শ্রীবরদী উপজেলা

শেরপুর জেলার একটি উপজেলা

শ্রীবরদী উপজেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। এই উপজেলায় মোট দশটি ইউনিয়ন রয়েছে।

শ্রীবরদী
উপজেলা
শ্রীবরদী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
শ্রীবরদী
শ্রীবরদী
বাংলাদেশে শ্রীবরদী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৯′০″ উত্তর ৮৯°৫৪′২″ পূর্ব / ২৫.১৫০০০° উত্তর ৮৯.৯০০৫৬° পূর্ব / 25.15000; 89.90056স্থানাঙ্ক: ২৫°৯′০″ উত্তর ৮৯°৫৪′২″ পূর্ব / ২৫.১৫০০০° উত্তর ৮৯.৯০০৫৬° পূর্ব / 25.15000; 89.90056 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগময়মনসিংহ বিভাগ
জেলাশেরপুর জেলা
প্রতিষ্ঠা১৫ নভম্বের, ১৯৮২ খ্রিঃ
আয়তন
 • মোট২৫২.৪৪ বর্গকিমি (৯৭.৪৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,৫৯,৬৪৮
 • জনঘনত্ব১,০০০/বর্গকিমি (২,৭০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৩৬%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৮৯ ৯০
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

অবস্থান ও আয়তনসম্পাদনা

ভৌগলিক ভাবে শ্রীবরদী উপজেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য ও গারো পাহাড় ; পশ্চিমে জামালপুর জেলার বক্সীগঞ্জইসলামপুর উপজেলা; পূর্বে শেরপুর সদরঝিনাইগাতী উপজেলা। ভারতের সাথে এই উপজেলার ১০ কিলোমিটার ব্যাপী আন্তর্জাতিক সীমান রয়েছে।

প্রশাসনিক এলাকাসম্পাদনা

এই উপজেলার পৌরসভা ১টি, ইউনিয়ন ১০টি।

পৌরসভা

ইউনিয়নগুলো হচ্ছে -

ইতিহাসসম্পাদনা

১৯৮৪ সালে শেরপুরকে জেলা করা হলে শ্রীবরদীকে উপজেলা ঘোষণা করা হয়।

নামকরণঃ

এর নামকরণ নিয়ে নানান কথা থাকলেও দুটি মত বহুল প্রচলিত। এর একটি হলো, গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলটি পাহাড়ি বন-বনানীর অপার সৌন্দের্যের লীলাভুমি বিধায় এ এলাকার শ্রী বর্ধন করত; এ থেকে শ্রীবর্ধন এবং শ্রীবর্ধন থেকে পরবর্তীতে শ্রীবরদী নাম হয়। অপর মতটি হচ্ছে, শ্রীবরদা সুন্দরী নামানুসারে শ্রীবরদীর উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। এটাই বহুল প্রচলিত মত। অপরদিকে শ্রী শম্ভুনাথ তালুকদারের তালুক থাকার কারণে অনেকে শ্রীবরদীকে শ্রীবরদী-শম্ভুগঞ্জ বলে থাকে; তবে উপজেল সদরের মৌজার নাম শম্ভুগঞ্জ নামে রাখা হয়েছে।

জনসংখ্যার উপাত্তসম্পাদনা

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুসারে এখানকার মোট জনসংখ্যা ২,২৮,১৯৪ জন। অধিকাংশ জনগোষ্ঠী মুসলমান হলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং পাহাড়ী এলাকায় অনেক আদিবাসীদের বসবাস রয়েছে।

শিক্ষাসম্পাদনা

কলেজ : শ্রীবরদী সরকারী কলেজ,  সরকারী মহিলা ডিগ্রী কলেজ, 

বিদ্যালয় : সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও এমপিও ভুক্ত বালক উচ্চ বিদ্যালয়। মাদ্রাসা : শ্রীবরদী ইসলামিয়া কামিল(এম.এ.) মাদ্রাসা, ফতেহপুর ফাযিল(বি.এ.) মাদ্রাসা, কাকিলাকুড়া ফাযিল(বি.এ.) মাদ্রাসাসহ অনেক আলিম, দাখিল ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসা রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় : অসংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ।

স্বাস্থ্যসম্পাদনা

স্বাস্থ্য খাতে অনেক টা পিছিয়ে আছে এ উপজেলার মানুষ । ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যা বর্তমানে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে, তবে ডাক্তার ও সরঞ্জামাদির অভাবে এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যাতিত কোন রোগী রাখা হয় না পাঠিয়ে দেয়া হয় জেলা সদর হাসপাতালে।

কৃষিসম্পাদনা

অর্থনীতিসম্পাদনা

শ্রীবরদীর অর্থনীতি মূলত কৃষি নির্ভর। ধান এবং পাট প্রধান ফসল।

যোগাযোগ ব্যবস্থাসম্পাদনা

কৃতী ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জমির উদ্দিন আহমেদ (আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং প্রথম মুক্তিযুদ্ধা সংসদ কমান্ডার)

বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক মুন্সী ( বীর প্রতীক বার)

শহীদ শাহ মুতাসিম বিল্লাহ খুররম (মরণোত্তর বীর বিক্রম)

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ খসরু এড. আঃ হালিম এম.পি.

কবি হাসান নাশিদ

দর্শনীয় স্থানসম্পাদনা

  • জরিপ শাহ মাজার
  • বারদুয়ারী মসজিদ
  • গড়জরিপা কালিদহগাং ডিঙি
  • জংলী পীরের মাজার
  • কর্নজোড়া রাবারবাগান
  • খড়িয়া ব্রিজ। Khoria bridge

বিবিধসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে শ্রীবরদী উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৫ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা