কালীগঞ্জ উপজেলা, লালমনিরহাট

লালমনিরহাট জেলার একটি উপজেলা

কালীগঞ্জ বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

কালীগঞ্জ
উপজেলা
কালীগঞ্জ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কালীগঞ্জ
কালীগঞ্জ
বাংলাদেশে কালীগঞ্জ উপজেলা, লালমনিরহাটের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৫৮′৩.৪″ উত্তর ৮৯°১২′২৪.৫″ পূর্ব / ২৫.৯৬৭৬১১° উত্তর ৮৯.২০৬৮০৬° পূর্ব / 25.967611; 89.206806স্থানাঙ্ক: ২৫°৫৮′৩.৪″ উত্তর ৮৯°১২′২৪.৫″ পূর্ব / ২৫.৯৬৭৬১১° উত্তর ৮৯.২০৬৮০৬° পূর্ব / 25.967611; 89.206806 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলালালমনিরহাট জেলা
আয়তন
 • মোট২৩৬.৯৪ বর্গকিমি (৯১.৪৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২,৪৫,৫৯৫[১]
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৭.৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৫২ ৩৯
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

অবস্থানসম্পাদনা

কালীগঞ্জ উপজেলার আয়তন ২৩৬.৯৬ বর্গ কিলোমিটার। এর উত্তরে হাতীবান্ধা উপজেলা ও ভারতের কুচবিহার জেলা, পূর্বে আদিতমারী উপজেলা, পশ্চিমে জলঢাকা উপজেলা (নীলফামারী জেলা) এবং দক্ষিণে গংগাচড়া উপজেলাকিশোরগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকাসম্পাদনা

এই উপজেলায় ৮টি ইউনিয়ন রয়েছে; এগুলো হলোঃ

তুষভান্ডার জমিদার বাড়ী কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম মৌজায় অবস্থিত। ইতিহাস বিশ্লেষণে জানা যায়, মহারাজা প্রাণ নারায়ণের সময় “রসিক রায় বিগ্রহ’ (কৃষ্ণবিগ্রহ) নিয়ে ১৬৩৪ খ্রিষ্টাব্দে তুষভান্ডার জমিদার বংশের আদিপুরুষ মুরারি দেব ঘোষাল ভট্রাচার্য ২৪ পরগনা/কলিকাতার জয় নগর থেকে কোচবিহারে আগমণ করেন এবং উপেঞ্চৌকি ব্যবস্থায় একটি তালুক লাভ করে এখানে বসতি সহাপন করেন।

তৎকালে ধর্মীয় কার্যাদির জন্য উপঞ্চৌকি ব্যবস্থায় ভূমি দান করা হতো। মুরারি দেব ঘোষাল ভট্রাচার্য ব্রাহ্মণ হওয়ায় শূদ্র রাজার দান ভোগে আপত্তি উত্থাপন করেন এবং প্রদত্ত সম্পত্তির জন্য খাজনা গ্রহণের আবেদন জানান। মহারাণী অবশেষে খাজনা স্বরূপ ধানের তুষ গ্রহণে সম্মত হন। খাজনা স্বরূপ প্রদানের জন্য তুষ সংগ্রহ করে বর্তমানে জমিদার বাড়ীর পূর্ব পাশে অনতিদূরে স্তুপাকারে রাখা হতো এবং পরে তা কোচবিহার রাজবাড়ীতে প্রেরণ করা হতো। এ তুষ দিয়ে রাজবাড়ীতে বিভিন্ন ধরনের যজ্ঞানুষ্ঠান সম্পাদন করা হতো। জনশ্রুতি মতে, সংগৃহীত তুষের স্তুপের কারণে তৎকালে স্থানটি তুষভান্ডার (তুষের ভান্ডার) হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।

ব্রাহ্মন মুরারি দেব ভট্রাচার্যের মাধ্যমে তুষভান্ডার জমিদারীর গোড়াপত্তন ঘটে, আর ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে জমিদার গিরীন্দ্র মোহন রায় চৌধুরীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সুদীর্ঘ চারশত বছরের জমিদারীর সমাপ্তি ঘটে।

শিক্ষা ব্যবস্থাসম্পাদনা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসম্পাদনা

  • সরকারি টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট, সরকারি লাইভস্টোক সাইন্স এন্ড টেকনোলজি
  • টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ,
  • শেখ রাসেল মা ও শিশু হাসপাতাল
  • করিমুদ্দিন সরকারি কলেজ, কালীগঞ্জ,
  • শামসুদ্দিন কমরুদ্দিন ডিগ্রি কলেজ

চাপারহাট,

  • চাপারহাট বি এম কলেজ চাপারহাট,
  • হাজরানীয়া ডিগ্রি কলেজ
  • শাখাতী উচ্চ বিদ্যালয়,
  • চামটাহাট উচ্চ বিদ্যালয়,
  • কেইউপি উচ্চ বিদ্যালয়,
  • চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয়
  • হাজরানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়

এছাড়াও রয়েছে কিছু কিন্ডারগার্টেন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

অর্থনীতিসম্পাদনা

অর্থনীতির মেরুদন্ড কৃষি। কৃষিজাত পণ্যের মধ্যে ধান.পাট, তামাক, ভুট্টা, গম, শাক-সবজি উল্লেখযোগ্য।

ঐতিহাসিক নিদর্শন ও ঐতিহ্যসম্পাদনা

কৃতী ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কালীগঞ্জ উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগসম্পাদনা