প্রধান মেনু খুলুন
ঋষি দুর্বাসার শকুন্তলাকে অভিশাপ

দুর্বাসা (সংস্কৃত: दुर्वासा) প্রাচীন ভারতীয় পৌরাণিক আখ্যানের একজন ঋষি। দুর্বাসা ঋষি প্রবল ক্রোধের জন্য পরিচিত। হিন্দু পুরাণ বর্ণিত আখ্যান অনুসারে, দুর্বাসা ঋষির পিতা অত্রি এবং মাতা অনসূয়া। ঋষি দুর্বাসা শিবের অংশাবতার হিসেবেও খ্যাত। দুর্বাসা শব্দের অর্থ যার সাথে বাস করা যায় না। এই ঋষি সামান্য কথাতে ক্ষুন্ন হতেন বলে জানা যায় এবং সেজন্য এই ঋষির সাথে জড়িত বহু উপাখ্যান প্রাচীন ভারতীয় ধর্মগ্রন্থসমূহে পাওয়া যায়।

বর্তমান আজমগড় অঞ্চলে ব্যাপ্ত জনবিশ্বাস অনুসারে, তোন নদী এবং মাজুয়ী নদীর সঙ্গম অঞ্চলে ঋষি দুর্বাসা আশ্রম স্থাপন করেছিলেন। ফুলপুর অঞ্চল থেকে ৬ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই আশ্রমে দুর্বাসার শিষ্যগণ শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়।

বর্তমান হরিয়ানা রাজ্যের পালওয়াল জেলায় ঋষি দুর্বাসার একটি মন্দির আছে। হরিয়ানার তেহসিল-হোডাল অঞ্চলের আলি ব্রাহ্মণ গ্রামে এই মন্দির অবস্থিত। দিল্লী-মথুরা পথের সমীপে অবস্থিত এই অঞ্চলে দুর্বাসাকে শিবের অবতার হিসাবে পূজা-অর্চনা করা হয়।

পরিচ্ছেদসমূহ

জন্মসম্পাদনা

ব্রহ্মাণ্ড পুরাণের ৪৪ সংখ্যক অধ্যায়ের বর্ণনা অনুসারে, একবার ব্রহ্মা এবং শিবের কোনো এক কথাতে মনোমালিন্য হয়। এই সংঘাতের ফলেে শিব এত ক্রোধান্বিত হয়ে ওঠেন যে, দেবতারা তাঁর ভয়ে পালাতে আরম্ভ করে। এই সংবাদে শিবের পত্নী পার্বতী ক্ষুন্ন হন এবং মহাদেবের সাথে বাস করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেন। নিজের ক্রোধাগ্নির ফলে সৃষ্টি হওয়া থেকে অথন্তরের কথা চিন্তা করে মহাদেব তা বর্জন করতে সম্মত হন এবং ঋষি অত্রির পত্নী অনুসূয়ার গর্ভে নিজর তপোগ্নি স্থাপন করেন। মহাদেবের এই তপোগ্নির থেকে ঋষি দুর্বাসা (যার সাথে বাস করা যায় না)-র জন্ম হয় বলে পুরাণ বর্ণিত আখ্যান উপস্থাপন করেছে। যেহেতু মহাদেবের ক্রোধের ফলে তাঁর জন্ম হয়েছিল, সেজন্য ঋষি দুর্বাসা সামান্য কথাতে ক্ষুন্ন হয়ে ক্রুদ্ধ হয়ে উঠতেন বলে জানা যায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

 
দুর্বাসা নারায়ণকে অভিশাপ দিচ্ছেন

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

গ্রন্থপঞ্জীসম্পাদনা

  • The Vishnu Purana - translated by Horace Hayman Wilson(1840)
  • Srimad Bhagavatam - translated by A.C. Bhaktivedanta Swami Prabupada, Copyright(c) The Bhaktivedanta Book Trust International, Inc.
  • Srimad Bhagavatam (Bhagavata Purana): The Story of the Fortunate One - translated by [১]
  • Ramayan of Valmiki - translated by Ralph T. H. Griffith, M.A.(1870–1874)
  • Srimad Valmiki-Ramayana (With Sanskrit Text and English Translation) - Part I(9th Edition), Gita Press, Gorakhpur
  • Srimad Valmiki-Ramayana (With Sanskrit Text and English Translation) - Part II(9th Edition), Gita Press, Gorakhpur
  • The Mahabharata of Krishna-Dwaipayana Vyasa - translated by Kisari Mohan Ganguli(1883–1896)
  • Kalidasa: Translations of Shakuntala and Other Works - by Arthur W. Ryder(1914)
  • Sacontala - translated by Sir William Jones(1789)
  • Was Draupadi Ever Disrobed? - by Pradip Bhattacharya(taken from the Annals of the Bhandarkar Oriental Research Institute, vol. 86, 2005, printed in 2006)
  • Swaminarayan Satsang: Portal of Swaminarayan - Under Shree Narnarayan Dev Mandir Bhuj, at [২]
  • The website of The Original: Shree Swaminarayan Sampraday - Under His Holiness Acharya 1008 Shree Koshalendraprasadi Maharaj, at [৩]
  • The website of the Shree Swaminarayan Gurukal, Rajkot, at [৪]

বহিঃসংযোগসম্পাদনা