প্রবেশদ্বার:শ্রীলঙ্কা

প্রবেশদ্বারএশিয়াদক্ষিণ এশিয়াশ্রীলঙ্কা

සාදරයෙන් පිළිගනිමු Flag of Sri Lanka.svg শ্রীলঙ্কা প্রবেশদ্বারে স্বাগতম

শ্রীলঙ্কা (সিংহলি ভাষায় ශ්රී ලංකා শ্‌রীলাঙ্কা আ-ধ্ব-ব [ˌʃɾiːˈlaŋkaː], তামিল ভাষায় இலங்கை ইলাঙ্গাই আ-ধ্ব-ব [iˈlaŋgai]), যার সাবেক নাম সিলন এবং দাফতরিক নাম শ্রীলঙ্কা প্রজাতান্ত্রিক সমাজবাদী জনরাজ্য, হল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র। এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত; এটি মান্নার উপসাগরপক প্রণালী দ্বারা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। ভারত এবং মালদ্বীপের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার একটি সামুদ্রিক সীমান্ত রয়েছে। দেশটির বিধানিক রাজধানী শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে এবং বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র কলম্বো

শ্রীলঙ্কার নথিভুক্ত ইতিহাস ৩,০০০ বছর পুরনো, যেখানে প্রাগৈতিহাসিক মানববসতির প্রমাণ রয়েছে যা কমপক্ষে ১২৫,০০০ বছর আগের। দেশটির একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রাচীনতম পরিচিত বৌদ্ধ রচনাবলি, যা সম্মিলিতভাবে পালি ত্রিপিটক নামে পরিচিত, চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতির সময় রচিত, যা ২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সংঘটিত হয়েছিল। শ্রীলঙ্কার ভৌগোলিক অবস্থান ও গভীর পোতাশ্রয় প্রাচীন রেশম পথ বাণিজ্য গমনপথের আদিকাল থেকে আজকের তথাকথিত সামুদ্রিক রেশম পথ পর্যন্ত এটিকে দারুণ কৌশলগত গুরুত্ব প্রদান করেছে। এর অবস্থান এটিকে একটি প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত করেছিল, যার ফলে এটি ইতোমধ্যেই সুদূর প্রাচ্যেদেশীয় ও ইউরোপীয়দের কাছে অনুরাধাপুর যুগ থেকেই পরিচিত ছিল। দেশটির বিলাসদ্রব্য ও মশলার ব্যবসা বহু দেশের ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করেছিল, যা শ্রীলঙ্কার বৈচিত্র্যময় জনসংখ্যা তৈরিতে সাহায্য করেছিল। সিংহল কোট্টে রাজ্যে একটি বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় পর্তুগিজরা শ্রীলঙ্কায় (মুখ্যত দুর্ঘটনাক্রমে) এসে পৌঁছয় এবং তারপর দ্বীপের সামুদ্রিক অঞ্চল ও এর লাভজনক বাহ্যিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। শ্রীলঙ্কার কিছু অংশ পর্তুগিজদের দখলে চলে যায়। সিংহল-পর্তুগিজ যুদ্ধের পর ওলন্দাজক্যান্ডি রাজ্য সেই অঞ্চলগুলির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওলন্দাজ দখলিগুলো এরপর ব্রিটিশরা দখল করে নেয়, যারা পরবর্তীতে ১৮১৫ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত উপনিবেশায়নের মাধ্যমে পুরো দ্বীপের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করে। ২০শ শতাব্দীর প্রারম্ভে রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন শুরু হয় এবং ১৯৪৮ সালে সিলন একটি অধিরাজ্যে পরিণত হয়। ১৯৭২ সালে শ্রীলঙ্কা নামক প্রজাতন্ত্র অধিরাজ্যটিকে স্থলাভিষিক্ত করে। শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাস একটি ২৬ বছরের গৃহযুদ্ধের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা ১৯৮৩ সালে শুরু হয়েছিল এবং ২০০৯ সালে চূড়ান্তভাবে শেষ হয়েছিল, যখন শ্রীলঙ্কা সশস্ত্র বাহিনীর কাছে লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ঈলম পরাজিত হয়েছিল। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

সূচীপত্র
নির্দিষ্ট বিষয় দেখতে লিঙ্কে ক্লিক করুন

The Kandyan Convention of 1815.jpg
ক্যান্ডির চুক্তি (সিংহলী: උඩරට ගිවිසුම উডারটা গিভিসুমা) হলো সেই চুক্তি যা ক্যান্ডির শেষ রাজা শ্রী বিক্রম রাজাসিংহকে ক্ষমতাচ্যুত করার উদ্দেশ্যে এবং রাজ্যের ভূখণ্ড ব্রিটিশ রাজমুকুটের নিকট সমর্পণের নিমিত্তে ১৮১৫ সালের ২রা মার্চ ব্রিটিশ গভর্নর স্যার রবার্ট ব্রাউনরিগ এবং ব্রিটিশ সিংহলের (বর্তমানে যা শ্রীলঙ্কা) প্রধানদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। স্বয়ং ব্রিটিশ উপনিবেশিক প্রশাসন কর্তৃক এই প্রধানদের নিয়োগ করা হয়েছিল যারা আবার ছিল ক্যান্ডি রাজ্যেরই অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতার রাজসভাসদ বা কর্মকর্তা। ক্যান্ডির রাজপ্রাসাদের মগুল মডুয়াতে (Royal Audience Hall) সাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে ক্যান্ডি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধিভুক্ত হয়ে যায়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
Flag of Sri Lanka.svg

শ্রীলঙ্কা জাতীয় ফুটবল দল (সিংহলি: ශ්‍රී ලංකා පාපන්දු කණ්ඩායම, তামিল: இலங்கை தேசிய கால்பந்து அணி, ইংরেজি: Sri Lanka national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম শ্রীলঙ্কার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা শ্রীলঙ্কা ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৭২ সালের পূর্ব পর্যন্ত সিলন জাতীয় ফুটবল দল হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এই দলটি ১৯৫২ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৫৪ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৫২ সালের ১লা জানুয়ারি তারিখে, শ্রীলঙ্কা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; সিলনের কলম্বোয় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ভারতের কাছে ২ –০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

২৫,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট সুগাথাদাসা স্টেডিয়ামে সোনালি সিংহ নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন আমির আলাগিচ এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন কলম্বোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড় মুহাম্মদু ফাসাল। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত জীবনী - নতুন ভুক্তি দেখুন

Arjuna Ranatunga.jpg
অর্জুনা রানাতুঙ্গা (সিংহলি: අර්ජුන රණතුංග, তামিল: அர்ஜுன றணதுங்க; জন্ম: ১ ডিসেম্বর, ১৯৬৩) গামপাহায় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট প্রশাসক। ১৯৯০-এর দশকে অধিকাংশ সময়ই শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অধিনায়কত্বে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল ১৯৯৬ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে। তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবেই মাঠে নামতেন। তবে, মাঝে-মধ্যে মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। বর্তমানে তিনি কালুতারা জেলা থেকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার সংস্কৃতি - নতুন ভুক্তি দেখুন

খাঁটি সিলন টি'র সিংহ মার্কা
সিলন টি (অনু. সিলন চা) হল শ্রীলঙ্কায় উৎপাদিত চায়ের একটি ব্র্যান্ড। সিলন টি শুধুমাত্র ভৌগোলিক নির্দেশকই নয়, এটি শ্রীলঙ্কার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিচয়ের স্তম্ভও। শ্রীলঙ্কা চা বোর্ড সিলন টি এর সিংহ মার্কাটির বৈধ মালিক। ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কা ছিলো পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম চা উৎপাদক এবং বৃহত্তম চা রপ্তানিকারক রাষ্ট্র। এর সিংহ মার্কাটি ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৯৮টি দেশে তালিকাভুক্ত ছিল। সিলন টি ক্রমশ ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচের প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছে। শ্রম মজুরি ও উপযোগিতা ব্যয় বৃদ্ধি এর প্রধান কারণ। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
কলম্বো বন্দরে কন্টেইনার খালাসের দৃশ্য
কলম্বো বন্দর হল শ্রীলঙ্কার সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর। এই বন্দর দ্বারাই দেশটির বেশির ভাগ ব্যবসা বাণিজ্য চলে প্রতিবেশী ও অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে। বন্দরটি শ্রীলঙ্কার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। কলম্বো বন্দরটি শ্রীলঙ্কার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর তথা বাণিজ্য শহর কলম্বোতে অবস্থিত।বন্দরটি কালানী নদীর মোহনায় গড়ে উঠেছে। এটি পৃথিবীর মধ্যে ব্যস্ত পূর্ব-পশ্চিম জাহাজ পথ এর খুব কাছেই অবস্থিত। এই বন্দরটি জাহাজ পথটি থেকে ৫-১০ নটিকাল মাইল দূরে অবস্থিত। ১৯৮০ সাল থেকেই কলম্বো বন্দরের উন্নয়ন বা আধুনিকীকরণ শুরু হয়।বর্তমানে বন্দরটি পৃথিবীর ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর।এটি পৃথিবীর ৩৫ তম বৃহত্ত কন্টেইনার বন্দর।বন্দরটি ভারত মহাসাগর এর এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। দেশটির অর্থনীতিতে বন্দরটির গুরুত্ব অপরিসীম। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

তীর্থ ও দর্শনীয় স্থান - নতুন ভুক্তি দেখুন

রাজপ্রাসাদ
পলোন্নারুয়া (সিংহলি: පොළොන්නරුව, Poḷonnaruwa বা Puḷattipura, তামিল: பொலன்னறுவை, Polaṉṉaṟuvai বা Puḷatti nakaram) শ্রীলঙ্কার উত্তর কেন্দ্রীয় প্রদেশের পলোন্নারুয়া জেলার প্রধান শহর। কাদুরুয়েলা এলাকা হল পলোন্নারুয়ার নতুন শহর এবং পলোন্নারুয়ার অন্য অংশ পলোন্নারুয়া রাজ্যের রাজকীয় প্রাচীন শহর হিসেবে রয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় প্রাচীনতম রাজ্য পলোন্নারুয়াকে প্রথম রাজধানী ঘোষণা করেছিলেন রাজা বিজায়াবাহু আই, যিনি ১০৭০ সালে চোল আগ্রাসকদের পরাজিত করেছিলেন এবং স্থানীয় নেতা হিসেবে দেশকে একত্র করেছিলেন।পলোন্নারুয়ার প্রাচীন শহর একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপাল সিরিসেনার অধীনে "পলোন্নারুয়া জাগরণ" নামে পরিচিত একটি প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন পলোন্নারুয়ার উন্নয়ন কাজ চলছে। এই প্রকল্পে পলোন্নারুয়ার সড়ক, বিদ্যুৎ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল সেক্টরের উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সকল সেক্টরের উন্নয়নে হবে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত তীর্থস্থানের তালিকা

নির্বাচিত রাজনীতিবিদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

R Wickremasinghe.jpg
রনীল শ্রীয়ান বিক্রমাসিংহে, এমপি (সিংহলি: රනිල් වික්‍රමසිංහ,তামিল: ரணில் விக்ரமசிங்க; জন্ম: ২৪ মার্চ, ১৯৪৯) সিলন ডমিনিয়নে জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তিনি একাধারে শ্রীলঙ্কার বর্তমান রাষ্ট্রপতি, ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির দলনেতা ও কলম্বো জেলার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও, ইউনাইটেড ন্যাশনাল ফ্রন্টের প্রধান হিসেবে অক্টোবর, ২০০৯ সাল থেকে দলীয় জোটের প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রনীল বিক্রমাসিংহে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
Flag of the Sri Lanka Muslim Congress.png
শ্রীলঙ্কা মুসলিম কংগ্রেস (তামিল: ஸ்ரீலங்கா முஸ்லீம் காங்கிரஸ், প্রতিবর্ণী. Srīlaṅkā Muslīm Kāṅkiras; সিংহলি: ශ්‍රී ලංකා මුස්ලිම් කොංග්‍රසය Sri Lanka Muslim Kongrasaya) শ্রীলঙ্কার একটি রাজনৈতিক দল। শ্রীলঙ্কার মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করা দলগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার গৃহবিবাদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ.jpg
ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ (তামিল:வேலுப்பிள்ளை பிரபாகரன்) (জন্ম নভেম্বর ২৬, ১৯৫৪) শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল দল লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক নেতা। ইনি তামিলদের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন । ইনি তামিল এর স্বাধীনতা যুদ্ধেরও নেতা ছিলেন। আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের চোখে প্রভাকরণ হলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি যে কোন মুহূর্তে ছদ্মবেশ ধারণ করতে সক্ষম এবং আধুনিক সমরাস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহারে অত্যন্ত পারদর্শী। ইনি ২০০৯ এর আক্তা মিশন এ নিহত হন । (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
২০২২ এশিয়া কাপ, পৃষ্ঠপোষকতাজনিত কারণে যেটি দুবাই পোর্ট ওয়ার্ল্ড এশিয়া কাপ নামেও পরিচিত, ছিল একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট যেটি পুরুষ এশিয়া কাপের পঞ্চদশ আসর হিসেবে ২০২২ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো টোয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক (টি২০আই) হিসেবে খেলা হয়। টুর্নামেন্টটি প্রথমে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২০ সালের জুলাই মাসে টুর্নামেন্টটি স্থগিত করা হয়। ২০২১ সালের জুন মাসে শ্রীলঙ্কায় টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হলেও পরবর্তীতে তা আবারও স্থগিত করা হয়। সে পর্যায়ে পাকিস্তানের ওপর টুর্নামেন্টটি আয়োজনের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ২০২২ সালের আসরের আয়োজক হিসেবে শ্রীলঙ্কার ও ২০২৩ সালের আসরের আয়োজক হিসেবে পাকিস্তানের নাম ঘোষণা করে। ভারত ছিল বিগত আসরের বিজয়ী দল। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
নির্বাচিত নিবন্ধের তালিকা

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াবিদ - নতুন ভুক্তি দেখুন

Dav Whatmore.jpg
ডেভনেল ফ্রেডরিক ডেভ হোয়াটমোর (ইংরেজি: Dav Whatmore; জন্ম: ১৬ মার্চ, ১৯৫৪) শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার প্রথিতযশা ও সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। তবে, তিনি অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ হিসেবে আসীন ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৪ মেয়াদকালে তিনি পাকিস্তানের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ডিসেম্বর, ২০১৪ সাল থেকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ডেভ হোয়াটমোর। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়াস্থাপনা - নতুন ভুক্তি দেখুন

তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব লোগো.jpg
পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু স্টেডিয়াম, কলম্বো ওভাল বা পি. সারা বা শুধুই পিএসএস (সিংহলি: පාකියසොති සර්වනමූත්තු ක්‍රීඩාංගනය, তামিল: பாக்கியசோதி சரவணமுத்து மைதானம்) শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অবস্থিত বহু-ব্যবহারের উপযোগী স্টেডিয়াম। বর্তমানে এখানে অধিকাংশ সময়ই ক্রিকেট খেলার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর আসন সংখ্যা ১৫,০০০ এবং ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৫ সালে কলম্বো ওভাল নামে এ স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে সাবেক সরকারী কর্মকর্তা ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের প্রথম সভাপতি পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু’র নামানুসারে এ স্টেডিয়ামের পুণঃনামকরণ হয়েছে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)
যোগসূত্র

নির্বাচিত চিত্র- নতুন চিত্র দেখুন

শ্রীলঙ্কা সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধে ব্যবহৃত চিত্র

আপনি যা করতে পারেন

Nuvola apps korganizer.svg
  • শ্রীলঙ্কা বিষয়ক নতুন নিবন্ধ তৈরি অথবা অন্য উইকিপ্রকল্প হতে অনুবাদ করতে পারেন।
  • বর্তমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ ও রচনাশৈলীর উন্নয়ন করতে পারেন।
  • নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
  • শ্রীলঙ্কা সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে বিষয়শ্রেণী না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।
  • শ্রীলঙ্কা সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহের শেষে {{প্রবেশদ্বার দণ্ড|শ্রীলঙ্কা}} যুক্ত করতে পারেন।

অন্যান্য ভাষায়

Wikipedia-logo-v2.svg
উইকিপিডিয়ার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ভাষায় শ্রীলঙ্কা প্রবেশদ্বার
সিংহলি - তামিল - ইংরেজি
Tastatur-Umlaute-deutsch.jpg

অন্যান্য প্রবেশদ্বার

বিষয়শ্রেণীসমূহ

বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
উপবিষয়শ্রেণী দেখার জন্য [►] ক্লিক করুন

উইকিমিডিয়া

Wikinews-logo.svg
উইকিসংবাদে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস

Wikiquote-logo.svg
উইকিউক্তিতে শ্রীলঙ্কা
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন

Wikisource-logo.svg
উইকিসংকলনে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত পাঠাগার

Wikibooks-logo.png
উইকিবইয়ে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল

Wikiversity-logo.svg
উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম

Commons-logo.svg
উইকিমিডিয়া কমন্সে শ্রীলঙ্কা
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার

Wiktionary-logo.svg
উইকিঅভিধানে শ্রীলঙ্কা
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ

Wikidata-logo.svg
উইকিউপাত্তে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার

Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg
উইকিভ্রমণে শ্রীলঙ্কা
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন