আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাসমূহের সরকার স্বীকৃত ইসলামি শিক্ষা বোর্ড।

আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ বাংলাদেশের কওমি মাদরাসাসমূহের সরকার স্বীকৃত ইসলামি শিক্ষা বোর্ড। সরকার ১১ এপ্রিল ২০১৮ সালে এই বোর্ডের অধীনে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদীসকে (ইসলামী শিক্ষা ও আরবি) মাস্টার্সের সমমান মর্যাদা প্রদান করে।[১][২]

আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
اﻟهيئة العليا للجامعات القومية ﺑﻨﻐﻼدﻳش
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের লোগো.gif
গঠিত২০১৭
প্রতিষ্ঠাতাবাংলাদেশ সরকার
উদ্দেশ্যকওমি মাদরাসাসমূহের সরকার স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড
অবস্থান
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা, আরবি
চেয়ারম্যান
মাহমুদুল হাসান
ওয়েবসাইটalhaiatululya.com

অধীনস্থ বোর্ডসম্পাদনা

বর্তমানে কওমি মাদ্রাসার ৬ টি বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের সব ক’টি দাওরায়ে হাদীস কওমি মাদ্রাসা আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে নিবন্ধিত। [৩]

এগুলি হচ্ছে :

  1. বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ
  2. আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ
  3. বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা
  4. আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ
  5. তানযীমুল মাদারিসিল কওমিয়া বাংলাদেশ
  6. জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ

পটভূমিসম্পাদনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উলামায়ে কেরামের উপস্থিতিতে কওমি মাদরাসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে ও দারুল উলূম দেওবন্দের মূলনীতিকে ভিত্তি ধরে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ পরীক্ষা দাওরায়ে হাদীসকে মাস্টার্স (ইসলামী শিক্ষা ও আরবি) এর সমমানের মর্যাদা প্রদানের ঘোষণা দেন। ১৩ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব (স.বি.-১) আব্দুস সাত্তার মিয়া এ মর্মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ “আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীন ‘কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামী শিক্ষা ও আরবি) এর সমমান প্রদান বিল ২০১৮” জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয় এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ জাতীয় সংসদে এ বিল পাস হয়। ৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে এবং সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সংসদ সচিবালয় কর্তৃক গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।[৪]

উদ্দেশ্যসম্পাদনা

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি আদর্শ পাঠ্যক্রম নিশ্চিত করার জন্য এবং ছয় কাওয়মি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রীভূত পরীক্ষা নেয়া এবং এ উদ্দেশ্য পূরণে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করা। [৫] মূল কাজগুলি হল: পাঠ্যক্রম তৈরি, শিক্ষার মান পরীক্ষা, পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং ডিগ্রী প্রদান। [৬][৭][৮]

বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাওমি মাদ্রাসা:

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১৪ 
  2. "কওমির দাওরায়ে হাদিস মাস্টার্স মর্যাদায়"কালের কণ্ঠ। ১৪ আগস্ট ২০১৮। 
  3. "'আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ' এর অধীন 'কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদান আইন, ২০১৮'"bdlaws.minlaw.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১০ 
  4. BanglaNews24.com। "কওমি ধারার দাওরায়ে হাদিসের (মাস্টার্স) ফলাফল মঙ্গলবার"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-২৬ 
  5. "Qawmi degree recognised"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭-০৪-১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-২৬ 
  6. "Dawra-e-Hadith degree exams from May 15 | Dhaka Tribune"www.dhakatribune.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-২৬ 
  7. Independent, The। "First Dawra-e-Hadith exams May 15"First Dawra-e-Hadith exams May 15 | theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-২৬ 
  8. "পৃথক সংস্থার অধীনে দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা ও সনদ"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১১-২৬ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা