প্রধান মেনু খুলুন

ভাত দে

আমজাদ হোসেন পরিচালিত ১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র

ভাত দে , এটি ১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী চলচ্চিত্রবাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন ছবিটির সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন । ছবিটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলমগীর, শাবানা, রাজীব, আনোয়ার হোসেন, শিশুশিল্পী হিসেবে আঁখি আলমগীর

ভাত দে
ভাত দে.jpg
ডিভিডি কভার
পরিচালকআমজাদ হোসেন [১]
প্রযোজকআবু জাফর খান
রচয়িতাআমজাদ হোসেন
শ্রেষ্ঠাংশেআলমগীর
শাবানা
রাজীব
আনোয়ার হোসেন
সুরকারআমজাদ হোসেন
আলাউদ্দিন আলী
মুক্তি১৯৮৪[১]
দেশ বাংলাদেশ
ভাষাবাংলা ভাষা

ছবিটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিচালক আমজাদ হোসেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পরিচালক,চিত্রনাট্যকার ও সংলাপ রচয়িতা (১৯৮৪) পুরস্কার লাভ করেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

কাহিনী সংক্ষেপসম্পাদনা

জরি একজন গরিব বাউল শিল্পীর মেয়ে। যে কিনা ছোটবেলায় অভাবের কারনে মাকে হারায়, অন্ধ বাউল বাবাকে নিয়ে ছোট বেলা থেকেই যার সংগ্রামী ও অতি অভাব অনটনের সংসার। জরি যখন বড় হয় একদিন তাঁর বাবাও দুমুঠো ভাত যোগাড় করতে গিয়ে মারা যায়। এরপর থেকে সহায় সম্বলহীন এক অসহায় দরিদ্র 'জরি'র অতি করুন কাহিনীর একটি সফল চিত্ররুপ 'ভাত দে' ছবিটি।

নির্মাণ ইতিহাসসম্পাদনা

ছবিটির পরিচালক আমজাদ হোসেন ঢাকা ক্লাবের একটি নির্জন রুমে এক মাস টানা কাজ করে স্ক্রিপ্ট রেডি করেছিলেন। ঢাকার অনেক সাংবাদিকদের সামনে মানিকগঞ্জের নদীর পাড়ে প্রথম দিন শুটিং হয়েছিল। আমজাদ হোসেন স্পটটি এমনভাবে তৈরি করেছিলেন যে একটি ভাঙাচোরা বাড়ি, পাশে বাঁশঝাড়। বাড়িটির চালে বাঁশের আগা বাতাস হলেই বাড়ি খায়। সেখানে অভাগিনী বেশে শাবানা বাস করবেন। কিন্তু শাবানা যখন শট দিচ্ছিলেন তখন তার পড়নে ইস্ত্রি করা শাড়ি ছিল যা একেবারে ভিখারি গোছের চরিত্রের সঙ্গে মানাচ্ছিলনা। তারপর মানিকগঞ্জের এক গরিব মহিলার একটি শাড়ি জোগাড় করে শুটিংটি করতে হয়েছিল।[২]

শ্রেষ্ঠাংশেসম্পাদনা

কলাকুশলীবৃন্দসম্পাদনা

সম্মাননাসম্পাদনা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসম্পাদনা

১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ সিনেমাটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কারসহ মোট নয়টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পুরস্কার জেতে।[১]

আন্তর্জাতিক সম্মননাসম্পাদনা

বাংলা ছবির মধ্যে ‘ভাত দে’ ছবিটি প্রথম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে অংশ নিয়েছিল।[৪]

সংগীতসম্পাদনা

সাউন্ড ট্র্যাকসম্পাদনা

ট্র্যাক গান কন্ঠশিল্পী নোট
কত কানলাম কত ডাকলাম আইলা না তপন চৌধুরী
গাছের একটা পাতা ঝরলে,কাছের একটা মানুষ মরলে খবর তো কেউ রাখে না সৈয়দ আব্দুল হাদী
চিনেছি তোমারে,আকারে প্রকারে,দিনের আলো রাতের আধারে সাবিনা ইয়াসমিন
তিলে তিলে মইরা জাইমু,তবু তোরে ডাকবো না

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "বিডিনিউজ২৪"। ২৮ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৩ 
  2. কালের কণ্ঠ
  3. বিবিসি বাংলা
  4. দৈনিক আমদের সময়