে থেকে বিয়ের পরবর্তী বৎসরেই ৪র্থ হিজরীর রবিউস সানি মাসে তার মৃত্যু হয়। শুধুমাত্র তিনি এবং খাদিজা এই দুজনই মুহাম্মাদ এর জীবদ্দশায় মারা যান। বিভিন্ন বর্ণনামতে, তিনি অত্যন্ত দানশীলা মহিলা ছিলেন। ইসলাম-পূর্ব যুগেও একারণে তাকে উন্মুল মাসাকীন (গরিবের মা) বলে ডাকা হতো।

উম্মে সালামা হিন্দ বিনতে আবী উমাইয়্যাসম্পাদনা

৪র্থ হিজরিতে তার প্রথম স্বামী আবু সালামা এক যুদ্ধে শহীদ হন। অত:পর, শাওয়াল মাসে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহ করেন। তিনি মুহাম্মাদের স্ত্রীদের মধ্যে সব শেষে (মতান্তরে ৫৯ বা ৬২ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন।

রায়হানা বিনত যায়েদসম্পাদনা

রায়হানা বিনত যায়েদ ছিলেন বানু নাদির গোত্রের একজন ইহুদী নারী যিনি মুসলমানদের নিকট "উম্মুল মুমেনীন" (ইসলামের নবী মুহাম্মাদের স্ত্রী) হিসাবে সম্মাণিত।

যয়নাব বিনতে জাহশসম্পাদনা

তিনি মুহাম্মাদ এর ফুফাত বোন ছিলেন। তার প্রথম বিবাহ তিনি নিজ পালক পুত্র যায়েদ ইবনে হারেসার সাথে করান। পরবর্তিতে দাম্পত্যে বোঝাপড়া না হওয়ায় যায়েদ তাকে ৫ম হিজরিতে তালাক দেন। অত:পর যিলক্বদ মাসে আল্লাহ তাআলা তার বিবাহ সূরা আল-আহযাবের এক আয়াতের মাধ্যমে মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর সাথে ঘোষণা করেন। তিনি অত্যন্ত দানশীলা ছিলেন বলে খ্যতিমান ছিলেন। ২০ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ইবনে আবি যারারসম্পাদনা

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ছিলেন বনু মুস্তালিক গোত্রের সঙ্গে দাঙ্গার ফলে আটক হওয়া যুদ্ধবন্দী, যিনি উক্ত গোত্রের সর্দারের কন্যা ছিলেন। তার স্বামী, মুস্তফা বিন সাফওয়ান, উক্ত দাঙ্গায় নিহত হন। নিয়মানুযায়ী জুয়াইরিয়া প্রাথমিকভাবে সাহাবী সাবিত বিন কায়েস বিন আল শাম্মাসের গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) ভাগে পড়েন। বন্দী অবস্থাতেই, জুয়াইরিয়া মুহাম্মাদ এর কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন যে, গোত্রপ্রধানের কন্যা হিসেবে তাকে যেন মুক্তি দেয়া হয়, মুহাম্মাদ এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ইত্যবসরে, তার বাবা তাকে মুক্ত করতে মুহাম্মাদের কাছে মুক্তিপণ দেয়ার প্রস্তাব করলেন, কিন্তু মুহাম্মাদ উক্ত প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করলেন। এরপর মুহাম্মাদ জুয়াইরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন এবং জুয়াইরিয়াও রাজি হলেন।[২] যখন সবাই জানতে পারল যে বনু মুস্তালিকের সাথে ইসলামের নবীর বৈবাহিক আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে, তখন মুসলিমগণ উক্ত গোত্রের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দিতে শুরু করলেন।[৩] এভাবে, জুয়াইরিয়ার সাথে মুহাম্মাদের বিয়ে ইতোপূর্বে তার দ্বারা বন্দী হওয়া প্রায় শত পরিবারের মুক্তির কারণ হয়ে উঠলো।[৪]

রামালাহ বিনতে আবী-সুফিয়ানসম্পাদনা

তিনি উম্মে হাবিবা নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের কন্যা ছিলেন এবং পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তিনি মুসলিম হন। আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। হিজরতের পর তার স্বামী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, অপরদিকে তিনি ইসলামে অনড় থেকে যান। হিজরতে থাকাকালীন সময়ে তার স্বামীর মৃত্যু হলে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহের প্রস্তাব পাঠান। মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের যুদ্ধ নিরসনকামী হুদায়বিয়ার চুক্তির পরপরই মুহাম্মাদ সমসাময়িক ইসলামের প্রতিপক্ষ ও কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের এই কন্যাকে বিবাহ করেন, যাতে করে মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের তৎকালীন শত্রুতা আরও কমে আসে।

সফিয়্যা বিনতে হুওয়াইসম্পাদনা

সাফিয়া বিনতে হুয়াই ছিলেন বনু নাদির গোত্রের প্রধান হুয়াই ইবনে আখতাবের কন্যা। খন্দকের যুদ্ধে তার পিতা নিহত হন। তার প্রথম স্বামীর নাম সাল্লাম ইবনে মিশকাম। তার কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে তিনি বনু নাদিরের সেনাপতি কেনানা ইবনে রাবিকে বিয়ে করেন। খায়বার যুদ্ধে বনু নাদির গোত্র পরাজিত হলে কেনানাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় এবং সাফিয়াকে যুদ্ধবন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মুহাম্মাদ তাকে তার মালিক দিহইয়ার কাছ থেকে মুক্ত করেন এবং তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সাফিয়া তার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। মারটিন লিংসের তথ্যমতে, মুহাম্মাদ তাকে দুটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, একটি হল বনু নাদিরে ফিরে যাওয়া আর অপরটি হল ইসলাম গ্রহণ করে মুহাম্মাদকে বিয়ে করা। সাফিয়া দ্বিতীয় প্রস্তাব গ্রহণ করে মুহাম্মাদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মাইমুনা বিনতে হারিছ ইবনে হাযনসম্পাদনা

তার আসল নাম ছিলো বাররা। মুহাম্মাদ তার নাম পরিবর্তন করে মায়মুনা রাখেন । হুদায়বিয়া চুক্তির সময়ে উক্ত মহিলা মুহাম্মাদকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং মুহাম্মাদ তা গ্রহণ করেন। চুক্তি শেষে তিনি মায়মুনাকে সাথে নিয়ে মদিনায় ফিরে যান।

মারিয়া আল-কিবতিয়াসম্পাদনা

মারিয়া আল-কিবতিয়া ছিলেন একজন মিশরীয় কপ্টিক খ্রিস্টান দাসী, যাকে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধীনস্থ মিশরীয় সম্রাট মুকাউকিস মুহাম্মাদের নিকট উপহার হিসাবে প্রদান করেন।[৫] মদিনায় ফেরার পথে মারিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মুহাম্মাদ তাকে আজাদ করে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ নামে মুহাম্মাদের একটি সন্তানের জন্ম দেন, যে কিনা শিশুকালেই মারা যায়।কিছু কিছু সূত্র অনুযায়ী ইব্রাহিমকে জন্ম দেয়ার পর থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি দাসত্ব থেকে মুক্ত ছিলেন।[৬] ইবনে কায়িম আল-যাওজিয়া সহ আরও বহু সূত্র দাবি করে যে, তিনি মুহাম্মাদের একজন উপপত্নী ছিলেন,[৭][৮] অর্থাৎ তিনি মুহাম্মাদের কৃতদাসী ছিলেন কিন্তু স্ত্রী নয়। এর কারণ ইসলামী আইন মুসলিম পুরুষদেরকে দেনমোহর প্রদানকৃত বিবাহিত নিজ স্ত্রী এবং নিজ অধিকৃত দাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক করার অনুমতি দেয়ায় তিনি দাসী হয়েও মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য ছিলেন। ইবনে ইসহাক রচিত মুহাম্মাদের জীবনী হতে সম্পাদিত ইবনে হিশামের সংকলনে তাকে মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের তালিকায় উল্লেখ করা হয় নি।[৯] তবে বেশ কিছু সহিহ হাদিস ও ইতিহাসগ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী তিনি মুহাম্মাদের স্ত্রী ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

স্ত্রীদের তালিকাসম্পাদনা

নাম গোত্র বিয়ের পূর্বের অবস্থা বয়স মন্তব্য বিয়ের তারিখ মৃত্যুর তারিখ
খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদ বনু আসাদ বিধবা ২৫ - ৪০ প্রথম বিয়ে এবং নবুয়াত প্রাপ্তির আগে একমাত্র বিয়ে ৫৯৫ ৬১৯
সাওদা বিনতে জামআ বনু আব্দু শাম্‌স বিধবা ৬৫ বৃদ্ধ, গরিব এবং বিধবা; আবিসিনিয়া হিজরতের পর ৬১৯-এর পরপর মুহাম্মাদের ওফাতের পর
আয়েশা বিনতু আবু বকর বনু তাইম কুমারী ৯ (মতান্তর:বিয়ের সময় আয়েশার বয়স) মুহাম্মদের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আবু বকর তার মেয়েকে বিয়ে দেন।[১০] ৬২২ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
হাফসা বিনতে উমর বনু আদি বিধবা উমরের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে তার মেয়েকে ৬২৪৬২৫ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
জয়নব বিনতু খুযায়মা বিধবা ৬২৬৬২৭ বিয়ের পরপরই
উম্মে সালামা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়া বনু উমাইয়া উহুদ যুদ্ধে বিধবা হন প্রায় ৬৫ সাহায্যের জন্য, ৪ জনের জননী ছিলেন ৬২৬ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
রায়হানা বিনতে জায়েদ বনু নাদির
জয়নব বিনতে জাহশ তালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবা ৬২৫৬২৭ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিস বনু মুস্তালিক বিধবা; মা মালাকাত আইমানুকুম-এর আওতায়। ৬২৭৬২৮ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
রামালাহ বিনতে আবি সুফিয়ান বনু উমাইয়া আবু সুফিয়ানের কন্যা। প্রথম উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া'র বোন। তালাকপ্রাপ্ত, তার স্বামী আবিসিনিয়ায় খ্রিস্টান হয়ে যায়। সাহায্য ৬২৯ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
সাফিয়া বিনতে হুওয়াই বনু নাদির বিধবা; মা মালাকাত আইমানুকুম-এর আওতায়। ৬২৯ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
মায়মুনা বিনতে আল-হারিস বিধবা ২৬ ৬২৯ মুহাম্মাদের ওফাতের পর
মারিয়া আল-কিবতিয়া মিশরীয় মিশরের সম্রাট মুকাউকিসের পক্ষ হতে মুহাম্মাদের জন্য উপহার ৬২৮৬২৯ মুহাম্মাদের ওফাতের পর

বিবাহের সময়রেখাসম্পাদনা

লেখচিত্রের উলম্ব রেখাগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে নবুয়াত, হিজরত এবং বদরের যুদ্ধকে নির্দেশ করে।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Aleem, Shamim (২০০৭)। "12. Mothers of Believers"। Prophet Muhammad(s) and His Family। AuthorHouse। পৃষ্ঠা 85। আইএসবিএন 978-1-4343-2357-6 
  2. Rodinson, page 196.
  3. Lings (1983), pg. 241-2
  4. Nomani, pg. 365-6
  5. A. Guillaume (1955), p. 653
  6. Ibn Ishaq, The Life of Muhammad (Peace Be Upon Him), p. 653.
  7. Exegesis (Tafsir) of Quran by ibn Kathir for Chapter 66, verses 1-5 of Quran
  8. Zaad al-Ma’aad, 1/103
  9. Ibn Ishaq, The Life of Muhammad, p. 792.
  10. Sunni view that sha was divinly chosen (Sahih Bukhari টেমপ্লেট:Bukhari-usc), Shi'a reject that hadith as fabricated. Shi'a view it as a political marriage, in order for Muhammad to get a new tribe and protector after Abu Talib died in the Year of Sorrow