ডঃ প্রফেসর মুহাম্মদ কায়েস উদ্দিন একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, লেখক ও অধ্যাপক। তিনি বাংলাদেশে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন।[১][২][৩] তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম উপাচার্য হিসাবে[৪][৫]বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।[৬] বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

ড. প্রফেসর

মুহাম্মদ কায়েস উদ্দিন
পঞ্চম উপাচার্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
কাজের মেয়াদ
০৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ – ১৯ অক্টোবর ২০০০
মুখ্যমন্ত্রী (চ্যান্সেলর)আব্দুল হামিদ
পূর্বসূরীমুহাম্মদ ইনাম-উল হক
উত্তরসূরীমুহাম্মদ লুৎফর রহমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1937-07-15) ১৫ জুলাই ১৯৩৭ (বয়স ৮৪)
আলীনগর ইউনিয়ন, গোমস্তাপুর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)
জাতীয়তাবাংলাদেশী
প্রাক্তন শিক্ষার্থী
পেশাশিক্ষাবিদ, অধ্যাপক
যে জন্য পরিচিতইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক উপাচার্য

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

কায়েস উদ্দিন ১৯৩৭ সালের ১৫ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলাস্থ আলীনগর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। কায়েস উদ্দিন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স পাশ করেন ১৯৫৭ সালে। ১৯৫৭ সালে স্নাতক পরীক্ষায় ডিস্টিংশনসহ প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করায় রাজশাহী বিশ্বদ্যিালয় কর্তৃপক্ষ কায়েস উদ্দিনকে স্বর্ণপদক প্রদান করে। ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষণার জন্য কমনওয়েল্থ স্কলারশীপ এবং ১৯৭৪ সালে ইম্পেরিয়াল কলেজ অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলোজিতে পোস্ট-ডক্টরেল গবেষণার জন্য কমনওয়েল্থ একাডেমিক স্টাফ ফেলোশিফ লাভ করেন।

ইবিতে নিয়োগ প্রাপ্তিসম্পাদনা

তিনি ১৯৯৭ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন,[৭] এবং এখানে ৩ বছর দায়িত্ব পালনের পরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসাবে যোগদান করেন।[৮]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন তো ইবি উপাচার্য ড.আসকারী!"সংবাদ দর্পণ (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-০৯-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "রাজশাহীর বড় কুঠিতে স্থাপিত হলো ওয়াই ফাই জোন"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫ 
  3. "আরবী বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়"www.facebook.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫ 
  4. ":: দৈনিক জনতা ::"www.djanata.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫ 
  5. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "সংশোধনী ও প্রতিবাদ"Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৮ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. ১১ উপাচার্যের কেউই মেয়াদ শেষ করতে পারেননি
  7. "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫ 
  8. Dainikshiksha। "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেই 'শনির দশা' - Dainikshiksha"Dainik shiksha (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২৫