কালী মাতা মন্দির, মোড়াকরি

ফান্দাউক ও মোড়াকরি গ্রামের প্রাচীনতম কালী মাতার মন্দির।

শ্রীশ্রী কালী মাতার মন্দির বাংলাদেশের বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম। জনশ্রুতি মতে, প্রায় ১০৮ বছর পূর্বে কালী মাতা দেবীর এই স্থানে অলৌকিকভাবে প্রকাশ ঘটে। এটি বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলা লাখাই উপজেলা ফান্দাউকমোড়াকরি গ্রামের মধ্যস্থলে অবস্থিত।

শ্রীশ্রী কালী মাতার মন্দির
কালী মাতা মন্দির, মোড়াকরি.jpg
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিহিন্দুধর্ম
জেলাহবিগঞ্জ
উৎসবশ্রীশ্রী শ্যামা পূজা, শিব পূজা, বলভদ্র নদীতে মহাঅষ্টমী স্নান।
অবস্থান
অবস্থানফান্দাউক ও মোড়াকরি এর মধ্যস্থলে অবস্থিত।
দেশবাংলাদেশ
স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলীতাঁরা পীঠ মন্দির, ভারত
প্রতিষ্ঠার তারিখ১৩২০ বঙ্গাব্দ

ইতিহাসসম্পাদনা

শ্রী শ্রী কালী মাতার মন্দির আনুুমানিক বাংলা ১৩২০ সনের অলৌকিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। মন্দিরটি ফান্দাউকমোড়াকরি [১]গ্রামের মানুষের যৌথ ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। পুুরাতন মন্দিরটি বদলে তারা পীঠের মন্দিরের আদলে নতুন মন্দির তৈরি করার কাজ বর্তমানে চলছে। এই মন্দিরের নাম অনুসারে ফান্দাউক কালী মন্দির মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে প্রতি বছর মহা অষ্টমী উপলক্ষে কালী মাতার পূূজা অর্চনা করা হয় এবং হাজার হাজার ভক্ত,সাধুরা এই বলভদ্র নদীর তীরে স্নান করে পূূর্ণ লাভ করে[২]

গুরুত্বসম্পাদনা

এই মন্দির অনেক জাগ্রত কালী মন্দির। জানা অজানা অনেক কাহিনী রয়েছে এই মন্দিরের।

কালী মাতার বিগ্রহসম্পাদনা

শ্রী শ্রী কালী মাতা ও শিবের বিগ্রহ অনেক বড় এবং পাথরের।

পূজা ও অর্চনাসম্পাদনা

শ্রী শ্রী শ্যামা পূজার দিন এই মন্দিরে কালী মাতা পূজা হয় ও শিব পূজা করা হয়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "মোড়াকরি ইউনিয়ন"উইকিপিডিয়া। ২০২১-০৭-৩১। 
  2. "বাংলাদেশের হিন্দু মন্দিরের তালিকা"উইকিপিডিয়া। ২০২১-০৮-০৫।