নিশান্ত রানাতুঙ্গা

শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার
(Nishantha Ranatunga থেকে পুনর্নির্দেশিত)

নিশান্ত রানাতুঙ্গা (সিংহলি: නිශාන්ත රණතුංග; জন্ম: ২২ জানুয়ারি, ১৯৬৬) গামপাহা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও প্রশাসক। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

নিশান্ত রানাতুঙ্গা
නිශාන්ත රණතුංග
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামনিশান্ত রানাতুঙ্গা
জন্ম (1966-02-22) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ (বয়স ৫৪)
গামপাহা, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার, প্রশাসক
সম্পর্কঅর্জুনা রানাতুঙ্গা (ভ্রাতা)
সঞ্জীবা রানাতুঙ্গা (ভ্রাতা)
দম্মিকা রানাতুঙ্গা (ভ্রাতা)
প্রসন্ন রানাতুঙ্গা (ভ্রাতা)
মারভান আতাপাত্তু (শ্যালক)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৬৯)
৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৮/৮৯ - ১৯৮৯সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব
১৯৮৯/৯০মোরাতুয়া স্পোর্টস ক্লাব
১৯৮৯/৯০ - ১৯৯৩/৯৪কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৯২
রানের সংখ্যা ৩০৭৮
ব্যাটিং গড় ০.০০ ২৯.০৩
১০০/৫০ -/- ৩/১৮
সর্বোচ্চ রান ২১২*
বল করেছে ১০২ ৯৭৭৩
উইকেট ২১৭
বোলিং গড় ৮২.০০ ২২.১২
ইনিংসে ৫ উইকেট ১০
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ১/৩৩ ৭/২২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/- ৪৯/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩১ মার্চ ২০২০

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস, মোরাতুয়া ও সিংহলীজ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত নিশান্ত রানাতুঙ্গা’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি অল-রাউন্ডার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন নিশান্ত রানাতুঙ্গা। ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে শারজায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। এরপর, ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৩ তারিখে একই মাঠে পাকিস্তান দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

প্রশাসনে অংশগ্রহণসম্পাদনা

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সম্মানীয় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, সরকার কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন ক্রিকেট পরিচালনা পরিষদের সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন নির্মিত স্টেডিয়াম ও অবকাঠামো উন্নয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।[১] এরপূর্বে ইউপিএফএ সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণাধীন শ্রীলঙ্কা রূপবাণী কর্পোরেশনের মহাপরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।[২]

জানুয়ারি, ২০১২ সালে ক্রিকেট পরিচালনা পরিষদে সম্পাদক হিসেবে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।[৩][৪][৫][৬] এ পর্যায়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সভাপতি উপলি ধর্মদাসা’র সাথে সম্পাদকের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

টেলিভিশন চ্যানেলের সিইও হিসেবে নিযুক্তকালে বেশকিছু বিতর্কের সাথে স্বীয় নামকে জড়িয়ে রেখেছেন নিশান্ত রানাতুঙ্গা। ঐ চ্যানেলটি রাষ্ট্রপতি মহিন্দ রাজাপক্ষের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে থেকে ক্রিকেট পরিচালনা পরিষদ থেকে সম্প্রচার স্বত্ত্ব লাভ করে।[৭] ক্রিকেটবোদ্ধাদের অভিমত, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে কার্লটন স্পোর্টস নেটওয়ার্কের সিইও’র দায়িত্ব পালন করা স্বার্থোদ্ধারের শামিল।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা