প্রধান মেনু খুলুন

উইকিপিডিয়া β

আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ

আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ সপ্তম থেকে একাদশ শতকে আরব মুসলিম ও পূর্ব রোমান বা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধসমূহকে একত্রে বলা হয়। সপ্তম শতকে রাশিদুনউমাইয়া খিলাফতের সময় শুরু হওয়া মুসলিম বিজয় অভিযানের মাধ্যমে এই যুদ্ধগুলো শুরু হয়। এরপর একাদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত এগুলো তাদের উত্তরসুরিদের মধ্যে লড়াই চলতে থাকে।

আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ
মূল যুদ্ধ: মুসলিম বিজয়
Greekfire-madridskylitzes1.jpg

গ্রিক ফায়ার, বাইজেন্টাইন নৌবাহিনী কর্তৃক আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধে ব্যবহার হয়।
তারিখ ৬২৯–১০৫০ এর দশক
অবস্থান লেভান্ট, সিরিয়া, মিশর, উত্তর আফ্রিকা, আনাতোলিয়া, ক্রিট, সিসিলি, দক্ষিণ ইটালি
ফলাফল মুসলিমদের বিজয়
অধিকৃত
এলাকার
পরিবর্তন
লেভান্ট, মেসোপটেমিয়াউত্তর আফ্রিকা মুসলিমরা অধিকার করে নেয়। উত্তর লেভান্ট পরে বাইজেন্টাইনরা পুনরায় জয় করেছিল।
বিবদমান পক্ষ
Simple Labarum2.svg পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য[১]
Ghassanids[২]
Mardaites
Armenian principalities
Bulgarian Empire
Kingdom of Italy
Italian city-states
Black flag.svg রাশিদুন খিলাফত
Umayyad Flag.svg উমাইয়া খিলাফত
Black flag.svg আব্বাসীয় খিলাফত
আগলাবি
সিসিলি আমিরাত
বারি আমিরাত
ক্রিট আমিরাত
আলেপ্পোর হামদানি রাজবংশ
Rectangular green flag.svg ফাতেমীয় খিলাফত
আলেপ্পোর মিরদাসি
নেতৃত্ব প্রদানকারী
হেরাক্লিয়াস
থিওডর ট্রিথিরিয়াস 
গ্রেগরি দ্য পেট্রিসিয়ান 
দ্বিতীয় কন্সটান্স
চতুর্থ কনস্টান্টাইন
দ্বিতীয় জাস্টিনিয়ান
লিওন্টিওস
হেরাক্লিয়াস
পঞ্চম কনস্টান্টাইন
পঞ্চম লিও আর্মেনিয়ান
মিখাইল লেচেনোড্রাকন
টাটজাটস
প্রথম নিকেফরস
থিওফিলস
মেনুয়েল দ্য আর্মেনিয়ান
নিকেটাস অরফাস
হিমেরিওস
জন করকয়াস
বারডাস ফোকাস দ্য এলডার
দ্বিতীয় নিকেফরস ফোকাস
লিও ফোকাস দ্য ইয়ঙ্গার
প্রথম জন জিমস্কাস
মাইকেল বুরটজাস
দ্বিতীয় বাসিল
নিকেফরস অরানস
জর্জ মেনিয়াকাস

Black flag.svg জাফর ইবনে আবি তালিব 
Black flag.svg খালিদ বিন ওয়ালিদ
Black flag.svgইকরিমা ইবনে আবি জাহল 
Black flag.svg আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা
Black flag.svg আবু বকর
Black flag.svg উমর ইবনুল খাত্তাব
Black flag.svg আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ
Black flag.svg শুরাহবিল ইবনে হাসানা
Black flag.svg আমর ইবনুল আস
Black flag.svg ইয়াজিদ ইবনে আবু সুফিয়ান
Black flag.svg আবদুল্লাহ ইবনে সাদ
Umayyad Flag.svg প্রথম মুয়াবিয়া
Umayyad Flag.svg প্রথম ইয়াজিদ
Umayyad Flag.svg মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান
Umayyad Flag.svg মাসলামা ইবনে আবদুল মালিক
Umayyad Flag.svg আবদুল্লাহ আল-বাত্তাল
Umayyad Flag.svg মুয়াবিয়া ইবনে হিশাম
Black flag.svg হারুনুর রশিদ
Black flag.svg আবদুল মালিক ইবনে সালিহ
Black flag.svg আল মামুন
Black flag.svg আল মুতাসিম
আসাদ ইবনে ফুরাত আহত অবস্থায় মৃত
আব্বাস ইবনে আল ফাদল
খাফাজা ইবনে সুফিয়ান
দ্বিতীয় ইবরাহিম (ইফ্রিকিয়া)
লিও অব ত্রিপলি 
উমর আল-আকতা 
সাইফ আল দাউলা
Rectangular green flag.svg আল আজিজ বিল্লাহ

Rectangular green flag.svg মানজুতাকিন

৬৩০ এর দশকে আরব উপদ্বীপ থেকে আরব মুসলিমদের অভিযানের ফলে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য তার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিরিয়ামিশর মুসলিমদের কাছে হারায়। উমাইয়া খিলাফতের অধীনে পরবর্তী পঞ্চাশ বছর মুসলিমরা বাইজেন্টাইন অধীনস্থ এশিয়া মাইনরে অভিযান চালায়, দুইবার বাইজেন্টাইনদের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল হুমকির সম্মুখীন হয় এবং বাইজেন্টাইন অধিভুক্ত আফ্রিকা দখল করে নেয়। ৭১৮ সালে কনস্টান্টিনোপল অবরোধ ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়। এসময় এশিয়া মাইনরের পূর্বদিকে তোরোস পর্বতমালা একটি সীমানা হিসেবে পরিগণিত হয়। আব্বাসীয় খিলাফতের অধীনে দূত বিনিময় ও বিভিন্ন মেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক আরো স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু প্রায় বার্ষিক হামলা ও পাল্টা হামলার মাধ্যমে সংঘর্ষ লেগেই ছিল। দশম শতকে এসব হামলায় আব্বাসীয় সরকার বা স্থানীয় শাসক উভয়েই উৎসাহ দেয়।

প্রথম শতাব্দীতে বাইজেন্টাইনরা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয় এবং খোলা মাঠে যুদ্ধ এড়িয়ে চলে। তারা সুরক্ষিত দুর্গে অবস্থান নিত। ৭৪০ এর পর থেকে তারা পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। কিন্তু এসময়ও আব্বাসীয়রা এশিয়া মাইনরে বড় আকারের ও বিধ্বংসী আক্রমণের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করতে সক্ষম ছিল। ৮৬১ এর পর থেকে আব্বাসীয়দের পতন ও বিভাজন এবং মেসিডোনীয় রাজবংশের অধীনে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের শক্তিবৃদ্ধির ফলে স্রোত উল্টো দিকে ঘুরে যায়। ৯২০ থেকে ৯৭৬ এর মোট পঞ্চাশ বছরের মধ্যে বাইজেন্টাইনরা মুসলিমদের প্রতিরোধ ভেঙ্গে ফেলতে সক্ষম হয় এবং উত্তর সিরিয়া ও বৃহত্তর আর্মেনিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। বাইজেন্টাইন-আরব যুদ্ধের শেষ শতক ফাতেমীয়দের সাথে সীমান্তবর্তী সংঘর্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হত। কিন্তু ১০৬০ সালের পর সেলজুক তুর্কিদের আগমনের আগ পর্যন্ত সীমানা একইরকম ছিল।

মুসলিমরা সাগরপথেও চেষ্টা চালায়। ৬৫০ এর দশক থেকে বিভিন্ন দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চলে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ফলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। নবম ও দশম শতাব্দীতে ক্রিট, মাল্টাসিসিলি মুসলিম অভিযান সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌছায়। একই সাথে মুসলিম নৌবহর ফ্রান্স, ডালমেশিয়া ও এমনকি কনস্টান্টিনোপলের শহরতলীতে পৌছে যায়।

পরিচ্ছেদসমূহ

পটভূমিসম্পাদনা

মুসলিমদের আকস্মিক উত্থান ও মুসলিম রাষ্ট্রের দ্রুত বিস্তৃতির সময় দীর্ঘকাল ধরে চলা ৬ষ্ঠ ও ৭ম শতাব্দীর বাইজেন্টাইন-সাসানীয় যুদ্ধ এবং প্লেগ ছড়িয়ে পড়ার ফলে উভয় সাম্রাজ্য বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। শেষ যুদ্ধে সম্রাট হেরাক্লিয়াসের নেতৃত্বাধীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হারানো সকল অঞ্চল পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয় এবং ৬২৯ সালে জেরুজালেমে ট্রু ক্রস পুনরায় স্থাপন করা হয়।[৩]

কয়েকবছরের মধ্যে মুসলিমরা বাইজেন্টাইন ও সাসানীয়দের কাছ থেকে তাদের বিভিন্ন এলাকা জয় করে নেয়। ৬২০ এর দশকের শেষনাগাদ মুহাম্মদ (সা) অধিকাংশ আরবকে মুসলিম শাসনের অধীনে একতাবদ্ধ করেন। তার সময় প্রথম মুসলিম-বাইজেন্টাইন সংঘর্ষ হয়। হেরাক্লিয়াসের সাথে পারসিয়ান সেনাপতি শাহরবারাজের চুক্তিতে শর্তারোপ করা হয় যে পারস্যের সেনারা ৬২৯ সালে অধিকৃত বাইজেন্টাইন পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো থেকে তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করবে। এর কয়েকমাস পর আরব ও বাইজেন্টাইন সেনারা মুতার যুদ্ধে মুখোমুখি হয়। ৬৩২ সালে মুহাম্মদ (সা) মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর আবু বকর তার উত্তরসুরি হন। এসময় বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ দেখা দিলে রিদ্দার যুদ্ধে তা দমন করা হয়। ফলে সমগ্র আরব উপদ্বীপে মুসলিম রাষ্ট্রের অবস্থান সুসংহত হয়।[৪]

আরও দেখুনসম্পাদনা

Notesসম্পাদনা

^ a: Politico-religious events (such as the outbreak of Monothelitism, which disappointed both the Monophysites and the Chalcedonians) had sharpened the differences between the Byzantines and the Syrians. Also the high taxes, the power of the landowners over the peasants and the participation in the long and exhaustive wars with the Persians were some of the reasons why the Syrians welcomed the change.[৫]
^ b: As recorded by Al-Baladhuri. Michael the Syrian records only the phrase "Peace unto thee, O Syria".[৬] George Ostrogorsky describes the impact that the loss of Syria had on Heraclius with the following words: "His life's work collapsed before his eyes. The heroic struggle against Persia seemed to be utterly wasted, for his victories here had only prepared the way for the Arab conquest [...] This cruel turn of fortune broke the aged Emperor both in spirit and in body.[৭]
^ c: As Steven Runciman describes the event: "On a February day in the year AD 638, the Caliph Omar [Umar] entered Jerusalem along with a white camel which was ride by his slave. He was dressed in worn, filthy robes, and the army that followed him was rough and unkempt; but its discipline was perfect. At his side rode the Patriarch Sophronius as chief magistrate of the surrendered city. Omar rode straight to the site of the Temple of Solomon, whence his friend Mahomet [Muhammed] had ascended into Heaven. Watching him stand there, the Patriarch remembered the words of Christ and murmured through his tears: 'Behold the abomination of desolation, spoken of by Daniel the prophet.'"[৮]
^ d: Hugh N. Kennedy notes that "the Muslim conquest of Syria does not seem to have been actively opposed by the towns, but it is striking that Antioch put up so little resistance.[৯]
^ e: The Arab leadership realized early that to extend their conquests they would need a fleet. The Byzantine navy was first decisively defeated by the Arabs at a battle in 655 off the Lycian coast, when it was still the most powerful in the Mediterranean. Theophanes the Confessor reported the loss of Rhodes while recounting the sale of the centuries-old remains of the Colossus for scrap in 655.[১০]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Levies নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. "Ghassan." Encyclopædia Britannica. 2006. Encyclopædia Britannica Online. 18 October 2006 [১]
  3. Theophanes, Chronicle, 317–327
    * Greatrex–Lieu (2002), II, 217–227; Haldon (1997), 46; Baynes (1912), passim; Speck (1984), 178
  4. Nicolle (1994), 14
  5. Read (2001), 50-51; Sahas (1972), 23
  6. Al-Baladhuri, The Battle of the Yarmuk (636) and after; Michael the Syrian, Chronicle, II, 424
    * Sahas (1972), 19–20
  7. Quoted by Sahas (1972), 20 (note 1)
  8. Runciman (1953), i, 3
  9. Kennedy (1970), 611; Kennedy (2006), 87
  10. Theophanes, Chronicle, 645–646
    * Haldon (1990), 55
  • Baynes, Norman H. (১৯১২)। "The restoration of the Cross at Jerusalem"। The English Historical Review27 (106): 287–299। doi:10.1093/ehr/XXVII.CVI.287 
  • Blankinship, Khalid Yahya (১৯৯৪), The End of the Jihâd State: The Reign of Hishām ibn ʻAbd al-Malik and the Collapse of the Umayyads, Albany, NY: State University of New York Press, আইএসবিএন 978-0-7914-1827-7 
  • Brooks, E.W. (১৯২৩), "Chapter V. (A) The Struggle with the Saracens (717–867)", The Cambridge Medieval History, Vol. IV: The Eastern Roman Empire (717–1453), Cambridge University Press, পৃষ্ঠা 119–138 
  • Butler, Alfred J. (২০০৭)। The Arab Conquest of Egypt – And the Last Thirty Years of the Roman। Read Books। আইএসবিএন 1-4067-5238-X 
  • Davies, Norman (১৯৯৬)। "The Birth of Europe"। Europe। Oxford University Press। আইএসবিএন 0-19-820171-0 
  • El-Cheikh, Nadia Maria (২০০৪)। Byzantium viewed by the Arabs। Harvard Center of Middle Eastern Studies। আইএসবিএন 978-0-932885-30-2 
  • El Hibri, Tayeb (২০১১), "The empire in Iraq, 763–861", Robinson, Chase F., The New Cambridge History of Islam, Vol. 1: The Formation of the Islamic World, Sixth to Eleventh Centuries, Cambridge University Press, পৃষ্ঠা 269–304, আইএসবিএন 978-0-521-83823-8 
  • Foss, Clive (১৯৭৫)। "The Persians in Asia Minor and the End of Antiquity"। The English Historical Review90: 721–47। doi:10.1093/ehr/XC.CCCLVII.721 
  • Greatrex, Geoffrey; Lieu, Samuel N. C. (২০০২)। The Roman Eastern Frontier and the Persian Wars (Part II, 363–630 AD)। Routledge। আইএসবিএন 0-415-14687-9 
  • Haldon, John (১৯৯৭)। "The East Roman World: the Politics of Survival"। Byzantium in the Seventh Century: the Transformation of a Culture। Cambridge। আইএসবিএন 0-521-31917-X 
  • Haldon, John F. (১৯৯৯)। "The Army at Wars: Campaigns"। Warfare, State and Society in the Byzantine World, 565-1204। Routledge। আইএসবিএন 1-85728-494-1 
  • Howard-Johnston, James (২০০৬)। East Rome, Sasanian Persia And the End of Antiquity: Historiographical And Historical Studies। Ashgate Publishing। আইএসবিএন 0-86078-992-6 
  • Kaegi, Walter Emil (১৯৯৫)। Byzantium and the early Islamic conquests। Cambridge University Press। আইএসবিএন 0-521-48455-3 
  • Kennedy, Hugh (১৯৭০)। "Syria, Palestine, and Mesopotamia"। Edwards, Iorwerth Eiddon Stephen। The Cambridge Ancient History। Cambridge University Press। আইএসবিএন 0-521-32591-9 
  • Kennedy, Hugh (১৯৯৮)। "Egypt as a Province in the Islamic Caliphate, 641–868"। Daly, M.W.; Petry, Calf. F.। The Cambridge History of Egypt। Cambridge University Press। আইএসবিএন 0-521-47137-0 
  • Kennedy, Hugh (২০০১), The Armies of the Caliphs: Military and Society in the Early Islamic State, Routledge, আইএসবিএন 978-0-203-45853-2 
  • Kennedy, Hugh (২০০৪)। The Prophet and the Age of the Caliphates: The Islamic Near East from the 6th to the 11th Century (Second Edition)। Pearson Education Ltd.। আইএসবিএন 0-582-40525-4 
  • Kennedy, Hugh (২০০৬)। "Antioch: from Byzantium to Islam"। The Byzantine and Early Islamic Near East। Ashgate Publishing, Ltd.। আইএসবিএন 0-7546-5909-7 
  • Liska, George (১৯৯৮)। "Projection contra Prediction: Alternative Futures and Options"। Expanding Realism: The Historical Dimension of World Politics। Rowman & Littlefield। আইএসবিএন 0-8476-8680-9 
  • Warren Bowersock, Glen; Brown, Peter; Robert Lamont Brown, Peter; Grabar, Oleg, সম্পাদক (১৯৯৯)। "Muhammad"Late Antiquity: A Guide to the Postclassical World। Harvard University Press। আইএসবিএন 0-674-51173-5 
  • Nicolle, Davis (১৯৯৪)। Yarmuk AD 636। Osprey Publishing। আইএসবিএন 1-85532-414-8 
  • Norwich, John Julius (১৯৯০)। Byzantium: The Early Centuries। Penguin Books। আইএসবিএন 978-0-14-011447-8 
  • Omrčanin, Ivo (১৯৮৪)। Military history of Croatia। Dorrance। আইএসবিএন 978-0-8059-2893-8 
  • Pryor, John H.; Jeffreys, Elizabeth M. (২০০৬)। The Age of the ΔΡΟΜΩΝ: The Byzantine Navy ca. 500–1204। Brill Academic Publishers। আইএসবিএন 978-90-04-15197-0 
  • Rački, Franjo (১৮৬১)। Odlomci iz državnoga práva hrvatskoga za narodne dynastie (Croatian ভাষায়)। F. Klemma। 
  • Read, Piers Paul (১৯৯৯)। The TemplarsWeidenfeld & Nicolson, Orion Publishing Group। আইএসবিএন 0-297-84267-6 
  • Runciman, Steven (১৯৮৭)। A History of the Crusades। Cambridge University Press। আইএসবিএন 0-521-34770-X 
  • Sahas, Daniel J. (১৯৭২)। "Historical Considerations"। John of Damascus on Islam। BRILL। আইএসবিএন 90-04-03495-1 
  • Speck, Paul (১৯৮৪)। "Ikonoklasmus und die Anfänge der Makedonischen Renaissance"। Varia 1 (Poikila Byzantina 4)। Rudolf Halbelt। পৃষ্ঠা 175–210। 
  • Stathakopoulos, Dionysios (২০০৪)। Famine and Pestilence in the Late Roman and Early Byzantine Empire। Ashgate Publishing। আইএসবিএন 0-7546-3021-8 
  • Treadgold, Warren (১৯৯৭)। A History of the Byzantine State and Society। Stanford University Press। আইএসবিএন 0-8047-2630-2 
  • Vasiliev, A.A. (১৯২৩), "Chapter V. (B) The Struggle with the Saracens (867–1057)", The Cambridge Medieval History, Vol. IV: The Eastern Roman Empire (717–1453), Cambridge University Press, পৃষ্ঠা 138–150  |title= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  • Vasiliev, A.A. (১৯৩৫), Byzance et les Arabes, Tome I: La Dynastie d'Amorium (820–867) (French ভাষায়), French ed.: Henri Grégoire, Marius Canard, Brussels: Éditions de l'Institut de Philologie et d'Histoire Orientales 
  • Vasiliev, A.A. (১৯৬৮), Byzance et les Arabes, Tome II, 1ére partie: Les relations politiques de Byzance et des Arabes à L'époque de la dynastie macédonienne (867–959) (French ভাষায়), French ed.: Henri Grégoire, Marius Canard, Brussels: Éditions de l'Institut de Philologie et d'Histoire Orientales 

আরও পড়ুনসম্পাদনা

  • Kennedy, Hugh N. (২০০৬)। The Byzantine And Early Islamic Near East। Ashgate Publishing। আইএসবিএন 0-7546-5909-7