প্রধান মেনু খুলুন

ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি

রুশ সাহিত‍্যিক

ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি (রুশ: Фёдор Миха́йлович Достое́вский ফিওদোর মিখাইলোভিচ দস্তইয়েফ্‌স্কি) (নভেম্বর ১১, ১৮২১ফেব্রুয়ারি ৯, ১৮৮১) বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক। তার অনেক রচনাই বিশ্বসাহিত্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। তার প্রধান সাহিত্যকর্মের মধ্যে তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে অপরাধ ও শাস্তি(Crime and Punishment), মৃত্যুপুরী (The House of the Dead), ইডিয়ট (The Idiot), ভূতলবাসীর আত্মকথা (Notes from Underground or Letters from the Underworld) উল্লেখযোগ্য। দস্তয়েভ্‌স্কির রচিত নোটস ফ্রম আন্ডারগ্রাউন্ড (The Notes from Underground) অস্তিত্ববাদী দর্শনের ভিত্তি গড়তে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।

ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি
ভ্যাসিলি পেরভের আঁকা ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কির প্রতিকৃতি
ভ্যাসিলি পেরভের আঁকা ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কির প্রতিকৃতি
জন্মফিওদোর মিখাইলোভিচ দস্তয়েভ্‌স্কি
(১৮২১-১১-১১)১১ নভেম্বর ১৮২১
মস্কো, মস্কো গভর্নরেট, রুশ সাম্রাজ্য
মৃত্যু৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৮১(1881-02-09) (বয়স ৫৯)
সেন্ট পিটার্সবার্গ, রুশ সাম্রাজ্য
পেশা
জাতীয়তারুশ
শিক্ষামিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং-টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট পিটার্সবার্গ
ধরন
  • উপন্যাস
  • ছোটগল্প
  • সাংবাদিকতা
বিষয়
  • মনস্তত্ত্ব
  • দর্শন
  • খ্রিস্টধর্ম
সাহিত্য আন্দোলনবাস্তবতাবাদ
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি
সক্রিয় বছর১৮৪৬–১৮৮০
দাম্পত্যসঙ্গী
সন্তান
  • সোনিয়া (১৮৬৮-১৮৬৮)
  • লুবভ (১৮৬৯–১৯২৬)
  • ফিওদোর (১৮৭১–১৯২২)
  • আলেক্সেই (১৮৭৫–১৮৭৮)

স্বাক্ষর

জীবনীসম্পাদনা

জন্ম ও শৈশবসম্পাদনা

ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি ১৮২১ সালের ১১ই নভেম্বর [পুরনো রীতি ৩০শে অক্টোবর] জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ডক্টর মিখাইল দস্তয়েভ্‌স্কি ও মাতা মারিয়া দস্তয়েভ্‌স্কায়া (জন্মনাম: নেচায়েভা)। ফিওদোর দরিদ্রদের জন্য নির্মিত মারিন্‌স্কি হাসপাতাল এলাকায় তার পারিবারিক বাড়িতে বেড়ে ওঠেন, এটি ছিল মস্কোর সীমান্তবর্তী নিম্নবিত্ত শ্রেণির জেলা।[১] হাসপাতালের মাঠে খেলার সময় হাসপাতালে আগন্তুক রোগীদের সাথে তার সাক্ষাৎ হত, যারা ছিল রুশ সামাজিক স্তরের সর্বনিম্ন শ্রেণির জনগণ।[২]

দস্তয়েভ্‌স্কি শৈশবেই সাহিত্যের সাথে পরিচিত হন। তিন বছর বয়স থেকে তার দাত্রী আলেনা ফ্রোলভ্‌না তাকে বীরত্বপূর্ণ গাঁথা, রূপকথার গল্প ও কিংবদন্তির গল্প পড়ে শুনাতেন। আলেনা তার লালনপালন ও কল্পকাহিনির প্রতি ভালোবাসা অর্জনে প্রভাব রেখেছিলেন।[৩] তার যখন চার বছর বয়স তার মাতা তাকে পড়া ও লেখা শিক্ষা দিতে বাইবেল ব্যবহার করতেন। তার পিতামাতা তাকে বিপুল পরিমাণ সাহিত্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, তন্মধ্যে রয়েছে রুশ লেখক কারামজিন, আলেক্সান্দ্‌র পুশকিন, ও দেরঝাভিন; গথিক কল্পকাহিনি যেমন অ্যান র‍্যাডক্লিফ; শিলার ও গ্যোটের প্রণয়ধর্মী কর্মসমূহ; সের্ভান্তিসওয়াল্টার স্কটের বীরত্বপূর্ণ গাঁথা; এবং হোমারের মহাকাব্য।[৪][৫] যদিও শিক্ষার ব্যাপারে তার পিতা কঠোর ছিলেন,[৬] তবে দস্তয়েভ্‌স্কি বলেন যে তার পিতামাতার রাতে তাকে গল্প পড়ে শুনানো তার চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করেছিল।[২]

যৌবন (১৯৩৬-১৯৪৩)সম্পাদনা

 
সামরিক প্রকৌশলী হিসেবে দস্তয়েভ্‌স্কি

দস্তয়েভ্‌স্কির মাতা যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৮৩৭ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর মারা যান। এর পূর্বের মে মাসে তার পিতামাতা তাকে ও তার ভাইকে সাংক্‌ত পিতেরবুর্গের (সেন্ট পিটার্সবার্গ) নিকলায়েভ মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি করান, যা তারা দুই ভাইকে শিক্ষায়তনিক অধ্যয়ন ত্যাগ করে সামরিক কর্মজীবন শুরু করতে বাধ্য করে। দস্তয়েভ্‌স্কি ১৮৩৮ সালের জানুয়ারি মাসে তার পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় একাডেমিতে প্রবেশ করেন। স্বাস্থ্যগত কারণে মিখাইলকে সেখানে ভর্তি করা হয়নি এবং তাকে এস্তোনিয়ার রেভালের একাডেমিতে পাঠানো হয়।[৭][৮]

১৮৩৮ সালের ৯ই আগস্ট ভাইকে লেখা চিঠিতে জানালেন যে শেকসপিয়র এবং প্যাস্কেলের সব সাহিত্যকর্ম, বালজাকের অধিকাংশ, গ্যোটে রচিত ফাউস্ট এবং ভিক্টর হুগোর প্রায় সব রচনা পড়ে শেষ করেছেন। ১৮৩৯ সালের ১৬ই জুন দস্তয়েভ্‌স্কির পিতার মৃত্যু তাকে প্রবল ভাবে প্রভাবিত করে। তার পিতার মৃত্যুর খবর শুনে তার প্রথম মৃগী রোগের লক্ষণ দেখা দেয়।[৯] তার পিতার মৃত্যুর কারণ ছিল হঠাৎ উত্তেজিত হওয়ার ফলে পক্ষাঘাত, কিন্তু পাভেল খতিয়াইন্তসেভ নামে একজন প্রতিবেশী জানান যে তিনি তার অধীনস্ত ভূমিদাসদের হাতে নিহত হন। ভূমিদাসরা তুলায় এক এজহারে বেকসুর খালাস লাভ করে, কিন্তু দস্তয়েভ্‌স্কির ভাই আন্দ্রেই গল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখে।[১০] পিতার মৃত্যুর পর দস্তয়েভ্‌স্কি তার অধ্যয়ন চালিয়ে যান, পরীক্ষায় পাস করেন এবং প্রকৌশলী ক্যাডেট পদ অধিকার করে একাডেমি ত্যাগ করেন। তিনি রেভালে তার ভাই মিখাইলের সাথে দেখা করতে চান এবং প্রায়ই কনসার্ট, অপেরা, মঞ্চনাটক ও ব্যালে উপভোগ করতে যেতেন। এই সময়ে তার দুই বন্ধু তাকে জুয়া খেলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।[১১][১২]

১৮৪১ সালে তিনি সামরিক কলেজে কমিশন লাভ করেন। পরের বছর ১৮৪২ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট পদ লাভ করেন। ১৮৪৩ সালের ১২ আগস্ট তিনি সামরিক বাহিনীর প্রকৌশল বিভাগে সেনা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তিনি মিখাইলের বন্ধু ডক্টর রিজেনকাম্ফের একটি অ্যাপার্টমেন্টে আডলফ তোৎলেবেনের সাথে থাকতেন। রিজেনকাম্ফ তার সম্পর্কে বলেন যে তিনি "তার ভাইয়ের চেয়ে কোন অংশে কম ভালো ও ভদ্র নয়; কিন্তু যখন তার মনের ভাব খারাপ থাকে তিনি প্রায়ই সবকিছু তিক্তভাবে দেখেন, উত্যক্ত হয়ে যান, সদাচার ভুলে যান এবং আত্ম-সচেতনতা ভুলে যান।"[১৩] বালজাকের ইউজিনি গ্রঁদে উপন্যাসের অনুবাদ তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রকাশিত হয়। এটি ১৮৪৩ সালের জুন ও জুলাই মাসে রেপার্তোয়ার অ্যান্ড পান্থেয়ন সাময়িকীর ষষ্ঠ ও সপ্তম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।[১৪][১৫] পরবর্তী কালে তার আরও কয়েকটি অনুবাদ প্রকাশিত হয়, যার কোনটিই সফল হয়নি, এবং তিনি তার আর্থিক সংকটের জন্য একটি উপন্যাস লিখতে বাধ্য হন।[১৬][১২]

প্রারম্ভিক কর্মজীবন (১৯৪৪-১৯৪৯)সম্পাদনা

 
দস্তয়েভ্‌স্কি, ১৮৪৭

১৮৪৫ সালের মে মাসে তিনি তার প্রথম উপন্যাস পুওর ফোক লেখা শেষ করেন। তার বন্ধু দিমিত্রি গ্রিগরভিচ পাণ্ডুলিপিটি কবি নিকলাই নেক্রাসভের কাছে নিয়ে যান। নেক্রাসভ এটি প্রখ্যাত ও প্রভাবশালী সাহিত্য সমালোচক ভিসারিয়ন বেলিন্‌স্কিকে দেখান। বেলিন্‌স্কি এটিকে রাশিয়ার প্রথম "সামাজিক উপন্যাস" বলে অভিহিত করেন।[১৭] ১৮৪৬ সালের ১৫ই জানুয়ারি সাংক্‌ত পিতেরবুর্গ কালেকশন থেকে পুওর ফোক উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং ব্যবসায়িকভাবে সফলতা লাভ করে।[১৮][১৯] এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে তিনি সাহিত্য জগতে পুরোপুরি প্রবেশ এবং সমালোচকরা তাকে গোগলের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে অভিহিত করেন।

দস্তয়েভ্‌স্কি মনে করতে থাকেন যে তার সামরিক কর্মজীবন হয়ত তার প্রসারমান সাহিত্য জীবন হুমকি হতে পারে। দস্তয়েভ্‌স্কি সামরিক বাহিনী থেকে পদত্যাগের চিঠি লিখেন এবং পুরোদমে সাহিত্য রচনায় মন দেন। কিছুদিন পর তিনি তার দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য ডাবল রচনা করেন। এটি ১৮৪৬ সালের ৩০শে জানুয়ারি নোটস অব দ্য ফাদারল্যান্ড সাময়িকীতে প্রকাশিত হয় এবং পরে ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। একই সময়ে তিনি ফরাসি চিন্তাবিদ ফুরিয়ে, কাবে, প্রুধোঁ ও সাঁ-সিমোঁর লেখনীর মাধ্যমে সমাজতন্ত্র সম্পর্কে জানতে পারেন। বেলিন্‌স্কির সাথে তার সম্পর্কের ফলে তিনি সমাজতন্ত্রের দর্শন সম্পর্কে বিস্তৃত জ্ঞান লাভ করেন। তিনি এর যুক্তি, ন্যায়বিচারের জ্ঞান ও নিঃস্ব ও অভাবগ্রন্তদের পুনঃপেশায় যোগদানের দর্শনে আকৃষ্ট হন। তবে বেলিন্‌স্কির সাথে তার সম্পর্কে ফাটল ধরতে থাকে কারণ বেলিন্‌স্কির নাস্তিক্য ও ধর্ম অপছন্দ দস্তয়েভ্‌স্কির রুশ গোঁড়াবাদী বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে। দস্তয়েভ্‌স্কি অচিরেই বেলিন্‌স্কি এবং তার সহযোগীদের থেকে আলাদা হয়ে যান।[২০][২১]

১৮৪৯ সালে অ্যানালস্‌ অব দ্য ফাদারল্যান্ড সাময়িকীতে নেতচ্‌কা নেজভানভা উপন্যাসের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। দস্তয়েভ্‌স্কি ১৮৪৬ সাল থেকে এই বইটির লেখার পরিকল্পনা করছিলেন। প্রথম খণ্ড প্রকাশের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে দস্তয়েভ্‌স্কি আর বাকি লেখা শেষ করেননি।[২২]

সাইবেরিয়ায় নির্বাসন (১৯৪৯-১৯৫৪)সম্পাদনা

  • ১৮৪৯- ইউটোপীয় সমাজবাদী চিন্তাবিদদের সাথে যোগ দেয়ার অপরাধে ৪ঠা এপ্রিল গ্রেফতার হলেন। ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদন্ড দেয়া হল তাকে। শেষমুহুর্তে দন্ড রদ করা হয়। নতুন দন্ড ৪ বছরের কারাবাস।
  • ১৮৫০- প্রথমে ছিলেন সাংক্‌ত পেতের্বুর্গে পেত্রপাভ্‌লস্ক কারাগারে। পরে নেয়া হল ওম্‌স্‌কের একটি কারাগারে।
  • ১৮৫৪-মার্চ এ ছাড়া পেলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীতে ভাড়াটে সেনা হিসেবে যোগ দিতে বাধ্য করা হল।

কারামুক্তি ও প্রথম বিবাহ (১৯৫৪-১৯৬৬)সম্পাদনা

  • ১৮৬১-হাউস অফ দ্য ডেড প্রকাশ পেল।
  • ১৮৬২-ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড বেড়াতে গেলেন।

দ্বিতীয় বিবাহ (১৯৬৬-১৯৭১)সম্পাদনা

  • ১৮৬৬- ক্রাইম এন্ড পানিশ্‌মেন্ট প্রকাশিত হল।
  • ১৮৬৮- দ্য ইডিয়ট প্রকাশিত হল।

উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মসম্পাদনা

উপন্যাসসম্পাদনা

  • পুওর ফোক (Poor Folk), প্রকাশকাল ১৮৪৬
  • দি ডাবল: এ পিটার্সবার্গ পয়েম (The Double: A Peterburg Poem), প্রকাশকাল ১৮৪৬
  • নেতচকা নেজভানোভা (Netochka Nezvanova), প্রকাশকাল ১৮৪৯
  • দি ভিলেজ অফ স্টেপানচিকোভো (The Village of Stephanchikovo), প্রকাশকাল ১৮৫৯
  • দি হাউজ অফ দি ডেড (The House of the Dead), প্রকাশকাল ১৮৬০
  • দি ইনসালটেড এ্যান্ড হিউমিলিয়েটেড (The Insulted and Humiliated), প্রকাশকাল ১৮৬১
  • এ ন্যাস্টি স্টোরি (A Nasty Story), প্রকাশকাল ১৮৬২
  • নোটস ফ্রম আন্ডারগ্রাউন্ড (Notes from Underground), প্রকাশকাল ১৮৬৪
  • ক্রাইম এ্যান্ড পানিসমেন্ট (Crime and Punishment), প্রকাশকাল ১৮৬৬
  • দি গ্যাম্বলার (The Gambler), প্রকাশকাল ১৮৬৭
  • দি ইডিয়ট (The Idiot), প্রকাশকাল ১৮৬৯
  • দি র ইউথ (The Raw Youth), প্রকাশকাল ১৮৭৫
  • দি ব্রাদারস কারামাজভ, (The Brother Karamazov), প্রকাশকাল ১৮৮০
  • এ রাইটার্স ডায়েরী (A Writer's Diary), প্রকাশকাল ১৮৭৩-১৮৮১, দুইখন্ডে প্রকাশিত ।

গল্পসম্পাদনা

  • হোয়াইট নাইটস, (White Nights), প্রকাশকাল ১৮৪৮
  • এ ক্রিস্টমাস ট্রি এ্যান্ড এ ওয়েডিং, (A Christmas Tree and a Wedding), প্রকাশকাল ১৮৪৮
  • এ উইক হার্ট (A Weak Heart), প্রকাশকাল ১৮৪৮
  • এ হনেস্ট থিফ, (An Honest Thief), প্রকাশকাল ১৮৪৮
  • দি এটারনাল হাজব্যান্ড, (The Eternal Husband), প্রকাশকাল ১৮৭০
  • দি পিজ্যান্ট ম্যারি, (The Peasant Marey), প্রকাশকাল ১৮৭৬
  • দি ড্রিম অফ এ রিডিকুলাস ম্যান, (The Dream of a Ridiculous Man), প্রকাশকাল ১৮৭৭
  • এ জেন্টল ক্রিয়েচার, (A Gentle Creature), প্রকাশকাল ১৮৭৬

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. ব্লুম ২০০৪, পৃ. ৯।
  2. ব্রেজার ২০০৮, পৃ. ৭২।
  3. লিদারব্যারো ২০০২, পৃ. ২৩।
  4. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ৬-১১।
  5. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ২৩-৫৪।
  6. মচুল্‌স্কি ১৯৬৭, পৃ. ৪।
  7. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ১৭-২৩।
  8. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ৬৯-৯০।
  9. সেকিরিন ১৯৯৭, পৃ. ৫৯।
  10. লানৎজ ২০০৪, পৃ. ১০৯।
  11. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ৩১–৩৬।
  12. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ৬৯–১১১।
  13. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ১১৪–১১৫।
  14. ব্রেজার ২০০৮, পৃ. ১০৪।
  15. গ্রসম্যান, লেওনিড (২০১১)। Достоевский [Dostoevsky] (রুশ ভাষায়)। এএসটি। পৃষ্ঠা ৫৩৬। 
  16. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ৩৬–৩৭।
  17. সেকিরিন ১৯৯৭, পৃ. ৭৩।
  18. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ১১৩–১৫৭।
  19. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ৪২–৪৯।
  20. ফ্র্যাঙ্ক ১৯৭৯, পৃ. ১৫৯–১৮২।
  21. কিয়েৎসা ১৯৮৯, পৃ. ৫৩–৫৫।
  22. মচুল্‌স্কি ১৯৬৭, পৃ. ৯৯–১০১।

বহিঃসংযোগসম্পাদনা