লাল (635 nm), সবুজ (532 nm), এবং নীল-বেগুনী (445 nm) লেজার

লেজার একটি আক্ষরিক নাম। ইংরেজি অক্ষর LASER এর L হল Light, A হল Amplification, S হল Stimulated, E হল Emission, R হল Radiation; অর্থাৎ LASER এর পূর্ণ শব্দটি হল Light Amplification by Stimulated Emission Radiation.[১][২] অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধনচার্লস হার্ড টাউনসআর্থার লিওনার্ড শলোএর তাত্তিক কাজের ভিত্তিতে ১৯৬০ সালে থিওডোর হ্যারল্ড মাইম্যান হিউজেস রিসার্চ ল্যাবটরিসএ প্রথম লেজার তৈরী করেন।[৩][৪][৫] সাধারন আলোতে বিভিন্ন মাপের তরঙ্গ থাকে। একই বর্ণের আলোতে একই মাপের তরঙ্গ থাকলেও তারা বিভিন্ন তলে চলে। কিন্ত লেজারে সব তরঙ্গই হয় একই মাপের এবং তারা চলে একই তলে অর্থাৎ লেজার রশ্মি সংসক্ত। এ রশ্মি অত্যন্ত ঘন সংবদ্ধ একমুখী বলে তা অনেক পথ অতিক্রম করতে পারে এবং এরা মাত্র কয়েক মাইক্রন (১ মাইক্রন = ১০-৩ মি. মি.) চওড়া। এজন্য এতে প্রচণ্ড তাপশক্তি সঞ্চার করা সম্ভব হয় এবং তাপমাত্রা সূর্য পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়েও বেশি হয়। ফলে লেজার রশ্মি দিয়ে মানুষের একটা চুলকেও ছিদ্র করা সম্ভব।[৬]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "laser"Dictionary.com। সংগ্রহের তারিখ মে ১৫, ২০০৮ 
  2. Taylor, Nick (২০০০)। Laser: The Inventor, The Nobel Laureate, and The Thirty-Year Patent War। Simon & Schuster। আইএসবিএন 978-0684835150 
  3. Bertolotti, Mario (২০০৫)। The History of the Laser। Institute of Physics Publishing। পৃষ্ঠা 226–234আইএসবিএন 0750309113 
  4. Townes, Charles H. (২০০৩)। Laura Garwin and Tim Lincoln, সম্পাদক। "The First Laser"A Century of Nature: Twenty-One Discoveries that Changed Science and the World। University of Chicago Press। পৃষ্ঠা 107–12। 
  5. "Maiman Builds First Working Laser"Physics History: May 16, 1960। APS News 19। মে ২০১০। 
  6. উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র-মোঃ আব্দুল গনি, সুশান্ত সরকার, অচিন্ত্য দত্ত

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

১.* অর্ধপরিবাহী লেজার - বিভিন্ন ধরনের ' - অর্ধপরিবাহী লেজার পাওয়া যায় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের