প্রধান মেনু খুলুন

লেসলি টাউনসেন্ড

ইংরেজ ক্রিকেটার

লেসলি ফ্লেচার টাউনসেন্ড (ইংরেজি: Leslie Townsend; জন্ম: ৮ জুন, ১৯০৩ - মৃত্যু: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩) ডার্বিশায়ারের লং ইটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন।[১] ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৩০ থেকে ১৯৩৪ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

লেসলি টাউনসেন্ড
লেসলি টাউনসেন্ড.jpg
১৯৩৬ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে লেসলি টাউনসেন্ড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামলেসলি ফ্লেচার টাউনসেন্ড
জন্ম(১৯০৩-০৬-০৮)৮ জুন ১৯০৩
লং ইটন, ডার্বিশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩(1993-02-17) (বয়স ৮৯)
নেলসন, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম, ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৫৪)
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩০ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৪ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯২২ - ১৯৩৯ডার্বিশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৯৩
রানের সংখ্যা ৯৭ ১৯৫৫৫
ব্যাটিং গড় ১৬.১৬ ২৭.৫০
১০০/৫০ -/- ২২/১০২
সর্বোচ্চ রান ৪০ ২৩৩
বল করেছে ৩৯৯ ৬৫৭৬৪
উইকেট ১০৮৮
বোলিং গড় ৩৪.১৬ ২১.১২
ইনিংসে ৫ উইকেট ৫১
ম্যাচে ১০ উইকেট ১৬
সেরা বোলিং ২/২২ ৮/২৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ২৪১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১ জুলাই ২০১৯

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ার ও নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা অফ ব্রেক বোলিং করতেন লেস টাউনসেন্ড নামে পরিচিত লেসলি টাউনসেন্ড

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটসম্পাদনা

ডার্বিশায়ারের লং ইটন এলাকায় লেসলি টাউনসেন্ডের জন্ম। ১৯২২ সালে নিজ কাউন্টি ডার্বিশায়ারের পক্ষে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন। ১৯২৪ সাল থেকে ক্লাবের নিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিণত হন। ১৯২২ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত লেসলি টাউনসেন্ডের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। এ সময়ে ডার্বিশায়ারের পক্ষে খেলার পাশাপাশি ১৯৩৪-৩৫ ও ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ডার্বিশায়ারের সর্বকালের সেরা অল-রাউন্ডারের অন্যতম ছিলেন লেসলি টাউনসেন্ড। স্থানীয় কাউন্সিল স্কুলে অধ্যয়ন করলেও কোন ক্রিকেট খেলায় অংশ নেননি তিনি। তবে, স্থানীয় ক্লাবের সাথে জড়িত থাকার ফলে নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকতেন। ট্রেন্ট ব্রিজের সাত মাইল দূরে তার নিবাস ছিল। ফলশ্রুতিতে, কাউন্টি খেলাগুলোয় যথাসম্ভব অবলোকনের প্রয়াস চালাতেন। জর্জ গানের খেলাকে গভীরভাবে অবলোকন ও অনুকরণ করেন।

লং ইটনে ক্লাব কর্মকর্তারা ডার্বিশায়ার কাউন্টি কর্তৃপক্ষের কাছে মনোযোগ আকর্ষণে তার নাম সুপারিশ করেন। ডার্বিশায়ারের সাবেক খেলোয়াড় ও প্রথম-শ্রেণীর আম্পায়ার আর্থার মর্টন তার মাঝে প্রতিশ্রুতিশীলতা দেখতে পান। বোলিংকালে ক্রিকেট বলকে কিভাবে স্পিন করাতে হয় তা শেখান। ডার্বিশায়ারে যোগদানের পর দায়িত্বপ্রাপ্ত স্যাম ক্যাডম্যান তাকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে সহায়তা করেন।

সকলের সাথে তার প্রতিভার বিচ্ছুরণও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে। উনিশ বছর বয়সে ১৯২২ সালে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে প্রথম কাউন্টি ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। ১৯২৫ সালে ১৮ গড়ে আট শতাধিক রান তুলেন। মাঝারিমানের এ সংগ্রহে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ করেন ৫৯ রান। গড়ের দিক দিয়ে কাউন্টি দলটিতে চতুর্থ স্থান দখল করতে সমর্থ হন। ১৯২৬ সালে বেশ ধীরলয়ে যাত্রা শুরু করেন। আগস্টে বোলার হিসেবে নিজেকে আবির্ভূত করেন তিনি। ইল্কস্টনে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে ৬/৩২ ও চেস্টারফিল্ডে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে খেলায় ৩৬ রান খরচায় ৯ উইকেট পান।

তবে, ১৯২৭ সাল পর্যন্ত আহামরি কিছু খেলা উপহার দিতে পারেননি। ঐ মৌসুমে ৫৬৪ রানের পাশাপাশি ৬৬ উইকেট পান। এরপরই কেবল তিনি স্থায়ী খেলোয়াড়ের মর্যাদা পান। ১৯২৭ সালে ডার্বিশায়ার দল কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় পয়েন্ট তালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করে। টাউনসেন্ডের মিডিয়াম পেস অফ ব্রেক বোলিং গড়ের দিক দিয়ে প্রায় শীর্ষস্থানে চলে আসে। প্রবল শক্তিধর ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে পোতানো উইকেটে ৫/২৯ ও ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে ৫/২৪ পান। ১৯২৮ সালে ১০১ উইকেট নিয়ে কাউন্টি দলটির শীর্ষ বোলারে পরিণত হন। তন্মধ্যে, সাসেক্সের বিপক্ষে ১৩ উইকেট পেয়েছিলেন। এছাড়াও, ব্যাট হাতে সহস্র রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ করেন ৯৮ রান।

পরের বছর সবগুলো খেলায় অংশ নিয়ে ১,০০১ রান ও ১০৪ উইকেট পান। পরের বছরও এর পুণরাবৃত্তি ঘটান। ১৮৯৫ সালে জর্জ ডেভিডসনের ডাবল লাভের পর প্রথম এ সফলতা পান। ২,২২৪ রান ও ১০০ উইকেট পান তিনি। তবে, শত উইকেট লাভের জন্য ওভালে ইয়র্কশায়ার বনাম বাদ-বাকী ইংল্যান্ড দলের মধ্যকার খেলার জন্যে অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

১৯২৭ সালে একটি টেস্ট প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নেন। ১৯২৯ সালে ও শেষ মৌসুমে লর্ডসে প্লেয়ার্সের সদস্যরূপে জেন্টলম্যানের বিপক্ষে খেলেন। প্রতিনিধিত্বমূলক খেলাগুলোয় বোলিং গড়ে শীর্ষস্থানে থাকলেও ঐ সফরে খুব কমই ভূমিকা রেখেছিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠেয় টেস্ট খেলায় তেমন কিছু করেননি। তবে, দেশে ঠিকই অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অল-রাউন্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন। ১৯২৯ সালে কেবলমাত্র একবার পাঁচ-উইকেট পেলেও শত উইকেটের মাইলফলক ঠিকই স্পর্শ করেছিলেন।

স্বর্ণালী অধ্যায়সম্পাদনা

১৯৩০-এর দশকে টাউনসেন্ডের ব্যাটিংয়ের উত্তরণ অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে চলে। ইতোপূর্বে কোন সেঞ্চুরি না করলেও ১৯৩০ সালে একাই চারটি সেঞ্চুরি হাঁকান। ১৯৩১ সালে তেমন সফলতা পাননি। তবে, ১৯৩২ সালে ব্যাটসম্যান হিসেবে বেশ ভালো করেন। একই সময়ে তার বোলিংও বেশ ভালো মানের ছিল। ১৯৩১ সালে জাতীয় বোলিং গড়ে শীর্ষ দশে পৌঁছেন। ১৯৩২ সালে ১১৭ উইকেট পান।

১৯৩৩ সালে দুই হাজারের অধিক রান তুলেন। তন্মধ্যে, লাফবোরায়ায় লিচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ২৩৩, ডার্বিতে ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে অপরাজিত ১৭২ ও লেটনে এসেক্সের বিপক্ষে ১৫১ রান তুলেছিলেন। ১৮.৭১ গড়ে শত উইকেট পান ও মে ও জুন মাসের পোতানো উইকেটে হেডলি ভেরিটির পর দ্বিতীয় স্থান দখল করেন। ইল্কস্টনে সমারসেটের বিপক্ষে খেলায় ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৯/৮২, পোর্টসমাউথে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ১০/৫৪ ও চেস্টারফিল্ডে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ১৪/৯০ পান। তবে, জুলাই ও আগস্টে পিচ ব্যাটসম্যানের অনুকূলে চলে গেলে তার সফলতা কমে আসে। ফলে, কেবলমাত্র শেষ খেলাতেই ২০০০ রান ও ১০০ উইকেট লাভের ন্যায় ‘ডাবল’ লাভে সক্ষম হন। এ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ উইজডেন কর্তৃপক্ষ অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত করে।[২] পরের তিন বছর ডার্বিশায়ার দল সফলতার কেন্দ্রবিন্দুতে উপনীত হয়। এক পর্যায়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয় করতে সমর্থ হয়। তবে, টাউনসেন্ডের বোলিংয়ের মান দূর্বলতর হতে থাকে।

১৯৩৫ মৌসুমে খুব কমই উল্লেখযোগ্য বোলিং করেছিলেন। তাসত্ত্বেও, পোতানো উইকেটে বেশ কার্যকরী ছিলেন। ১৯৩৬ মৌসুমে এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে খেলায় বারো উইকেট পান। ডেনিস স্মিথের সাথে তিনিও ডার্বিশায়ারের অন্যতম প্রধান ব্যাটিং মেরুদণ্ডের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ঐ বছরে চ্যাম্পিয়ন কাউন্টি হিসেবে দলটি বেশ দূর্বলমানের ছিল। চেস্টারফিল্ডে সাসেক্সের বিপক্ষে অপরাজিত ১৮২ রান তুলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে চারটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন লেসলি টাউনসেন্ড। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে জর্জটাউনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।[৩] ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৪ তারিখে চেন্নাইয়ে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দ্বিতীয়সারির দলের সাথে গমন করলেও তেমন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেননি। ১৯২৯-৩০ মৌসুমের শীতকালে সম্মানীয় এফ. এস. জি. ক্যালথর্পের অধিনায়কত্বে এমসিসি দলের সদস্যরূপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করেন। শীতকালে ডি. আর. জারদিনের অধিনায়কত্বে এমসিসি দলের সাথে ভারত গমন করেন। তবে, সেখানে খুব কমই সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনটি টেস্টে অংশ নিলেও নিজস্ব দক্ষতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেননি লেসলি টাউনসেন্ড।

নিউজিল্যান্ড গমনসম্পাদনা

১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে অকল্যান্ডের পক্ষে এক মৌসুম খেলেন। ১৯৩৯ সালে তার ব্যাটিংয়ের মান অত্যন্ত দূর্বলমানের ছিল। মাত্র ১৯ গড়ে সাতশত রানেরও কম সংগ্রহ করেন। এরপর নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন।

নিউজিল্যান্ডে কাঠমিস্ত্রী ও ক্যাবিনেট প্রস্তুতকারী হিসেবে কাজ করেন। ১৯৫৪ সালে নেলসনে একদল ক্রিকেটপ্রেমী কোচ হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়ে আলাপ করলে ঐ জেলায় ক্রিকেটের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করেছিলেন।[৪] হক কাপে নেলসন দলকে ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৫ সময়কালে ২৮ খেলায় প্রশিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। কোচ হিসেবে শেষের বছরগুলোয় অধিকাংশ পর্যবেক্ষক লক্ষ্য করেছেন যে, বিংশ শতাব্দীর শেষদিকে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেট অপ্রত্যাশিতভাবে এ শহর থেকে অংশ নিচ্ছেন।

খেলার ধরনসম্পাদনা

কিশোর অবস্থায় তিনি ক্রিকেট খেলতেন না। তবে, নটিংহ্যামশায়ারের তারকা ব্যাটসম্যান জর্জ গানের খেলা দেখতে গিয়ে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। উভয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে ডার্বিশায়ারের শীর্ষস্থানীয় অল-রাউন্ডারের মর্যাদা লাভ করেন।

নিজস্ব স্বর্ণালীয় সময়ে পোতানো উইকেটে ডার্বিশায়ারের ইতিহাসের সেরা বোলার হিসেবে খেলতেন। সঠিক নিশানায় বল প্রেরণ ও অফের দিক থেকে বল বাঁকানোর ক্ষেত্রে তার জুড়ি মেলা ভার ছিল। তার পেস বোলিং মাঝারিমানের ছিল। উপযোগী পিচেও তার বল সেরা ব্যাটসম্যানদেরও হিমসিম খেতে হতো। ফ্লাইট ও বলে বৈচিত্র্য আনয়ণের অভাবে ভালোমানের পিচেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকরহীনতায় পরিণত করতো। এছাড়াও, বিনোদনধর্মী মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৩৩ সালে এক মৌসুমে ডার্বিশায়ারের পক্ষে সর্বাধিক সেঞ্চুরি করার দীর্ঘদিনের রেকর্ড অক্ষত রয়েছে। স্পষ্টভাষী ও অধূমপায়ী ছিলেন।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে ৮৯ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের নেলসনের রিচমন্ড এলাকায় লেসলি টাউনসেন্ডের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. [১] ESPNcricinfo, ESPN, সংগ্রহের তারিখ: ২৭ জুন ২০১৯
  2. "Wisden's Five Cricketers of the Year"ESPNcricinfoESPN। ২৩ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  3. "England in West Indies (1929 – 1930): Scorecard of third Test"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১, ২০১৯ 
  4. Wisden 1994, p. 1354.

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা