প্রধান মেনু খুলুন

তৈমুরি সাম্রাজ্য (ফার্সি: تیموریان‎‎) বা গুরকানি (ফার্সি: گورکانیان‎‎, গুরকানিয়ান) ছিল একটি পারস্যায়িত[৪][৫] তুর্ক-মঙ্গোল সাম্রাজ্য। এটি বর্তমান ইরান, ককেসাস, মেসোপটেমিয়া, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া, পাকিস্তান, সিরিয়াতুরস্ক জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

তৈমুরি সাম্রাজ্য
  • تیموریان
  • گورکانیان (ফার্সি)
  • গুরকানিয়ান
১৩৭০–১৫০৭


পতাকা

তৈমুরের মৃত্যুকালে তৈমুরি সাম্রাজ্য (১৪০৫)
রাজধানী
ভাষাসমূহ
ধর্ম ইসলাম
সরকার রাজতন্ত্র
আমির
 -  ১৩৭০–১৪০৫ তৈমুর (প্রথম)
 -  ১৫০৬–১৫০৭ বদিউজ্জামান মীর্জা (শেষ)
ঐতিহাসিক যুগ মধ্যযুগ
 -  তৈমুরের অভিযানের সূচনা ১৩৬৩
 -  তৈমুরি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা ৯ এপ্রিল ১৩৭০
 -  পশ্চিমমুখী সম্প্রসারণের সূচনা ১৩৮০
 -  আঙ্কারার যুদ্ধ ২০ জুলাই ১৪০২
 -  সমরকন্দের পতন ১৫০৫
 -  হেরাতের পতন ১৫০৭
 -  মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা ২১ এপ্রিল ১৫২৬
আয়তন
 -  ১৪০৫ est.[২][৩] ৪৪,০০,০০০ বর্গ কি.মি. (১৬,৯৮,৮৪৯ বর্গ মাইল)
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
চাগাতাই খানাত
সুফি রাজবংশ
জালাইরি সালতানাত
কুর্ত রাজবংশ
মুজাফফরি রাজবংশ
সারবাদার
মুঘল সাম্রাজ্য
বুখারা খানাত
সাফাভি রাজবংশ
খিভা খানাত
কারা কোয়ুনলু
আগ কোয়ুনলু
বর্তমানে অংশ
সতর্কীকরণ: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয়

সম্রাট তৈমুর বেগ এই সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। ১৪৬৭ সালে আগ কোয়ুনলুদের কাছে সাম্রাজ্যের অধিকাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেও রাজবংশের উত্তরসুরিরা ছোট ছোট রাজ্য শাসন করতে থাকেন। এসব রাজ্য তৈমুরি আমিরাত নামে পরিচিত ছিল। ১৬শ শতাব্দীতে ফারগানার তৈমুরি শাহজাদা বাবর এখানে ছোট রাজ্য স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ইতিহাসসম্পাদনা

তৈমুর ১৩৬৩ সাল থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়ার বিশাল অংশ জয় করেছিলেন। তিনি মাওয়ারাননহরখোয়ারিজম জয় করেছেন। ১৩৬০ এর দশকে তিনি পশ্চিম চাগাতাই খানাতের উপর নিয়ন্ত্রণ পান। আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি খানের অধীনস্ত ছিলেন তবে বাস্তবে খানরা তার উপর নির্ভরশীল ছিল। ১৫শ ও ১৬শ শতাব্দীতে পশ্চিম চাগাতাই খানরা তৈমুরি শাসকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।

উত্থানসম্পাদনা

১৩৮০ সালে তৈমুর পশ্চিমে অভিযান শুরু করে ইলখানাতের বিভিন্ন উত্তরসূরি রাজ্যে হামলা চালান। ১৩৮৯ সাল নাগাদ তিনি হেরাত থেকে কার্তিদের উৎখাত করেন এবং পারস্যের মূল ভূখন্ডের দিকে অগ্রসর হন। তিনি ১৩৮৭ সালে ইস্ফাহান জয় করেন। ১৩৯৩ সালে মুজাফফরি রাজবংশ উৎখাত হয় এবং জালাইরিরা বাগদাদ থেকে বিতাড়িত হয়। ১৩৯৪-৯৫ সালে তিনি কিপচাক খানাত উপর বিজয় অর্জন করেন। তিনি জর্জিয়া অভিযান চালান। এরপর ককেসাসে তার সার্বভৌমত্ব স্থাপিত হয়। তিনি ১৩৯৮ সালে মুলতান ও দিপালপুর জয় করেন। তিনি দিল্লি আক্রমণ করেছিলেন। ১৪০০-১৪০১ সালে তিনি আলেপ্পো, দামেস্ক ও পূর্ব আনাতোলিয়া জয় করেছিলেন। ১৪০১ সালে তিনি বাগদাদ হামলা করেন। ১৪০২ সালে উসমানীয়দের সাথে তিনি আঙ্কারার যুদ্ধে জয়ী হন। উসমানীয় সাম্রাজ্যে গৃহযুদ্ধের ফলে তিনি তৎকালীন মুসলিম শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী শাসকে পরিণত হন। তিনি সমরকন্দে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।

তৈমুর তার ছেলে ও নাতিদেরকে বিভিন্ন সরকারি দায়িত্বে সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করেন। ১৪০৫ সালে তার মৃত্যুর পর অনেক শাসক কার্যত স্বাধীন হয়ে পড়ে। তবে তৈমুরি শাসকরা মধ্য এশিয়াসহ পারস্য, মেসোপটেমিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান প্রভৃতি অঞ্চলে প্রভাবশালী ছিলেন। এ সত্ত্বেও ১৪৩০ এর দশক নাগাদ আনাতোলিয়া ও ককেসাসের এলাকা তাদের হাতছাড়া হয়। পারস্যের শহরগুলিতে যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণে সমরকন্দ ও হেরাত পারস্য সংস্কৃতির কেন্দ্র হয়ে উঠে।[৬]

পতনসম্পাদনা

১৫০০ সাল নাগাদ বিভক্ত তৈমুরি সাম্রাজ্য নিজেদের অধিকাংশ অঞ্চল হারিয়ে ফেলে। পারস্য, ককেসাস, মেসোপটেমিয়া ও পূর্ব আনাতোলিয়ায় শিয়া মতাবলম্বী সাফাভি রাজবংশের নিয়ন্ত্রণ স্থাপিত হয়। মধ্য এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল মুহাম্মদ শাইবানির নেতৃত্বে উজবেকরা দখল করে নেয়। শাইবানি ১৫০৫ ও ১৫০৭ সালে সমরকন্দ ও হেরাতের সমৃদ্ধ শহর অধিকার করেছিলেন। তিনি বুখারা খানাতের প্রতিষ্ঠা করেন। তৈমুরের বংশধর বাবর ১৫২৬ সালে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭শ শতাব্দী নাগাদ প্রায় সমগ্র ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তার লাভ করেছিল। পরবর্তীতে ১৮৫৭ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তির মাধ্যমে তৈমুরি রাজবংশের সমাপ্তি ঘটে।

সংস্কৃতিসম্পাদনা

 
এম. গেরাসিমোভ কর্তৃক তৈমুরের চেহারের একটি ফরেনসিক পুনর্নির্মাণ, ১৯৪১

তৈমুরিরা মূলত বারলাস গোত্র থেকে উদ্ভূত। এটি ছিল তুর্ক-মঙ্গোল উৎসের গোত্র।[৭] তারা পারস্য সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেছিল[৮] এবং ইসলাম গ্রহণ করে। ফলে তৈমুরি সাম্রাজ্যে তুর্ক-মঙ্গোল উৎস এবং পার্সিয়ান সংস্কৃতির দ্বৈত বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।[৯][৯][১০]

ভাষাসম্পাদনা

সমগ্র অঞ্চলে তুর্ক-মঙ্গোলরা চাগাতাই ভাষা ব্যবহার করত।[১১] তবে ফার্সি ছিল এই যুগের প্রধান ভাষা। তৈমুর পারস্য সংস্কৃতির অনুরুক্ত ছিলেন।[১২] তার অধিকৃত অধিকাংশ অঞ্চলে ফার্সি ভাষা প্রশাসন ও সাহিত্যের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠে। রাষ্ট্রীয় দপ্তর দিওয়ানের ভাষা ছিল ফার্সি এবং দপ্তরের লিপিকারদেরকে তাদের জাতি নির্বিশেষে ফার্সি বিষয়ে অভিজ্ঞ হতে হত।[১৩] ফার্সি তৈমুরি সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা হয়ে উঠে[১০][১৪] এবং শাসনকার্য, সাহিত্যের ভাষায় পরিণত হয়।[১৫] তবে তৈমুরি পরিবারের কথ্য ও মাতৃভাষা ছিল চাগাতাই ভাষা।[১৬] অন্যদিকে আরবি ভাষা জ্ঞান তথা বিজ্ঞান, দর্শন ও ধর্মীয় বিষয়ের ভাষা হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।[১৭]

সাহিত্যসম্পাদনা

ফার্সিসম্পাদনা

তৈমুরি যুগে ফার্সি সাহিত্য সমৃদ্ধি লাভ করে।[১৮] শাহরুখ মীর্জা ও তার ছেলে উলুগ বেগ পার্সিয়ান সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন।[৯] তৈমুরি যুগের ফার্সি সাহিত্যের মধ্যে শরফউদ্দিন আলি ইয়াজদি কর্তৃক ফার্সি ভাষায় লেখা তৈমুরের জীবনী "জাফরনামা" ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। এই গ্রন্থটি তৈমুরের জীবদ্দশায় তার দাপ্তরিক জীবনীলেখক নিজামউদ্দিন শামির রচিত "জাফরনামা" গ্রন্থকে ভিত্তি করে রচিত। জামি ছিলেন তৈমুরি যুগের সবচেয়ে খ্যাত কবি। পাশাপাশি তৈমুরি সুলতান উলুগ বেগ লিখিত বিভিন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা ফারসিতে রচিত হয়েছে। তবে তার অধিকাংশ লেখা আরবি ভাষায় রচিত।[১৯] তৈমুরি শাসক বাইসুনকুর ফার্সি মহাকাব্য শাহনামার একটি নতুন সংস্করণ তৈরীর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটি বাইসুনকুরের শাহনামা নামে পরিচিত।

চাগাতাইসম্পাদনা

তৈমুরিরা তুর্ক সাহিত্যের বিকাশে ভূমিকা রেখেছে। চাগাতাই ভাষায় এসময় সাহিত্য গড়ে উঠে। চাগাতাই কবিদের মধ্যে ছিলেন মীর আলি শের নাওয়াই, হুসাইন বাইকারা ও সম্রাট বাবর। তারা অন্য তুর্কভাষী কবিদেরকে আরবি ও ফারসির পাশাপাশি চাগাতাই ভাষায় লেখালেখির উৎসাহ দিয়েছেন।[৬][২০][২১][২২] চাগাতাই ভাষার সমৃদ্ধ নিদর্শনসমূহের মধ্যে সম্রাট বাবর রচিত আত্মজীবনী বাবরনামা অন্যতম।[২৩]

শিল্পসম্পাদনা

তৈমুরি যুগে পার্সিয়ান চিত্রকর্মের সমৃদ্ধ যুগের সূচনা হয়।[২৪] শিল্পীরা পারস্যের শিল্পকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে থাকেন।[২৫]

স্থাপত্যসম্পাদনা

তৈমুরি স্থাপত্যে সেলজুকদের অনেক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ভবনের অলঙ্করণের জন্য এই যুগে টারকোয়েজ ও নীল টাইলসের ব্যবহার হত।[২৬] মধ্য এশিয়ায় তিমুরি স্থাপত্য ইসলামি শিল্পের সর্বোচ্চ নিদর্শন ছিল। তৈমুর ও তার উত্তরসুরিদের নির্মিত স্থাপনা ইলখানাতের প্রভাব হ্রাস করে। স্থাপত্যের মধ্যে সমরকন্দে অবস্থিত তৈমুরের মাজার গোর-এ-আমির অন্যতম।[২৭] এছাড়াও রয়েছে শহরের কেন্দ্রস্থল রেগিস্তানে অবস্থিত মাদ্রাসা, মসজিদ ও উলুগ বেগের মানমন্দির[২৭][২৭]

সম্রাটসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Manz, Beatrice Forbes (1999). The Rise and Rule of Tamerlane. Cambridge University Press, p.109. আইএসবিএন ০-৫২১-৬৩৩৮৪-২. গুগল বইয়ে Limited preview. p.109. "In almost all the territories which Temür incorporated into his realm Persian was the primary language of administration and literary culture. Thus the language of the settled 'diwan' was Persian."
  2. Turchin, Peter; Adams, Jonathan M.; Hall, Thomas D (ডিসেম্বর ২০০৬)। "East-West Orientation of Historical Empires"Journal of world-systems research12 (2): 222। আইএসএসএন 1076-156X। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  3. Rein Taagepera (সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)। "Expansion and Contraction Patterns of Large Polities: Context for Russia"International Studies Quarterly41 (3): 500। doi:10.1111/0020-8833.00053। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  4. Maria Subtelny, Timurids in Transition, 40: "Nevertheless, in the complex process of transition, members of the Timurid dynasty and their Turko-Mongolian supporters became acculturated by the surrounding Persianate millieu adopting Persian cultural models and tastes and acting as patrons of Persian culture, painting, architecture and music." pg 41: "The last members of the dynasty, notably Sultan-Abu Sa'id and Sultan-Husain, in fact came to be regarded as ideal Perso-Islamic rulers who develoted as much attention to agricultural development as they did to fostering Persianate court culture."
  5. B.F. Manz, "Tīmūr Lang", in Encyclopaedia of Islam, Online Edition, 2006
  6. "Timurids"The Columbia Encyclopedia (Sixth সংস্করণ)। New York City: Columbia University। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১১-০৮ 
  7. M.S. Asimov & C. E. Bosworth, History of Civilizations of Central Asia, UNESCO Regional Office, 1998, আইএসবিএন ৯২-৩-১০৩৪৬৭-৭, p. 320: "... One of his followers was [...] Timur of the Barlas tribe. This Mongol tribe had settled [...] in the valley of Kashka Darya, intermingling with the Turkish population, adopting their religion (Islam) and gradually giving up its own nomadic ways, like a number of other Mongol tribes in Transoxania ..."
  8. Lehmann, F.। "Zaher ud-Din Babor — Founder of Mughal empire"Encyclopædia Iranica (Online সংস্করণ)। New York City: Columbia University Center for Iranian (Persian) Studies। পৃষ্ঠা 320–323। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৯-১৭... His origin, milieu, training, and culture were steeped in Persian culture and so Babor was largely responsible for the fostering of this culture by his descendants, the Mughals of India, and for the expansion of Persian cultural influence in the Indian subcontinent, with brilliant literary, artistic, and historiographical results ... 
  9. B. Spuler, "Central Asia in the Mongol and Timurid periods", published in Encyclopædia Iranica. ([১]) Note:"... Like his father, Olōğ Beg was entirely integrated into the Persian Islamic cultural circles, and during his reign Persian predominated as the language of high culture, a status that it retained in the region of Samarqand until the Russian revolution 1917 [...] Ḥoseyn Bāyqarā encouraged the development of Persian literature and literary talent in every way possible ..."
  10. Mir 'Ali Shir Nawāi (১৯৬৬)। Muhakamat Al-Lughatain (Judgment of Two Languages)। Robert Devereux (ed.)। Leiden: E.J. Brill। ওসিএলসি 3615905টেমপ্লেট:LCCAny linguist of today who reads the essay will inevitably conclude that Nawa'i argued his case poorly, for his principal argument is that the Turkic lexicon contained many words for which the Persian had no exact equivalents and that Persian-speakers had therefore to use the Turkic words. This is a weak reed on which to lean, for it is a rare language indeed that contains no loan words. In any case, the beauty of a language and its merits as a literary medium depend less on size of vocabulary and purity of etymology that on the euphony, expressiveness and malleability of those words its lexicon does include. Moreover, even if Nawā'ī's thesis were to be accepted as valid, he destroyed his own case by the lavish use, no doubt unknowingly, of non-Turkic words even while ridiculing the Persians for their need to borrow Turkic words. The present writer has not made a word count of Nawa'i's text, but he would estimate conservatively that at least one half the words used by Nawa'i in the essay are Arabic or Persian in origin. To support his claim of the superiority of the Turkic language, Nawa'i also employs the curious argument that most Turks also spoke Persian but only a few Persians ever achieved fluency in Turkic. It is difficult to understand why he was impressed by this phenomenon, since the most obvious explanation is that Turks found it necessary, or at least advisable, to learn Persian – it was, after all, the official state language – while Persians saw no reason to bother learning Turkic which was, in their eyes, merely the uncivilized tongue of uncivilized nomadic tribesmen. 
  11. Babur, Emperor of Hindustan (2002). The Baburnama: Memoirs of Babur, Prince and Emperor. translated, edited and annotated by W.M. Thackston. Modern Library.
  12. Gérard Chaliand, Nomadic Empires: From Mongolia to the Danube translated by A. M. Berrett, Transaction Publishers, 2004. pg 75
  13. Beatrice Forbes Manz. The Rise and Rule of Tamerlane. Cambridge University Press, 1999. pg 109: "...In Temür's government, as in those of most nomad dynasties, it is impossible to find a clear distinction between civil and military affairs, or to identify the Persian bureaucracy solely civil, and the Turko-Mongolian solely with military government. It is in fact difficult to define the sphere of either side of the administration and we find Persians and Chaghatays sharing many tasks. (In discussiong the settled bureaucracy and the people who worked within it I use the word Persian in a cultural rather than ethnological sense. In almost all the territories which Temür incorporated into his realm Persian was the primary language of administration and literary culture. The language of the settled population and the chancery ("diwan") was Persian, and its scribes had to be thoroughly adept in Persian culture, whatever their ethnic origin.) Temür's Chaghatay emirs were often involved in civil and provincial administration and even in financial affairs, traditionally the province of Persian bureaucracy...."
  14. Spuler, Bertold। "Central Asia"Encyclopædia Iranica। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৪-০২[Part] v. In the Mongol and Timurid periods:... Like his father, Olōğ Beg was entirely integrated into the Persian Islamic cultural circles, and during his reign Persian predominated as the language of high culture, a status that it retained in the region of Samarqand until the Russian revolution 1917... Ḥoseyn Bāyqarā encouraged the development of Persian literature and literary talent in every way possible... 
  15. B.F. Manz; W.M. Thackston; D.J. Roxburgh; L. Golombek; L. Komaroff; R.E. Darley-Doran (২০০৭)। "Timurids"। Encyclopaedia of Islam (Online সংস্করণ)। Brill PublishersDuring the Timurid period, three languages, Persian, Turkish, and Arabic were in use. The major language of the period was Persian, the native language of the Tajik (Persian) component of society and the language of learning acquired by all literate and/or urban Turks. Persian served as the language of administration, history, belles lettres, and poetry. 
  16. B.F. Manz; W.M. Thackston; D.J. Roxburgh; L. Golombek; L. Komaroff; R.E. Darley-Doran (২০০৭)। "Timurids"। Encyclopaedia of Islam (Online সংস্করণ)। Brill PublishersWhat is now called Chaghatay Turkish, which was then called simply türki, was the native and 'home' language of the Timurids... 
  17. B.F. Manz; W.M. Thackston; D.J. Roxburgh; L. Golombek; L. Komaroff; R.E. Darley-Doran (২০০৭)। "Timurids"। Encyclopaedia of Islam (Online সংস্করণ)। Brill Publishers"As it had been prior to the Timurids and continued to be after them, Arabic was the language par excellence of science, philosophy, theology and the religious sciences. Much of the astronomical work of Ulugh Beg and his co-workers... is in Arabic, although they also wrote in Persian. Theological works... are generally in Arabic. 
  18. David J. Roxburgh. The Persian Album, 1400–1600: From Dispersal to Collection. Yale University Press, 2005. pg 130: "Persian literature, especially poetry, occupied a central in the process of assimilation of Timurid elite to the Perso-Islamicate courtly culture, and so it is not surprising to find Baysanghur commissioned a new edition of Firdawsi's Shanameh
  19. B.F. Manz/W.M. Thackston/D.J. Roxburgh/L. Golombek/L. Komaroff/R.E. Darley-Doran; "Timurids", in Encyclopaedia of Islam; Brill; Online Edition (2007): "... As it had been prior to the Timurids and continued to be after them, Arabic was the language par excellence of science, philosophy, theology and the religious sciences. Much of the astronomical work of Ulugh Beg and his co-workers [...] is in Arabic, although they also wrote in Persian. Theological works [...] are generally in Arabic. ..."
  20. "Persian Paintings"। Persian Paintings। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০২-১১ 
  21. "MSN Encarta. Islamic Art and Architecture."। ২ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৬ 
  22. "Art Arena. Persian art – the Safavids"। Art-arena.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০২-১১ 
  23. Stephen Frederic DaleThe Garden of the Eight Paradises: Babur and the Culture of Empire. BRILL, 2004. pg 150
  24. New Orient, By Czechoslovak Society for Eastern Studies, Czechoslovak Society for Eastern Studies, 1968. pg 139.
  25. John Onians, Atlas of World Art, Laurence King Publishing, 2004. pg 132.
  26. Encyclopædia Britannica, "Timurid Dynasty", Online Academic Edition, 2007. (Quotation:...Turkic dynasty descended from the conqueror Timur (Tamerlane), renowned for its brilliant revival of artistic and intellectual life in Iran and Central Asia....Trading and artistic communities were brought into the capital city of Herat, where a library was founded, and the capital became the centre of a renewed and artistically brilliant Persian culture...)
  27. John Julius Norwich, Great Architecture of the World, Da Capo Press, 2001. pg 278.

আরও পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা