প্রধান মেনু খুলুন

ফ্রেড টিটমাস

ইংরেজ ক্রিকেটার

ফ্রেডেরিক জন টিটমাস, এমবিই (ইংরেজি: Fred Titmus; জন্ম: ২৪ নভেম্বর, ১৯৩২ - মৃত্যু: ২৩ মার্চ, ২০১১) লন্ডনের সমার্স টাউনে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন।[১] ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন।

ফ্রেড টিটমাস
ফ্রেড টিটমাস.jpg
১৯৬২ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে ফ্রেড টিটমাস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামফ্রেডেরিক জন টিটমাস
জন্ম(১৯৩২-১১-২৪)২৪ নভেম্বর ১৯৩২
সমার্স টাউন, লন্ডন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু২৩ মার্চ ২০১১(2011-03-23) (বয়স ৭৮)
ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩৮১)
২৩ জুন ১৯৫৫ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ টেস্ট৩০ জানুয়ারি ১৯৭৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৩১)
৮ মার্চ ১৯৭৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই৯ মার্চ ১৯৭৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ৫৩ ৭৯২ ১৪৯
রানের সংখ্যা ১,৪৪৯ ২১,৫৮৮ ১,০৩৮ ১১
ব্যাটিং গড় ২২.২৯ ২৩.১১ ১৩.৪৮ ১১.০০
১০০/৫০ –/১০ ৬/১০৫
সর্বোচ্চ রান ৮৪* ১৩৭* ৪১ ১১
বল করেছে ১৫,১১৮ ১৭৩,৪৫০ ৭,১২৬ ৫৬
উইকেট ১৫৩ ২,৮৩০ ১৫৯
বোলিং গড় ৩২.২২ ২২.৩৭ ২৫.৬৬ ১৭.৬৬
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৬৮
ম্যাচে ১০ উইকেট ২৬
সেরা বোলিং ৭/৭৯ ৯/৫২ ৫/২৫ ৩/৫৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩৫/– ৪৭২/– ৩৪/– ১/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৬ মার্চ ২০১৭

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স, সারে, কম্বাইন্ড সার্ভিসেস, মেরিলেবোন, ফ্রি স্টেট ও প্লেয়ার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ফ্রেড টিটমাস। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন।

শুরুরদিকে কেবলমাত্র মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। পরবর্তীতে অফ স্পিনের দিকে ঝুঁকে পড়েন টিটমাস। নিচেরসারিতে ব্যাটিং করেও সফলতা পেয়েছেন যা তাকে অল-রাউন্ডারের মর্যাদা এনে দেয়। এছাড়াও ছয়বার ইংল্যান্ডের পক্ষ ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন।

ক্রিকেটের বাইরে টিটমাস ফুটবল খেলায়ও দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। পেশাদারী ফুটবলে ওয়াটফোর্ড ক্লাবের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। তরুণ অবস্থায় চেলসি দলের পক্ষেও খেলেছেন তিনি।[২][৩]

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

লন্ডনের হাইগেট এলাকায় অবস্থিত উইলিয়াম এলিস স্কুলে পড়াশোনা করেন। তেরো বছর বয়সে বিদ্যালয়ের প্রথম একাদশে খেলেন। ষোল বছর বয়সে বাড়ির কাছাকাছি থাকা লর্ডস মাঠ কর্তৃপক্ষ বরাবরে অনুশীলনী খেলায় অংশগ্রহণের জন্য লিখেন।[৪] মাত্র কয়েকটি বল খেলার পরই তাকে গ্রাউন্ডস্টাফ হিসেবে মনোনয়ন দেয়। জুন, ১৯৪৯ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে মিডলসেক্সের পক্ষে অভিষেক ঘটে তার। বাথে সমারসেটের বিপক্ষে ঐ খেলায় তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর ২১৩ দিন যা ঐ সময়ে মিডলসেক্সের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ছিলেন তিনি।[৪]

১৯৫০ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে টিটমাসের পুরো মৌসুম কাটে। তুলনামূলকভাবে ভালো খেলেন ও জুলাইয়ে মাইনর কাউন্টিজের বিপক্ষে ৭/৩৪ পান। ১৯৫১ ও ১৯৫২ সালে ন্যাশনাল সার্ভিস থেকে আপত্তি উঠায় খেলোয়াড়ী জীবন স্তিমিত হয়ে পড়ে। তবে কম্বাইন্ড সার্ভিসেসের পক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৫৩ সালে মিডলসেক্সের পক্ষে পুরো সময় খেলে ১০৫ উইকেট পান। ষোল বছরের প্রথম হিসেবে তিন সংখ্যায় পৌঁছেন।

টেস্ট ক্রিকেটসম্পাদনা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এমসিসি’র সদস্যরূপে চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮/৪৩ পান। ফলশ্রুতিতে লর্ডসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে তার অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি কেবলমাত্র হিউ টেফিল্ডের উইকেট পেয়েছিলেন। এছাড়াও ব্যাটহাতে দু’বারই ব্যর্থ হন। ওল্ড ট্রাফোর্ডের তৃতীয় টেস্টে তিনি আরও ব্যর্থতার মুখ দেখেন। ০ ও ১৯ রানের পাশাপাশি বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ০/৫১। এরফলে দল থেকে বাদ পড়েন ও শীত মৌসুমে টেস্টবিহীন সিরিজে এমসিসির সাথে পাকিস্তান সফরে যান।

১৯৬২ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে ১৩৬ উইকেটের পাশাপাশি ১,২৩৮ রান তোলেন। এরফলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টে খেলার জন্য পুণরায় আমন্ত্রিত হন। ঐ বছরে অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করেন। তন্মধ্যে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে ৯/৫২ পান। ফলশ্রুতিতে উইজডেন কর্তৃক ১৯৬৩ সালের সংস্করণে তাকে অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটাররূপে মনোনীত করা হয়। ১৯৬২-৬৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে যান। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজস্ব ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৭* রান তোলেন। পাঁচ টেস্টের সিরিজের সবগুলো টেস্টেই তার উপস্থিত ছিল। যে-কোন ইংরেজের তুলনায় সর্বাধিক উইকেট লাভ করেন। ২৯.৩৩ গড় ২১ উইকেট পান। তন্মধ্যে সিডনিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও পঞ্চম টেস্টে যথাক্রমে তার নিজস্ব সেরা ৭/৭৯ ও ৫/১০৩ পান।[২] এছাড়াও অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত চতুর্থ টেস্টে অপরাজিত ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন।

পরবর্তী পাঁচ বছর টিটমাস ইংল্যান্ড দলের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে খেলতে থাকেন ও বেশকিছু অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী তুলে ধরেন। কেবলমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ১৯৬৩-৬৪ মৌসুমের ভারত সফরটি। মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে পাঁচ টেস্টের সিরিজের প্রত্যেক টেস্টই ড্রয়ে পরিণত হয়। তবে তিনি ২৭ উইকেট পেয়েছিলেন।

১৯৬৪ সালে ট্রেন্ট ব্রিজে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিওফ বয়কটের সাথে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামেন। জন এডরিচ আঘাতপ্রাপ্ত হলে তার এ সুযোগ ঘটে। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্য পুণরায় অস্ট্রেলিয়া সফরে যান। এবার তিনি মাত্র ৯ উইকেট পান ৫৭.৪৪ গড়ে। সিডনিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে ৪/৪০ পান। তাস্বত্ত্বেও ১৯১২ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় ইংল্যান্ড তাদের বৃহত্তম জয় পায়।

নৌ-দূর্ঘটনাসম্পাদনা

১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সহঃ অধিনায়কের মর্যাদা পান। কিন্তু বার্বাডোসে তার এ সফর শেষ হয়ে যায়। সাঁতারকালীন একটি নৌকার প্রপেলারে তার পা কেটে যায়। তৃতীয় টেস্ট শুরুর পূর্বে এ ঘটনা ঘটে। তিনি চারটি পায়ের আঙ্গুল হারান। তার পরিবর্তে প্যাট পোকককে স্থলাভিষিক্ত করা হয়। একসময় মনে করা হতো যে তার খেলোয়াড়ী জীবনের অকাল পরিসমাপ্তি ঘটেছে। এমসিসি’র বীমা চুক্তির আওতায় £৯০ পাউন্ড-স্টার্লিং পান। ফলশ্রুতিতে পরবর্তীকালে বিদেশে খেলতে যাওয়া ইংরেজ ক্রিকেটারদের পূর্ণাঙ্গ বীমা চুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হয়।[২]

১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে অপ্রত্যাশিতভাবে ইংল্যান্ড দলে ফিরে আসেন টিটমাস। ছয় টেস্টের সমন্বয়ে গড়া অ্যাশেজ সিরিজের চারটিতে খেলেন। কিন্তু তিনি মাত্র সাত উইকেট পান। তন্মধ্যে পার্থে করেন ৬১ রান। ঐ বছরের শীতকালে টিটমাস নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেন। কিন্তু উভয় খেলাই বৃষ্টিবিঘ্নিত হলেও ওয়েলিংটনে আট বলের সমন্বয়ে গড়া সাত ওভারে ৩/৫৩ পান।

অর্জনসমূহসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচ দশককাল প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের সাথে যুক্ত থেকেছেন তিনি।[২] ডব্লিউ.জি. গ্রেস, উইলফ্রেড রোডসজর্জ হার্স্টের পর চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ২,৫০০ উইকেট ও ২০,০০০ রান সংগ্রহ করেছেন।[৫]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ট্রেভর বেইলিরে ইলিংওয়ার্থের সাথে মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ের একজনরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ২০,০০০ রান ও ২,০০০ উইকেট পেয়েছেন।[৬]

কোচিংসম্পাদনা

খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে তিনি বেশ কয়েকবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৭৫-৭৬ মৌসুমের শীতকালে কারি কাপ প্রতিযোগিতায় অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের পক্ষে খেলেন। ১৬.৩০ গড়ে ৪২ উইকেট পান তিনি। তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের পুরোটাই উত্থান-পতনে গড়া ছিল। ১৯৭৬ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বশেষবারের মতো দেখা যায়। ঐ মৌসুম শেষে সারে দলের কোচ মনোনীত হন।

১৯৭৮ সালে কেন্টের বিপক্ষে খেলেন। কিন্তু এ সময়টি তাঁর জন্য বেশ দূর্ভাগ্যজনক ছিল। ১৯৭৯, ১৯৮০ ও ১৯৮২ সালে মিডলসেক্সের পক্ষে পুণরায় খেলতে নামেন। আকস্মিকভাবে তিনি তাঁর শেষ খেলায় অংশ নেন। ৪৯ বছর বয়সে দর্শক হিসেবে ১৯৮২ সালে মিডলসেক্স বনাম সারের খেলা দেখতে যন। মিডলসেক্স অধিনায়ক মাইক ব্রিয়ারলি’র উপর আধিপত্য প্রদর্শন করে ও বাজি রেখে স্পিন উপযোগী পিচে ৩/৪৩ পান ও মিডলসেক্সকে ৫৮ রানের জয় এনে দেন। এভাবেই খুব স্বল্পসংখ্যক খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৯৪০-এর দশক থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত পাঁচ দশক খেলায় অংশ নেন। অন্য ব্যক্তিটি ছিলেন ডব্লিউ. জি. গ্রেস।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

১৯৬৪ সালে তিনি তাঁর প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘টক অব দ্য ডাবল’ প্রকাশ করেন।[৭] এতে তিনি তার জন্মস্থান সমার্স টাউনরূপে উল্লখে করেন এবং ১৯৩৯ সালে তার পরিবার কেন্টিস টাউনে স্থানান্তরিত হয় বলে জানান। ২০০৫ সালে দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘মাই লাইফ ইন ক্রিকেট’ প্রকাশিত হয়। গ্রন্থে তিনি তার সাবেক সতীর্থ খেলোয়াড়দের দৃষ্টিভঙ্গী ও ধৈর্যসহকারে পাঁচ দশকের খেলোয়াড়ী জীবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।[৮] ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সময়কালে ইংল্যান্ডের টেস্ট দল নির্বাচকের দায়িত্বে ছিলেন।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৭৮ বছর বয়সে ফ্রেড টিটমাসের দেহাবসান ঘটে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুইবার পাণিগ্রহণ করেন। ‘জিন’ ছিলেন তার প্রথম পক্ষীয় স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন ‘স্টেফানি’। তার তিন সন্তান ও দুই নাতি ছিল।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২০ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৭ , Retrieved 23 March 2011
  2. Bateman, Colin (১৯৯৩)। If The Cap Fits। Tony Williams Publications। পৃষ্ঠা 168–169। আইএসবিএন 1-869833-21-X 
  3. Cricketer of the Year 1963 – Fred Titmus, Wisden, Retrieved 25 April 2009
  4. "Obituary: Frederick John Titmus"। Wisden/www.espncricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১৬ 
  5. p184, Titmus
  6. "Trevor Bailey"। London: Telegraph। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০২-১০ 
  7. Talk of the Double, Fred Titmus, S. Paul (1964), এএসআইএন B0000CM6OK
  8. My Life in Cricket, Fred Titmus, Blake Publishing (Aug 2005), আইএসবিএন ১-৮৪৪৫৪-১২৪-X, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৪৫৪-১২৪-৯

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা


ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
কলিন ড্রাইব্রো
মিডলসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৬৫-১৯৬৭
উত্তরসূরী
পিটার পারফিট