প্রবেশদ্বার:সুফিবাদ


সুফিবাদ প্রবেশদ্বার

আজমীর শরীফের বাইরের দৃশ্য

সুফিবাদ বা তাসাউফ , (আরবি: الْتَّصَوُّف‎, ব্যক্তিবাচক বিশেষ্য: সুফি, মুতাসাউইফ) যাকে বিভিন্নভাবে ইসলামি আধ্যাত্মবাদ, ইসলামের অন্তর্নিহিত রূপ, ইসলামের অন্তর্গত আধ্যাত্মিকতার অদৃশ্য অনুভূতি হিসেবেও সংজ্ঞায়িত করা হয়, তা হল ইসলামে আধ্যাত্মবাদ, যা নির্দিষ্ট মুল্যবোধ, আচার-প্রথা চর্চা, মূলনীতি দ্বারা বিশেষায়িত, যা ইসলামের ইতিহাসের খুব প্রাথমিক দিকে শুরু হয়েছিল, এবং এটি ইসলামের আধ্যাত্মিক চর্চার "প্রধান অভিব্যক্তি ও কেন্দ্রীয় স্বচ্ছতা"কে তুলে ধরে। সুফিবাদের চর্চাকারীরা আখ্যায়িত হয়ে থাকে (আরবি বহুবচন: সুফিয়াহ; সুফিয়ুন; মুতাসায়িফাহ; মুতাসায়িফুন)। ইসলামে তাসাউফের আরেকটি সমার্থক ধারণা হল তাজকিয়া

ঐতিহাসিকভাবে, সুফিগণ প্রায়শই বিভিন্ন তরিকা বা ধারার অনুসারী - এমন কিছু ধর্মসভা যা কোন মহান শিক্ষাগুরুকে কেন্দ্র করে গঠিত, যাদের ওয়ালী বলে আখ্যায়িত করা হয়, এবং তারা আনুসারীদের সঙ্গে ইসলামী নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) -এর সরাসরি সংযোগ বা সিলসিলা স্থাপন করেন। এই তরিকাগুলো জাওয়াবিয়া, খানকা বা তেক্কে নামক কোন নির্দিষ্ট স্থানে মজলিস নামক আধ্যাত্মিক বৈঠকে মিলিত হয়। তারা ইহসানের (ইবাদতের পূর্নাঙ্গতা) জন্য সংগ্রাম করে, যা একটি হাদীসে বিস্তারিত বর্নিত আছে: "ইহসান হল এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত কর যে, তুমি তাকে দেখছো, অথবা তুমি তাকে না দেখলেও নিশ্চয়ই তিনি তোমাকে দেখছেন।" সূফিগণ মুহাম্মদ (সাঃ)-কে আল-ইনসান আল-কামিল (প্রথম ব্যক্তি যিনি আল্লাহর নৈতিকতাবে পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা করেছেন) বলে আখ্যায়িত করে থাকে, এবং তাকে নেতা ও প্রধান আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখে।

সকল সূফি তরিকা মুহাম্মদের কাছ থেকে পাওয়া তাদের অধিকাংশ অনুশাসন তার চাচাতো ভাই ও জামাতা আলীর বরাতে গ্রহণ করে থাকে, এবং তাকে উল্লেখযোগ্য আলাদা ও বিশেষ ব্যক্তি মনে করে।

নির্বাচিত নিবন্ধ

Shrine of Gaus Al Azam Ahmed Ullah Maizbhanderi at Chittagong, Bangladesh.jpg

সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (ইংরেজি: Syed Ahmed Ullah Maizbhanderi) বা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (জন্ম: ১৮২৬- মৃত্যু: ১৯০৬) হলেন মাইজভান্ডারী তরীকার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন একজন সুফি সাধক বা পীর। তিনি আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী নামেই বহুল পরিচিত। তাঁর অনুসারীগণ শুরু হতে যে সকল প্রচার প্রকাশনা বাংলা, আরবি, উর্দু এবং ইংরেজি সহ বিভিন্ন ভাষায় ছাপিয়ে আসছে, তাতে তাঁর নাম গাউছুল আজম হযরত মৌলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী কেবলা ক্বাবা কাদ্দাছাল্লাহু ছিরহুল আজিজ / (কঃ) লিখতে দেখা যায়।

বিস্তারিত

নির্বাচিত জীবনী

হাসান বসরি (আরবি: الحسن بن أبي الحسن البصري‎‎; পুরো নাম: আল হাসান ইবনে আবিল হাসান আল বসরি; ৬৪২ – ৭২৮) ছিলেন একজন প্রখ্যাত মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিক। ৬৪২ সালে তিনি পারস্য বংশোদ্ভুত পিতামাতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। উম্মে সালামার ঘরে তিনি বড় হন। হাসান অনেক সাহাবি সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। বলা হয় যে বদর যুদ্ধের সত্তরজন সৈনিকদের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেন। অন্যান্য সুফি তরিকার মতো তিনিও আলীর অনুসারী ছিলেন। তিনি তার প্রজন্মের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ১১০ হিজরির ৫ রজব তিনি ৮৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করলে সমগ্র বসরার মানুষ তার জানাজায় অংশ নেয়। ফলে প্রথমবারের মতো বসরার জামে মসজিদ আসরের নামাজের সময় খালি হয়ে যায়। অন্যান্য সুফিদের কাছে তিনি দ্রুত একজন অনুকরণীয় ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। সমসাময়িকদের কাছে তার ব্যক্তিত্ব গভীর প্রভাব ফেলে।

আপনি জানেন কি...

DYK question mark

সুফিবাদ বিষয়

নির্বাচিত চিত্র

বিষয়শ্রেণী

উক্তি

ছজিদা সহজ কথা নয়, ছজিদা সহজ কথা নয়।।

করিলে মোশরেক, না করিলে কাফের হয়
ওয়াছজুদু বলিলে যবে, ফছজদু তাঁরা সবে
ইনকার করিল যেবা মরদুদ নিশ্চয় ।।
ছজিদা ডরের কথা, না করিও যথাতথা
আদমজাদা আদম হইলে ছজিদা টানিলয় ।

- মৌলানা বজলুল করিম মন্দাকিনী

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার

আপনি যা করতে পারেন

Tasks clipboard

উইকিপ্রকল্প

WikiProjects puzzle

সম্পর্কিত উইকিপ্রকল্পসমূহ:

সংশ্লিষ্ট উইকিমিডিয়া

উইকিসংবাদে সুফিবাদ   উইকিউক্তিতে সুফিবাদ   উইকিবইয়ে সুফিবাদ   উইকিসংকলনে সুফিবাদ   উইকিঅভিধানে সুফিবাদ   উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে সুফিবাদ   উইকিমিডিয়া কমন্সে সুফিবাদ উইকিউপাত্তে সুফিবাদ উইকিভ্রমণে সুফিবাদ
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল উন্মুক্ত পাঠাগার অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা
Wikinews-logo.svg
Wikiquote-logo.svg
Wikibooks-logo.png
Wikisource-logo.svg
Wiktionary-logo.svg
Wikiversity-logo.svg
Commons-logo.svg
Wikidata-logo.svg
Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন