প্রধান মেনু খুলুন

ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (কোরআনে ব্যবহৃত্ আরবি: مَوْلِدُ النَبِيِّ‎‎ মাওলিদু এন-নাবীয়ী, আরবি: مولد النبي মাওলিদ আন-নাবী, কখনো কখনো সহজভাবে বলা হয় مولد মাওলিদ, মেভলিদ, মেভলিট, মুলুদ আরো অসংখ্য উচ্চারণ; কখনো কখনো: ميلاد মিলাদ) হচ্ছে ইসলামের নবী মুহাম্মদের জন্মদিনে পালিত মুসলমানদের একটি প্রধান উত্সব, যা ইসলামি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল-এর বারো তারিখে সংগঠিত হয়।

বাংলাদেশি মুসলমানরা এই দিনকে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবি বলে অভিহিত করেন। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের কাছে এই দিন নবি দিবস নামে পরিচিত।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাসসম্পাদনা

সুন্নি পন্ডিতদের মতে মিলাদুন্নবীর তারিখ ১২ রবিউল আওয়াল হলেও শিয়া স্কলারদের মতে এটা ১৭ রবিউল আউয়াল।

মিলাদুননবী পালনের ইতিহাস শুরু হয় তাবেঈন দের যুগ থেকে। এ সময়ে কিছু তাবেইন এই দিন উপলক্ষ্যে একত্রে জমায়েত হয়ে নবী মুহাম্মাদের সম্মানে কবিতা আবৃত্তি করতো ও গান গাইতো। ১৫৮৮ সালে অটোমান শাসকেরা দিনটিতে অফিশিয়াল ছুটি ঘোষণা করে যা মেভলিদ কান্দিল নামে পরিচিত। মিশর শহর পৃথিবীর অনেক অংশে সুফি সাধুদের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানকেও মেভ্লিদ কান্দিল বলা হয়।

ইসলামের প্রায় অধিকাংশ শাখা নবী মুহাম্মাদের জন্মদিন পালনের স্বীকৃতি দিলেও ওয়াহাবী/সালাফি এবং দেওবন্দী তরীকা সহ কিছু শাখা জন্মোৎসব পালনকে অস্বীকার করে একে বিদাত হিসেবে ঘোষণা করে। ওয়াহাবী/সালাফি পন্থী সৌদিআরব এবং কাতার ব্যতীত সকল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা