আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি

বাংলাদেশের ৩য় বৃহত্তম কওমি মাদ্রাসা

আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি(এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন ; আরবি: الجامعة العربية الإسلامية زيري‎‎) সংক্ষেপে জিরি মাদরাসা চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জিরিতে অবস্থিত একটি কওমি মাদ্রাসা বা বেসরকারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম কওমি মাদ্রাসা এটি। দারুল উলূম দেওবন্দের মূলনীতিকে ভিত্তি করে পরিচালিত হয় মাদ্রাসাটি। [৪] । মুজাহেদে মিল্লাত শাহ মাওলানা আহমদ হাসান ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।[৫]

আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি
الجامعة العربية الإسلامية زيري
জামিয়া জিরির ভবন 02.jpg
মসজিদে তওবা, জিরি মাদ্রাসা
প্রাক্তন নাম
মাদ্রাসা হামিয়্যাতুল ইসলাম, জিরি
আল মাদ্রাসাতুল আরাবিয়্যা জিরি
নীতিবাক্যاقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ
পড় তোমার প্রভুর নামে
ধরনকওমি মাদ্রাসা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত১৯১০ ইং
১৩২৮ হিজরি [১]
অধিভুক্তিআল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
ধর্মীয় অধিভুক্তি
দেওবন্দি
বাজেট২,৫০,০০,০০০ (১৯-২০)
আচার্যহাফেজ মুহাম্মদ খোবাইব [২]
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৬৫ (২০২০)[৩]
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
১৫
শিক্ষার্থী২৫০০ (২০২০)
স্নাতকউলা (ফাজিল)
স্নাতকোত্তরদাওরায়ে হাদীস (কামিল)
ইফতা, আরবি সাহিত্য,ক্বিরাত (পিএইচডি)
অবস্থান
২২°১৭′১৪″ উত্তর ৯১°৫৩′২৫″ পূর্ব / ২২.২৮৭২° উত্তর ৯১.৮৯০২° পূর্ব / 22.2872; 91.8902
শিক্ষাঙ্গনপল্লী অঞ্চল
সংক্ষিপ্ত নামজিরি মাদ্রাসা
ওয়েবসাইটjamiaislamiaziri.org

ইতিহাসসম্পাদনা

মুজাহেদে মিল্লাত শাহ মাওলানা আহমদ হাসান শিক্ষাজীবনের শেষদিকে জামাতে উলার বছর নিজ এলাকা পটিয়াতে মুসলমান সন্তানদের বিশুদ্ধ ইসলামি আক্বীদা-বিশ্বাস শিক্ষা দিতে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার চিন্তাভাবনা করেন। বাবা অসিউর রহমান এবং লজিং শিক্ষক মাস্টার আশরাফ আলীর পরামর্শে প্রথমে কৈয়গ্রাম অঞ্চলে একটি মাদ্রাসার ভিত্তি রাখেন। কিন্তু নানা প্রতিকূল প্রতিবেশে সেটি বেশিদিন স্থায়ীত্ব হয়নি।

তারপর তিনি দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) শেষ করে ১৯১০ ইংরজিতে প্রতিষ্ঠানটি জিরি এলাকায় স্থানান্তরিত করে প্রথমে "মাদ্রাসা হামিয়্যাতুল ইসলাম, জিরি” নাম দিয়ে “বাদাম” বৃক্ষের নীচে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে থাকেন। ইতোপূর্বে দেওবন্দ মাদরাসার কার্যক্রম ‘’আনার’' গাছের নিচে শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে তা “আল মাদ্রাসাতুল আরাবিয়্যা জিরি” এবং সময়ের আবর্তনে বর্তমানে যা “আল জামিয়াতুল আরবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি” নামে সর্বমহলে পরিচিত। [৬]

অবস্থানসম্পাদনা

জিরি মাদ্রাসা চট্টগ্রাম থেকে ১৮ কিলোমিটার পূর্বে পটিয়ার জিরিতে অবস্থিত। চট্টগ্রামের প্রধান সড়ক আরাকান রোড থেকে উত্তর দিকে মাদ্রাসার দূরত্ব মাত্র ৫ কি.মি.। মাদ্রাসার উত্তর দিকে রয়েছে খলিল মীর ডিগ্রি কলেজ এবং উত্তর-পূূূর্ব দিকে আছে জিরি খলিল মীর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়[৭][৮]

অবকাঠামোসম্পাদনা

প্রবেশপথসম্পাদনা

 
প্রধান গেইট, জিরি মাদ্রাসা

জামিয়ায় তিনটি প্রবেশপথ আছে। শাহী গেইট জামিয়ার উত্তর দিকে অবস্থিত। এর সামনের রাস্তা জিরি মাদ্রাসা রোড নামে পরিচিত। যা চট্টগ্রামের প্রধান সড়ক আরাকান রোডের সাথে সংযুক্ত। আরাকান রোডের মিলনস্থলে একটি তোরণ আছে। যার নাম বাবুল হাসান। জামিয়ার পূর্ব দিকের গেইটের নাম বাবে নূর। অন্যটি জামিয়ার পশ্চিম দিকে অবস্থিত, এর নাম বাবে তৈয়ব[৯]

মসজিদসম্পাদনা

 
মসজিদে তওবা, জিরি মাদ্রাসা

জামিয়ার মাঝখানে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ রয়েছে। পুরাতন মসজিদের পরিবর্তে ২০১৮ সালের দিকে এই নতুন মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। এর নাম মসজিদে তওবা। ৩ তালার এই মসজিদে প্রায় ৫০০০ জন একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে। মসজিদে ১টি বড় গম্বুজসহ কয়েকটি ছোট গম্বুজ রয়েছে। রমজানে এই মসজিদে প্রায় ১৫০ জন ইতেকাফ থাকে। মসজিদের একটু দূরে উত্তর পাশে মাকবারায়ে আহমদ হাসান[১০]

গ্রন্থাগারসম্পাদনা

 
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, জিরি মাদ্রাসা

২০১৮ সালের দিকে নতুন মসজিদটি নির্মাণ হলে পুরাতন মসজিদের ২য় তলাকে গ্রন্থাগারে পরিণত করা হয়। নিচতলা প্রাইমারি ছাত্রদের নামাজঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই গ্রন্থাগারে অনেক দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের সংগ্রহ আছে। গ্রন্থাগারের পরিচালক মিজানুর রহমান কাসেমী

শিক্ষাভবনসম্পাদনা

 
শিক্ষাভবন, জিরি মাদ্রাসা

জামিয়ার সর্ব দক্ষিণে আছে শিক্ষাভবন। জামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা শাহ আহমদ হাসানের নামানুসারে এই ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'ক্বসরুল হাসান'। এটিই জামিয়ার বৃহৎ ভবন। বেশিরভাগ শ্রেণীকক্ষ এই ভবনে অবস্থিত। এর ৩য় তলায় আছে তাজবিদক্বিরাত বিভাগ।

ছাত্রাবাসসম্পাদনা

 
উত্তর ভবন, জিরি মাদ্রাসা

জামিয়ায় ৩ তলা বিশিষ্ট ২টি ও ২ তলা বিশিষ্ট ২টি ছাত্রাবাস আছে। উত্তর ভবনের ৩য় তলায় হেফজখানা ও এতিমখানা। পশ্চিমভবনের ২য় তলায় ফতোয়া বিভাগের শ্রেণীকক্ষ। মসজিদের উত্তর পাশে নবনির্মিত ভবনের ৩য় তলা ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর নিচতলা দারুল হাদিসের দরসগাহ।

মাঠ ও পুকুরসম্পাদনা

 
জিরি মাদ্রাসা মাঠে আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলন

জামিয়ার ভিতরে ২টি মাঠ আছে। মসজিদ সংলগ্ন মাঠে দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলনসহ যাবতীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অন্য মাঠটি শিক্ষাভবনের সামনে। জামিয়ার মালিকানাধীন ২টি পুকুর আছে। একটি শিক্ষাভবনের সামনে, অন্যটি শাহী গেইটের সামনে। আরেকটি পুকুর আছে আংশিক মালিকানাধীন, যা মৎস চাষে ব্যবহৃত হয়।

হাসপাতালসম্পাদনা

অন্যান্যসম্পাদনা

কার্যক্রমসম্পাদনা

জামিয়াই অধ্যয়নের ক্ষেত্রে এমন একটি পাঠ্যক্রম চালু করার লক্ষ্য রয়েছে যা ইসলামী ধর্মতত্ত্বের নিখুঁততার পাশাপাশি আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রয়োজন অনুসারে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ দিতে পারে যাতে ফলপ্রাপ্তরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে সামঞ্জস্য করতে পারে এবং তারা যেখানেই বাস করুক না কেন, নিজেকে ইসলামের যোগ্য অনুসারী এবং দেশের আদর্শ নাগরিক হিসাবে প্রমাণ করতে পারে। তদনুসারে, আরবী এবং মাতৃভাষাকে ইসলামী শরিয়াহর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার সাথে অধ্যয়নের পাঠ্যক্রমগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রয়েছে যা শিক্ষার্থীদের একটি স্বনির্ভর মানুষ হিসাবে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে। বর্তমানে এর ৬৫ জন শিক্ষক এবং ২৫০০ শিক্ষার্থী রয়েছেন যার মধ্যে ১০০০ অনাথ। [১১] জামিয়াহ এই অঞ্চলের কয়েকটি ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধান করে যাতে তারা তাদের পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের উন্নতি করতে পারে।

শিক্ষার ধরণ ও বিষয়সমূহসম্পাদনা

শতবর্ষী জিরি মাদ্রাসার একাডেমিক গ্রেড প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর, স্নাতক স্তর, মাস্টার্স স্তর এবং তাহফিজুল কুরআন স্তর নিয়ে গঠিত। জামিয়াহ প্রযুক্তিগত জ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সরবরাহ করে। শিক্ষাগত বিষয়গুলি হ'ল আল-কুরআন, আল- হাদীস, তাফসির, বালাগাত, আল-ফিকহ, উসুল-আল-ফিকহ, ফলসাফাহ, হিকমাহ, আরবি সাহিত্য, বাংলা সাহিত্য, মানতেক(যুুুক্তিবিদ্যা), তাজবিদ, ইসলামী দর্শন, তাহফিজ-আল -কুরআন, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান ইত্যাদি। এইগুলির পাশেই জামিয়াহ কিছু প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কোর্স যেমন বুক বাইন্ডিং, টাইপিং, ওয়াচ রিপেয়ারিং, দর্জি কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে। বাকি কেন্দ্রীয় পরীক্ষাগুলো বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়।

উচ্চতর বিভাগসম্পাদনা

দারুল ইফতাসম্পাদনা

ফতোয়া ও ইসলামী গবেষণা বিভাগ। জামিয়ার পূর্বভবনের ২য় তলায় এই বিভাগটি অবস্থিত। দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) পাশের পর এই বিভাগে ভর্তির আবেদন করা যায়। কোর্সের মেয়াদ ১ বছর। মোট ৩ জন ইসলামী আইনজ্ঞের অধীনে বিভাগটি পরিচালিত হয়।

ক্বিরাত বিভাগসম্পাদনা

ক্বেরাত ও তাজবিদ বিভাগ শিক্ষাভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত। ২ জন ক্বারীর অধীনে এই বিভাগ পরিচালিত হয়। দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) পাশের পর এই বিভাগে আবেদন করা যায়। কোর্সের মেয়াদ ১ বছর।

আরবি সাহিত্য বিভাগসম্পাদনা

আরবি সাহিত্য ও গবেষণা বিভাগ বা আদব বিভাগ। জামিয়ার উত্তর ভবনের ২য় তলায় এই বিভাগটি অবস্থিত। দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) পাশের পর এই বিভাগে আবেদন করা যায়। কোর্সের মেয়াদ ১ বছর। মোট ৩ জন আরবি ভাষাবিদের অধীনে বিভাগটি পরিচালিত হয়।

আচার্যবৃন্দসম্পাদনা

ক্রম নাম সময়কাল
শাহ আহমদ হাসান ১৯১০-১৯৬৭
মুফতি নুরুল হক ১৯৬৭-১৯৮৪
শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব ১৯৮৪-২০২০
হাফেজ মুহাম্মদ খোবাইব ২০২০-বর্তমান

বিভাগীয় প্রধানসম্পাদনা

ক্রম নাম পদবী
মুহাম্মদ মুছা সন্দ্বীপি শায়খুল হাদীস
মুফতি ইদ্রিস প্রধান মুফতি
ইসমাঈল নজীর আরবি সাহিত্যিক
ক্বারী মনিরুল ইসলাম প্রধান ক্বারী
তাওহীদুল ইসলাম কম্পিউটার বিভাগ

প্রকাশনাসম্পাদনা

জামিয়ার বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে মাওলানা লুৎফর রহমানের সম্পাদনায় “আল হাসান” নামে একটি সাময়িকী বের হয়। এছাড়া “মাসিক আন নূর” নামে আরেকটি আরবি ম্যাগাজিন বের হয় যা সাময়িক বন্ধ রয়েছে।

জামিয়া কর্তৃক প্রতিষ্ঠিতসম্পাদনা

জামিয়ার পৃষ্ঠপোষকতা ও অর্থায়নে এক শতাধিক মসজিদমাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

  • আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুল করিম ইছানগর - চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে অবস্থিত একটি দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) মাদ্রাসা। ২০০২ সালে জামিয়া কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।[১২]
  • জিরি মহিলা মাদ্রাসা - জিরি মাদ্রাসা সংলগ্ন কাজীর হাটে এই মাদ্রাসাটি অবস্থিত। কওমি শিক্ষায় মিশকাত শ্রেণী, সাধারণ শিক্ষায় দশম শ্রেণি পর্যন্ত,স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের জন্য সর্টকোর্স বিভাগ, এতিম ছাত্রীদের জন্য এতিমখানা ও সেলাই প্রশিক্ষণের মত কারিগরি শিক্ষা দেওয়া হয় এই মাদ্রাসায়।
  • শারজাহ চ্যারিটি হাসপাতাল - আরব আমিরাতের চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে জামিয়ার মালিকানাধীন এই হাসপাতালটি ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে।[১৩]
  • শান্তিরহাট জিন্নুরাইন মসজিদ - পটিয়ার শান্তিরহাটে ব্যস্ততম জায়গায় কোন মসজিদ না থাকায় জামিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় মীর সুপার মার্কেটের নিচতলায় মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।[১৪]
  • জামিয়াতুল কামালাত তালিমুল ইসলাম - চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ইসলামি শিক্ষার প্রসারে জামিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৮ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।[১৫]

পরিচালিত সংস্থাসমূহসম্পাদনা

  • জিরি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি - সরজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের সাথে আলোচনা করে ১৯৯৩ সালে জামিয়ার তৎকালীন পরিচালক মুসলিমদের উন্নতির জন্য দাতব্য সংস্থা হিসেবে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। [১৬]

প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসম্পাদনা

চিত্রশালাসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Al-Jamia Islamia Ziri"। Islamic Rehabilitation Institution। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৮-২২ 
  2. "আল্লামা শাহ মুহাম্মদ তৈয়ব আর নেই"দৈনিক নয়া দিগন্ত 
  3. http://www.jamiaislamiaziri.org/
  4. "দেশের তৃতীয় বৃহত্তম কওমি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাপরিচালক ও আলেম ওলামার কারিগর আর নেই"আলোড়ন নিউজ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. The Muslim World League journal, Volume 24. Press and Publications Dept., Muslim World League, 1996
  6. জিরি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, ৪র্থ অনুচ্ছেদ (৮ মার্চ ২০২০)। "শাহ আহমদ হাসান (রহ.) : জিরি মাদরাসা যার কবুলিয়তের প্রমাণ"পাবলিক ভয়েস টুয়েন্টিফোর। ১৪ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২০ 
  7. "গুগল ম্যাপ থেকে সংগৃহীত"। 
  8. "খলিল মীর ডিগ্রি কলেজ" 
  9. "জিরি ইউনিয়ন"সরকারি ওয়েবসাইট 
  10. "জিরি মাদ্রাসা মসজিদ"সরকারি ওয়েবসাইট 
  11. "Ziri at a glance"Ziri official 
  12. "আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুল করিম মাদ্রাসার ভর্তির এলান"ইখবার। ১১ জুন ২০১৯। ২৬ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  13. "শারজাহ চ্যারিটি হাসপাতাল" 
  14. "পটিয়ায় মসজিদের তালিকা"সরকারি ওয়েবসাইট 
  15. "বান্দরবানে জামিয়াতুল কামালাত তা'লীমুল ইসলাম ভবন উদ্বোধন করলেন বীর বাহাদুর"পার্বত্য নিউজ। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮। 
  16. "জিরি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি" 
  17. "পটিয়ার মুফতি আযীযুল হক রহ: ইলম ও আধ্যাত্মিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র"ইসলাম টাইমস। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯। 
  18. হাফেজ আহমদুল্লাহ। মাশায়েখে চাটগামী, ২য় খন্ড। আহমদ প্রকাশন। 
  19. "সেজদারত অবস্থায় দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ তৈয়বের ইন্তেকাল"যুগান্তর। ২৫ মে ২০২০। 
  20. "মুফতি আবদুস সালাম চাটগামী গুরুতর অসুস্থ, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা"ইসলাম টাইমস। ৬ জানুয়ারি ২০১৯। 

গ্রন্থপঞ্জিসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা