প্রধান মেনু খুলুন

তেজগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় অবস্থিত। প্রশাসন তেজগাঁও থানা গঠিত হয় ১৯৫৩ সালে। ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট থানাটি পুনর্গঠিত হয়।

তেজগাঁও
থানা
ব্যস্ততম ঢাকা শহরের তেজগাঁও এলাকা, ঢাকা, বাংলাদেশ
ব্যস্ততম ঢাকা শহরের তেজগাঁও এলাকা, ঢাকা, বাংলাদেশ
তেজগাঁও বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তেজগাঁও
তেজগাঁও
বাংলাদেশে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৫.৫′ উত্তর ৯০°২৩.৫′ পূর্ব / ২৩.৭৫৮৩° উত্তর ৯০.৩৯১৭° পূর্ব / 23.7583; 90.3917স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৫.৫′ উত্তর ৯০°২৩.৫′ পূর্ব / ২৩.৭৫৮৩° উত্তর ৯০.৩৯১৭° পূর্ব / 23.7583; 90.3917
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
জেলাঢাকা জেলা
আয়তন
 • মোট৮.৭৫ কিমি (৩.৩৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 • মোট২,২০,০১২
 • জনঘনত্ব২৫১৪৪/কিমি (৬৫১২০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটতেজগাঁও থানা

পরিচ্ছেদসমূহ

জনসংখ্যা সম্পাদনা

জনসংখ্যা ১১৮৫৪০; পুরুষ ৬৭৪৩৯, মহিলা ৫১১০১।

শিক্ষাসম্পাদনা

গড় হার ৭৬.৫১%; পুরুষ ৮১.৭২%, মহিলা ৬৯.৮৩%।

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসম্পাদনা

নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট (১৯৫৫), বি.এ.এফ শাহীন কলেজ(১৯৬৩),হলিক্রস কলেজ (১৯৫০), সরকারি বিজ্ঞান কলেজ (১৯৫৪), তেজগাঁও কলেজ (১৯৬১), তেজগাঁও মহিলা কলেজ (১৯৭২), তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৩৫), হলিক্রস স্কুল (১৯৫৩), তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৫), সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুল।

ইতিহাসসম্পাদনা

তেজগাঁও এর নামের উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হয় নাই। এই অঞ্চলে মুঘল আমল হতেই ইংরেজ ও পর্তুগিজ বণিকদের কুঠিবাড়ি স্থাপিত হয়েছিলো। সপ্তদশ শতকে পর্তুগিজদের হাতে এখানে স্থাপিত হয় একটি খ্রিস্টান ধর্মের উপাসনালয় বা গীর্জা। [১]

অর্থনীতিসম্পাদনা

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ০.৫৭%, অকৃষি শ্রমিক ০.৯১%, শিল্প ২.২৮%, ব্যবসা ২৬.০৬%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৯০%, চাকরি ৫০.১৯%, নির্মাণ ১.৬৪%, ধর্মীয় সেবা ০.০৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিট্যান্স ৩.২৭% এবং অন্যান্য ১১.১০%। মোট সড়ক ৩৪.৭১ কিমি।

কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৭০.৬০%, ভূমিহীন ২৯.৪০%।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদিসম্পাদনা

ধান, পাট, ডাল, শাকসবজি।

শিল্প ও কলকারখানাসম্পাদনা

পোশাক শিল্প, তেলকল, বরফকল, ওয়েল্ডিং কারখানা।

বাজারসম্পাদনা

শপিং সেন্টার, মেলা  বসুন্ধরা সিটি, ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, চৌরঙ্গী সুপার মার্কেট, ফার্মগেট ডিসিসি মার্কেট, কাওরান বাজার, তেজতুরী বাজার উল্লেখযোগ্য।

বিদ্যুৎ সম্পাদনা

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ থানার সবক’টি ওয়ার্ড বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ৯৭.৩৩% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানসম্পাদনা

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১, ক্লাব ৪, কমিউনিটি সেন্টার ৩, সিনেমা হল ৩। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. মুনতাসীর মামুন, "ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী", ৩য় সংস্করণ, ৪র্থ মূদ্রণ, জানুয়ারি ২০০৪, অনন্যা প্রকাশনালয়, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৩১, আইএসবিএন ৯৮৪-৪১২-১০৪-৩