প্রধান মেনু খুলুন

ইট্রিয়াম

একটি মৌলিক পদার্থ। রুপালি বর্ণের এই মৌলটির ভর সংখ্যা ৮৮.৯২(88.93) ও পরমাণু ক্রমাঙ্ক ৩৯(39)
(Yttrium থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ইট্রিয়াম একটি রাসায়নিক মৌল, এর প্রতীক Y ও পারমাণবিক সংখ্যা ৩৯। এটি রুপার মত দেখতে একটি অবস্থান্তর ধাতু যার রাসয়নিকধর্ম ল্যান্থানাইড মৌলগুলোর মত এবং এটি একটি বিরল মৃত্তিকা ধাতু। এটি প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না কিন্তু খনিতে অন্যান্য ল্যান্থানাইড মৌলের সাথে আকরিক অবস্থায় পাওয়া যায় [২]। এর একমাত্র সক্রিয় আইসোটোপ 89Y, যা ভুগর্ভে পাওয়া যায়।

ইট্রিয়াম   ৩৯Y
Yttrium sublimed dendritic and 1cm3 cube.jpg
পরিচয়
নাম, প্রতীকইট্রিয়াম, Y
উপস্থিতিsilvery white
পর্যায় সারণীতে ইট্রিয়াম
হাইড্রোজেন (other non-metal)
হিলিয়াম (noble gas)
লিথিয়াম (alkali metal)
বেরিলিয়াম (alkaline earth metal)
বোরন (metalloid)
কার্বন (other non-metal)
নাইট্রোজেন (other non-metal)
অক্সিজেন (other non-metal)
ফ্লোরিন (halogen)
নিয়ন (noble gas)
সোডিয়াম (alkali metal)
ম্যাগনেসিয়াম (alkaline earth metal)
অ্যালুমিনিয়াম (post-transition metal)
সিলিকন (metalloid)
ফসফরাস (other non-metal)
সালফার (other non-metal)
ক্লোরিন (halogen)
আর্গন (noble gas)
পটাশিয়াম (alkali metal)
ক্যালসিয়াম (alkaline earth metal)
স্ক্যানডিয়াম (transition metal)
টাইটানিয়াম (transition metal)
ভ্যানাডিয়াম (transition metal)
ক্রোমিয়াম (transition metal)
ম্যাঙ্গানিজ (transition metal)
লোহা (transition metal)
কোবাল্ট (transition metal)
নিকেল (transition metal)
তামা (transition metal)
দস্তা (transition metal)
গ্যালিয়াম (post-transition metal)
জার্মেনিয়াম (metalloid)
আর্সেনিক (metalloid)
সেলেনিয়াম (other non-metal)
ব্রোমিন (halogen)
ক্রিপ্টন (noble gas)
রুবিডিয়াম (alkali metal)
স্ট্রনসিয়াম (alkaline earth metal)
ইটরিয়াম (transition metal)
জিরকোনিয়াম (transition metal)
নাইওবিয়াম (transition metal)
মলিবডিনাম (transition metal)
টেকনিসিয়াম (transition metal)
রুথেনিয়াম (transition metal)
রোহডিয়াম (transition metal)
প্যালাডিয়াম (transition metal)
রুপা (transition metal)
ক্যাডমিয়াম (transition metal)
ইন্ডিয়াম (post-transition metal)
টিন (post-transition metal)
অ্যান্টিমনি (metalloid)
টেলুরিয়াম (metalloid)
আয়োডিন (halogen)
জেনন (noble gas)
সিজিয়াম (alkali metal)
বেরিয়াম (alkaline earth metal)
ল্যান্থানাম (lanthanoid)
সিরিয়াম (lanthanoid)
প্রাসিওডিমিয়াম (lanthanoid)
নিওডিমিয়াম (lanthanoid)
প্রমিথিয়াম (lanthanoid)
সামারিয়াম (lanthanoid)
ইউরোপিয়াম (lanthanoid)
গ্যাডোলিনিয়াম (lanthanoid)
টারবিয়াম (lanthanoid)
ডিসপ্রোসিয়াম (lanthanoid)
হলমিয়াম (lanthanoid)
এরবিয়াম (lanthanoid)
থুলিয়াম (lanthanoid)
ইটারবিয়াম (lanthanoid)
লুটেসিয়াম (lanthanoid)
হ্যাফনিয়াম (transition metal)
ট্যানটালাম (transition metal)
টাংস্টেন (transition metal)
রিনিয়াম (transition metal)
অসমিয়াম (transition metal)
ইরিডিয়াম (transition metal)
প্লাটিনাম (transition metal)
সোনা (transition metal)
পারদ (transition metal)
থ্যালিয়াম (post-transition metal)
সীসা (post-transition metal)
বিসমাথ (post-transition metal)
পোলোনিয়াম (post-transition metal)
এস্টাটিন (halogen)
রেডন (noble gas)
ফ্রান্সিয়াম (alkali metal)
রেডিয়াম (alkaline earth metal)
অ্যাক্টিনিয়াম (actinoid)
থোরিয়াম (actinoid)
প্রোটেক্টিনিয়াম (actinoid)
ইউরেনিয়াম (actinoid)
নেপচুনিয়াম (actinoid)
প্লুটোনিয়াম (actinoid)
অ্যামেরিসিয়াম (actinoid)
কুরিয়াম (actinoid)
বার্কেলিয়াম (actinoid)
ক্যালিফোর্নিয়াম (actinoid)
আইনস্টাইনিয়াম (actinoid)
ফার্মিয়াম (actinoid)
মেন্ডেলেভিয়াম (actinoid)
নোবেলিয়াম (actinoid)
লরেনসিয়াম (actinoid)
রাদারফোর্ডিয়াম (transition metal)
ডুবনিয়াম (transition metal)
সিবোরজিয়াম (transition metal)
বোহরিয়াম (transition metal)
হ্যাসিয়াম (transition metal)
মিটনেরিয়াম (unknown chemical properties)
ডার্মস্টেটিয়াম (unknown chemical properties)
রন্টজেনিয়াম (unknown chemical properties)
কোপার্নিসিয়াম (transition metal)
ইউনুনট্রিয়াম (unknown chemical properties)
ফেরোভিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনপেন্টিয়াম (unknown chemical properties)
লিভেরমোরিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনসেপটিয়াম (unknown chemical properties)
ইউনুনকটিয়াম (unknown chemical properties)
Sc

Y

La
স্ট্রনসিয়ামইট্রিয়ামজিরকোনিয়াম
পারমাণবিক সংখ্যা39
আদর্শ পারমাণবিক ভর
শ্রেণী, পর্যায়, ব্লকgroup 3, পর্যায় 5, d-ব্লক
ইলেকট্রন বিন্যাস[Kr] 4d1 5s2
per shell: 2, 8, 18, 9, 2
ভৌত বৈশিষ্ট্য
গলনাঙ্ক1799 কে ​(1526 °সে, ​2779 °ফা)
স্ফুটনাঙ্ক3203 K ​(2930 °সে, ​5306 °ফা)
ঘনত্ব (ক.তা.-র কাছে)4.472 g·cm−৩ (০ °সে-এ, ১০১.৩২৫ kPa)
তরলের ঘনত্বm.p.: 4.24 g·cm−৩
ফিউশনের এনথালপি11.42 kJ·mol−১
বাষ্পীভবনের এনথালপি363 kJ·mol−১
তাপ ধারকত্ব26.53 J·mol−১·K−১
বাষ্প চাপ
P (Pa) ১০ ১০০ ১ k ১০ k ১০ k
at T (K) 1883 2075 (2320) (2627) (3036) (3607)
পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য
জারণ অবস্থা3, 2, 1 ​(a weakly basic oxide)
তড়িৎ-চুম্বকত্ব1.22 (পলিং স্কেল)
আয়নীকরণ বিভব১ম: 600 kJ·mol−১
২য়: 1180 kJ·mol−১
৩য়: 1980 kJ·mol−১
পারমাণবিক ব্যাসার্ধempirical: 180 pm
সমযোজী ব্যাসার্ধ190±7 pm
বিবিধ
কেলাসের গঠনhexagonal close-packed (hcp)
Hexagonal close packed জন্য কেলাসের গঠন{{{name}}}
শব্দের দ্রুতিপাতলা রডে: 3300 m·s−১ (at 20 °সে)
তাপীয় প্রসারাঙ্কα, poly: 10.6 µm·m−১·K−১ (at r.t.)
তাপীয় পরিবাহিতা17.2 W·m−১·K−১
তড়িৎ রোধকত্ব ও পরিবাহিতাα, poly: 596 nΩ·m (at r.t.)
চুম্বকত্বparamagnetic[১]
ইয়ংয়ের গুণাঙ্ক63.5 GPa
কৃন্তন গুণাঙ্ক25.6 GPa
আয়তন গুণাঙ্ক41.2 GPa
পোয়াসোঁর অনুপাত0.243
ব্রিনেল কাঠিন্য200–589 MPa
ক্যাস নিবন্ধন সংখ্যা7440-65-5
· তথ্যসূত্র

ইট্রিয়ামের সংস্পর্শে ফুসফুসের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু জীবদেহে এর ভূমিকা এখনো অজানা [৩]

আবিষ্কারের ইতিহাসসম্পাদনা

১৭৮৭ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ, কার্ল আক্সেল এরিনাস সুইডেনের ইট্রারবায়ে একটি নতুন খনিজ আকরিকের সন্ধান পান। তিনি গ্রামের নামানুসারে এর নাম দেন ইটারবাইট [৪]। পরবর্তিতে ১৭৮৯ সালে জন গাডোলিন আবিস্কার করেন আকরিকটি মূলত ইট্রিয়াম অক্সাইড। ১৮২৮ সালে ইট্রিয়াম ধাতু প্রথম পৃথকিকরণ করেন ফ্রেডরিখ ভোলার [৫]

প্রাচুর্যতাসম্পাদনা

ইট্রিয়াম বিরল খনিজ যা আকরিক অবস্থায় পাওয়া যায় [৬]। এটি ইউরেনিয়ামের আকরিকে ও পাওয়া যায় কিন্তু ভূগর্ভে মুক্ত অবস্থায় কখনো পাওয়া যায় না[৭]। প্রাচুর্যতার দিক থেকে ইট্রিয়াম ভূগর্ভের ২৮ তম ধাতু। এটি ভূগর্ভে ৩১ প্রতি-অংশ অঙ্কানুপাত হারে পাওয়া যায় যা রুপার তুলনায় ৪০০ গুন বেশি [৮]। এটি মাটিতে ১০-১৫০ প্রতি-অংশ অঙ্কানুপাত ( শুকনো ভরে ২৩ প্রতি-অংশ অঙ্কানুপাত ) এবং সমূদ্রের পানিতে ২৩ প্রতি-অংশ অঙ্কানুপাত হারে পাওয়া যায় [৮]অ্যাপোলো মহাশূন্য অভিযানে সংগ্রহকৃত চন্দ্র পাথর নমুনায় অতি উচ্চ মাত্রায় ইট্রিয়ামের উপস্থিতি লক্ষ করা যায় [৯]

ইট্রিয়াম প্রায় সকল জীবদেহে পাওয়া যায় তথাপি জীবে এর ভূমিকা এখনো অজানা। মানবদেহের যকৃত, বৃক্ক, প্লীহা, ফুসফুস এবং হাড়ে এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়[১০]। সাধারণত, সমগ্র মানবদেহে মাত্র ০.৫ মিলিগ্রাম ইট্রিয়াম পাওয়া যায়। বুকের দুধে ৪ পিপএম ইট্রিয়াম পাওয়া যায়। গাছপালায় ২০ পিপিএম পর্যন্ত ইট্রিয়াম পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশি ১০০ পিপিএম পাওয়া যায় বাধাকপিতে। গাছের বীজে সবচেয়ে বেশি ৭০০ পিপিএম পর্যন্ত ইট্রিয়াম পাওয়া গেছে [১১]

২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে জাপানের ছোট একটি দ্বীপে বিশাল পরিমাণ বিরল মৃত্তিকা ধাতুর মজুদ আবিষ্কৃত হয়। মিনামি-তরি-সিমা দ্বীপটি মারকাস দ্বীপ নামেও পরিচিত যেখানে বিরল মৃত্রিকা ধাতু এবং ইট্রিয়ামের বিশাল মজুদ রয়েছে। সাইন্টিফিক রিপোর্ট প্রকশিত এক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে বলা হয় বিরল মৃত্তিকা ধাতু এবং ইট্রিয়াম যুক্ত কাদার প্রচুর সম্ভাবনা আছে। প্রবন্ধটিতে আরো বলা হয় নিকট ভবিষ্যতে ১৬ মিলিয়ন টনের অধিক ইট্রিয়াম সহ অন্যান্য বিরল মৃত্তিকা উপাদান আহরণ করা সম্ভব, যা ক্যামরা লেন্স এবং মোবাইল ফোনের পর্দায় ব্যবহার হবে[১২]

বৈশিষ্ট্যসম্পাদনা

ভৌত ধর্মসম্পাদনা

ইট্রিয়াম নরম, রুপ্য বর্ণের, খুবই উজ্জল এবং স্ফটিক বিরল মৃত্তিকা ধাতু। প্রাকৃতিকভাবে এটি অন্যান্য বিরল মৃত্তিকা ধাতু সাথে যৌগ গঠন করে থাকে। [১৩]। বিশুদ্ধ ইট্রিয়াম খুবই অস্থিতিশীল ধাতু। এদের আঘাত করা হলে প্রজ্জলিত হয় যা ৪০০°C পর্যন্ত তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে পারে [৫]

রাসায়নিক ধর্মসম্পাদনা

ইট্রিয়ামের রাসয়নিকধর্ম ল্যান্থানাইড মৌলগুলোর সাথে খুবই সদৃশ। মুক্ত অবস্থায় বাতাসে এদের গায়ে ইট্রিয়াম অক্সাইডের (Y2O3) প্রলেপ পড়ে যা ৭৫০°C তাপমাত্রায় ১০µm পুরু হতে পারে। অতি উচ্চ (১০০০°C) তাপমাত্রায় এরা ইট্রিয়াম নাইট্রাইড (YN) তৈরি করে [৫]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Lide, D. R., সম্পাদক (২০০৫)। "Magnetic susceptibility of the elements and inorganic compounds"। CRC Handbook of Chemistry and Physics (PDF) (86th সংস্করণ)। Boca Raton (FL): CRC Press। আইএসবিএন 0-8493-0486-5 
  2. IUPAC contributors (2005). Connelly N G; Damhus T; Hartshorn R M; Hutton A T (eds.). Nomenclature of Inorganic Chemistry: IUPAC Recommendations 2005 (PDF). RSC Publishing. p. 51. ISBN 978-0-85404-438-2. Archived from the original on 2009-03-04. Retrieved 2007-12-17
  3. Occupational Safety and Health। Routledge। ২০১৭-০৫-০৯। পৃষ্ঠা 227–234। আইএসবিএন 9781138035058 
  4. van der Krogt, Peter (2005-05-05). "39 Yttrium". Elementymology & Elements Multidict. Retrieved 2008-08-06
  5. CRC contributors (2007–2008). "Yttrium". In Lide, David R. (ed.). CRC Handbook of Chemistry and Physics. 4. New York: CRC Press. p. 41. ISBN 978-0-8493-0488-0
  6. Whynne-Hammond, Charles. (১৯৮৫)। Elements of human geography (2nd ed সংস্করণ)। London: Allen & Unwin। আইএসবিএন 0049100815 
  7. "Contributors"Social Text26 (2): np–np। ২০০৮। doi:10.1215/01642472-26-2_95-npআইএসএসএন 0164-2472 
  8. Emsley, John (সেপ্টেম্বর ২০০১)। "Good news is no news"Nature413 (6852): 113–113। doi:10.1038/35093175আইএসএসএন 0028-0836 
  9. "Population Growth, Change, and Impact Eve Stwertka Albert Stwertka"The American Biology Teacher46 (6): 349–349। সেপ্টেম্বর ১৯৮৪। doi:10.2307/4447866আইএসএসএন 0002-7685 
  10. Alexander, G. V.; Nusbaum, R. E. (মে ১৯৫২)। "Emission Spectrographic Analysis of Organic Solids for Inorganic Constituents"Analytical Chemistry24 (5): 793–795। doi:10.1021/ac60065a009আইএসএসএন 0003-2700 
  11. Emsley, John (অগাস্ট ২০০১)। "Good news is no news"Nature413 (6852): 113–113। doi:10.1038/35093175আইএসএসএন 0028-0836 
  12. "Imports, billions of US dollars"dx.doi.org। ২০১৮-১২-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৪ 
  13. Greenwood, N. N.; Earnshaw, A. (1997). Chemistry of the Elements (2nd ed.). Oxford: Butterworth-Heinemann. ISBN 978-0-7506-3365-9.

বহি:সংযোগসম্পাদনা