প্রধান মেনু খুলুন

তাবু (অভিনেত্রী)

ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

তাবু (জন্ম: তাবাসসুম ফাতিমা হাশমী; ৭ নভেম্বর ১৯৭১)[১] একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি মূলত হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও তিনি অসংখ্য তেলুগু, তামিল, মালায়ালম, মারাঠি এবং বাংলা ভাষার ছায়াছবিতে কাজ করেছেন। তিনি হলিউড ছায়াছবিতেও অভিনয় করেছেন। তিনি দু'বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং রেকর্ড সংখ্যক চারটি সমালোচক পুরস্কারসহ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ছয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।[২]

তাবু
Tabu promoting Andhadhun in 2018.jpg
২০১৮ সালে আন্ধাধুন চলচ্চিত্রের প্রচারণায় তাবু
জন্ম
তাবাসসুম হাশমী

(1971-11-04) ৪ নভেম্বর ১৯৭১ (বয়স ৪৭)
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল১৯৮০–বর্তমান
আত্মীয়

তাবু মাচিস (১৯৯৬), কালাপানি (১৯৯৬), কধল দেসম (১৯৯৬), বিরাসত (১৯৯৭), হু তু তু (১৯৯৯), কান্দুকোন্দাইন কান্দুকোন্দাইন (২০০০), অস্তিত্ব (২০০০), চাঁদনী বার (২০০১), মকবুল (২০০৩), চিনি কম (২০০৭), হায়দার (২০১৪), দৃশ্যম (২০১৫), এবং আন্ধাধুন (২০১৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন। তিনি কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে পার্শ্ব ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে কুলি নাম্বার ওয়ান (১৯৯১), বিজয়পথ (১৯৯৪), হকীকত (১৯৯৫), নিন্নে পেল্লাদাতা (১৯৯৬), জিৎ (১৯৯৬), সজন চলে সসুরাল (১৯৯৬), বর্ডার (১৯৯৭), চাচী ৪২০ (১৯৯৭), বিবি নাম্বার ওয়ান (১৯৯৯), হাম সাথ-সাথ হ্যাঁয় (১৯৯৯), হেরা ফেরি (২০০০), ফনা (২০০৬), জয় হো (২০১৪) ও গোলমাল অ্যাগেইন (২০১৭)। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার কাজের মধ্যে রয়েছে নাট্যধর্মী দ্য নেমসেক (২০০৭) চলচ্চিত্রে মিরা নায়ার এবং অ্যাং লি'র ব্যবসাসফল রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র লাইফ অব পাই (২০১২)।

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

তাবু ১৯৭১ সালের ৭ই নভেম্বর তেলেঙ্গানা অঙ্গরাজ্যের হায়দ্রাবাদের এক মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার পিতা জামাল হাশমী ও মাতা রিজওয়ানা। তার জন্মের কিছুদিন পরেই তার বাবা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তার মাতা একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তার মাতামহ মোহাম্মদ আহসান গণিত বিভাগের অধ্যাপক এবং তার মাতামহী ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন। তাবু হায়দ্রাবাদের সেন্ট আনস হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৩ সালে তাবু মুম্বাই আসেন এবং সেখানে দুই বছরের জন্য সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়াশোনা করেন।[৩]

তিনি শাবানা আজমি, তানবী আজমীবাবা আজমী'র ভাইঝি এবং অভিনেত্রী ফারাহ নাজের ছোট বোন। তিনি উর্দু, তেলুগু, হিন্দিইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারেন।[৪]

কর্মজীবনসম্পাদনা

চলচ্চিত্রে আগমন: ১৯৮২-১৯৯৫সম্পাদনা

তাবাসসুম "তাবু" হাশমী ১৯৮২ সালে বাজার ছবিতে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন এবং পরবর্তীতে চৌদ্দ বছর বয়সে হাম নওজয়ান (১৯৮৫) ছবিতে অভিনয় করেন। উক্ত ছবিতে তিনি দেব আনন্দের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেন।[৫] অভিনেত্রী হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ভেঙ্কটেশের সঙ্গে তেলুগু ভাষায় কুলি নম্বর ওয়ান। ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে বনি কাপুর দুটি বড় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, সেগুলো হল রূপ কী রানী চোরোঁ কা রাজাপ্রেমপ্রেম ছবিতে তাবু সঞ্জয় কাপুরের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে আট বছর সময় লাগে এবং কিন্তু ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়।[৬]

মুখ্য অভিনেত্রী হিসেবে তাবুর প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্র ছিল পেহলা পেহলা প্যায়ার (১৯৯৪), যা তেমন সাড়া পায়নি।[৫] তিনি অজয় দেবগনের বিপরীতে বিজয়পথ (১৯৯৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন এবং এই কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।[৭] এরপর তার বেশকয়টি চলচ্চিত্র বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। যদিও এই সময়ে তিনি ব্যবসাসফল হকীকত (১৯৯৫) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[৮]

সাফল্য ও পুরস্কারপ্রাপ্তি: ১৯৯৬-২০০০সম্পাদনা

১৯৯৬ সালের তাবু অভিনীত আটটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। সজন চলে সসুরালজিৎ চলচ্চিত্র দুটি ব্যবসাসফল হয় এবং সেই বছরের শীর্ষ পাঁচ ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।[৯] জিৎ ছবিতে তুলসী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[১০] মাচিস চলচ্চিত্রটি সমাদৃত হয় এবং পাঞ্জাবি নারী চরিত্রে তার কাজ প্রশংসিত হয়। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[১১] একই বছর তিনি দক্ষিণেও কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি আক্কিনেনি নাগার্জুনার বিপরীতে তেলুগু ভাষার ব্লকবাস্টার নিন্নে পেল্লাদাতা ছবিতে অভিনয় করেন, যা শ্রেষ্ঠ তেলেগু ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। তিনি প্রিয়দর্শন পরিচালিত মালয়ালম ভাষার মহাকাব্যিক কালাপানি চলচ্চিত্রে মোহনলাল ও প্রভু গনেসনের সাথে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। ছবিটি বিপুল সমাদৃত হয় এবং এতে তার কাজ তাকে দক্ষিণ ভারতে প্রশংসিত করে। তিনি কাথির পরিচালিত তামিল ভাষার ব্যবসাসফল কধল দেসম ছবিতে আব্বাস ও বিনীতের বিপরীতে অভিনয় করেন।

১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তাবুর প্রথম চলচ্চিত্র হল জে. পি. দত্ত পরিচালিত বর্ডার। এটি ১৯৭১ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের লঙ্গেওয়ালা যুদ্ধের সত্য ঘটনা নিয়ে নির্মিত। ছবিতে তিনি সানি দেওলের চরিত্রের স্ত্রীর ভূমিকায় একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি ১৯৯৭ সালের অন্যতম ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র ছিল।[১২] এই বছর তিনি সমাদৃত বিরাসত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স অফিসে সফল হয় এবং তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[১৩] একই বছর তিনি মণি রত্নমের তামিল ভাষার রাজনৈতিক নাট্যধর্মী ইরুভার চলচ্চিত্রে মোহনলাল, ঐশ্বর্যা রাই, প্রকাশ রাজ ও গৌতমীর সাথে অভিনয় করেন।[১৪]

১৯৯৮ সালে তিনি তামিল ভাষার থায়িঁ মানিকোদি, তেলেগু ভাষার আলবিদা মা আলবিদে ও হিন্দি ভাষার ২০০১: দো হাজার এক ছবিতে অভিনয় করেন। ১৯৯৯ সালে তিনি একাধিক অভিনয়শিল্পী-সমৃদ্ধ বিবি নাম্বার ওয়ানহাম সাথ-সাথ হ্যাঁয় ছবিতে অভিনয় করেন। এই দুটি ছবি যথাক্রমে সেই বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র।[১৫] একই বছর তিনি হু তু তু ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[১৬][১৭]

২০০০-এর দশকসম্পাদনা

২০০০ সালে তাবু অভিনীত হাস্যরসাত্মক হেরা ফেরি বক্স অফিসে সফল হয়[১৮] এবং নাট্যধর্মী অস্তিত্ব সমাদৃত হয়।[১৯] অস্তিত্ব ছবিতে তার অভিনয় সম্পর্কে হিন্দুস্তান টাইমস-এর সমালোচক অর্নব ব্যানার্জী লিখেন, "তাবু অসাধারণ এবং অভিনেত্রী হিসেবে তার দক্ষতা পুনরায় প্রমাণ করেছেন। তার চিত্তাকর্ষক আবেগ, তার উজ্জ্বল মুখ এবং তার সূক্ষ্ম শান্ত চরিত্র, তাকে তার চলচ্চিত্র জীবনে অনেক দূরে নিয়ে যাবে। এই ছবিতে তার অভিনয়ের জন্য তিনি তার তৃতীয় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন।[২০] দক্ষিণে তাবু তামিল ভাষায় রাজীব মেনন পরিচালিত কান্দুকোন্দাইন কান্দুকোন্দাইন ও প্রিয়দর্শন পরিচালিত স্নেগিথিয়ে এবং মালয়ালম ভাষার কভার স্টোরি চলচ্চিত্রে কাজ করেন।[২১]

২০০১ সালে তাকে মধুর ভান্ডারকর পরিচালিত চাঁদনী বার চলচ্চিত্রে বার নৃত্যশিল্পী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই কাজের জন্য তিনি প্রশংসিত হন এবং তার দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।[২২] সমালোচক তরণ আদর্শ লিখেন, "চাঁদনী বার সব মিলিয়ে তাবুর চলচ্চিত্র এবং এতে কোন দ্বিমত নেই। তার অভিনয় সর্বোচ্চ নম্বর এবং অবশ্যই সকল পুরস্কার পাওয়ার দাবীদার।"[২৩] রেডিফ-এ সলিল কুমার লিখেন, "যদি কোন একজন অভিনেত্রী একটি চলচ্চিত্রের ভার বহন করতে পারে, তবে সেটা তাবু। স্বাভাবিকভাবেই তিনি তার জৌলুস দেখিয়েছেন।[২৪]

 
দ্য নেমসেক ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে ইরফান খানের সাথে তাবু।

২০০৬ সালে তিনি আমির খানকাজল দেবগন অভিনীত ফনা চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি সেই বছরের চতুর্থ সর্বাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র ছিল।[২৫] ২০০৭ সালে তাবু তার প্রথম হলিউড চলচ্চিত্র দ্য নেমসেক-এ অভিনয় করেন। মিরা নায়ার পরিচালিত চলচ্চিত্রটিতে তাকে ইরফান খানের বিপরীতে দেখা যায়। ছবিটি বিদেশে ব্যবসাসফল হয়।[২৬] তিনি চিনি কম চলচ্চিত্রে ৩৪ বছর বয়সী এক নারী চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি ৬৪ বছয় বয়সী অমিতাভ বচ্চনের প্রেমে পড়েন।[২৭] সমালোচকগণ এই চলচ্চিত্র নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। সমালোচক তরণ আদর্শ লিখে, "দুর্দান্ত সহশিল্পীর অধিপত্য বিস্তারকারী উপস্থিতির পরও তাবু তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।"[২৮] যদিও ছবিটি ভারতে মোটামুটি রকমের সফল হয়, তবে এটি বিদেশে, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে, বেশ আয় করে।[২৯] চিনি কাম ছবিতে তার কাজের জন্য তাবু শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তার চতুর্থ ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন।[৩০] এছাড়া এই বছর তাকে শাহরুখ খান অভিনীত ওম শান্তি ওম ছবিতে "দিওয়াঙ্গি দিওয়াঙ্গি" গানে ক্ষণিক চরিত্রে দেখা যায়।[৩১]

২০০৮ সালে পুণ্ডলিকের জীবনী নিয়ে তেলেগু ভাষায় নির্মিত পাণ্ডুরাঙ্গাডু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণের মনোনয়ন লাভ করেন।[৩২]

২০১০-বর্তমানসম্পাদনা

 
দিল্লিতে লাইফ অব পাই ছবির প্রেস কনফারেন্সে তাবু।

২০১২ সালে তাবু তার দ্বিতীয় হলিউড চলচ্চিত্র লাইফ অব পাই-এ কাজ করেন। অ্যাং লি পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১৩ সালে তার অভিনীত একমাত্র চলচ্চিত্র হল তামিল-হিন্দি দোভাষী চলচ্চিত্র ডেভিড। বিজয় নাম্বিয়ার পরিচালিত ছবিটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন বিক্রম। ২০১৪ সালে তিনি মূলধারার বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন এবং তেলেগু ভাষার চলচ্চিত্র স্টালিন-এর হিন্দি পুনর্নির্মাণ জয় হো চলচ্চিত্রে সালমান খানের বড় বোনের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া লাভ করে এবং বক্স অফিসে সফল হয়। এরপর তিনি বিশাল ভরদ্বাজের শেকসপিয়ারীয় হ্যামলেট নাটকের হিন্দি উপযোগকরণ হায়দার-এ নাম ভূমিকায় অভিনয় করা শাহিদ কাপুরের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে তিনি "রসে ভাল্লে" গানে কণ্ঠও দেন।[৩৩] ছবিটি সমালোচনামূলক ও বাণিজ্যিকভাবে সফলতা অর্জন করে এবং গজলা মীর চরিত্রে তাবুর কাজ সমাদৃত হয়। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখে ছবিটির শিরোনাম হায়দারের পরিবর্তে গজলা হওয়া উচিত ছিল।[৩৪] এই ছবিতে তার কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।[৩৫]

২০১৫ সালে তিনি নিশিকান্ত কামাতের হত্যা-রহস্য চলচ্চিত্র দৃশ্যম-এ ১৬ বছর পর অজয় দেবগনের সাথে কাজ করেন। ছেলের হত্যা মামলার তদন্তকারী কঠোর পুলিশ কর্মকর্তা চরিত্রে তার কাজ বিপুল প্রশংসিত হয় এবং তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[৩৬] একই বছর তিনি মেঘনা গুলজারের পরিচালনায় অভিষেক চলচ্চিত্র তালবার-এ ক্ষণিক চরিত্রে অভিনয় করেন।[৩৭] পরের বছর তিনি চার্লস ডিকেন্সের গ্রেট এক্সপেক্টেশন্স উপন্যাস অবলম্বনে অভিষেক কাপুরের ফিতুর ছবিতে অদিত্য রায় কাপুরক্যাটরিনা কাইফের সাথে অভিনয় করেন। এতে তাকে মিস হ্যাভিশাম চরিত্রের অনুকরণে বেগম হজরত চরিত্রে দেখা যায়। যদিও ছবিটি বক্স অফিসে ব্যবসা করতে পারেনি, তবে তার অভিনয় ইতিবাচক পর্যালোচনা অর্জন করে।[৩৮]

 
অজয় দেবগণ এর সঙ্গে দৃশ্যম (২০১৫) চলচ্চিত্রের প্রচারণায়

রাশভারী চলচ্চিত্রে থেকে বাইরে এসে তাবু ২০১৭ সালে রোহিত শেঠীর হাস্যরসাত্মক গোলমাল অ্যাগেইন ছবিতে অভিনয় করেন। তিনি এতে ঘোস্ট বাস্টার চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন। দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এই ছবিতে তার অন্তর্ভুক্তিকে "অপ্রত্যাশিত আনন্দ" বলে আখ্যায়িত করেন এবং তিনি চলচ্চিত্রটিকে টেনে নিয়ে গেছেন বলে উল্লেখ করেন।[৩৯] ছবিটি সেই বছরের শীর্ষ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় প্রবেশ করে। পরের বছর তিনি মুকুল অভয়ঙ্করের লোমহর্ষক মিসিং ছবিতে মনোজ বাজপেয়ীর বিপরীতে অভিনয় করেন। যদিও রক্ষণশীল মায়ের ভূমিকায় তার কাজ সমাদৃত হন, ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়।[৪০] তিনি শ্রীরাম রাঘবনের ব্ল্যাক কমেডি আন্ধাধুন ছবিতে অভিনয় করে পুনরায় সকলের নজর কাড়েন। তিনি আয়ুষ্মান খুরানার সাথে সমান্তরালভাবে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন। সিমি চরিত্রে তার অভিনয়ের জন্য বিপুল প্রশংসিত হন[৪১][৪২] এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[৪৩] একই বছর তিনি রাজকুমার হিরানী পরিচালিত সঞ্জয় দত্তের জীবনীভিত্তিক সঞ্জু চলচ্চিত্রে ক্ষণিক চরিত্রে অভিনয় করেন।[৪৪]

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নয়ডায় এশিয়ান একাডেমীর আন্তর্জাতিক ক্লাব একজন আজীবন সদস্য।

১৯৯৮ সালে, তাবুর সহ-তারকা সালমান খান, সাইফ আলি খান, কারিশমা কাপুর, সোনালী বেন্দ্রে এবং নীলম কোথারী সাথে "হাম সাথ সাথা হে" চিত্রগ্রহণের সময় কানকানিতে দুটি ব্লাকবাস্ক হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ আনা হয়।[৪৫] একটি নিম্ন আদালত ওয়াইল্ডলাইফ আইন এবং আইপিসির অধীনে অন্যদের সঙ্গে তিনিও অভিযুক্ত হন। তিনি ভারতীয় পেনাল কোড অফ ওয়াইল্ডলাইফ আইনের ধারা ৫১ (বন্যপ্রাণী ক্ষতি ঘটছে) এবং ১৪৭ (দাঙ্গা সংগঠিত জন্য শাস্তি) উভয় এবং ১৪৯ (ব্যক্তি বেআইনী সমাবেশ) তিনি কারামুক্ত যা একটি দায়রা আদালত আগে একটি সংস্করণ পিটিশন দায়ের করেন।[৪৬]

চলচ্চিত্রের তালিকা (অসম্পূর্ণ)সম্পাদনা

বছর চলচ্চিত্র ভূমিকা ভাষা মন্তব্য
১৯৮৫ হাম নওজয়ান প্রিয়া হিন্দী শিশু শিল্পী
১৯৯১ কুলি নম্বর ১ রনজনি তেলুগু
১৯৯৪ প্যাহলা প্যাহলা প্যায়ার স্বপ্না হিন্দী
১৯৯৪ বিজয়পথ মোহিনী "মনা" হিন্দী শ্রেষ্ঠ নারী চরিত্রে আত্মপ্রকাশের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
১৯৯৫ প্রেম লাচি/সোনিয়া জেটলী হিন্দী
১৯৯৫ সাজন কি বাহো মে কবিতা হিন্দী
১৯৯৫ সিসিন্দ্রী তেলেগু
১৯৯৫ হাকিকত সুধা হিন্দী
১৯৯৬ সাজন চলে শাশুরাল দিব্যা খুরানা হিন্দী
১৯৯৬ কালাপানি পার্বতী মালায়ালম তামিল ডাব হিসাবে সিরাইচালাই, তেলুগু হিসাবে কালাপানি এবং হিন্দি হিসাবে সাজা ই কালাপানি
২০০০ তরকিব রোশনী হিন্দি ভাষা
২০১৮ আন্ধাধুন সিমি হিন্দি

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

 
রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের নিকট থেকে পদ্মশ্রী গ্রহণ করছেন তাবু।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. নিহলানী, গোবিন্দ; চ্যাটার্জি, শৈবাল (২০০৩)। Encyclopaedia of Hindi Cinema (ইংরেজি ভাষায়)। পপুলার প্রকাশন। পৃষ্ঠা ৬৩৪। আইএসবিএন 9788179910665। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  2. "Press Information Bureau"প্রেস ইনফোরমেশন ব্যুরো। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  3. Martyris, Nina (২৬ এপ্রিল ২০০৩)। "When dosa was a luxury"। Times of India। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৭ 
  4. ভাট, রাজীব (৯ মার্চ ২০০৭)। "Tabu: As she likes it!"। হিন্দুওনেট। ১৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৭ 
  5. ধবন, এম. এল. (১৫ এপ্রিল ২০০১)। "She wows with her acting prowess"ট্রিবিউন ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  6. স্বরূপ, হরিহর (২৯ এপ্রিল ২০০৭)। "Tabu, an actor who does not need make-up"ট্রিবিউন ইন্ডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  7. "Filmfare Best Female Debut Award - Filmfare Awards for Best Female Debut"অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড শোজ। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  8. "Haqeeqat Box Office Collection till Now - Bollywood Hungama"বলিউড হাঙ্গামা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  9. "Box Office Results 1996"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  10. "Filmfare Awards Nomination Form"ফিল্মফেয়ার। ২৮ এপ্রিল ১৯৯৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  11. "Filmfare Awards Nomination Form"ফিল্মফেয়ার। ২৮ এপ্রিল ১৯৯৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  12. "Box Office Results 1997"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  13. "And the nominees were..."ফিল্মফেয়ার। ৫ জুলাই ১৯৯৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  14. "Iruvar"। ওয়ান ইন্ডিয়া। ৫ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  15. "Box Office Results 1999"বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  16. "Filmfare Awards by year: 1999 Nominations"। ইন্ডিয়া এফএম। ১৯ নভেম্বর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  17. "Filmfare Awards by year: 1999 Winners"। ইন্ডিয়া এফএম। ১৭ অক্টোবর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  18. "Box Office Results 2000"। Box Office India। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৭ 
  19. সোমেশ্বর, সাভেরা আর. (৫ অক্টোবর ২০০০)। "Astitva mirrors society, and Tabu is its reflection!"। রেডিফ। ৪ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  20. "Filmfare Awards 2000"। ফিল্মফেয়ার। ৮ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  21. ধনঞ্জয়য়ন, জি (৩ নভেম্বর ২০১৪)। Pride of Tamil Cinema: 1931 TO 2013: Tamil Films that have earned National and International Recognition। ব্লু ওশান পাবলিশার্স। পৃষ্ঠা ৩৮৮–৩৯০। GGKEY:L1DLZDAEJ47। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা 
  22. Rediff Entertainment Bureau (২৬ জুলাই ২০০২)। "Tabu, Shobhana share National Award for Best Actress" (ইংরেজি ভাষায়)। রেডিফ। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  23. আদর্শ, তরণ (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০১)। "Chandni Bar review from indiafm.com" (ইংরেজি ভাষায়)। ইন্ডিয়া এফএম। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  24. কুমার, সলিল (২৭ সেপ্টেম্বর ২০০১)। "Chandni Bar review" (ইংরেজি ভাষায়)। রেডিফ। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  25. "Box Office Results 2006" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস ইন্ডিয়া। ১৩ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  26. তুতেজা, জোগিন্দর (২৩ মার্চ ২০০৭)। "The Namesake earns third 1 crore plus week" (ইংরেজি ভাষায়)। গ্ল্যামশ্যাম। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  27. "Tabu returns, and how !"দ্য হিন্দু (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ মে ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  28. আদর্শ, তরণ (২৫ মে ২০০৭)। "Cheeni Kum review" (ইংরেজি ভাষায়)। ইন্ডিয়া এফএম। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  29. আদর্শ, তরণ (৩০ মে ২০০৭)। "Overseas box office report: 30 May 2007" (ইংরেজি ভাষায়)। ইন্ডিয়া এফএম। ১৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  30. "Darsheel, Tabu bag critics award at Filmfare - Indian Express"দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  31. "Handling a crew of 300 is easier than disputes between maids: Farah Khan"দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ এপ্রিল ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  32. "56th Filmfare Awards 2008 – South"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া। ২২ জুলাই ২০০৯। ১৬ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  33. দুবে, রচনা (৩ জুলাই ২০১৪)। "Tabu turns singer for Haider"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  34. সালৎজ, রেচেল (২ অক্টোবর ২০১৪)। "'Haider' Puts an Indian Twist on 'Hamlet'"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  35. "60th Britannia Filmfare Awards 2014: Complete list of winners - Times of India"দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  36. "Nominations for the 61st Britannia Filmfare Awards"ফিল্মফেয়ার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  37. "Tabu quietly starts shooting for Meghna Gulzar's Talwar"ইন্ডিয়া টুডে (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  38. চ্যাটার্জী, শৈবাল (১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "Fitoor Movie Review"এনডিটিভি মুভিজ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  39. "Golmaal Again movie review: This Tabu and Ajay Devgn starrer generates some laughs"দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ২১ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  40. "Missing Movie Review: The Brilliance Of Tabu And Manoj Bajpayee Make A Flawed Film Gripping"। এনডিটিভি। ৬ এপ্রিল ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  41. "National Award-winning actress Tabu to be honoured at LA Indian Film Festival"The Economic Times। ১ মার্চ ২০১৯। ২৩ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  42. "From 'Maachis' To 'Andhadhun', Here's Why Tabu Is One Of The Most Versatile Actors Of Our Time"। স্কুপ হুপ। ৯ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  43. "Nominations for the 64th Vimal Elaichi Filmfare Awards 2019"ফিল্মফেয়ার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  44. "Tabu on her cameo in Sanju: I call it my Truman Show moment, it was surreal to recreate the moment"। ফার্স্ট পোস্ট। ১১ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৯ 
  45. Special Correspondent (২৫ আগস্ট ২০০৭)। "Blackbuck case: Tabu, Salman, Saif charged with poaching"। hindi.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৭ 
  46. Pillai, Pai (১ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Salman Khan expresses faith in judiciary"। news.sawf.org। ১২ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা