লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল

লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বা এলডিপি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল যা বাংলাদেশের "জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ২০০৮" বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত।[১] ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ.কিউ,এম, বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারার সাথে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কর্ণেল অলি আহমেদ ও বিএনপির অন্য ২৪ জন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য একত্রিত হয়ে এই দল প্রতিষ্ঠা করেন।[২] তবে ২০০৭ সালে আদর্শগত কারণে বিকল্প ধারা, এলডিপি থেকে বের হয়ে যায়।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
নেতাঅলি আহমেদ
প্রেসিডেন্টঅলি আহমেদ
মহাসচিবরেদোয়ান আহমেদ
কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্টজাহানারা বেগম
প্রতিষ্ঠা২৬ অক্টোবর ২০০৬; ১৪ বছর আগে (2006-10-26)
সদর দপ্তর২৯/বি, পূর্ব পান্থপথ, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮
মতাদর্শউদারনীতিবাদ,
সামাজিক উদারনীতিবাদ
রাজনৈতিক অবস্থানকেন্দ্রপন্থী
জাতীয় অধিভুক্তিবিশ দলীয় জোট (বর্তমান)
মহাজোট
আন্তর্জাতিক অধিভুক্তিনা
আনুষ্ঠানিক রঙ    
জাতীয় সংসদের আসন
০ / ৩০০
নির্বাচনী প্রতীক
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (বাংলাদেশ) লোগো.jpg
দলীয় পতাকা
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (বাংলাদেশ) লোগো.svg
ওয়েবসাইট
ldp-bangladesh.com
বাংলাদেশের রাজনীতি
রাজনৈতিক দল
নির্বাচন

রাজনৈতিক জোট ও নির্বাচনসম্পাদনা

২০০৬ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এলডিপি মহাজোটের সাথে অবস্থান করে। কিন্তু নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০৮-এর পূর্বে এলডিপি মহাজোট থেকে বের হয়ে আসে এবং সতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করে। এলডিপি উক্ত নির্বাচনে ১৮টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ১টি আসনে জয়লাভ করে। দলের সভাপতি অলি আহমেদ চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জয়লাভ করেন। ২০১২ সালে এলডিপি বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় ঐক্যজোটে প্রবেশ করে। ১৮ দলীয় ঐক্যজোট ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন বর্জন করলে সাথে সাথে এলডিপিও নির্বাচনটি বর্জন করে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Bangladesh Election Commission - Home page"। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৪ 
  2. "Dissidents quit Bangladesh's ruling party, alleging corruption"। International Herald Tribune। অক্টোবর ২৬, ২০০৬।