জাতসাখিনি ইউনিয়ন

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন
(জাতসাখিনী ইউনিয়ন থেকে পুনর্নির্দেশিত)

জাতসাখিনী ইউনিয়ন বেড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। ২০১৩ সালের ২০ শে অক্টোবর জাতসাখিনী ইউনিয়ন আমিনপুর থানার অধীনে চলে যায়। [১]

জাতসাখিনী
ইউনিয়ন
জাতসাখিনী রাজশাহী বিভাগ-এ অবস্থিত
জাতসাখিনী
জাতসাখিনী
জাতসাখিনী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
জাতসাখিনী
জাতসাখিনী
বাংলাদেশে জাতসাখিনি ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৭′০৯″ উত্তর ৮৯°৩৮′০৯″ পূর্ব / ২৩.৯৫২৫০৭৩° উত্তর ৮৯.৬৩৫৯৫৪৫° পূর্ব / 23.9525073; 89.6359545স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৭′০৯″ উত্তর ৮৯°৩৮′০৯″ পূর্ব / ২৩.৯৫২৫০৭৩° উত্তর ৮৯.৬৩৫৯৫৪৫° পূর্ব / 23.9525073; 89.6359545
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাপাবনা জেলা
উপজেলাবেড়া উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
গণতান্ত্রিকপাবনা ০২ আসন(সংসদীয় ৬৯ আসন)
সরকার
 • চেয়ারম্যানমোঃ রেজাউল হক বাবু (আওয়ামী লীগ)
আয়তন
 • মোট৩৪.৭৩ বর্গকিলোমিটার বর্গকিমি (বিন্যাসন ত্রুটি: invalid input when rounding বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী)
 • মোট৭১,৫৬৫ জন
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৬%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৬৬৮২ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

অবস্থানসম্পাদনা

জাতসাখিনী ইউনিয়নের ইহার পূর্ব দিকে পুরান ভারেংগা এবং রুপপুর ইউনিয়ন, পশ্চিম দিকে আহম্মদপুর ও রানীনগর ইউনিয়ন, দক্ষিণে মাশুমদিয়া ইউনিয়ন। [২]

ইউনিয়ন পরিষদসম্পাদনা

বর্তমান পরিষদ ৬নং জাতসাখিনী ইউনিয়ন পরিষদ

ক্রমিক নং নাম পদবী মোবাইল নং ওয়ার্ড নং
1 মো: রেজাউল হক মিয়া (চেয়ারম্যান) ০১৭১১-১৫৯৯৬৩ ৬ নং
2 মো: রাশেদুল ইসলাম রাসেল সচিব ০১৭১৭-৮৫৩১৪৩ ৬ নং
3 মোঃ পলাশ সদস্য ০১৭২৫-৭৯৪৫৪৬ ০১
4 মোঃ তোফাজ্জল হোসেন চঞ্চল সদস্য ০১৭১৪-৩৩২০৪৭ ০২
5 মোঃ ফরমান আলী সদস্য ০১৭৬৬-২০৫৩০৬ ০৩
6 শেখ আবু বক্কার বকুল সদস্য ০১৭৭২-৫২৭২৯৯ ০৪
7 মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন সদস্য ০১৭২৯-৮০২৪৬৬ ০৫
8 মোঃ আনিছুর রহমান সদস্য ০১৭১৯-৬৬৪১৩৩ ০৬
9 মোঃ কালাম মন্ডল সদস্য ০১৭৩১-৬০৮৭৪৫ ০৭
10 মোঃ লোকমান শেখ সদস্য ০১৭২১-৫৭৪৬১৫ ০৮
11 মোঃ বাশেদ ফকির সদস্য ০১৭২১-৮০১৯৭৬ ০৯
12 মোছাঃ মমতা খাতুন সদস্য ০১৭১৮-৫৯০৬৪৭ ১,২,৩
13 মোছাঃ তিনা বেগম সদস্য ০১৭০৪-৬২৪৬০৮ ৪,৫,৬
14 মোছাঃ জলি খাতুন সদস্য ০১৭০৯-৯১৭৮২৯ ৪,৫,৬

[২]

গ্রামসমূহের তালিকাসম্পাদনা

  1. আমিনপুর
  2. খাস আমিনপুর
  3. নাটিয়াবাড়ী
  4. নান্দিয়ারা
  5. দাতিয়া
  6. চরকান্দি
  7. সিংহাসন
  8. শিমুলিয়া
  9. দীঘলকান্দি
  10. টাংবাড়ী
  11. মাস্টিয়া
  12. হরিদেবপুর
  13. শিবপুর
  14. নয়াবাড়ী
  15. কালিকাপুর
  16. বিশ্বনাথপুর
  17. কাবাসকান্দা
  18. মির্জাপুর
  19. বাগমির্জাপুর
  20. রাজনারায়ণপুর
  21. বসন্তপুর
  22. চকভরিয়া
  23. রানীগ্রাম
  24. রাজ্জাকপুর
  25. প্রতাবপুর
  26. শ্রীনিবাসদিয়া
  27. চকবন্দি
  28. সিন্দুরিয়া
  29. কৃষ্ণপুর

[২]

যোগাযোগ ব্যবস্থাসম্পাদনা

পাবনা থেকে এই ইউনিয়ন এর দুরুত্ব ৫৫ কিলোমিটার,বেড়া উপজেলা হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার,আমিনপুর থানা হতে এর দুরুত্ব ১১ কিঃমিঃ,ইউনিয়নের সামনে থেকে পাবনা,বগুড়া,বেড়া বাস,সিএনজি সব সময় পাওয়া যায়। এই ইউনিয়ন টি নগরবাড়ি -বগুড়া মহাসড়কে বিধায় যাতায়াত অনেক সহজ। [২]

রাস্তা ঘাটসম্পাদনা

এই ইউনিয়নের ৮০% সড়ক পাকা,এবং ২০% কাচা,যার কারণে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলেও রিক্সা,ভ্যান, সিএনজি চলাচল করে।

হাট বাজারসম্পাদনা

এই ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় হাট বাজার হচ্ছেঃ

  1. কাশিনাথপুর হাট (ফুলবাগান)
  2. আমিনপুর বাজার
  3. নতুন বাজার (আমিনপুর)

[২]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসম্পাদনা

কলেজ ২ টি।

  1. কাশীনাথপুর মহিলা কলেজ
  2. নাটিয়াবাড়ি কলেজ

উচ্চ বিদ্যালয় ২ টি।

  1. আমিনপুর আয়েন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
  2. ধোবাকোলা কোরনেশন উচ্চ বিদ্যালয়

প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি ১১ টি এবং বেসরকারি ১ টি।

  1. আমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  2. খাস আমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  3. মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  4. বাগ মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

[২]

দর্শনীয় স্থানসম্পাদনা

সিন্দুরি মাজার,নয়ন সুখের বটগাছ

এনজিওসম্পাদনা

জাতসাখিনী ইউনিয়নটি প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় এখানে দারিদ্রতা বিমোচনের জন্য বেশ কয়েকটি এনজিও এর কার্যক্রম রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ ব্র‍্যাক, আশা, ঠ্যাংগামাড়া, গ্রামীণ ব্যাংক ইত্যাদি। [২]

ধর্ম ও ধর্মীয় উৎসবসম্পাদনা

জাতসাখিনী ইউনিয়নে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যায় বেশি। এবং আমিনপুর থানার এই এলাকাতে আঞ্জুমান ই ক্বাদেরিয়ার অধীনে একটা মসজিদ আছে। যেখানে এলাকার বেশির ভাগ মুসলিম প্রতি আরবি মাসের ১১ তারিখে উপস্থিত হয়। প্রতি বছর পবিত্র আশুরা পালন করা হয় এখানে। এছাড়া মুসলিম ধর্মীয় সকল উৎসব এখানে পালন করা হয়ে থাকে। হিন্দুরা সকল পূজা করে থাকে। তাছাড়া এই এলাকাতে দুর্গা পূজা বেশ যাক-জমোকভাবে পালন করা হয়ে থাকে। এবং হিন্দু মুসলমান মিলেমিশে থাকতে বেশি স্বাস্বন্দ্যবোধ করে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা