বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

নিয়মতান্ত্রিক প্রধান

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের সকল শাখার আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (কমান্ডার ইন চিফ)। রাষ্ট্রপতির দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ডাদেশ স্থগিত, হ্রাস বা দণ্ডিতকে ক্ষমা করার অধিকার রয়েছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সংসদীয় গণতন্ত্র ১৯৯১ খ্রীস্টাব্দে চালু হওয়ার পূর্বে অবশ্য রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতেন। রাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ পাঁচ বছর। অতীতে দেখা গিয়েছে যে, শাসক দলের মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। অনেকেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি পুণরায় নির্বাচনে লড়তে পারেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির
Flag of the President of Bangladesh.svg
রাষ্ট্রপতির নিশান
Seal of the President of Bangladesh.svg
রাষ্ট্রপতির সীল
Abdul Hamid (politician).jpg
দায়িত্ব
আব্দুল হামিদ

৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮  থেকে
সম্বোধনরীতিমহামান্য (বাংলাদেশে)
মান্যবর (কূটনৈতিক; বাংলাদেশের বাইরে)
বাসভবনবঙ্গভবন
মেয়াদকালপাঁচ বছর, পুনঃনির্বাচনযোগ্য
উদ্বোধনী ধারকশেখ মুজিবুর রহমান
গঠন২৬ মার্চ ১৯৭১
ওয়েবসাইটবঙ্গভবন

প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণটি দেন রাষ্ট্রপতি। বছরের প্রথম সংসদীয় অধিবেশনের প্রথম উদ্বোধনী ভাষণটিও তিনিই দেন। তার এই ভাষণটি আসলে নতুন সরকারি নীতির রূপরেখা মাত্র।

সংসদে পাস হওয়া প্রতিটি বিল আইনে পরিণত হয় রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমে।

নির্বাচন প্রক্রিয়াসম্পাদনা

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতিশাসিত ও সংসদীয় উভয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল অনুসারে রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হতেন। পরবর্তীকালে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী অনুসারে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান প্রবর্তিত হয়। সংবিধানের ১২তম সংশোধনীতে সংসদীয় পদ্ধতি চালু হলে পরোক্ষ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়। বর্তমানে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুসারে সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

যোগ্যতাসম্পাদনা

বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রপতি হবার যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নির্ধারণ করে।[১] রাষ্ট্রপতি হতে হলে এই মানদণ্ড অবশ্যই পূরণ করতে হয়। কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-

(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

পদের মেয়াদসম্পাদনা

সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:

  • রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তার পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন: তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
  • একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।
  • স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদত্যাগ করতে পারবেন।
  • রাষ্ট্রপতি তার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তার আসন শূন্য হবে।

নির্বাচনের প্রক্রিয়াসম্পাদনা

যখনই রাষ্ট্রপতির আসন খালি হয়ে যায়, নতুন রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।

শপথ বা প্রতিজ্ঞাসম্পাদনা

রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের (অথবা তার অনুপস্থিতিতে, ডেপুটি স্পিকারের) উপস্থিতিতে শপথ নিতে হয়। রাষ্ট্রপতি সংবিধান রক্ষা, সংরক্ষণ এবং রক্ষায় নিম্নরূপে শপথ নেন:

আমি, .............. ,
সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ (বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা) করিতেছি যে, আমি আইন-অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব;
আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব;
আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান করিব;
এবং আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন-অনুযায়ী যথাবিহীত আচরণ করিব।[২]

ক্ষমতা ও কর্তব্যসম্পাদনা

নিয়োগের ক্ষমতাসম্পাদনা

রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত পদে নিযুক্ত করতে পারেন:[৩]

  • সংবিধানের ৫৬ (২) ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে নিয়োগ দান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হতে মনোনীত হতে পারিবেন।
  • সংবিধানের ৯৫ ধারা অনুসারে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
  • সংবিধানের ১১৮ ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।

ক্ষমা প্রদর্শনসম্পাদনা

সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার রয়েছে। সেই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে।[৪]

আইনি ক্ষমতাসম্পাদনা

সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে। রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার পর পনেরো দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতিদান করবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করে একটি বার্তাসহ রাষ্ট্রপতি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারবেন (রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানের পর রাষ্ট্রপতি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে)।

রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তা পুনর্বিবেচনা করবে; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন (রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানের পর রাষ্ট্রপতি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে)।

সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করলে বা তিনি সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হলে তা আইনে পরিণত হবে এবং সংসদের আইন বলে অভিহিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরসম্পাদনা

চ্যান্সেলর বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে একটি পদমর্যাদা, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২-এর ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই পদে অধিষ্ঠিত।[৫]

রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও অফিসসম্পাদনা

ঢাকায় অবস্থিত বঙ্গভবন হচ্ছে রাষ্ট্রপতির প্রধান বাসভবন। এছাড়া নাটোর জেলায় উত্তরা গণভবন নামে রাষ্ট্রপতির আরেকটি বাসভবন রয়েছে।

রাষ্ট্রপতিদের তালিকাসম্পাদনা

# নাম প্রতিকৃতি পদ গ্রহণ পদ পরিত্যাগ জন্ম ও মৃত্যু রাজনৈতিক দল সূত্র
শেখ মুজিবুর রহমান   এপ্রিল ১১ ১৯৭১ জানুয়ারি ১২ ১৯৭২ মার্চ ১৭ ১৯২০ – আগস্ট ১৫ ১৯৭৫ আওয়ামী লীগ
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
(অস্থায়ী)
  এপ্রিল ১২ ১৯৭১ জানুয়ারি ১০ ১৯৭২ ১৯২৫ – ১৯৭৫ আওয়ামী লীগ
আবু সাঈদ চৌধুরী   জানুয়ারি ১২ ১৯৭২ ডিসেম্বর ২৪ ১৯৭৩ জানুয়ারি ৩১ ১৯২১ – আগস্ট ২ ১৯৮৭ আওয়ামী লীগ
মোহাম্মদউল্লাহ   ডিসেম্বর ২৪ ১৯৭৩ জানুয়ারি ২৫ ১৯৭৫ অক্টোবর ২১ ১৯২১ – নভেম্বর ১১ ১৯৯৯ আওয়ামী লীগ
শেখ মুজিবুর রহমান   জানুয়ারি ২৫ ১৯৭৫ আগস্ট ১৫ ১৯৭৫ মার্চ ১৭ ১৯২০ – আগস্ট ১৫ ১৯৭৫ আওয়ামী লীগ
খন্দকার মোশতাক আহমেদ   আগস্ট ১৫ ১৯৭৫ নভেম্বর ৬ ১৯৭৫ ১৯১৮ – মার্চ ৫ ১৯৯৬ আওয়ামী লীগ
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম নভেম্বর ৬ ১৯৭৫ এপ্রিল ২১ ১৯৭৭ মার্চ ২৯ ১৯১৬ – জুলাই ৮ ১৯৯৭ নির্দলীয়
জিয়াউর রহমান   এপ্রিল ২১ ১৯৭৭ মে ৩০ ১৯৮১ জানুয়ারি ১৯ ১৯৩৬ – মে ৩০ ১৯৮১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
আব্দুস সাত্তার   মে ৩০ ১৯৮১ মার্চ ২৪ ১৯৮২ ১৯০৬ – অক্টোবর ৫ ১৯৮৫ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
১০ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ   মার্চ ২৪, ১৯৮২ মার্চ ২৭, ১৯৮২ জানুয়ারি ২ ১৯৩০ - জুলাই ১৪ ২০১৯ জাতীয় পার্টি
১১ আফম আহসানুদ্দিন চৌধুরী   মার্চ ২৭, ১৯৮২ ডিসেম্বর ১১, ১৯৮৩ ১৯১৫ - আগস্ট ২০, ২০০১ নির্দলীয়
১২ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ   ডিসেম্বর ১১, ১৯৮৩ ডিসেম্বর ৬, ১৯৯০ জানুয়ারি ২, ১৯৩০ জাতীয় পার্টি
১৩ শাহাবুদ্দিন আহমেদ   ডিসেম্বর ৬, ১৯৯০ অক্টোবর ৯, ১৯৯১ ফেব্রুয়ারি ১, ১৯৩০ নির্দলীয়
১৪ আবদুর রহমান বিশ্বাস   অক্টোবর ১০, ১৯৯১ অক্টোবর ১০, ১৯৯৬ সেপ্টেম্বর ১, ১৯২৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
১৫ শাহাবুদ্দিন আহমেদ   ২৩ জুলাই ১৯৯৬ ১৪ নভেম্বর ২০০১ ফেব্রুয়ারি ১, ১৯৩০ নির্দলীয়
১৬ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী   ১৪ নভেম্বর ২০০১ জুন ২১ ২০০২ ফেব্রুয়ারি ১ ১৯৩০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বর্তমানে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ)
১৭ জমিরুদ্দিন সরকার   জুন ২১, ২০০২ সেপ্টেম্বর ৬, ২০০২ ১৯৩১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
১৮ ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ   সেপ্টেম্বর ৬, ২০০২ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০৯ ফেব্রুয়ারি ১, ১৯৩১ - ১০ ডিসেম্বর ২০১২ নির্দলীয়
১৯ জিল্লুর রহমান   ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ ২০ মার্চ ২০১৩ ৯ মার্চ ১৯২৯ - ২০ মার্চ ২০১৩ আওয়ামী লীগ
–– আব্দুল হামিদ
(ভারপ্রাপ্ত)
  মার্চ ১৪ ২০১৩ এপ্রিল ২২ ২০১৩ জানুয়ারি ১ ১৯৪৪ আওয়ামী লীগ
২০ আব্দুল হামিদ   এপ্রিল ২২ ২০১৩ ফেব্রুয়ারি ৭ ২০১৮ জানুয়ারি ১ ১৯৪৪ আওয়ামী লীগ [৬]
২১ আব্দুল হামিদ   ফেব্রুয়ারি ৭ ২০১৮ বর্তমান পর্যন্ত জানুয়ারি ১ ১৯৪৪ আওয়ামী লীগ [৭]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "চতুর্থ ভাগ, নির্বাহী বিভাগ, ১ম পরিচ্ছেদ, রাষ্ট্রপতি" 
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, তৃতীয় তফসিল [১৪৮ অনুচ্ছেদ] শপথ ও ঘোষণা 
  3. "৫৬। মন্ত্রিগণ"। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৭ 
  4. "৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার" 
  5. http://bdlaws.minlaw.gov.bd/bangla_sections_detail.php?id=768&sections_id=32057
  6. "আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত -bdnews24.com"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২২ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  7. "আরও ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা