ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ লাইন

(সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইন থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ লাইন বৃটিশ আমলে সারা সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে কম্পানি দ্বারা ১৯১৫-১৯১৬ সালে তৈরী করা একটি রেললাইন। যা বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালিত হয়।[১]

ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ লাইন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
স্থিতিসক্রিয়
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
অঞ্চল বাংলাদেশ
বিরতিস্থল
স্টেশন২১ টি।
পরিষেবা
ধরনবাংলাদেশের রেললাইন
পরিচালকপশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে
ইতিহাস
চালু১৯১৫
কারিগরি তথ্য
ট্র্যাক গেজ
চালন গতি৮০

ইতিহাস সম্পাদনা

সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইনটি ১৯১৫-১৬ সালের মধ্যে সারা-সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে কোম্পানি দ্বারা নির্মিত হয়।[২][৩]

স্টেশন তালিকা সম্পাদনা

ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ লাইনের রেলওয়ে স্টেশন গুলোর তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো :

বন্ধ হয়ে যাওয়া স্টেশন গুলো হচ্ছে:

শাখা লাইন সম্পাদনা

(মাঝগ্রাম-ঢালারচর)

সংযোগ লাইন সম্পাদনা

বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হলে সরাসরি ঢাকার সাথে রংপুর রাজশাহী খুলনা তথা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ চালু করার জন্য জামতৈল-জয়দেবপুর লাইন তৈরি করা হয়। এই লাইনের কাজ শেষ হয় ২০০৩ সালে। তবে প্রাথমিক ভাবে তৎকালীন ইব্রাহিমাবাদ বর্তমানে (বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন) এবং তৎকালীন সয়দাবাদ বর্তমানে (বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন) এর মধ্যে ব্রডগেজ ট্রেন চালুর মাধ্যমে যমুনা নদী পার করার শুভ উদ্বোধন করা হয় ২৩শে জুন ১৯৯৮ সালে । ২০০৩ সালের মধ্যে সেতু পূর্ব- জয়দেবপুর জংশন পর্যন্ত রেলপথ বর্ধিত করা হয় যার দৈর্ঘ্য ৯৪ কিলোমিটার ও সেতু পশ্চিম থেকে জামতৈল হয়ে নতুন ঈশ্বরদী বাইপাস বানিয়ে পার্বতীপুর পর্যন্ত ব্রড গেজ সেকশন ডুয়েলগেজে রুপান্তরিত করা হয়।

পূর্বাঞ্চলের সাথে পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগকারী প্রথম ট্রেন হচ্ছে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস যা ১৪ই আগস্ট, ২০০৩ সালে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে এসে নতুন এই লাইনে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করে।[৪]

ফেরী সম্পাদনা

বাংলাদেশে ফেরিগুলি প্রায়শই রেলপথের একটি শক্তিশালী অঙ্গ ছিলো। যমুনা জুড়ে দুটি প্রধান ফেরি ঘাট ছিল, একটি বাহাদুরাবাদ ঘাট এবং তিস্তামুখ ঘাটের মধ্যে এবং অন্যটি জগন্নাথগঞ্জ ঘাট এবং সিরাজগঞ্জ ঘাটের মধ্যে।[৫][৬]

ফেরি ব্যবস্থাটি তার ক্ষমতার সর্বোচ্চে সেবা দেওয়ার চেস্টা করেছে। যদিও প্রান্তিক চাহিদার সাথে সংযোজনগুলি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট ছিলো না।।[৭]

৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু সেতুটি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিধি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। বাহাদুরাবাদ ঘাট-বালশী ঘাট এবং জগন্নাথগঞ্জ ঘাট-সিরাজগঞ্জ ঘাট উভয় জায়গায় রেলফেরি ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়ে ছিল। বাহাদুরবাদ ঘাট-বালাসিঘাট পথে কেবল সীমিত মাল পরিবহন অব্যাহত ছিল। কিন্তু নদীতে চর গঠনের কারণে ২০১০ সাল থেকে সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।[৮]

তথ্যসূত্র সম্পাদনা

  1. "সিরাজগঞ্জ-ঈশ্বরদী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১০ 
  2. "Brief History"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১১-১২-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১১ 
  3. "Railways in colonial Bengal"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০১৯ 
  4. "যমুনা সেতু ও তাতে ট্রেন চলাচলের ইতিহাস - FriendsDiary.NeT"Friendsdiary। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৭ 
  5. "Defense & Security Intelligence & Analysis: IHS Jane's | IHS"articles.janes.com। ২০১৩-০৩-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১০ 
  6. Tanin, Fahian (২০১৩-০৬-২৬)। "Centre for Policy Dialogue (CPD): A Civil Society Think Tank (http://www.cpd.org.bd)"Asian Politics & Policy5 (3): 487–490। আইএসএসএন 1943-0779ডিওআই:10.1111/aspp.12051 
  7. West, Robert (২০১৩-০১-২১)। "Internet Smoking Cessation Intervention trial"http://isrctn.org/>। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১০  |ওয়েবসাইট= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  8. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"archive.thedailystar.net। ২০১৬-১০-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১০